জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
পুনশ্চঃ
মেঘ ও সই
অতঃপর
ডাক থেমে গেল
রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
পুড়তে দাও পার্থ
সে ও তার গল্প
আবহাওয়া
আর্কাইড
শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
ববাগী ইচ্ছাবাড়ি
সন্ধ্যে নামার আগে
শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
অফুরান হিসেব
ভুলিনা কখনো
সুবর্ণা (১০৭)
ত্রিমাত্রিক দৃশ্য
বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
পায়ের শব্দ
সাতনলী
বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
অন্ধলিপি
তার নুড়ির মত ন্যাড়া মাথা থেকে আজকাল
বাঁকা ছুরির মত পোড়া ঠোঁট এখন আগ্রহহীন করে
দেয় ইচ্ছা বাড়ির স্বপ্নদের।
ব্রেইল এর অন্ধ ছুঁচ ফুঁড়ে ফুঁড়ে তার সারা গায়ে লেখা হচ্ছে পাপ গ্রন্থ ......
এক অংক নাটকে আমিও সামিল হয়েছি নিদারুন
সময় অপচয় করেই ......
সময় যথার্থ মানে শিখিয়ে দিয়েছে সময় নিজেই
এক ফোঁটা চোখের জল এত দিনের সমস্ত ছবি কে
ধুঁয়ে মুছে তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিলো ......অহংকার মিশে গেলো আলোর অন্তরালে ....শহরের অলি গলি এখন পাপ মুক্ত ,
তার পাঁজর ভালোবাসার হাহাকারের চিরকুট শুকোচ্ছে দিন রাত জুড়ে .......
আলো আর অন্ধকার নিয়ে লুকোচুরি খেলতে
পারে এমন মানুষ কজন আছে ! ঘুন পোকার আশ্রয়ে যে সব শিরদাঁড়া তাদের শব্দ চিৎকার
গুঁড়ো গুঁড়ো সৎকারের ছাই ছাড়া কিচ্ছু না ,
এসব অনাকাঙ্খিত দৃশ্য গুলো মনে করে ভুলে যেতে হয় ....আর দিব্য ভুলে যাওয়াও যায় ,
যারা মনে করে ব্রেইল শুধু অন্ধকার জাজিমে
নকশা ফোঁড় তোলে
তারা আসলে ভুল মনের অন্ধকারেও সময় নিঃশব্দে ব্রেইল লিপির মত গোপন চিহ্ন এঁকে রাখে ।
মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
শিল্পী তোমাকে
ধর্মস্যঃ সহাং
কবির প্রতি
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
সব পথ সঠিক
কখনো একদিন
কখনো আমার ভেতর শান্ত পিরামিডের ঘুমন্ত নিশ্তব্ধার শব্দ সে ;
কখন কখন শিকারি বাজ পাখির মত খুবলে নে্য
আমার ভেতরের
যাকিছু বাকি বকেয়া পরে থাকা সম্বল'
কখনও কখনও আমার ভেতর সে ভীষণরকম আরোগ্য আর সুস্থ ....
খানিকটা কোজাগরীর চাঁদের আলোয় আমার উত্তরের বারান্দা যেমন পূর্ন বাসায় ভরা ,,
কখনও বা সে নিকষ অন্ধকার দিকভ্রান্তহীন স্তুপিকরন পাপ যেমন।
এক এক দিন সে অসম্ভব ভালো থাকতে থাকতে
ক্লান্ত জয়ে পরে ,
এক একদিন আমার ভেতর সে হাতড়ে বেড়ায় নিতান্ত কষ্ট রাখার ঘটি বাটি ।
আমি ভাসি .....ভেসে যাই তার কুল ছাপানো
মিথ্যে বাহাদুরির খেলা দেখতে দেখতে ,
সে বেড়ে ওঠে কখনও কখনও আমার ভেতর প্রকান্ড বিষবৃক্ষ হয়ে ,
কোনো দিন বা সে কল্পতরুর মত টাকা মাটির
সম্পর্ক চিনিয়ে দেয় আমাকে ।
আমার ভেতর সে কখনো বা কেষ্ট পুরের বাসস্ট্যান্ড এ চূড়ান্ত অপেক্ষা হয়ে বসে থাকে ,
কোনো দিন বা ভীষন অবহেলায় দমদমের
রাস্তা ধরে কপালে রাখে সামান্য কেতাবি স্পর্শ ,
মানুষ কিংবা গাছ কিছুই হতে পারেনি সে আমার
গল্পটায় ।
তবু সন্ধ্যের প্রদীপ কিংবা ভোরের অজানা সে ভালো থাকুক ....
