আড়ালে নিজের আদ্যোপান্ত ঘাটতে গিয়ে দেখি...
আমার মন-জানালায়..টাঙানো বদ রক্তে ভেজা একটা পাপ,
সম্পর্কর মুখোশ কাছে আসে....
হৃদয়ের কার্ণিশে বসে ভ্রম রঙ্গের পাখা মেলে...
আমি অবাক চোখ সম্মোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকি...
বাতাস সাদাকালো মেঘগুলোয় হত্যা গন্ধ পাঠায়...
আমি বুঝতে পারি না ,
মাটি ছোঁয়া সে আমিষ গন্ধে আমার ভেতর বৃষ্টি- পায়...অঝোরে।
ঘরকুনোতে স্যাঁতসেঁতে ব্যাঙের শরীরের ভাঁজে ভালোবাসায় অবিশ্বাস মুখ লুকিয়ে ফাঁদ পাতে।
খোলা আকাশে আহ্লাদী- হাত তুলে জীবন উজ্জাপন ভেবে আমি নিজেকে পাপী কিরে তুলি ,
" কি অদ্ভুত বৃষ্টি-জলের ক্ষমতা....
আমার চিবুক বেঁকে নেমে আসে রঙ-মহলের স্রোতে...
হতবাক নিজের বুকের গায়ে চোখ পড়তেই দেখি...
দেখি কার দেওয়া কালসিটে...বসন্ত-সময়ের রং বদলে যায় চোখের আড়ালে ।
একেকটি সাদা-কালো মথের মতন বে-রঙ ফিরিঙ্গী আমার বিশ্বাসের সহবাস...;।
'বৃষ্টি' আমায় রুপ চেনায়..রঙ চেনায়..বে-রঙ চেনায়.. বিশ্বাস ভাঙা চেনায় ,
একছুটে আবার আমি আমার সেই
চেনা লোহার দেয়াল-ঘরের খাঁচায় লুকিয়ে পড়ি....
নিজেকে জোর করে ঘুমপাড়ানি মন্ত্র শোনাই...
বুকে পাঁ গুঁজে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে যাই....!
আর কোন বসন্ত আমি দেখতে চাই না....
রাত প্রহরের ভয় কাটিয়ে ভোরের ঘুমে
ফের ছটফট করে উঠি পাপ যন্ত্রনায়।
, আমার মন-জানালার বড় রক্তের পাপ শুকিয়ে নিলেও চিহ্ন স্রেফ বিশ্বাসঘাতক কথাটা ভুলতে দেয় না ....!
সাধের সাত রঙ..এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় ।
------সই (অপরাধ ১)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন