বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২

সারি গান (২)

তুমি এসো আলোর মত 
বাসবো ভালো মনের মত ,
অবাক ওই তারার মত বিছিয়ে দিয়ে
বুকের উঠোন, 
ইচ্ছে বুনন বুনবো আমি তোমায় দিয়ে আপন যতন।
সকাল বলে ডাকবো তোমায় ভোরের পাখি হয়ে, 
আলতো সুরে গাইবো যে গান সে শুধু তোমায় ঘিরে।
আমার সকল অহংকার হবে ওহে তুমিই 
 হবে অন্ধকারের জোনাক আলো 
শুধু তুমি শুধু তুমি শুধু তুমি .....

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

সই

আমায় বাদ তো দিলে... তবু আমি বাদ গেলাম কই  সেই তো তোমার  চিত্র নাট্য এ আমার কথাই তো লেখা রইল

সই(৪৬)

কাছিমের মতোই  সমস্ত দুঃখ বেলা সূর্যাস্তের সাথে ডুবে গেছে কোনো গহীনে ,
ব্যর্থ প্রেমের অন্তরালে বিরহ এখন সুখী-উৎসবমুখর মুক্ত আকাশ মাত্র ,
যে কথা বুঝতে  কখনো যুগ পথ হেঁটেছি এই জন্ম ধরে ,,
.. ...সেদিন উত্তরের বারান্দার অপেক্ষমান তারা টা মুহূর্তে  হাতের কাটাকুটি দলগুলোর মত বুঝিয়ে দিল
প্রতিটা দিন আসলে একটি নতুন জন্ম যেখানে 
অতীত মৃত ভবিষ্যত বলে কিছু নেই ....আছে  চলমান মুহূর্ত
.......সই

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২

#সই(৪৫)

বিস্ময় হারিয়ে যায় ,
মাদকতা আর নেই ,
তোর প্রতি না করুন ...
না ঘৃণা ,
যে সম্পর্কে দূরত্বে কষ্ট দেয় 
সে তো শুধুমাত্র হিসেব নিকেশ ,
আর হিসেব বছর শেষে ফুরিয়ে যাওয়া
ফেলে দেওয়া খাতা ,
অনেক খুঁজেও  তোর মধ্যে আর সে বিস্ময় কোথাও 
পেলাম না যেখানে নদীও নিঃশ্বাস নিতে পারে ,
তোর মধ্যে কেবল  এখন বাজারি গন্ধ  এখন,
#সই 

রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২

সই(৪৪)

নিজেকে বেচতে চাইলে বাজার যে কোনো জায়গায় খোলা যায় ,
সম্পর্ক বেচতে চাইলে ঠকতে হয় নিজের আয়নায় ....... অথচ  বাজারে আয়না আর সম্পর্ক দুই কিনতে পাওয়া যায় একটা কাঁচ একটা প্লাস্টিক
 handle with care , ,দুটোই 
..#সই

ধ্রুব সত্য স্বপদ

১) দিঘির রঙে ডোবা শান্ত শূন্য  আমার নিজস্ব দু হাত..., 
__ হাত বেয়ে জঙ্গল আর কিছু জংলী গল্প সংসার ছড়াতে ব্যস্ত ,,

২)....অনেকবার তোমায় বলেছি আমি একদিন ঠিক... সুস্থ হয়ে উঠব
যদিও সুস্থ হতে চাইনি কখনও সে কথা তোমায় জানতে দিইনি,
অ-সুখে কাছের কবিতারা বড্ড ভালো আশ্রয় পায় বলেই
যুদ্ধে বিশ্বাসী আমি জলরঙে ছবি আঁকতে পারি সময়ের রঙ দিয়ে, আর সে রঙে নতুন কাব্যে উত্তরের বারান্দার গল্পেরা আসে কথা রাখতে ,,

৩) __ তর্জনীর মাথায় ঘুমঘুম প্রবাহে অজস্র গন্তব্য আরও কাছের এখন ....এখনই__পা টিপে টিপে... শানের মেঝেতে  হরিবোল... বলো হরি... শব্দগুলি  তোমার বসত ঘরে সন্ধি ফাঁদছে,
রূপনারায়ণের জল ও ছায়াময় ধূসর গল্পে একদিন
তোমার সমস্ত স্বার্থ সন্ধি আর পাপ নীল বিষ ছড়িয়ে যাবেই .....তুমি কিংবা তোমার মত যারা তারা যে স্বপদ ছাড়া আর কিছুই নিজেদের প্রমান করতে পারেনি হে মান্যবর ।
#সই

শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০২২

সই(৪২)

হওয়ার সফরনামা  ভুল   নয়... 
   তবু ভেসে যায় সময়ও কখনো পাপ স্রোতে ,
ভুল ভ্রম  সারা জীবনের অর্জন করা পুঁজিতে পাপের সিলমোহর লাগে তাই।
বিশ্বাসের আড়ালে  ভেসে ছিল সময়ের দংশন , 
হাওয়া আসে, হাওয়া যায়,  কেনাবেচা ফুরোয় যে বেলা শেষে,,
সময় তার বেলাশুরুর হিসেব বুঝে নেবে নিজস্ব মরশুমে...
                     ...#সই

সই(৪১)

সামাজিক খাতায় স্বাক্ষর  থাকে না হৃদয়ের সম্পর্কের,
.......শুধুমাত্র বিশ্বাসে  বিশ্বাস রেখে  মাইলফলক পেরিয়ে যেতে হয় ,
......ভুল তার নয় যে বিশ্বাস হত্যা করে নির্দ্বিধায়,
ভুল যে বিশ্বাসের কাছে নিজেকে সমর্পণ করে মাথা নিচু করে ।
....#সই

বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০২২

দাবার চাল

দূরত্বের ফলকনামায় বিশ্বাস  কখন ঘাতক হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না , 
শয়তান কে ভয় করে না ,,
 ....ভয় করে ঈশ্বর-রূপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শয়তান ,,
যাকে বিশ্বাস করার উপহার স্বরূপ নিজের প্রতি ঘৃনা মৃত্যু পর্যন্ত পিছু ছাড়ে না ।
 "....প্রচন্ড প্রলয়ের দিনে যে সম্পর্ক থেকে খানিকটা নিঃশ্বাস পাওয়া যাবে এ বিশ্বাসে নিজেকে অহংকারী মনে হত একদিন,
 ...কোনো একদিন  জানা যায় সে বিশ্বাস যে কি ভয়ানক  ঘাতক হতে পারে তার বয়ান নিয়ে কোনো লেখক  কোনো উপন্যাস লিখতে কেঁপে উঠবে  , ,,
সব হত্যা কিংবা অপরাধ চোখের বাইরে দেখতে পাওয়া যায় না , আর যায় না বলেই কোনো আইন আদালতে তার বিচার হয় না , 
অপরাধী বা হত্যাকারী অবাধে নিরন্তর তার 
নেশার খেলা চালিয়ে যায় ,
এ পৃথিবী জানতে পারে না তার বুকে এমন ঘাতক দাপিয়ে বেড়েচ্ছে শব্দজব্দের খেলায় ,, 


দাবার চাল জীবন (১০)

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

সৌ...অপরাধ(১)

আড়ালে নিজের আদ্যোপান্ত ঘাটতে গিয়ে দেখি...
আমার মন-জানালায়..টাঙানো বদ রক্তে ভেজা একটা পাপ,


সম্পর্কর মুখোশ কাছে আসে....
হৃদয়ের কার্ণিশে বসে ভ্রম রঙ্গের পাখা মেলে...
আমি অবাক চোখ  সম্মোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকি... 

বাতাস সাদাকালো মেঘগুলোয়  হত্যা গন্ধ পাঠায়...
আমি বুঝতে পারি না ,
মাটি ছোঁয়া সে আমিষ  গন্ধে আমার ভেতর বৃষ্টি- পায়...অঝোরে।
ঘরকুনোতে স্যাঁতসেঁতে ব্যাঙের শরীরের ভাঁজে ভালোবাসায় অবিশ্বাস মুখ লুকিয়ে ফাঁদ পাতে।

খোলা আকাশে আহ্লাদী- হাত তুলে জীবন উজ্জাপন ভেবে আমি নিজেকে পাপী কিরে তুলি ,

" কি অদ্ভুত বৃষ্টি-জলের ক্ষমতা....

আমার চিবুক বেঁকে নেমে আসে রঙ-মহলের স্রোতে...

হতবাক নিজের বুকের গায়ে চোখ পড়তেই দেখি...
দেখি কার দেওয়া কালসিটে...বসন্ত-সময়ের রং বদলে যায় চোখের আড়ালে ।
একেকটি সাদা-কালো মথের মতন বে-রঙ ফিরিঙ্গী আমার  বিশ্বাসের সহবাস...;।

'বৃষ্টি' আমায় রুপ চেনায়..রঙ চেনায়..বে-রঙ চেনায়.. বিশ্বাস ভাঙা চেনায় ,

একছুটে আবার আমি আমার সেই 
চেনা  লোহার দেয়াল-ঘরের  খাঁচায় লুকিয়ে পড়ি....
নিজেকে জোর করে ঘুমপাড়ানি মন্ত্র শোনাই...
বুকে পাঁ গুঁজে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে যাই....!

আর  কোন  বসন্ত আমি দেখতে চাই না....
রাত প্রহরের ভয় কাটিয়ে ভোরের ঘুমে 
ফের  ছটফট করে উঠি পাপ যন্ত্রনায়।
, আমার মন-জানালার  বড় রক্তের পাপ শুকিয়ে নিলেও চিহ্ন স্রেফ বিশ্বাসঘাতক কথাটা ভুলতে দেয় না ....!

সাধের সাত রঙ..এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় ।
------সই (অপরাধ ১)

ধ্রুবতারার দেশে আশ্রয়

যে চলে যায় তার আশেপাশে কাগুজে রঙ 
 ______________ধোঁয়ার প্রলেপ আশ্রয় করে
অথচ আমার পাশে সেই একই রকম...
_____________________দিনরাত্রি
শ্রুতি-অভ্যাসে তোমার নরম বুকে 
________________দুটি নতুন ডানা...
আরও আশ্চর্যের, তাদের উড়ে যাওয়াই নিয়তি
মাথার নীচে মাথা পেতে রেখেছি... 
_________বটগাছের ঝুড়ি ও শেকলের নিবিড় বন্ধুত্ব
________________________ চড়ুইদের ঋতুস্রাব...
অথচ ঠাকুরঘরের জানলা বেয়ে পৌঁছে যাওয়া 
__________________বোকা অলস বাহনটির কাছে...
#
#
সদ্যমৃত নক্ষত্রটি জ্বরের ঘোরে খসে পড়ে 
______________________কোথায় যেন
আমার পাশে তখনও 
 __________সেই একই রকম... দিনরাত্রি

শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০২২

সারি গান

যে দিন ভাবি  তোর ঠিকানার পথে রাখবো আবার পা ,
তোর দেওয়া সব অবহেলার সৈন্য এসে দাঁড়িয়ে বলে আর না ,
হাসতে হাসতে কাঁদতে শেখা তোর কাছেতে পেলাম
দারুন ...
নিজের কাছেই নিজে বোকা আয়নায় মুখ ভীষণ করুন ।
পথ খুঁজে নেয় যে জন সখা সে জন তুমি নয় গো মোটে,,
 আমার নিঃস্ব প্রেমের ভাগ্যে যে তাই দারুন অবহেলা জোটে ।
আজকে কাটুক ভাবের ঘরে কাল কেটে যায় 
দিন ফুরালে ,
বয়স বাড়ে তোমার আমার ...ক্যালেন্ডারের এক্কা দোক্কায়
,যদি কোনো পথের বাঁকে দেখা হয় তোমার সাথে,
সেদিনও কি তোমার চোখ বলবে আমায় "আরো কিছু ক্ষণ না হয় থাকিতে কাছে ,.....
আরো কিছু ক্ষণ না হয় থাকিতে কাছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০২২

বাহান্ন সিঁড়ি

শক্তিবাবুর পোষা বেড়ালের বাহান্ন থাবার সিঁড়ি বেয়ে  সেদিন তুমিও নির্জনে হৃদয় পুরের চিলেকোঠা এসেছিলে ,
সেদিন সম্বল বলতে.... গনগনে  আগুনের ওপর ঝোলানো পাঁজরের মাংস ....আর মাংসের গা বেয়ে জন্ম বরাদ্দ কিছু  কালচে খয়েরী বাসী দুঃখ।

চারপাশে দায়বদ্ধতা আর সমাজের উপঢৌকন লোলুপ দৃষ্টিতে হাত সেখছে  উল্লাসে।
লোহার বর্মে মুখ লুকিয়ে ছিল  একটা নির্বাক মন .....তখনো বাঁচার স্বপ্ন হাড়ের মজ্জায় ফুরোয়নি ।

দুজন চটি জামা ছেড়ে রাস্তায় এসে দাঁড়াতে চাইলাম ,,,

দিগন্তে তখন সবেমাত্র তৃতীয়ার একফালি হাসি মুখ .....নাবিকের মাস্তুল কোনো এক হৃদয় পুরের ঈশান পারের ঘাটের সন্ধানে উৎসব মুখর।

দুজনের অর্ধেক কপালে শেষ শীতের রোদ্দুর আর অর্ধেক কপালে আসন্ন কালবৈশাখীর ঝড়ের আশঙ্কা।
তবুও সময়ের ব্যাগে রাখা সমস্ত দাবিদাবা সরিয়ে রেখে ......বাহান্নটা সিঁড়ি পেরিয়ে স্বৈরাচারী হয়েছিল একমুঠো বেঁচে থাকা নিঃশ্বাস ।

অথচ আজ এই অবেলায় সব কিছু পুড়ে গিয়েও 
 সময়ের আমিষ গন্ধে তোমার সেদিনের লেখা গল্পটা  বড্ড ইন্দ্রিয় সজাগ করে দিয়েছে শুধু মনটা মৃত ঘোষিত হয়েছে।

বন্দী

ঘুমের সিঁড়ি বেয়ে নেমে এলে ..কথা রাখার মহেন্দ্র ভোরে ,
পঞ্চমীর চাঁদ সাক্ষী রেখে ঠোঁটে ওপর রাখলে অক্ষত স্বাক্ষর ,
এমন করেই হয়তোবা কোনো মৃত্যু পর নতুন জন্ম
সম্ভব ......নীরার চোখে বিস্ময় এঁকে দিলো  তোমার নতুন রঙের উপাখ্যান ।
 শেষ ফাল্গুনে সাদা সফরে আমরা হাতে হাত রাখলাম শেষমেশ ,
কবিতার শব্দেরা পাখা মেললো আকাশ পানে ,
তুমি বললে চৈত্রের এই সর্বনাশী বেলাশুরু  আর কখনো ফুরোবে না ,
 তারপর আমি ঘুম থেকে আর কখনো জেগে উঠিনি ....
 সেদিন থেকে আমার আতর মাখানো শরীর, সময়ের বালি ঘড়ি, আর তোমার সফর একসাথে কফিন বন্দী আছে  আজও।

বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২

তুমি



 এ শহরে তু‌মি জে‌গে না উঠ‌লে বসন্ত আসে না ...
বসন্তের  আ‌ঙিনায় কোকিলের  বুক চেরা ডাক যেন বিরহ শোকের মত ।
  নিতান্তই  ব‌্যর্থ  সমস্ত দোয়েল ফিঙের নাচানাচি,,

তু‌মি জে‌গে ওঠো ... নয়তো এই অদ্ভুত অমাবস্যার রাতে স্বাদকোরকে অজস্র লুটেরা স্রেফ প্রেমের ঘ্রাণ নিয়ে ভালোবাসা কে বেআব্রু করতে পারে ....,,।
যৌবনের ম‌তো মা‌টির শরীর থে‌কে 
উ‌ড়ে যায় আশার হলুদ অপেক্ষার শব্দেরা পরাগের মত  তোমার ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে,,

পলাশ  পো‌ড়ে আগুনে লালমাটির দহন ভালোবাসায়।
 তৃতীয়ার  চাঁদ উঠলে জানি যে শহর ব্যর্থ প্রেমের কবিতা প্রসব করে,   
 প্লিস তুমি চোখ চেয়ে দেখো এই বসত শুন্য ফাগুন হওয়াকে 
 সুনীল আর নীরার শহরের মান‌চিত্র দখল ক‌রে নিতে দিও না ,
এমন হতে থাকলে কোনো এক বসন্তে জানলা খুললে শুধুমাত্র মন খারাপের খয়েরী মৃত পলাশ দেখতে পাবে ......হয়তোবা কিছু অপাংতে অভিশাপ হওয়ায় পচা গন্ধ ছড়াবে সেদিন 

 ‌এ বসন্তে না হয় কোনো দেশ পু‌ড়ছে ,  কারো সংসার পু‌ড়ছে .....পুড়ছে বেকার প্রেমিক এর ব্যর্থ উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি ,,
হয়তো বা সে দিনের সোনাঝুড়ির প্রান্তরে আজ খিদে আর মৃত্যুর হাট ....মারাংগুরু কে পাথর করে দিয়েছে ।

 অথচ ....তু‌মি জে‌গে  উঠ‌লে এমন অনেক উপাখ্যান বদলাতে পারে 

কোকিলের  বুক চেরা ডাক বদলে হওয়ায় হাস্নুহানার সিমফনি বইতে পারে
ইউক্রেনে  জ‌ড়ো হওয়া মানু‌ষের শব; 
আবার বেঁচে উঠতে পারে,
তুমি জেগে উঠল এক নতুন রঙের জন্মদিন হতে পারে ....তুমি জেগে উঠল প্রহর শেষে সব সর্বনাশ
মাথার খোঁপায় পলাশ রঙের কাব্য হতে পারে ..
তুমি জেগে উঠল ফাগুন হওয়া হওয়া   
 রবি ঠাকুরের  সমস্ত ভালোবাসার গান ভাসতে পারে ফাগুয়ার ফাগ হয়ে .....
তুমি জেগে উঠল .....
তুমি জেগে উঠল ....।

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২

ধ্রুবতারা দেশে(২)

 গাছের হিজিবিজি গায়ে  যে সব শব্দেরা লেগে থাকে তাদের গল্প এ শহর এখন শুনতে চায় না...।
 পুরোনো স্বর্গ দুয়ারে  হলুদ শিকলে সুবর্ণরেখার বালি জমেছে আজ বহুকাল। 
আলপিন গেঁথে নিজের মাথায় আশ্রয় নিয়েছে অজস্র বোমারু বিমান। 
 গ্লাসের তরলে একটু একটু করে অভিমান গলতে গলতে  আমার ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে একটা গোলার্ধ । 
 নখে লেগে থাকা সব সম্পর্ক এখন  জটিল মানচিত্র আর  বিনিময় প্রথায় বিশ্বাসী...।।
 হারানো বাঁশির ভাঙা টুকরোর গায়ে নটরাজ ঢঙে...সময়ের প্রলয় ভীষন স্পষ্ট ।।


কাচের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ভয়
ক্রমশ চেপে ধরছিল  আমায়...আমি নির্ভরশীল
হতে শুরু করে ছিলাম বিচ্ছিরি ভ্রমে।

 এখন কালিপার্কের  নিজস্ব জানলায় সবসময় একটি উত্তরীয় সাজিয়ে রাখি। 
যাতে বাতাস বইলে বাইরের অন্ধকারে গর্হিত সম্পর্কের একটানা নির্যাসটুকু লেখা হয় ওই উত্তরীয়তে। 
 চালের পোকার মত কিছু পুরোনো দৃশ্য... বাসা বাঁধে মস্তিষ্কের নিউরনে, তাই নিয়ম করে নিজেকে তারে টাঙিয়ে খটখটে রোদে তাতিয়ে নিতে হয় ।

