------------------
থামতে পারিনি নরম দু:ক্ষদের ওভাবে
নদীর ধারায় ভিজতে দেখে, দুচোখে
পলকের বেড়ায় বেধেছি বারে বারে,,
তাই তুমি কবিতার পাতায় বর্ণমালা
এঁকে চল ,,
তোমার তুলির গড়িয়ে নামা রংগে আমার
আব্দারেরা ভীষণ আদুরে,
থামতে পারিনি পৌষের ঘন ঠান্ডাকে একা
ওভাবে জানলার বাইরে অপেক্ষায়
দেখতে,
তাই উষ্ণতার মিছিলে সামিল করেছি
রাতের শুন্যপথে,
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬
এলোমেলো
শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
কাছে যাওয়া
----------------------------
অদৃশ্য সুতোর পাশে ঝুলতে থাকা
কালের পেন্ডুলামে সম্পর্কের নাম
না লেখা কাগজ ঝুলছে,,
এলোমেলো বর্ণমালাগুলো হাওয়ায়
খুঁজছে ক্লোরোফিল,
রাস্তার কিনারা ধুয়ে সময়ের ধুলো জমাচ্ছি
আগামির রুপকথায়,,
কান্নারা আজকালরাস্তার ধারের ইস্তেহারের
জলরঙ ছবিতে ব্যেস্ত রয়েছে,
সময় একদিন অস্তিত্ব খুঁজেই নেবে নিজস্ব
গতিতে আর স্নায়ুতে কিছু গরম উষ্ণতা,
একফালি ক্লান্ত শ্বাস প্রহরকাল অপেক্ষায়...
উঠোন জুড়ে যে সিঁড়িভাঙ্গা অংক তা কি
মিলবে কখনো!
স্পর্শরর খোঁজ নির্ঘুম প্রহর জুড়ে নকশী
কাঁথা বোনে আলাদা আলাদা সাজানো
চতুর্ভুজের ভেতোরে,
রোজ সুর্যর ঘুম ভাংগে একমুখ হাসির হাত
ধরে,,
অদৃশ্য সুতোর পাশে ঝুলতে থাকে কালের
পেন্ডুলামে সম্পর্কের নাম না লেখা কাগজ।
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
এখনো
------------------------------------
ধারালো শব্দের স্পর্ধা আর তোমার হাতের
চাবুক থেকে আমার বেঁচে থাকাটুকু সরিয়ে
দিয়েছি গাছের ঘুম কোটোরে,,
দলছুট আলোদের এলোমেলো পথে উড়িয়ে
দিলাম একান্তে বেড়ে ওঠা ভাবনার বুনোনগুলো,
ঘাসফড়িঙ এর পাখায় লেগে থাক কিছু রেনুদের
পরাগ,,
জোয়ারের সময় আমার মুঠোয় জমা
ঝিনুক আজো আছে সংগোপনে,
এসব জড়িয়ে রেখেছি আমার ছেঁড়া আস্তিনে,
আমার হাতের রেখাংশে মৃতুর দেশ আঁকা
রংচটা গুম ঘরে রাখা মুক্তির সাদা আলো,,
চলে যাওয়া বোধহয় অতটাও সহজ নয়
তাই এখনো ফুসফুসে গরম রক্তে রোদ্রের
আসা যাওয়া।
এখনো ধারালো শব্দ স্পর্ধা খুঁজে নেয়
২০৬টা হাড় দিয়ে সাজানো খাঁচায় বন্দি
মৃত হৃদয়ে।।
বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬
নিঃশব্দ
------------------------
সময় হয়েছে তোমার থেকে ছুটি চাওয়ার,
তোমার জানলার কাঁচে গড়িয়ে নামা শিশিরজল
আমার চোখের উপত্যকায় জমি খুঁড়ে সেঁধিয়ে
গেছে,
কথা ছিল সন্ধে নামা প্যাস্টেল রংএ চিলেকোঠারর
ঘরে তুমি আঁকবে একটা ঘন হয়ে থাকা স্বপ্ন,,
সময়ের ডঙ্কা আমার কাঁধে গরম নিশ্বাস
ফেলছে....
চিলেকোঠার ঘরে পুরোনো বাক্সে তোমার
জন্যে স্তুপাকার অনুভূতি আর তুলি থেকে
গড়িয়ে নামা নীরবতা রেখে গেলাম,,
বললাম না ভালো থেকো... কারন তুমিও জান,
আমার সংগে নিলাম তোমার ছায়া যা
বহু কালের বুক গড়িয়ে নেমেছিল, আজ
আমার নীল খামে ঘুছিয়ে নিয়েছি,,
সময় হয়েছে তোমার থেকে ছুটি চাওয়ার
আয়ুরেখা লাগোয়া রাজপথের শেষ
প্রতক্ষালয়ে তোমার জন্যে উষর ধুষর
কিছু টুকরো ভালোবাসা রেখে গেলাম,,
সময় হয়েছে তোমার কাছে ছুটি........
শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
অবশিষ্টাংশ
------------------------
চাঁদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে কিছু আলো
আমার ঝুলিতে নিয়েছিলাম অমানিশির
জন্যে....
আজ আমার কলমের নিবে জমে যাওয়া
অন্ধকারের ক্ষরণ ফোঁটা ফোঁটা,
সময়ের সামিয়ানায় জোতস্নার আলপনা
এঁকেছি বারবার, সকালের শিশিরজল
ধুয়েদিয়েছে সবটুকু জন্মস্বাদ,
ভেসে যাওয়া খড়কুটো আঁকড়ে একটা
পূর্নছেদ খুঁজছি,,
আকাশ দেখলেই ভয় হয় বিষন্ন মেঘেরা
ঈশানকোণ ঘেঁষেছে,,
একদিন আকাশ কথা দিয়েছিল শিলাবৃষ্টি
হবে না... সে কথা হয়তো বা রাখা গেল না।
চাঁদের কার্নিশ ভেঙে পড়বে আমার অন্ধকার
ঘরের ছাদে।
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
ইচ্ছেডানা
-----------------
মাঝে মাঝে আলতো আলোছায়ার
চাদর মুড়ে কারা যেন ঘন নীল
নিশুতিতে ঝাঁপ দেয়,
চোখ থেকে ঘুম মুছে বুঝি আমার
ইচ্ছারা আমায় ছেড়ে চলে যাচ্ছে
উজার করা ইচ্ছাদের যন্ত্রণা স্তুপাকৃত
রাতের কোল ঘেঁষে ছিল বালিশ তোষক
কাঁথায়,,
এখন তারা দাবিহীন কোন ভালবাসার
দেশে ধুপকাঠির ধোঁয়ার মত,,
একান্ত যত্ন করে সাদা পাতায় আঁকা
অক্ষরগুলো পৃষ্ঠা থেকে গড়িয়ে নামছে
নীরব শিশিরজল এর হাত ধরে,
ঊষর ধুসর প্রেম এখন অপচয় সময়ের
নামান্তর, সব সানিধ্য এখন হৃদয়তোরনে
বন্ধ করে নীলবীষে নিমজ্জিত,,
চলে যাওয়া ইচ্ছেরা চিরকুটে লিখে
গেছে একটা নদীর একলা হওয়ার গল্প।
প্রানের পরে
-------------------
শেষ প্রবাহের সবটুকু আলো মেখে কখনো এসো....,
তোমার পায়ে জড়িয়ে যাওয়া
অজস্র স্বরে দের মুক্ত করে দেব
আমার আঙুলের ছোঁয়ায়,,
তারপর রাতের কোন এক
প্রহরের বুকে ইথার তরংগের
সাথে ভাসিয়ে দেব শুন্যতার
পাণ্ডুলিপি,,
দলছুট তারাদের আলোয় না হয়
তোমার স্থানাংকের খালি দেওয়ালে এঁকে দিতে পারি
কোজাগরীর দু একটা আলপনা,,
তোমার নিপুণভাবে আঁকা
চতুর্ভুজ এর বিপরীত প্রান্তে
আমি দাঁড়িয়ে থাকবো কোনো
এক অতন্দ্র প্রহরীর বেসে,,
সকাল বেলায় সবুজ সংসারের
সব সান্নিধ্য তুলে রেখে তোমার জানলার বাইরে ইচ্ছের রঙ চুঁইয়ে
পড়তে পাড়ি,,
অযুত অক্ষর প্রহর পেরিয়ে পাস্কালের সব সুত্র প্রয়োগ
করে ভাসিয়ে রাখবো তোমায়...,,
শেষ মুহুর্তে থমকে যাওয়া সময়কে
বলতে বাধ্য করবো যে আজ
আর বৃষ্টি হয়ে কাজ নেই
আজ থেকে তুমি চিরবসন্ত হয়ে
থেক আর আমি বাসন্তিকা।
মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
চিরকুটে উষ্ণতা
-------------------------------
বিষন্ন রাতের খামে রোদের চিরকুট
তোমার কুয়াশা মাখা শহরে একটা
ডাকবাক্সের সন্ধানে,,
ঠিকানা খুঁজে পাবার পর ঘরের ভেতোর,
এক উদাসী দিনের পায়ে পায়ে সবুজরঙা
সংসার বর্ণপরিচয় পড়ছে,, একক জীবন
জোর করে যাপন কাটছে, আর গাল বেয়ে
আত্মিকতার খোঁজে এক চুমুক আদর নামছে
গড়িয়ে,,
হঠাত বদলে যাওয়া প্রয়োজন গুলো আজকাল
চিরকুট থেকে রোদ্দুর পড়ে ফেলে,,
নীলনদ এর বুকের বিভাজন বেয়ে
ভস্মিত হৃদয় তখন দেশ কাল পেরয়ে
বাতাসের বশীকরণে,,
মুঠোর রুমালে মুহুর্তরা নির্বাক কান্না চেপে
শ্রাবনের অপেক্ষায় রাতের আড়াল চায়।
২০৬টা হাড়ে খাঁচায় বন্দি অবয়ব প্রয়োজনের
রোদ্দুর মাখে তবুও শীতজ্বর আলপিন ফোঁটায়,
জীবন সেখানে কেবলি সবুজে ঘেরা যাপন।
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
পরিচয়
--------------
তীরের ছাঁয়ায় স্নেহ মেখে সবুজ হয়ে ভাসি,
সুর্য এসে বললে হেসে তোমায় ভালোবাসি,,
কালও ছিলাম আজও আছি থাকার আছে ঘর,
আত্মা দিয়ে সাজাই শুধু আমার খেলা ঘর,
সবাই আমার ভীষণ আপন আমার নেই যে 'ঘর',,
ইঁটের পরে ইঁটের গাঁথন মাটির বুকে নদী,
স্বপ্ন র আছে অনেক রঙ
আমার হবি যদি,
দিনের শেষে ঘুমের দেশে রঙের আনাগোনা,
দুরের যারা স্পষ্ট ভীষণ কাছেররা
অচেনা,,
বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৬
আমার দিন রাত
-----------------------
রাত জাগা পাখির চোখ আমার চোখে,,
ডানা ঝাপ্টে রোজ রাত মুছি, মস্তিষ্কর কোষেরা
ঘুমের সাথে বিদ্রোহ করে লাল নীল কালিতে
মগজপাতা ভরে ফেলে...। রাত পাখির চোখ
মুক্তি খোঁজে, চটকানো সুর্যর উত্তাপ জমিয়ে
কনকনে ঠাণ্ডা রাতটাকে চাদরের কোনায়
রাখি রোজ রোজ, আমার কাছে আমার জেতা
হয়না, ভোরের আলো এসে রাত পাখির চোখ ফেরত
নিয়ে যায় ...... আমি ভুলে যাই আমার সিলিঙ
ফুঁড়ে আকাশ দেখা রাতকে,
ভুলে থাকা না পালিয়ে যাওয়া বলে জানা নেই
'সই' পালাতে চাইনি কখনো বয়ে যেতে চেয়েছিলাম
উচ্ছ্বাসিত ঝরনাধারা আমি -- অথচ সেঁধিয়ে
চলেছি মাটির বুকের বিভাজিকায়,
আজ বহুদিন পর আয়নায় দেখলাম আমার
চোখের তলায় গড়িয়ে পড়া রাত প্লাবিত
সারা অস্তিত্বে, আয়না না তোর চোখ জানি না,
জানতে ইচ্ছে হয় না,
তোর চোখ যদি হয়.... তবে তার উপত্যকায়
হারানো সভ্যতার ভগ্নাবশেষ ইতিহাস বলে,
আর আয়না হলে সময়ের ধুলি কনারা
ঘেঁষাঘেঁষি করে জায়গা দখল হয়তোবা,
সব কিছু এলোমেলো করে এমন করে আসে
আমার ছায়ার ওপারে দিন রাতেরা।
সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৬
চিরস্থায়ী একাকিত্ব
------------------------
জানা অজানার দোলা চলে শহরের
ভিড়ে একটুকরো ফাঁকা আকাশ,
সেখানে রোদ বৃষ্টির খেলা অবিরত,
লম্বা ঝাঁপ দিয়ে কখনো ইচ্ছের আকাশে
মুখ লুকিয়ে শান্তি খোঁজা, কিংবা
রবিঠাকুর এর কথায় চিৎকার করে
এই সাজানো শহরকে জানাতে সাধ হয়
"আমার মুক্তি আলোয় আলোয় ওই
আকাশে".... একটা মুক্তি সকলে খুঁজছি
দম বন্ধ করা যাপন আর বরাদ্দতায় জীবন,,
তাই দেখে বিধাতাপুরুষ এর অট্টহাসিতে
সেই আকাশও ভাংছে একটু একটু করে,
শহর পুড়ছে তোর আমার মতই আর
ভাঙা আকাশের বুকে কখনো বা মুক্তির
সাধ পোড়া ধোঁয়া কখনো বা ইচ্ছামতি নদীর
বাস্পয়ন,
ভালো থাকার বরাদ্দকৃত নীল ইচ্ছা নিয়মের
নাগপাশে বন্দি ,
ভয় হয় যাপন যদি জীবনের কখনো স্মৃতি
ভ্রম ঘটায় তবে আকাশ কি চিনতে পারবে
আশ্রয়ী যন্ত্রণা কে!
জানা অজানা দোলাচলে শহরের
ভিড়ে এক টুকরো আকাশও তাই
ভীষণ একলা।।
বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৬
ছেঁড়া রাত
-----------------------
টুকরো টুকরো ঘুম এসে যন্ত্রণাদের
ছিন্নবিচ্ছিন্ন করছিল সারাটা রাতের
শিরা থেকে মগজে,,
পাঁজর এর বেড়ায় হৃদয়ের মারাত্ম করাঘাত,
আর অবিরত রক্তক্ষরণ রাতের প্রহরগুলো
বৃষ্টিস্নাত,
ভোর আসার একটু আগে একটা গাঢ় ঘুম
চোখ ঢেকে দেয়,, যন্ত্রণা ভীষণ দুমড়েমুচড়ে
বুকের পাটাতনে রাখা থাকে এক মুঠো
আলোর অপেক্ষায়। সকাল আসে নিজস্ব
দায়ে আর জীবন প্রবাহিত হয় ক্ষীন
কলেবরে।
মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৬
দিনান্তে সুজন
--------------+----------
ভোরের আলো শিশির চুঁইয়ে পড়ার একটু আগে
আধফোটা একটা সকাল এসেছিল দিনের দরজায়,
রাতবেছানো চোখের প্রান্তরে অপেক্ষিত ভালোবাসা,
সেওছিল সহবস্থানের ইচ্ছা মেখে,, সকালের আরুষ
নিজের গতিতে ছায়া বদল করে, আর শিশিরজল
অদৃশ্য আকাশপথে, সবটুকু উজাড় সবুজত্ব
বজায় রাখার তাগিদে,
পাতাঝরা দিনের সাথে একটা বাশিঁ্র সুর
হাওয়ায় ভর করে আসে যায় কোন না কোন
প্রহরের শেষাংশ ছুঁয়ে,
অনেক ভিড়ে হারিয়ে যায় একটা দুটো ছায়া,
কিংবা বেলা বাড়ার সাথে সাথে হয়তো বা
ছায়ার দুরত্ব বেড়েছে, ততটাই বাড়ছে ফাঁকা
প্রান্তরের পরিধিরেখা,, অপেক্ষা তখন ধীর
গতিতে মৃয়মান...... চোখের কিনারায়
ডুবন্ত সুর্যনগর আঁধারের ছেড়া আস্তিন গায়ে নিয়ে
চিরঘুমের বুকে মাথা রাখে, আর অপেক্ষা
ফুরিয়ে যায় শেষমেশ, শিশির চুঁইয়ে পড়া
অন্য কোন সকাল আসে সুজন তোমার উঠোনে,
সে সকাল মাত্রা পায় তোমার শরীর সেখার
অধিকার পেয়ে, অভিমানি দুপুর বিকেল সকাল
তোমার অন্তরমহলে চিরতরে কবরিত,
বেলা শেষে হৃদয়ের ঝুলিতে জমে যায়
শীতঘুমের বাঁচার রসদ, কিছু মিঠে আলাপন।।
বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৬
তোমার পথ
------------------------
হেমন্তের চাদরে লুকিয়েছ চুঁইয়ে পড়া
যতটা শিশিরজল... ততটা ভিজেছি
তোমার কান্নায়,,
ফ্যেকাসে সবুজ পাতার ঝড়ে পড়া দু:খে
হিমেল কাঁপুনি তোমার মতো আমাতেও
ভীষণতর,, তবুও তুমি আমি পথের
ছুটে চলাকে ছুঁতে ব্যেস্ত, ভালো থাকা সময়
গুলো গত শীতে প্রচণ্ড স্বপ্ন চোখে মেখে
আশ্রয়ী হয়েছিল রাত ভেজা চাদরের কোন
ঘেঁষে, এই হেমন্তে স্বপ্নগুলো এখনো অন্য
মেরুতে কারো চোখে হয়তোবা নীল
কাজল আঁকাতে ব্যেস্ত, আর আমাদের
চোখে একটা নিশ্চিন্ত ঘুমের অপেক্ষা,,
অপেক্ষা অনেক ইচ্ছাদের, যারা বুকের
পাটাতনে মুখ গুঁজে নদীর কনারা খোঁজা
কোন নৌকায় ভেসে বেড়াচ্ছে,,
অস্থির বাতাসে রাত পাখির গান কখনওবা
কান্না মনে হয়,আজ কাল... মনে হয় ডাহুক
ডাকা পদ্মবিলে একটা কাল লুকিয়ে আছে......