একদিন তার সমস্ত পেয়ে যাওয়া কিংবা ভালো থাকা গুলো যেন তাকে সুখের আলোয় ভাসতে ভাসতে ক্লান্ত করে দেয় ,
এক দিন সে ক্লান্ত হয়ে নিঃশব্দে যেন বলে আমি ক্লান্ত ঈশ্বর হতে চাই না ...
আমার সমস্ত অভাব নিয়ে ফিরে পেতে চাই পুরোনো আমিটাকেই।
রবিবার, ২৩ মে, ২০২১
আবেগী স্তর
শনিবার, ২২ মে, ২০২১
উন্মোচন
বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১
কে ঈশ্বর
বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
প্রথাহীন
মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১
মেঘ বলে ডাকলে তুমি
গিঁট খুলে খাদে ফেলে দিয়েছি তোমার দেওয়া সমস্ত অহংকারী অন্ধকার ,
একের পর এক বিচ্ছেদ বিরহ ঝরে গেছে পুরনো শীত হয়ে ,
ভোরের আলোয় ......
আমি দরজা খুলে দেখি ভালোবাসা রয়েছে থরে থরে ... নিখাদ ভালোবাসা
আসে বারংবার ,
মিথ্যে প্রহসনে অলংকার ছেঁড়ে প্রথমবার বুঝেছি সে কথা ,
ভালোবাসা তুমি মেঘ বলে ডাকলে ...... দুহাতে নিয়ে চিবুক
কপাল থেকে মুছে দিলে শনির দৃষ্টির দীর্ঘ ক্ষত ।
তুমি মেঘ বলে ডাকলে ...... সমস্ত কথা না রাখার অধ্যায় থেকে
এক নিমেষে শুষে নিলে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি পচনের স্তূপ ,
বুকের আগলে বৃষ্টি রেখে হাত ধরে ধুইয়ে দিলে দেহজ
খাঁচাটায় লেগে থাকা ... পুরনো পুঁজ রক্তের দাগ ,
আমি শুদ্ধ হলাম ... নবিন হলাম ... পিঠের শিরদাঁড়ায় যন্ত্রণার
অবগাহন মুছে গেলো ,
.................. বুঝলাম ভালোবাসার। জন্ম হয় বারংবার ্,
বুঝলাম ঘরের দেওয়ালে ইট নোনা ধরলে , মায়ার সাথে ছায়ার
সৎকার বড্ড জরুরী ...... জরুরী স্মৃতিদের মুখাগ্নি,
ভালোবাসা তুমি ফের মেঘ বলে ডাকলে ...... বললে হৃদয় পুড়েছে বলেই
খাঁটি সোনা ...... যে গেছে সে কখনো কারো ভালোবাসা হতে পারে না ,
আমি অপেক্ষার ঘরে মৃত্যুহীন আলো হয়ে তোমায় আগলে রাখবো...
ভালবাসবো... ভালবাসবো... ভালবাসবো ্।
ঈশ্বর হয়ত মুঠো খালি করে দেয় ...... ঝুলি ভরে দেবার জন্যেই ...
তাই সে মেঘ বলে আমায় ডেকে নিলো বুকের মাঝে ।
আয়ুর বাঁকে
অ--সুখের রাত
অনেকগুলো পথ তোমার সামনে .....
রবিবার, ১৬ মে, ২০২১
সময়ের লড়াই
শনিবার, ১৫ মে, ২০২১
তোমার বিয়াল্লিশের বুকে
শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১
চুরি
তুমি গেলে পূর্বরাগের সহজ পাঠে.....
সেলাই মেশিনে ভুবনডাঙ্গার দূরত্ব বুনি।কাগজের নৌকা
কাগজের নৌকো বানাই কেমন আছো খবর ভাসাই
নিজেই ডুবি সেই নৌকায় ভাসবও বলে তোমার পারে ,
বৃষ্টি নগর আয়ণা এখন মেঘের দেশে আলাপী মন ,
সুযোগ পেলেই বারুদ জমাই ......
বুধবার, ১২ মে, ২০২১
মুখ আর শহর
আকর
নির্বাক শব্দ
মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
অলিখিত গ্রন্থ (১২)
জলছবি
সোমবার, ১০ মে, ২০২১
অলিখিত গ্রন্থ (৯)
রবিবার, ৯ মে, ২০২১
তোর জন্যে
যুদ্ধের পরে
শনিবার, ৮ মে, ২০২১
উত্তরের বারান্দা
শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
স্মৃতি
সময়ের গল্প
আজকের আকাশ
দেখ আজ কার যেন অভিশাপে শহর প্রান্তরের মানুষ জন বাড়ি ফিরে গেছে ,
পৃথিবী থেকে আকাশে শুধুই দুরত্ব ... কত স্তরে অন্ধকার নাকি নিঃশব্দে গোপন
কান্নার অভিশাপ , প্রিয়তম মুখ ছুয়ে দেখা হয় না আজ বহুকাল ,
প্রিয় সঙ্গ যেন কার অভিশাপে বন্দিশালায় , শহরে এখন আর মিছিল নেই , ভিড় নেই ,নেই
দিন রাত ইঁদুর দৌড় নেই বাসে ট্রামের লাইনে দাঁড়ানো জীবন ... কিংবা ভালবাসার খেলায় হার জিত ,
কার যেন অভিশাপ কুমকুম রঙের আলো ম্লান দিকচিহ্ন হীন,
নিজের মৃত্যুর দিকে তাকিয়ে আঁধার ভরা গাছের হাড়ে কারা যেন রক্তিমাভ রেখে
গেছে ... আলো ভরা গাছের হাড়ে এখনো বাঁচার ঘ্রাণ
জ্যামুক্ত তীরের মত মন ছুঁতে চায় নতুন পুরনো প্রেম কে , অথচ
সময় হিসেবি পিঁপড়ের মত সামান্য ভগ্নাংশে বাঁচিয়ে রাখে যাপন।
তবু আগামি আসবে শহরের প্রতিটা জানলায় ভালি থাকার ভোর নিয়ে
আবার হাতে হাত রেখে এ শহরে প্রেম নিলাম্বর ছুঁয়ে কবিতা হবে ।
অভিশাপের কাছে নত জানু হয়ে প্রেম চেয়ে নেবে একটা শুভ সংকেত।
বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
কবিতার মৃত্যু
বুধবার, ৫ মে, ২০২১
অপরিমেয় সৎকার
মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
অপরুপ কান্না
সোমবার, ৩ মে, ২০২১
নষ্ট পুরুষ
বৃদ্ধ কিন্নরের মত তুমি এখন স্মৃতিসঙ্গ হিন সময়াতিত হে প্রেমিক,
একদিন তোমায় ভেবেছিলাম বংশলোচন হৃদরোগের মহাঔষুধ ,
একদিন তুমি বাঁশের চিক খাঁড়া করে নিয়ম বানাতে সময়কে গুছিয়ে
নেবার জন্যে ঈশ্বর রুপে সেজেছিলে ,
হঠাত রত্নসুপ্তির মত ঝাঁকে ঝাঁকে তোমার চারপাশে তোমারই শব্দের
বিকিকিনি বাড়তে থাকে ... আমি এরপর একটু একটু করে নিরবতা শিখে
ফেলি ।
পরিনত প্রহেলিকার মত একই মানুষ ধাপে ধাপে বদলে যায় ... চোখের সামনে ।
আমাদের বারো খানা ছবির নিচে যেন বারো খানা পাপের নাম
লেখা হয়ে যায় তখন, , প্রতিটা ছবিতে নিরাবরন ছিল তুমি আমির মত
চেনা মুখ গুলো ,
তখন সে খুব সহজে বাঁশের কাটিম ধরে শরীর থেকে মাটি
চেঁছে নিয়ে নিজের মত গোপনে নতুন প্রেম গড়ে নিচ্ছিল ,
একমাত্র প্রেমিক ভাবা পুরুষ বুকের খাঁজে রাখা কলজের চারপাশে দেওয়াল তুলে
দিলো একদিন। বুকের ফাটল দিয়ে সারি সারি পিঁপড়েরা গোপন
খবর দিয়ে যাচ্ছিল যে ।
সমস্ত অক্ষয় ম্মালবেরির পথ হেঁটে যে দিন বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছিল সে দিন বুঝতে
পেরেছিলাম প্রেমিক নয় সে আসলে চিরকাল এক নষ্ট পুরুষ হিসেবেই চিহ্নিত।