..
নিজের চারপাশে তৈরি ব্রহ্মকুণ্ডে ভুল করেও সে ভ্রম আর ঢুকতে দিই না  ....যার চোখের নিচে চিরকাল কাদার চোরাবালি-সংসার।
  বুকে ক্রুশ আঁকা নাইট পোশাকে পুরোনো  রক্তের দাগ... শিয়ালের চামড়ায় মোড়া বল্লম এর মতোই হয় জীবন শিখিয়েছে।
সবুজ বাক্সের দোকান জুড়ে অলীক ঝরণার ধ্বনি...  পাতার গায়ে পাখিদের নড়াচড়া... অলৌকিক ভাষার খরতর শ্রুতি , ক্যানভাস ,ছবি, এসব এখন আমার কাছে নেহাত ছেলেমানুষি স্বপ্ন ছাড়া তেমন কিছুই নয়।

 মুখ নীচু করে থাকা  পাহাড়ি বাড়িটায় অন্ধকারের ছায়া পড়ে...ঠিক আমার নির্ধারিত মৃত্যুর ছায়ার মতোই।

  এইমাত্র ডানা মুড়ে বসা পাখিটার কয়েক খণ্ড পালকে আমার প্রেমিকা হয়ে ওঠা দিনের ভাঙা দীর্ঘশ্বাস এখনো সতেজ কেনো জানি না। 
পুরনো মলাটের যে বইটা সে খুঁজে পেয়েছিলাম ফুটপাতে... তার ওপর স্তূপাকার কাগজের তীব্র নিখাদ থেকে রোজ একটা করে পাতা আমি পুড়িয়ে ফেলি ।
...  সিনেয়াস্টের ডায়েরির পাতা ক্রমশ ভরে ওঠে... সময়জুড়ে সেলুলয়েডযাত্রার ঘন উল্লাস...আমাকে ঘিরে রাখে ,
 দ্বিতীয় বন্ধনীর ক্ষমতা অনুভব করে আমার পুরনো প্রেমিক.... আর আমি খুঁজে নিই... নির্বাসন।
 সে ভাবে শব্দই প্রথম অর্থে উটের গ্রীবা,  চিত্রকল্প  শরীরের ভেতর যে একটা মন থাকতে পারে সে কথা তার হয়তো জানা নেই ।
এই ভাবনা থেকেই এ শহরে গাছ গুলোও  অনুভূতিশূন্য জড় এর মত মনে হয়...।
 তার প্রস্থান চিহ্ন হিসেবে কয়েকটা  দৃশ্য বাঁধিয়ে রেখেছি  সিনেয়াস্টের ডায়েরির পাতায়...
যাতে আর কখনো আমি দুর্বল শব্দটার মুখোমুখি না হতে পারি।

সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২

ধ্রুবতারার দেশে

একই রকম বাতাস বয় প্রতিদিন... একই রকম ধোঁয়া গন্ধ... শিকে গাঁথা মাংসটা পুড়ছে আর পাণ্ডুলিপি... গুমঘর... ভাঙা গানের জিন্দাবাহার... নৈর্ঋতের গোলদিঘি... সাঁঝবাতির আলোর সাথে হিজিবিজি স্টেশন রোড ক্রমশ শুনশান...
#
তোর সাথে আলোর অনেক মিল... ডুবজলের সাথে চড়কডাঙার... রায়ঘাটের সাথে মুখার্জিদের রক... সোনালি রোদের তান্ডবের সঙ্গে মাছের কাঁটা... মরা কাকের দেহ-র। টুপটুপদের যে গাড়িটা গ্যারাজে পড়ে আছে ওটাও একদিন কাটাইখানায় যাবে... যেমন ফুল আর বেলপাতার দেহ থেঁতলে আমিও কোনোদিন...
#
উত্তরের বারান্দার ছায়া এসে পড়েছে ভাঙা চশমার কাচে। মেলায় অঘোরীসঙ্গ... ধুলোট ও মোচ্ছবে একটা পাগল মাথার চুল ছিঁড়ছে... তুই যাকে গাছের ফুল অথবা ফুলের গাছ দিবি বলেছিলি...

রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২

ভ্রম

অমলকান্তি কিংবা তনয়া আর কখনো ফিরবে না একে অপরের কাছে ........
ডাকবাক্স বিহীন চিঠিরা শহরের কোনো এক ডাস্টবিনে তলিয়ে যাবে .....
আসলে সব চলে যাওয়া এক নয় তাই ফিরে আসতে চাইলেও আগের মত তাগিদ ভেতরে তাড়া করে না ,
অমলকান্তির মুঠোফোন নাম্বারটা  তনয়ার
 ফোন-স্ক্রিনে ভেসে উঠলো,   অথচ তনয়ার ভেতর উৎসব আলোর রোশনাই এলো না .......,,, কোনো একদিন তনয়া এই নাম্বারটার রিংটোন বাজলেই উৎসব মুখর হয়ে উঠত ।
অমলকান্তি এবছর  বইমেলায় কেমন ঘুরলো জানতে চায় না তনয়া , 

ভালোবাসা বড্ড সুক্ষ ....অথচ দৃঢ় 
কাঁচ অথচ .....লোহার চাবুক ,
এ শহরে এমন হাজারো কবিতা হারিয়ে যায়,...  হারিয়ে যায় অজস্র  গল্প ,,...অমলকান্তি ক্লান্ত এখন আশ্রয় খুঁজতে খুঁজতে।
 পালাতে পালাতে শহর বন্দর পথ সব তাড়িয়ে বেড়ায় অমলকান্তিকে, 
বারো ঘরের দেওয়াল ভেঙে সে  এখন একটা ঘর বাঁধতে চায় , এ শহর এখন গলা টিপে ধরে .....ছুট করায় অগুনিত ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া প্রেমিকা তাচ্ছিল .....ওরা যেন অভিশাপ ।

তনয়া এখন শুধুই প্রয়োজন ......সেটা সে নিজেও বোঝে ,  অথচ অবাক হয় না ,  কারণ তনয়া অবাক শব্দটা নিজের ডিকসনারী থেকে সরিয়ে দিয়েছে ,
 এ পৃথিবী তনয়া কে প্রয়োজনে ব্যবহার করেছে বরাবর .....সে প্রেমিক হোক আর জন্মপরিচয় হোক , ।
 তবু কোনো একদিন অমলকান্তি কে সামনে দেখে একটা ভ্রম হয়েছিল  কিছুটা সময় ......।
 অমলকান্তি  তনয়ার  সে ভ্রম শুধরে দিয়েছে  বছর খানেক হল ।

.…..অমলকান্তি ফিরে আসার কবিতা লেখা এখন, 
...অমলকান্তি তনয়ার সাথে হারিয়ে যেতে চায় এখন,
...অমলকান্তি আবার বিশ্বাসঘাতক হওয়ার কথা ভেবে ।

অমলকান্তি কার কাছে ফিরতে চায় ! কার উদ্দেশ্যে   ফিরে আসার জন্য কবিতা লেখা !
অমলকান্তি তুমি বোকা কিংবা মূর্খ কোনোটাই নও,
অমলকান্তি একদিন তোমায় বিশ্বাস করতো ....ভালোবাসতো যে মন সেও আজ আর তেমন বোকা কিংবা মূর্খ কোনটাই নয় ,

অমলকান্তি আর তনয়া কি একে অপরের কাছে আর কখনো ফিরবে আগের মতো উৎসব হয়ে?



শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২

রাই সংবাদ(৯)
*************

তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় ....
বুকের ঘুন পোকা গুলো হঠাৎ প্রজাপতি হয়ে উড়ে
যেতে যায় ,
তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় .....
অসভ্যতার মিছিলে উলঙ্গ মানুষের প্রথম সারিতে আমি হাঁটতে থাকি ,
তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় .....
চোখের মলাটে  বন্দি খারা পানির ইতিহাস ,
তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় .....

অন্তরে অন্তরে আগুন নদী অনেক দূরে আকাশ ছোঁয় ,
তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় .......
এক বালিশে মৃত্যু ও ডোমের সাথে মাথা রাখি ,
তুমি যখন ঈশ্বর এর ভূমিকায় ......
আমি কেবল এক আশ্চর্য ক্রীতদাস হয়ে উঠি কেন বলতে পারো  গোঁসাই !!

#রোম  #রাইসংবাদ #বাংলাকবিতা
আমি ঈশ্বর বুঝি না
*********

আমি ঈশ্বর বুঝি না বুঝিনা বলেই আমার ঈশ্বর বলে কেউ নেই ,
  আসলে  আমার চার পাশে রক্ত মাংসের মানুষ গুলোকেই আজ অবধি বুঝতে পারলাম না .... আর বুঝি না বলেই আমার নিজস্ব কোনো মানুষ নেই ।,
আমি বেঁচে থাকা কি অথবা হৃদয়ের ধুকপুক শব্দটা কেমন জানি না ....জানিনা বলেই আমি নাগকির বসতি ছেড়ে আমি শ্মশানে বাসা বেঁধেছি ,

আমি কোনো সম্পর্কর  মৃত্যু গন্ধ টের পাই না কারণ  আমার চার পাশে জন্মাবধি সমস্ত সম্পর্ক দেওয়ালে সাজানো  গল্প,

আমি  সুর বুঝিনা  আমার সূক্ষ তার সর্বদা বেসুরে বাজে , কারণ আমার ভেতর আজন্ম এক পরাক্রমশালী অসুর বাস করে ,

আমি ঈশ্বর বুঝি না ....আমার কোনো ঈশ্বর নেই তাই , রক্ত মাংসের মানুষগুলোকে বুঝতে পারি না তাই আমার নিজস্ব কোনো মানুষ নেই কখনো ।
***************************************

Roma Dey at 23:22

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২

I never want to meet a perfect guys

"We are not perfect, ... because we all are unique our own way" this unique book name is  "'LIFE' .... The milestone of  birth to death,...."

