আমি যে তোমার ভেতর আর বাইরেটা ভীষণ তীব্র ভাবে দেখতে পাই সুবর্ণা ,
একটা অস্থির মিছিলের সামনে নিঃশ্চুপ দাঁড়িয়ে দেখা একটা মানুষের মতোই আমি তোমায় দেখছি,
তোমার ভেতরে প্রেম ,রাজনীতি ,বিষাদ ,কিংবা সাতটা সুর জড়িয়ে থাকা গিটারের সবকটা সুক্ষ তার কেটে গেছে ...কিংবা মিলিয়ে গেছে।
আমি অস্থির মিছিলের গায়ে কান পেতে দেখেছি
তোমার ভেতরের স্বপ্ন দেখার মহড়া এখন আর নেই , নেই কোনই প্রঞ্জা ,
তোমার ভেতর নিকষ কালো মৃত্যু ঘুরে বেড়াচ্ছে ,
তোমার অন্তর্ভুক্ত বিপন্নতার আভাস যে তোমায় জানাই নি তা তো নয় সুবর্ণা , আসলে তুমি চিরকাল নিজস্ব কারিগরিতে তৈরি কিছু যন্ত্রনা বেঁচে সুখ কিনতে চেয়েছিলে ... চেয়েছিলে মাইলের পর মাইল নিজস্ব জমির মালিকানা ,
আসলে তুমি কখনো আশ্চর্য সন্ধ্যে গুলোতে পাখিদের ঘরে ফেরা দেখোনি ...দেখোনি পাখি গুলো দল বেঁধে থেকেও ওরা স্বতন্ত্র থাকতে পারে একই আকাশে ।
আজকাল তোমার ভেতরের অন্তর মহলে ঘা পুঁজ গুলো এতো স্পষ্ট দেখতে পাই যে আমার গা গুলিয়ে ওঠে ....মনে হয় তোমার সাথে আমার।কখনই দেখা না হলেই ভালো হত ।
তারপরেই মনে হয় তোমার সাথে দেখা না হলে জানাই হত না মানুষের ভেতরই অজস্র কঠিন যুক্তক্ষরের আখড়া আসলে ঠিক কেমন !
তোমার সাথে আমার ঠিক কিসের সম্পর্ক সুবর্ণা !
একটা পাত্রে ঘৃণা আর ভালোবাসা কি একসাথে রাখা যায় ?
আজকাল বুঝতে ইচ্ছা করে না ...ইচ্ছা করে না প্রশ্নগুলোর কাছে দুদন্ড দাঁড়াতে ,
অথচ আমার চাওয়া বা না চাওয়ার পরোয়া তুমি কোনোদিনই করোনি , তাই নিজস্বতায় আমার ঘরকন্না য় মাকড়সার মত সুযোগ পেলেই জাল বুনতে থাকো ।
ভাবছ কি করে জেনে ফেলছি তোমার মনের ম্যাপের ছবি? ঐ যে বললাম ... আমি যে তোমার ভেতর আর বাইরেটা ভীষণ তীব্র ভাবে দেখতে পাই সুবর্ণা ,
আমি তোমার অস্থির মিছিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকি সময়ের হাত ধরে .....হয়তো কখনো বা চুপ করে শব্দহীন হয়ে হেঁটেছি ওই মিছিলের পাশে পাশে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন