রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২

সেই গল্পটা

মেয়েটার ঠোঁটে এখন  মেঘে ঢাকা আকাশী শেষ মুক্তি 

                     কারণ সে সত্যি বাঁচতে চেয়ে ছিলো একদিন ...চেয়েছিল কিছুটা অক্সিজেন ।

শহরের  বাসে ,ট্রেনে ,রাস্তায় ,শোভাবাজারের ফেরী ঘটে অজস্র গল্পে মেয়েটার  টাটকা গন্ধ লেগে আছে  এখনো ।

চেনা অচেনা মুখ , চেনা  দুঃখ  অচেনা সুখ

তাদেরকে প্রত্যেকে   প্রশ্ন চিহ্ন বুকে নিয়ে ভিড়ে মিশে যায়, অথচ উত্তর খুব কঠিন ছিলো না কোনো কালেই।

বন্ধুত্বের মানে সাথে থাকা  ,ভালোবাসার মানে আর বিশ্বাসের মানে  নতুন করে মাটি কেটে পথ তৈরী করা ।

.

কারা ভাঙতে চাইছিল কাকে , আর কেই বা চাইছিল সমান্তরালে চলে যাওয়া পথটা মুছে দিতে , 

কে চেয়েছিলো  কাকে একলা করতে  ,কেই বা কাকে ঠিক কি   বোঝাতে  চেয়েছিলো ? 


এই শহরের হাজারো অলিগলিতে 

মানুষের  মতো মুখ ,কিংবা মুখোশ 

এই শহরের গল্পে প্লাস্টিকের সম্পর্কের বিজাতীয় ভাবনারা  

 শুধু বেচাকেনার পসার সাজায় নিত্য দিন , বিশ্বাসের আদলে অবিশ্বাস্য গল্পেরা ।

.

 সেই গল্পের মেয়েটার শরীর থেকে মুছে গেছে শেষ ভালোবাসার  স্পর্শ 

তার জন্যে লেখা গল্পে  নেই কোনো বোকামি কিংবা পাগলামি কমলা রঙের বিকেলে ভালোবাসার মরশুমি বায়না ।

শহরের প্রতিটা প্রায়চিত্তে  আজকাল কার যেন মৃত্যু দেখা যায় খুব স্পষ্ট

ভবিতব্য কেউ বদলাতে পারে না।


 তবু গল্পটা অন্তমিল ছিলো না এমন নয়

তবে বাজারের কেতাদুরস্ত জানতো না ঈশ্বর ছিলেন গল্পের লেখক


চরিত্ররা নাগরিক পুতুল

 আমার, কিংবা তোমার কথাটা এই মঞ্চে বড্ড বেমানান

 মুখোশের আড়ালে অভিমুন্যকে বধ করতে পারলেও

 সাত্যকী জানে মেঘে ঢাকা গল্পে একটা মুক্তি লেখা ছিলো প্রথম  প্রথম থেকেই ।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২

মিল অন্তমিল

যোদ্ধা আর যুদ্ধের সঙ্গে  ঠিক কতটা অন্তমিল 

কতটা অমিল  

মহাকাল যোদ্ধার অসিতে তুলে দিলো ঝলকে ঝলকে রক্ত 

ভিজে যাচ্ছে এই সময় ,

জানি  একদল মানুষের এই সময় চরম অস্থিরতায়,  আর একদল মানুষেরই মাথা ব্যাথা নেই 

আসলে যারা বাঁচতে পারে  দুঃখ আগলে  

তারাই তো হাসতেই  পারে শেষের হাসি ।

.

হাজার বছর সময়ের কলমের নিব হোঁচট খায়

কাল জয়ী কিছু কিছু জেহাদ এর পাথরে ,,

কিছুতেই পুরোনো হয় না  সে জেহাদ ,পুরোনো হয় না যুদ্ধ,

লেখকের আঙ্গুল বেঁয়ে ভাবনারা গুটি গুটি পায়ে   হেঁটে গেছে ইতিহাসের পাতা থেকে সময়ের সামিয়ানায়  চিরকাল ,

সময় বদল হয়েছে 

অথচ ইতিহাস বদলে ফেলে নতুন কিছু লিখতে পারেনি সময়ের কলম । 

.