তুই আছিস আমার ভেতর .....তাই আগুন বেঁচে থাকে বুকের ঘরে  ।
পুড়তে পারি  বলেই তোকেও পোড়াতে পারি খুব করে ,
তবু আমার উত্তরের বারান্দায় ভালোবাসা বেড়ে ওঠে রোজ খানিকটা ,,
রোজ আমাদের পুড়ে যাওয়া ছাই ভালোবাসার গোড়ায় দিয়ে বলি  আয় একসাথে এভাবেই বৃদ্ধ হই ...এ জীবনটা।


......#সই

শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২

নষ্ট সু দাগ

যে দাগের জন্ম দিন জন্মের পরে ইচ্ছাকৃত হয় 
তার মানচিত্রে নষ্ট কথাটা লেগে থাকে , থাকে একটা অদেখা ছটফটানি।
হওয়ায় লেগে থাকা সবুজ বর্ন ফুরিয়ে গেলেও 
দম আটকায় না । জন্মের পর এমন দাগ মানুষ আমৃত্যু বাঁচার জন্য আঁকে ।



ভালোবেসে রোজ যত্ন করে তাতে হাত বোলায় ..
 বাইরে  অমাবস্যা  ঘিরে ধরলেই 
টুপ করে সেঁধিয়ে যেতে ভালো লাগে সে লক্ষ্মণ রেখায়...
যেন  কোন দস্যু ছোঁয়ার ভয় থাকে না কোথায়...;

আজকাল সেই দাগের অনুভূতি বড্ড ফ্যাকাসে
 চোখ রাখলে আর আগের মত মনেই হয়না 
এখানে কোনদিন কোনও সুখ লুকোনো ছিলো....!


 প্রিয়জন  কখন  প্রয়োজন ... হয়ে ,
 অহেতুক আবর্জনা  জমা করে নেয় সময়ের প্রচ্ছদ...।

!

মুখে সুখের হাসি  ভেতরের অস্থির মানুষগুলোকে  বয়ে নিয়ে  বেড়াই শহরের পর নতুন শহর....।
এভাবে  পালাতে দেখে গোলাপি সুখের গল্পটা
আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে হাসতে হাসতে. থাকে ...


জীবনের সব জন্ম-দাগ হয়তো 
মিলিয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে..
কিন্তু মানুষের সাধের নষ্ট-দাগগুলো 
এমনটাই থেকে যায় সুখের অসুখ হয়ে....!

তবে বড্ড অনুভূতি হীন সে থেকে যাওয়া।

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০২২

সই(৪০)

আমার যে অন্ধকার ভালো লাগে ....ভালো লাগে পাহাড়ের মত বিরাট মৃত্যু ।
মুহূর্তে বুঝে ফেলা সামনের গলিটা আসলে মিথ্যেই ...কিংবা মরীচিকা। 
দূরত্বে লেগে থাকে অসম্ভব ভালোলাগা ,
তবু  আমি যদি আমি না হই.... এ গল্পের চরিত্র কাউকে না কাউকে ঠিক খুঁজে নেবে ,
আমি চোখ বন্ধ করে রাখি যাতে তোমার ফিরে আসা দেখতে না হয় ..... 
তাই  আমার অন্ধকার  আর পাহাড়ের মত মৃত্যু কে নিষ্ঠা প্রেমিক ভেবে নিতে ভালো লাগে   ......।

..........সই

সই(৩৯)

পৃথিবীর নির্মম মৃত্যু গুলো থাক আমার তরফে 
ও তরফে থাক নব জন্মের উৎসব ...
পৃথিবীর সমস্ত ক্রুস কাঠে ঝুলন্ত থাক আমার হৃদয়ের টুকরো ...ও তরফের বাগিচায় থাক ক্যামেলিয়ার ভালোবাসা,
তবু এক বেলা শেষের পাখি  গেয়ে গেলো যাকে তুমি  ভালোবাসো তার থেকে দূরে রাখো নিজেকে , 
...যে তোমায় ভালবাসে তার কাছে রাখো নিজেকে।
     .....সই

সই(৩৮)

  পথ চলতে চলতে একদিন ......
রামধনু দেশের ঠিকানার মত তার সাথে দেখা হলো ,
আজ তারই স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়ে আমার মন খারাপের শুভজন্মদিন .......
 পাওয়া ও না পাওয়ার  অনুভূতিগুলো একসাথে বাতাসের কাছে মারিওয়ানা ফুলের গন্ধে নিজেদের  সমর্পণ করতে চায় ......,,
..........সই

বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২

সই(৩৭)

ঠোঁটের কোনে হাসি ....
হাসির ভেতর গোপনীয়তা ...
গোপনীয়তা রাখা কাহিনী....
কাহিনী জুড়ে বহতা মুহূর্তের 
উপাখ্যান ,
.......সই