তুমি আমি আজো অপেক্ষমাণ একদিন
আসবে নাদের আঁলি, একদিন সময় যে
কথা দিয়েছিল সে কথা রাখতে সময় ফিরে
আসবে নিজেই,
আমরা বদলে ফেলবো গর্ভজাত লিপিবদ্ধকরণ
ভাগ্যকে, আর প্রচন্ড শীতের বুক চিরে ছুঁয়ে
ফেলবো সবুজ ভেজা উষ্ণ সকাল,
আর সেই সকালে তুমি ভীষণ বসন্ত আর
আমি বাসন্তিকা।
মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬
ও চাঁদ
------------------------
নদীর জলে তোমার মুখ কাঁটা তারের
এপারেও স্পষ্ট ,, কাঁধে সময়ের
ফরমান, তোমার সময় বার বার ফিরে
আসে, স্তব্ধতা ..কোন যুদ্ধর দোড়গোড়ায়
শেষ শান্তিটুকু চোখে সেঁধিয়ে তোমার অস্তিত্ব
মনে রাখে,, নদীর বুকে ভর করে তুমি কাঁটাতার
পেরিয়ে রক্তধারায় মিশে গেছ চাঁদ, তোমার
বয়ে চলার খুব কাছ ঘেঁষে কান্নারা যুগ যুগান্তর
বয়ে গেছে, আর সময়ের উষ্ণতায় শুখিয়েছে
বারংবার, চাঁদ তুমি তখন কোন এক বারান্দায়
রবিঠাকুর এর গানের লিরিকে আবেশিত,,
তুমি দেখনি অন্য কোনো চারদেওয়ালের
ভেতোর অমনিশা কতোটা গাঢ়.....
তবুও জীবন ভালোবাসে আলো,
যে মেয়েটা রোজ রাতে বাড়ি ফেরে
শরীরে রক্তক্ষরণ নিয়ে তার মুখে
তোমার আলোর কলঙ্ক বেশি কি কম
বোঝা যায়, জানা নেই, তবু সে তোমার আলোয়
পবিত্র হতে চায় ভোর রাতে,,
এমনি বেজন্মা ছেলেটা রোজ রাতে তোমায়
সাক্ষি রেখে জন্মটাকে নষ্ট করে আজন্মতক,,
আর তুমি একের পর এক কাঁটা তারের বাঁধ
পেরিয়ে সময়ের বুক চিরে এগিয়ে চলেছ,,
এতো কিছু বোঝ বলে হয়তো বা তুমিও
পক্ষকাল কাঁদো ঘন কালো আঁচলে মুখ
ঢেকে, আর শত আলোর মাঝেও তোমার কলঙ্ক
ভীষণ স্পষ্ট
মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬
অফুরান কিছু কথা
--------------------------------
ধু ধু প্রান্তরের মাঝে স্মৃতিরর হাতে
হাত রেখে অবিন্যস্ত ভাবনার দোলাচল,
মুঠোফোন এর স্ক্রিনটা বার বার চোখ টানে
আজকাল... এক পুরোনো অভ্যেস
সময়কে লোভ দেখায়,
হিসেবি সামাজিক জীব হয়ে বেঁচে থাকা রোজ,,
প্রচন্ড ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে...... শীতল
শরীর জুড়ে ঠান্ডা খুব ঠাণ্ডা নদী
ধীর গতিতে ভালোবাসার শহর হেঁটে দেখে,
খুঁজে ফেরে কোন এক অভিমানী সকাল
সন্ধ্যে কখনো রাত চাদরে মাখা কিছু না
বলা গল্প,,
যাপন যখন জীবন ছাপিয়ে তখন
হিসেবি সুখের আনাগোনা অভ্যেস হয়ে দাঁড়ায়।।
রুপকথার শুকশারি রোজ আর আসে না
ঘুমের উঠোনে, সময় পেরিয়ে নতুন
সূর্য দূর শহরে ভালোবাসার ঘরের জানালায়
হলুদ খামে শুভেচ্ছা পাঠায়.....
ভালোথাকা সম্পুর্নতা পেয়ে গেছে খবরে শোনা
যায়,
চলন্তিকার পথ এগিয়ে যায় ফুরিয়ে যাওয়া
অন্ধকারের শেষ সীমান্তে।।
ভালো থেক সেই সব মুহুর্তরা যারা
বেসুরে বাজা তারটাকে সুরে বাজতে
শিখিয়েছ একদিন।।
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬
মধুরেণসমাপয়েৎ
--------
অনেক কিছু জমিয়ে ফেলেছি
তোমার সঙগে যে পথ হেটেছি,
মনের অলিগলি তে নানান গল্পের
খুনসুটিদের ভিড়, তোমার আমার
হাসিতে তুবড়ি ঝরা আলোর খোঁজ,
আর আমি তোমার দু হাতের মাঝে
এক রাজকন্যার প্রতিফলিত রুপ,
আমার আমিকে তোমার চোখে চিনতে
পারা, হয়তো বা অস্তিত্বর নিশ্বাস নিতে
পারা,
আমি শত বসন্তের পলাশরং হয়ে বেঁচে
থাকবো কয়েকশো জীবন,
পেরেছি অনেক না পারাকে তোমার মতো
করে হিসেবি হতে শেখাতে,
আজকাল দুক্ষদের বলি আমাকে
ঘুড়ি করে ওড়াস না বীষ তোর আঙুল
বেয়ে রক্তে মিশে যাবে,
কোনো এক ধু ধু প্রান্তরে আমি একাই আজ
উৎসব হয়ে কাশফুল কিংবা শুউলি হয়ে
ফুটি,,
ভালোবাসলে সবসময় আকাশ হতে নেই
তাতে অহংকারী হতে হয়........ কখনো
তুমি বলেছিলে আজ আমি ভালোবেসে
গাছ হয়েছি আর তোমার দেওয়া মাটিকে
আষ্টেপৃষ্ঠে আঁকড়েছি,, আমার শাখায়
চিরবসন্তের ফুল ফলের আনাগোনা,
তোমাকে দেওয়া জীয়ন মন্ত্রে আমি
আমারই মতো ভালো থাকি,
পথ চলি কোন এক মধুরেণসমাপয়েৎ এর
শেষ দিকে।
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
তোমার জন্যে সুজন
-----------------------------
তোমার জন্যে আলোর আলপিন
খুঁজে চলেছি এই অন্ধকার মৃত
শহরে,
তোমার জন্যে দু:ক্ষ দের রাত চাদরে
ঘুমের দেশে রাখি আজকাল,
তোমার জন্যে অসময় পেরিয়ে
সু খুঁজে চলেছি মহাকালের পথে,
তোমার জন্মতক বেজন্মা পরিচয়কে
অবলুপ্ত করে রাজরাজেশ্বর এর
পরিচয়ে উদিত বারংবার,
তোমার জন্যে বন্ধুরতা ভেঙে শংখধ্বনি
বাজাই রোজ গোধুলি বেলায়,,
রাত্রি শেষে একটা ঘুম ভাঙা স্বপ্নেভরা
সকাল খুঁজে চলেছি আমাদের জন্যে।
আমাদের জন্যে একটা দেশ খুঁজে
চলেছি রোজ, খুঁজে চলেছি একটুকরো
জমি, খুঁজে চলেছি একটা কফিন যেখানে
আমাদের শুধু আমাদের আমরা চিরতরে।
বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
ভাবনা
ভেবেছিস জানি অনেকটা যেমন তোর অভ্যেস,
কোনো ধীর স্রোতোস্বিনী আলুথালু বেশে আমি এক
পথিক,
নিজের দিকে তাকিয়ে দেখার সময় নেই,
যে চোখে স্বপ্ন দেখা যায় ,সেই চোখেই বেঁচে থাকা।
এখন যাপন,
আমি জানি ,,,নিস্তব্ধতা আমার বুকের ওঠানামায়,
বিকেলের বারান্দায় ম্যানিপ্ল্যান্ট গাছটা আজকাল অপেক্ষা করে
অপক্ষা করে দরজায় লুকোনো ঘুলঘুলি একমুঠো
কনে দেখা আবেশ।
কিছুটা তৃষ্ণা মরে বেঁচে থাকে
আর কিছুটা বাঁচা গভীরে তোর স্পর্শ আমাতে।
সেই ধীর চুঁইয়ে যাওয়া
শিরাউপশিরার মাটি ভিজিয়ে,
তারপর সেই মাটিতে জীবন ,যাপন ,জনপদ ,নির্ভরতা ,আকুলতা
বাঁচা কোনো রোজকার জীবন হয়তো বা যাপন।
শহর থেকে গ্রাম ,তারপর একটা মানচিত্র ছড়িয়ে যায় স্পর্শ
সকলের বাঁচার জন্য একটু জমি চায়।
কোনো ধীর লয়ে বয়ে চলে ভালো লাগা।
কবির প্রিয় নারী ,প্রেরণা , ভেসে বেড়ানো ভাবনার
ছোট্ট একটা ডিঙি নৌকো এসব ভাবনায় আমার
বেঁচে থাকা,
ক্রমশ হারাতে থাকে আরো গভীরে ,মিশে যায়
ভালোবাসা কোনো সামুদ্রিক ভিড়ে।
কোন ভিড়ালো স্টেশন চত্তরে,
কখনো বাজারি দর কষাকষির সামান্য
মুনাফায়,
কোনো ধীর স্রোতোস্বিনী আলুথালু বেশে আমি এক
পথিক,
মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬
.তোমাদের বাড়ি
----------------------------
তোমাদের বাড়ি থাকি জন্মান্তরের
অংিগকারে.... এক সূর্যাস্ত থেকে আর
এক সূর্যাস্ত তোমাদের ঘরের আনাচ কানাচ,
আমার অবাধ গতিবিধি,
ওই সূর্য র দেওয়া একমুঠো আগুন বুকে
ধিকধিক করে রোজ পোষ মানে,
সেই আগুনে তোমাদের
ঘরের দেওয়াল মেঝে গরম রাখি, কারন
কনকনে শীতের রাতে ভীষন রকম
ঠান্ডা, আর আমি তখন ঘরছাড়া,
তোমাদের বাড়িতে আমার বসবাস তবুও
ঠিকানাটা স্থায়িত্ব পায়না মৃতু অবধি,,
তুমুল বর্ষায় তোমাদের উঠোন বানভাসি,
আমি আমার চোখে সেই বর্ষাকে বাধ দিই,
যাতে ফের চৈতী তৃষ্ণায় তোমরা সবুজে
থাকো,,
তবু এ উঠোন আমার নয় তোমরা জানিয়ে দাও
বারংবার,,
আমার নাকি একটা রক্ত মাংসের শরীর আছে,
জন্মসুত্রে পাওয়া, তোমরা জানয়েছো সেটা
আমার নয়,
তোমাদের অলিখিত চুক্তিপত্রে খদিত
সেটা তোমাদেরই,,
আপত্তি ছিলনা আদিতেও অন্ততেও নেই,
তোমাদের বরাবরই আপত্তি থেকে গেলো
আমাকে তোমাদের বাড়ির বাসিন্দা ভাবতে,
তবুও আমার বৃষ্টি, আমার উষ্ণতা, আমার
স্পর্শ তোমাদের আপন ভাবতে পারে,,
তোমাদের উঠোনে কোজাগরীর আলোয়
আমার দেওয়া আলপনা চিরন্তন।
কখনোবা তোমাদের কার্নিশ জুড়ে আমার
ছেঁড়া আস্তিন। আমি তোমাদের কেউ হবার
দাবি জানাবো না কখনো কথা দিলাম,
কথা দিলাম তোমাদের বাড়ির উঠোনে
চাইবো না আমার কবরের একটুকরো জমি।
রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৬
ঈশ্বরতা
-----------------------
আগল চাওয়া আর ঈশ্বরতা এক নয়,
যেমন আশ্রয় আর আশ্রয়ী,
দেবী রুপে দশভুজায় লালিত সংসার....