এই পৃথিবীতে সমস্ত দুঃখ সংগ্রহ করা যায় 

কিন্তু শান্তি  সংগ্রহ করা যায় কি না কেউ বলতে পারেনা ,

থাকবে না জেনেও স্মৃতি হেঁটে চলে সেই পুরোনো পুকুরের পাঁড় ধরে ,

খসে যাওয়া পাখির পালকে ফেলে আসা সময়ের

আব্দারী বেলা খুঁজতে চায়

জীবন যেন হাজারো বছর  কিংবা শতাব্দীর বয়ান লেখার লাল খাতা

মরশুম চলে যাবে , একদিন কবির কলম থেকে নিশ্চিত খসে যাবে বসন্তর কিংশুক আর পলাশ,

তবু মাটি তার বুকে  রেখে দেবে কিছু পার্থিব , যা কিনা কালজয়ী

অথচ কে যেন বলেছিলো কালজয়ী শব্দটা আজকাল হাস্যকর ভীষণ 

 তবুও  আমার মত কেউ  সময়ের হাত ধরে থেকে যাবে যুদ্ধের শেষেও  ,

তুমি থাকবে তো  শান্তির প্রথম সূর্যদয় ভোরে?

বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২

এগিয়ে এসেছি

এগিয়ে যাচ্ছি মাইলের পর মাইল

   ঝুলে থাকা কোনো  পাহাড়ের শেষ ঢালে তোমার আঁকা অষ্ঠপ্রহরের ভালোবাসার মুখোশ ,

সময় কিংবা ঈশ্বর ঠেলছে  তোমাকে অন্য অজানা গহীনে।

    ভালো থাকা আমার চিরকালীন অভ্যেস সে কথা তুমি হয়তো জানো না মান্যবর ।

.

সূর্যের ওঠানামায় সময়ের তোরঙ্গে কিছু মুহূর্ত পুরোনো পোশাকের মতোই


একলা সময়ের অবকাশে স্মৃতি খুঁজে ফিরছে বুক জুড়ে

খুঁজে ফিরছে  ছেলেবেলার সোনালী রোদ্দুর নেমে আসা উঠোন টা,

খুঁজে ফিরছে সময়ের হাত ধরে হাঁটা সেই  গলি, চৌরাস্তা। 

.

আমি আগমনী গান শুনতে পাই না  

তাই আমার প্রচ্ছদে কোনো বিসর্জনের সুর নেই...

নেই  নাভিমূলে  জমানো কোনো প্রাগৈতিহাসিক অভিশাপ 

একটা বিন্দু তে এসে দাঁড়িয়েছি বহুদিন হলো,

যেখানে সবকিছু মুঠো আলগা হয়ে যায়  মোহ থেকে মায়া পর্যন্ত।

হ্যাঁ আমার আলনায় ঝোলানো শেষ বায়না 

আমার বাড়ির বাইরে সেই পুরোনো বাগান ,পুরোনো বান্ধব মন ... এসব 

হাঁপিয়ে উঠেছে।

ও  বুকের পাহাড়ের উচ্চতা 

আমার প্রতিটা ভাঙ্গনে  এখন তুমি নামছো কেৱল হাওয়ায় ভর করে 

মান্যবর তুমি চিরকাল দাঁড়িয়ে চৌরাস্তায় আর আমি জমির উপর ইঁটের ইমারত সাজানোয় ব্যস্ত।


মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২

ক্ষাফা ইয়া নারাজ

লোভ থেকে উঠে আসা ভালোবাসার জন্য থাক...ঘৃণা ,

ক্ষোভ থেকে উঠে আসা নালিশ এর জন্য 
থাক ক্ষমা. ....

প্রয়োজন ফুরিয়ে আসলেই 
দাতা-হৃদয়ের  প্রেমিক   নিলামে ওঠায় তার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রেমিকাকেও  ..... 

তবু ভালোবাসা নাকি  আশ্চর্য জোৎস্নার নাম  

খাফা হোক বা নারাজ...
কাফের হোক বা ফারেব... মানুষ হলে ফিরে আসবেই ,......হৃদয় হলে একবারও কাদঁবেই 
পাথর হলে ভেতরে থাকবে তথাগত ...
আকাশ হলে ভারী হবে মনের ঘরে ....
উঠোন হলে ছায়া খুঁজবে  নিদেনপক্ষে ...