সই(৩৬)

স্রোতের বিনিময় স্রোত 
এখন শুধু চোরা স্রোত,
আয়োজন শুধুমাত্র প্রয়োজনের ,
সময় ফুরোলে ....ছবির সামনে
ফুল মালা ,  বিভুঁই এ শোক থাকে না ,
ভিটে তে প্রেম এর মৃত্যু ।
জীবন তোমায় সেলাম 
জীবন তোমায় সেলাম
#সই

ক্রমশ দিন ফুরোনো

আসরে কিংবা হঠাৎ কোথাও দেখা  হবে না আর  ...,,
অপেক্ষার একে একে নিজস্ব মৃত্যুকে মেনে নেবে ।
জানলায় পড়ন্ত রোদে শেষ উপন্যাস এর উপসংহার লিখে রাখা রইলো সময়ের উদ্দেশ্যে ,,

জীবন একটা উদ্দেশ্যের দিকে হাঁটতে  হাঁটতে মুঠোর বালি সময় ঘড়িকে ঠিকানায় পোঁছে দিলেও  কেনো মিথ্যে ভ্রমের গল্পে মানুষ নিজেকে ভুলিয়ে রাখে সে কথা এই মানুষ জন্মে আমিও ছাই বুঝতে পারিনা ।
তবু চোখের আলো চিনিয়ে দেয় কাচের কোনো ঘর হয় না কখনো , আর তাই  সেখানে কোনো আনমনা শিল্পী ছবিও আঁকে না .....লেখে না কোনো কবি সময়ের কবিতা ,,

হাসি পায় আর নিজেকে তুমুল গালাগালি দিয়ে বলতে থাকি ,  সম্পর্কগুলো  কেবল প্রয়োজন এর তাগিদ  জেনেও নিজেকে  বারংবার বোকা সাবস্ত করে নিজেকে ঠকাই , 
জীবন এর প্রতিবেশী রা অপেক্ষার নামে কেবল যে সরলতার সৎকার করে আমারই সামনে আমার অস্তিত্ব পুড়িয়ে চলেছে ক্রমাগত।
 ......আর কতটা পুড়লে বুঝবো যে  অনেক বেশি ক্ষতি করে ফেলেছি অন্যের ভালো থাকায় সামিল হতে ।
এটা কোনো কবিতা নয় আমি কখনো কোনো কবি হতে চাইনি ....জিন্দেগী ফির ভি কুছ নুমাইস কে অপশানে সামনে লা কর পুছতে হ্যায় বাতা ইনসান তেরা মর্জি ক্যায়া হ্যায়.....।

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২

চাঁদ ডুবে যায় যখন

চাঁদ ডুবে যাচ্ছে মাথার গভীরে ,নিউরনের স্থান বদল আসলে বর্ষা আনে আচানক পৃথিবীর মরশুম বদলের পটভূমিতে ।
মানু বলে ডাক শুনতে চায় কান ....ঘুম চোখ হাতড়ে হারানো রতন পাই কি করে,
আজকাল নিজেকে ভালোবাসায় নিষ্ঠা থাকলেও 
ঝর্ণার ধারে বলে পলাশ পরব এর দিনেও বৃষ্টি আসে ভেঙে ফেলা প্রতিশ্রুতি জুড়ে দেবে বলে ।
প্রয়জনে প্রিয়জন বুনে নেওয়া স্বভাব এ গ্রহে ,,
তাই সমস্ত সাম্রাজ্য হাতের মুঠোয় পেয়েও রাজা নিভৃতে কাঁদে তার অহংকার ধুয়ে ফেলা একটুকরো না পাওয়ার প্রহর আঁকড়ে ।
মানুষ বদলে যাওয়ার আগে পরে সম্পর্কে রা
যেন কিভাবে বদলে ফেলে পরিচয় সময়ের আগে তখন let কথাটা না বসালে অসম্পূর্ণতা পায় পুরোনো  সম্পূর্ণতা ।
আর ফিরে পথিক যখন ফিরে আসে চাঁদ ডুবে যায় মাথার গভীরে .......নিউরণরের জায়গা বদলে পৃথিবীর পটভূমিতে মরশুম বদলে যায় মহামারীর আদলে ।

না বলতে শেখা

"না" বলতে শিখে নিয়েছি ....
বসন্তের পলাশ কে  কে না বলতে পারি খুব সহজে এখন,
শীতের দিনে উষ্ণতা কে না বলতে পারি ,
প্রখর রোদ্দুরে চৈত্র মাসে বটের ছায়া কে না বলতে পারি ও অনায়াসে ।
একদিন তোমার শীতল পাটি বিছিয়ে একটু ঘুমোতে চাইতাম .....এখন খুব সহজে তোমার এগিয়ে দেওয়া শীতলপাটি সরিয়ে দিতে পারে আমার না শব্দটা ।
কোনো একদিন এই  না শব্দটা ব্যবহার করতে কষ্ট হত ।
আজ এমন অনেক অসহজ কাজ খুব সহজে করে ফেলি ......
#সই