অথচ মাটি দিয়ে তৈরি হয়েও মাটি ছোঁয়ার
সাধ অতৃপ্ত,
চোখের কোল বেয়ে দেবীর ক্লান্তি যেন
বিশ্বসংসার অন্ধকার,
একটা আকাশের বুকে সময়ের আলোড়ন
আর জন্ম মৃতু যেন পরিপূরক,
দেবী কে ছুঁয়ে অগুনিত জীবন আর দেবী
বাঁধা আষ্টেপৃষ্ঠে খড়কাট দড়িতে,,
ছটপট প্রান যেন মুক্তি চায় সামাজিকতার
দায়ভার থেকে, নিজের ছায়ার মত
জড়িয়ে আছে আবছা প্রশ্নেরা,,
কেউ ছুড়ে দেওয়া ফুলের সাথে জানতে
অভ্যস্ত নয় কেমন আছ মা আজকাল তুমি?
কিংবা তুমি তো সর্বেশ্বর এই ভুমিকায়
হাপিয়ে গেছ কখনো?
চোখের কোল বেয়ে জল দেখে ভাবছ
বিসর্জন এর দু:ক্ষে বুঝি বৃষ্টি নামে,
অথচ আভরণ আর আবরণ এর পেছনে
দেবী না হয়ে রক্ত মাংসের। মানবী হওয়ার
সাধ যেন অতৃপ্তই রয়ে যায়,
আর্তিটুকু ছাপিয়ে যায় সমাজ আর সংসার,।
বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬
নির্বাসিত তুমি ও আমি
----------------------------------
নির্বাসিত তুমিও আমি অনেক্ষানি,
একটা ভীষণ সবুজ সংসারের খুব
কাছ ঘেষে তুমি আমি,,এক সমুদ্রকোল ছুঁয়ে
শূন্যতার দ্বীপ,
তুমি আর আমি আজীবন নির্বাসিত,
একটা স্নিগ্ধ শান্তি তোমার কপাল চোখে
ছুঁইয়ে দিলাম জীয়নকাঠি,,
আমার বনবাস তোমার সাথে কতটা বা
কতটা পথ তুমি আমি এতো ভেবোনা,,
ভেবোনা সংসারী হওয়া তোমার বা আমার
বেমানান,
সবটুকু ঠিক যদি পুর্নতা পাও হৃদয়কুঠুরির
চিলেকোঠা পর্যন্ত,তবে মিশে যেও।
এক শ্রাবন বৃষ্টি তোমার সংসারে ধনধান্যে
পুষ্পে ভরা আর তোমার বসুন্ধরায় আমি
বিকেলে কিংবা ভোরে আলগা অভিমান,
নির্বাসিত হয়েও তুমি থাকবে বৃষ্টিভেজা
সবুজ,,
বাসন্তিকা হওয়া নাই বা হল অনেক্ষানি
পাওয়া রইল জন্মান্তরের দিনান্তে,
কেন এমন, কি বা অজুহাত, চেনা দুচোখে
আলোর তারিখ, এসব না হয় বলা বারন
রয়েই যায় কখনো কখনো,
চুল ঢাকে ঘুম আমার মুখের পরে চোখের
পরে, পলাতক রাত তোমায় ভাবায় রাতের
শেষ প্রহরেও,,
ভালো থেক বলি বার বার,
কারন এখনো তুমি আমি নির্বাসিত কোন এক
সবুজ সংসারের সবুজ দ্বীপে,,
শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬
তোমার কথা
---------------------------
আমার বাড়ির পথের বঁাকে একটা সদ্য
বাজ পড়া গাছের বুকে তোমার যাপন
টের পেলাম,
আমি নীলাঞ্জনা, আকাশলীনা, কিংবা
নীরা এদের কাউকে তেমন করে
চিনিনা,
শুধু কয়েকবার ওদের দেখা পেয়েছি
কোন এক কবিতার পথের বাঁকে, সে তো
অনেক দিনের কথা, কিন্তু সদ্য দগদগে
পোড়া গাছটার মুখে এক আর্তি....