 আর কবিতা হলে  ঠিক দেখা হয়ে যাবে দুজনার...মুখোমুখি কোনো এক সংকল্পের শেষ দিনে ।

#রমা

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২

আমাকে বিশ্বাস করো না আর

চিহ্ন হারার বহতা কান্না শুনি তোমার বুকে মাথা রাখলেই ।
কিছু মাংস খেকো পাখি আর আলজিভ বিহীন দাঁড়কাক যেন উৎসব খুঁজে পায় এমন কান্নার সংলাপে ।
আমার আশ্রয়ের মানচিত্রে মন্দিরের জয়ধ্বজা পোড়ানো ছাই দিয়ে অন্ধকার লেপে দেওয়া হয় বারংবার  ,আর সেই নিকষ অন্ধকারে মানুষই মানুষের মাংস বড্ড তৃপ্তি ভরে খায় ।

গোপন গুপ্তচর ঠিক যে বার্তা রেখে গেছে ওদের সাজানো ঘরকন্নার কুলুঙ্গিতে তার ভাষা পড়তে শেখেনি সভ্যতার পোশাক পরা পুতুলেরা ।

হ্যাঁ নিঃশ্বাস নিতে পারে ,খেতে এবং ঘুমোতে পারে , এমন পুতুল আছে বৈকি ! বেঁচে থাকার নির্মমতায়
মানুষও পুতুল হয়ে যায় কখনো কখনো ,

চেতনা নাশক গুঁজে দেওয়া হলো আমার একমাত্র প্রেমিকের  মাথার নিউরনে তারপর সে হয়ে উঠলো একজন নৃশংস আসামী  , 
ওই একই চেতনা নাশক গুঁজে পাশের বাড়ির ভালো তকমা লাগানো পুরুষটি হয়ে ওঠে বিবেকহীন ধর্ষক , এভাবেই অগুনিত মীরজাফর
দেশদ্রোহী আর খলনায়ক ফলে উঠলো আমার মানচিত্রে ।

আর এমন চেতনা নাশকের ফলাফল স্বরূপ জন্ম নেওয়া পথের পাশে  মেয়ে শিশুটি মায়ের শূন্য বুকে অভিশাপ চাটতে থাকে অথচ শিশুটির পেট
ভরে না বিন্দু মাত্র ,

আমি রোজ এসব দেখতে দেখতে নিজের ভেতর এক লাম্পট্যর জন্ম দিয়েছি ,জন্ম দিয়েছি মানুষ নামে হেডলেস মনস্টারদের এক সিরিয়াল খুনিকে।

তোমরা আমাকে আর বিশ্বাস করতে যেও না দয়া করে ।




আমার ছবিগুলো

আমার আঁকা  ছবিগুলো সময়ের পরতে হারিয়ে যায় তাই আমার কাছে নিজের আঁকা একটাও ছবি নেই  ।

ছবি  আঁকলেই  ক্রমশ সরে গেছে  মুহূর্তদের দল কোনো এক  মৃত্যুনগরীতে।

 আমি কাউকে বিশ্বাস করাতে পারিনি আমার এই কথা গুলো ,

.

আমি যদি ছবি গুলো রাখতে জানতাম তাহলে 

সবার আগে রাখা থাকতো  আমার শৈশব, আর সেই শৈশবে এক খানা ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে দৌঁড়ে বেড়াচ্ছে একঝাঁক কোঁকড়া চুল মাথায় বাচ্চা মেয়েটা  , বায়না করছে তার মা এর কাছে একটা চোখ পিটপিট পুতুল তার চাই ,

আমার বহু যত্ন করে আঁকা সে ছবিটা কোথায় যেন হারিয়ে কিংবা মুছে গেছে ।





.

বিশ্বাস করো  তোমারা ... আমার যত্ন করে আঁকা একটা  ছবিও আমার কাছে রাখতে  পারিনি,

 আজ কাল ছবি আঁকতে  গেলেই আমার ক্যানভাস নড়ে যায় , রং তুলি  আমার হাত থেকে পড়ে বিচ্ছিরি ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়।

একবার   পাগলা দাশুর   ছবি এঁকে ছিলাম 

যে সারাদিন আকাশের দিকে তাকিয়ে নিশ্বাস খোঁজে ,নন্দিনীর জন্যে 

একদিন তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি,.. নাহ পাইনি আমার নিন্দিনীর আকাশ আর নিঃশ্বাস খুঁজতে থাকা পাগলা দাশুকে।

আমি অনেকগুলো ক্যানভাসে কবির  চলন্তিকার কপালের   টিপ্  আর তার কাজল আঁকা বিশ্বাসের চোখ দুজোড়াও এঁকেছিলাম , এঁকেছিলাম তথাস্তু বলা সেই অমলতাস গাছটির নীচে আশ্রয়ের হাতটিকেও ,

