শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

তোমার জন্যে সুজন

-----------------------------
তোমার জন্যে আলোর আলপিন
খুঁজে চলেছি এই অন্ধকার মৃত
শহরে,
তোমার জন্যে দু:ক্ষ দের রাত চাদরে
ঘুমের দেশে রাখি আজকাল,
তোমার জন্যে অসময় পেরিয়ে
সু খুঁজে চলেছি মহাকালের পথে,
তোমার জন্মতক   বেজন্মা পরিচয়কে
অবলুপ্ত করে রাজরাজেশ্বর এর
পরিচয়ে উদিত বারংবার,
তোমার জন্যে বন্ধুরতা ভেঙে শংখধ্বনি
বাজাই রোজ গোধুলি বেলায়,,
রাত্রি শেষে একটা ঘুম ভাঙা স্বপ্নেভরা
সকাল খুঁজে চলেছি আমাদের জন্যে।
আমাদের জন্যে একটা   দেশ খুঁজে
চলেছি রোজ,  খুঁজে চলেছি একটুকরো
জমি, খুঁজে চলেছি একটা কফিন যেখানে
আমাদের শুধু আমাদের আমরা চিরতরে।

বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ভাবনা

ভেবেছিস জানি অনেকটা যেমন তোর অভ্যেস,
কোনো ধীর স্রোতোস্বিনী আলুথালু বেশে আমি এক
পথিক,
নিজের দিকে তাকিয়ে দেখার সময় নেই,
যে চোখে স্বপ্ন দেখা যায় ,সেই চোখেই বেঁচে থাকা।
এখন যাপন,
আমি জানি ,,,নিস্তব্ধতা আমার বুকের ওঠানামায়,
বিকেলের বারান্দায়  ম্যানিপ্ল্যান্ট গাছটা আজকাল অপেক্ষা করে
অপক্ষা করে  দরজায় লুকোনো ঘুলঘুলি একমুঠো
কনে দেখা আবেশ।
কিছুটা তৃষ্ণা মরে বেঁচে থাকে
আর কিছুটা বাঁচা  গভীরে তোর স্পর্শ আমাতে।
সেই  ধীর চুঁইয়ে যাওয়া
শিরাউপশিরার মাটি ভিজিয়ে, 
তারপর সেই মাটিতে জীবন ,যাপন ,জনপদ ,নির্ভরতা ,আকুলতা
বাঁচা কোনো রোজকার জীবন হয়তো বা যাপন।
শহর থেকে গ্রাম ,তারপর একটা মানচিত্র ছড়িয়ে যায় স্পর্শ
সকলের বাঁচার জন্য একটু জমি চায়।

কোনো ধীর লয়ে বয়ে চলে ভালো লাগা।
কবির প্রিয় নারী ,প্রেরণা , ভেসে বেড়ানো ভাবনার 
ছোট্ট একটা ডিঙি নৌকো এসব ভাবনায় আমার
বেঁচে থাকা,
ক্রমশ হারাতে থাকে আরো গভীরে ,মিশে যায়
ভালোবাসা কোনো সামুদ্রিক ভিড়ে।
কোন ভিড়ালো স্টেশন চত্তরে,
কখনো বাজারি দর কষাকষির সামান্য
মুনাফায়,
কোনো ধীর স্রোতোস্বিনী আলুথালু বেশে আমি এক
পথিক,