তার বুকে ভস্মে লেখা আবছা যে নাম
আমি চমকে গেলাম,..... সে তো যন্ত্রণা,
তবে সবুজের বুকে কেন গলা শুকানো
কোন যন্ত্রণা!
ভয় পাওয়া বুকে ভাবি তবে প্রশান্তি কোথায়?
বুঝলাম তুই ভাল নেই, তোকে ভালো রাখতে
পারিনি কখনো,
মনে হল বাজটা সবুজ গাছটাকে না
পুড়িয়ে আমাতে সেঁধিয়ে গেলে হয়তো
কিছুটা সবুজ এই পৃথিবীর জন্যে রাখা
যেত,
হয়তো ভালো থাকতিস 'সুজন'
ভাল থাকা মানেই তো সবুজ থাকা
কিরে তাই তো?
আমার বাড়ির বাঁকে সদ্য বাজ পড়া
গাছটাকে দেখে বুঝলাম
ভালো থাকা কিংবা ভালো রাখা
ততটা সহজ নয়,,
বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬
নখের আঁচড়
------------------------------
দেশ কাল পেড়িয়ে একটুকরো জমি
খুঁজেছিলাম নাড়ী সত্ত্বা কবর দেবার জন্যে,,
রক্ত মাংস আর কয়েকটা হাড় সামাজিক
চীল শকুনের মজলিশির প্রয়োজন,,
আয়োজন অনেক, নিয়ম আর সু
এই নিয়ে মাত্রা টানা, গভির প্রেমও
তার আসার পথ ভুলে যায়, পড়ে থাকে
চিবিয়ে ফেলা ডাটার ছিবড়ে টুকু,
পরিচয়গুলো জীবনভোর ধারের খাতায়
জোড়াতলি দিয়ে, কখনওবা.... 'ঘর সংসার
আমার আর চাবিরতোড়া তোমার',,
চামড়ায় পৃথিবীর মানচিত্র সামাজিক
নখে নখে, তবুও ফুরোয়না পথ আর
অন্ধকার হয়না চোখের আলো,
শুনেছি শুকিয়ে যাওয়া নদীও মাটির
বুকে হাড় পাঁজরের বিভাজিকায়
বেঁচে থাকে, তার অস্তিত্ব কেবল দৃশ্যিত
নয়, কবরিত......
তাই দেশ কাল পেড়িয়ে একটুকরো জমি
খুঁজে চলেছি মাটির ভেতোর মাটির বুকে
ভেজাব নাড়ী অস্তিত্ব,, আর সামাজিক
নখের আঁচড় পথে বইবে লুকনো কোন
নদী।
চলে যাস
--------------------
যদি চলে যাস কখন, মোচড়ান বুকের
কান্নায় বিদায় জানাবো না,
অস্থির বাতাসে উড়িয়ে দেব চোখের বাষ্প,
তোর স্মৃতি থেকে মুছে দেব কিছু ক্ষনকাল,,
আর মুক্ত আকাশে যত দূর চোখ যায়
যত দূর যায় ফুলেদের রেনু, তোকে
দেখিয়ে দেবে সেই পথ কোন এক শংখচীল,,
ভালো থাকাটা বোধহয় আমার আর হলনারে
'সুজন',,
তোকে ভাবতে পারি আমার মত করে কিন্তু
ছুঁতে গেলে একজোড়া পাখনা দরকার,,
আমার ডানায় অজস্র ক্ষত,,
তুই আকাশ হয়েই থাকিস রামধনু রঙ
তোর জামায়,
আমার জন্য একমুঠো বৃষ্টি ফি বছর
পাঠাবি এইটা কি সামাজিকতারর দায়রায়?
আজ কাল ভাবনারা আমায় মাতাল করে
এলোমেলো করে রাখে......
কেন যে আজকাল তোকে চোখে হারাই
নিজেও জানিনা!
পাওয়াটুকুর থেকে না পাওয়া তুই অনেক্ষানি,,
যদি ভালো থাকার জন্যে যাস মোচড়ান
বুকের কান্নায় জানাবো না বিদায়,,
ভাল থাক তুই তাহলে আমি পুর্নতা পাব,,
যদি চলে যাস ভুলে যাস আমার কখনো
ছিল নদী ভরা জল,,
আকাশ হয়ে পাঠাস ফি বছর একমুঠো
বৃষ্টি,,,
যদি চলে যাস........