বিশ্বাস করো  আমার এসব যত্নের ছবিগুলো কে যেন ছু:মন্তর মন্ত্রে ভ্যানিশ করে দিয়েছে ।

একদিন আমার নিকুম্ভ স্যার কে বসিয়ে তার চোখে দেখা মোনালিসার ছবিও এঁকেছিলাম ,

একেছিলাম আরো আরো অনেক মুহূর্তের নান্দনিক ছবি ,

ভেবেছিলাম একদিন আমার নিজস্ব একটা ছবির অভিধান বানাবো সেখানে যত্ন করে সেসব ছবি 

 তুলে রাখতাম ,মুহূর্তের অভিধান রাখা থাকতো আমার প্রিয় সে মৃত্যুর দিনে আমারই ঘুমন্ত শরীরের পাশে ।

আজ চৌকাঠে পা রাখতে ছবি গুলোকে দেখতে ইচ্ছে করলো ,অথচ আমার সেসব যত্নের একটিও ছবি আজ আর আমার কাছে নেই ।


রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২

সুবর্ণা (১১৫)

সাদা ফ্যাকাসে মর্গের মত অথচ তীব্র অভিমান লেগে থাকে আজকাল তোমার আমাকে দেওয়া প্রহর গুলোর গায়ে।
আমি যে তোমার ভেতর আর বাইরেটা ভীষণ তীব্র ভাবে দেখতে পাই সুবর্ণা ,
একটা অস্থির মিছিলের সামনে নিঃশ্চুপ দাঁড়িয়ে দেখা একটা মানুষের মতোই আমি তোমায় দেখছি,
তোমার ভেতরে প্রেম ,রাজনীতি ,বিষাদ ,কিংবা সাতটা সুর জড়িয়ে থাকা গিটারের সবকটা সুক্ষ তার কেটে গেছে ...কিংবা মিলিয়ে গেছে।

আমি অস্থির মিছিলের গায়ে কান পেতে দেখেছি
তোমার ভেতরের স্বপ্ন দেখার মহড়া এখন আর নেই , নেই কোনই প্রঞ্জা ,
তোমার ভেতর নিকষ কালো মৃত্যু ঘুরে বেড়াচ্ছে ,
তোমার অন্তর্ভুক্ত বিপন্নতার আভাস যে তোমায় জানাই নি তা তো নয় সুবর্ণা ,   আসলে তুমি চিরকাল নিজস্ব কারিগরিতে  তৈরি কিছু যন্ত্রনা বেঁচে  সুখ কিনতে চেয়েছিলে ...  চেয়েছিলে মাইলের পর মাইল নিজস্ব জমির মালিকানা ,
আসলে তুমি কখনো আশ্চর্য সন্ধ্যে গুলোতে পাখিদের ঘরে ফেরা দেখোনি ...দেখোনি পাখি গুলো দল বেঁধে থেকেও ওরা স্বতন্ত্র থাকতে পারে একই আকাশে ।
আজকাল তোমার ভেতরের অন্তর মহলে ঘা পুঁজ গুলো এতো স্পষ্ট দেখতে পাই যে আমার গা গুলিয়ে ওঠে ....মনে হয় তোমার সাথে আমার।কখনই দেখা না হলেই ভালো হত ।
তারপরেই মনে হয় তোমার সাথে দেখা না হলে জানাই হত না মানুষের ভেতরই অজস্র কঠিন যুক্তক্ষরের আখড়া আসলে ঠিক কেমন !

তোমার সাথে আমার ঠিক কিসের সম্পর্ক সুবর্ণা !
একটা পাত্রে ঘৃণা আর ভালোবাসা কি একসাথে রাখা যায় ?
আজকাল বুঝতে ইচ্ছা করে না ...ইচ্ছা করে না প্রশ্নগুলোর কাছে দুদন্ড দাঁড়াতে ,
অথচ আমার চাওয়া বা না চাওয়ার পরোয়া তুমি কোনোদিনই করোনি , তাই নিজস্বতায় আমার ঘরকন্না য় মাকড়সার মত সুযোগ পেলেই জাল বুনতে থাকো ।

ভাবছ কি করে জেনে ফেলছি তোমার মনের ম্যাপের ছবি? ঐ যে বললাম ... আমি যে তোমার ভেতর আর বাইরেটা ভীষণ তীব্র ভাবে দেখতে পাই সুবর্ণা ,
আমি তোমার অস্থির মিছিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকি সময়ের হাত ধরে .....হয়তো কখনো বা চুপ করে শব্দহীন হয়ে হেঁটেছি ওই মিছিলের পাশে পাশে ।


মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২

তার মৃত্যু

তার মৃত্ শরীরটাকে আমি কোনো  কবিতার কাফন এ মুড়ে দিতে চাইনা,
চাইনা যেকোনো ছোটো ও সস্তা মনের জন্যে একটা কবিতা লাঞ্ছিত হোক

 যে স্পর্ধাতে আগুন শুকিয়ে গেছে এ বুকের
যে স্পর্ধা যে আমায় একবার নয় বহুবার অন্ধকার হতে  হয়েছিলো,
তার মৃত শরীর দেখতে চাইবো না কখনও।

হ্যাঁ সে মহান প্রেমের এপিটাফে না হয় সেদিন ঠকবাজ শব্দটা সাজিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা রাখবো।

.
ও মৃত্ শরীরটাকে মুড়ে কখনোই কোনো কবিতা কে অযোগ্য করবো না । 
আসলে ওই একগুঁয়ে কান্না 
 কারণহীন কিছু অযোগ্যতার সাথে আপোষ করতে চাই না আর । ,
অযোগ্যতার কাছে যোগ্যতা শব্দটা কে আর মাথা নিচু করতে দেবো না 

.
ওই মৃত্যুর শরীরটাকে কখনো  একবারও দেখার ইচ্ছা রাখবো না । 
 অসম্পূর্ণ গল্প গুলোর মত ভুলে যেতে হয় কিছু ঘটনা,

কে কবিতা লিখতে চাইত  আর কে চাইতো কবিতা হতে তার হিসেব আজ বে -মতলব ।
 এক দিন কেউ মিথ্যে উপন্যাস  লিখতে চেয়ে জীবনকে অপমান করেছিল মান্যবর। 
জানি সব প্রশ্নের উত্তর থাকলেও কেউ কেউ নিজের আয়নায় দাঁড়াতে পারেনা ।
আসলে কোথাও সত্যি  ধোপে টিকবে না  এই ছোট মনের কবিতার নামে শব্দ জব্দ গুলো,
তার সাথে আগামীতে আর দেখা হবে না  নিশ্চিত।
তার সাথে বাকি জীবনের পড়ে থাকা  দিনগুলোয় কথা হবেনা নিশ্চিত   জানা আছে।
ওই মৃত্ শরীরটাকে একবারও আমি দেখতে দেখতে চাই না ।  
মনে করে সেদিন ওই  মৃতদেহে একমুখ থুথু ছিটিয়ে দিও আমার বান্ধব জনেরা ।

কারণ সেদিন একটা বেকার ছোট মনে মানুষ মারা যাবে 
যে একটা মন কে নিপুণ ভাবে পাপী করতে পেরেছিল ভালোবাসা আর আশ্রয়ের দোহাই দিয়ে।

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০২২

সুবর্ণা(১১৪))

চিবুকে পাপ দাগ আগলানো আছে বলেই
আগের মত সহজ কিংবা সোজা রাস্তায় আর হাঁটি না ।
আজ কাল তুমুল বৃষ্টিতে সেরকম কেউ রাস্তায় বেরোয় না বলেই বৃষ্টির সাথে আমার নিবিড় ভালোবাসায় ভিজতে ভালো লাগে ।

অবেলায় ছুঁতে চাওয়া সম্পর্ক গুলো চলে যায় 
কারণ খুঁজে নিয়ে তুমিও ভিন্ন নও সুবর্ণা ।
 জানো ... নিপুণ কৌশলে বাঁচা টা শিখে ফেলা আসলেই একটা আর্ট ,
এ শহর এ বসত কতই না কিছু শেখালো তোমায় আমায় সুবর্ণা !
তুমি দূরত্ব মাপতে শিখলে , আমি কান্না আড়াল করে ক্ষত রিপু করতে শিখলাম , 
ওরা তোমাকে  মীরজাফরের ভূমিকা শেখালো নিপুণ ভাবে , 
আর আমি নিজের আরো একটা নতুন জন্মদিন পেলাম তোমার উপহারের মোড়কে।

ভয় নেই সুবর্ণা আমি এখন আর আগের মত অসুস্থ হই না ,,
কালীপার্কের  উত্তরের বারান্দায় আমার নিজস্ব কিছু গোপন সৈন্য আমার অতন্দ্র প্রহরীর মত আগলে রাখে অষ্ঠপ্রহর ।
...আরে আরে একি চলে যাচ্ছ যে?  এখনো হিসেব যে অনেকটাই বাকি ,
আসলে চিবুকে আগলে রাখা পাপ দাগ গুলোর কথা জানতে চাইছিলে তুমি ,
 শোনো সুবর্ণা ওগুলো স্রেফ একটা সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে সাক্ষ্য হয়ে, ....যাও তুমি এবার 
ফিরবে যে দিন সেদিন পৃথিবীতে আর কোনো বৃষ্টি থাকবে না ...থাকবে না কোনো বৃষ্টি নিয়ে কাব্য কবিতা কিংবা প্রেম ।

সুবর্ণা (প্রিয় ধ্বংস)




বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০২২

how am i

I feel I just lost myself .....

রাজার বুকের ভেতরেও লুকোনো থাকে একটা 
ফকিরের কান্না ,,
যেমনটা নদীর কিনার জুড়ে সৃষ্টি আর ধ্বংসের অদৃশ্য সংগম।
দুয়ার থেকে দুয়ারে ভিক্ষা করি মুঠোর আশ্রয় ,...
এভাবেই যেদিন যেদিন সন্ধ্যার মেঘের কোলে চাঁদ বাস করে , আমি তোমাকে খুঁজে ফিরি ওই চলে যাওয়া পথটার মাইল ফলক কে সাক্ষী রেখে ,
তুমি তো ফিরবে বলে কখনোই কথা দাওনি শুভংকর ,
তবু এ অপেক্ষার হয়রানি তে প্রহর শেষে ক্লান্তি নামেনি আজও ,,
রোজ রোজ নিজেকে হারিয়ে নতুন ছন্দে ফিরি আর হৃদয়ের দিনলিপিতে লিখিi... I feel I just lost myself ।

সময়

কখনো কখনো একা একটা মানুষ আরো একা হয়ে যায় ,
সময়ের বুক আকড়ে কাদতে চায় ,চায় সময় তাকে বুকের ভেতর জাপটে ধরুক ,। অথচ সময়ের ঘরে তখন অনন্ত সমাবেশ কেবল আসাযাওয়া র ,
দু দণ্ড স্থীরতা খোঁজে ... খোঁজ করে খানিক স্তব্ধতা  , 
একটা মানুষ নিজের থেকে অনেক দূরে সরে যায় ক্রমশ ,হারিয়ে ফেলে এক উঠোনে বারোটা ঘরের চাবি একই সাথে ।
মানুষ কি নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে ভয় পায় ! 
আশ্চর্য পৃথিবীর নিয়ম  একটা মাথা রাখার বুক কিনতে কতবার যে ঠকতে হয় এক জীবনে সে কথা ভাবলে মনে হয় মানুষ জন্ম আসলে একটা প্রশ্ন চিহ্ন।
তবু সময়ের কাছে মানুষ বারংবার মাথা নিচু করে মেনে নেয় যাবতীয় ।
আর এই মেনে নেওয়া মানুষ টা একদিন বিষ বৃক্ষ হয়ে দাড়িয়ে থাকে সময়ের কিনারে ,
একটা মানুষ কি খুব বেশি কিছু চেয়েছিল সময়ে কাছে ! 
নাকি সময় কেবল ইতিহাসের জন্যেই বহতা বাকি টা স্রেফ গুলতানি।

বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২

এ বছর জন্মদিন

এ বছর জন্ম দিন তোমায় ছাড়া , এ বছর জন্মদিন
বাকি জন্ম টুকুর এক থাকার প্রতিশ্রুতি ।
এ বছর জন্মদিন আশ্রয়হীন ।
এ বছর জন্মদিন আরো একটু সমঝোতা ,
এ  বছর জন্মদিন সত্যি মনে হয় জীবন থেকে খরচ করা দিনের হিসেব ।
এ বছর জন্মদিন হারিয়ে যেতে প্রবল ইচ্ছা ,
এ বছর জন্মদিন মন পোড়ানো আরো খাঁটি ।
এ বছর জন্মদিন .....তুমি বিহীন  ব্যস্ত দুনিয়াদারী।
এ বছর জন্মদিন বলছে ডেকে ও মন শোন 
ভালোবাসি তোকেই কেবল ।
এ বছর জম্ম  দিন.......।