মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪

সই (


ঘুড়ির নেশা পেয়েছে মন হয়তো বা ভোকাট্টা  হয়তোবা ফেরার,
ফেলে আসা  চার দেওয়ালে ফেরা হবে না ....একবার মুখ ফেরালে ফেরাটা  আর হয় না,
তুমি ভাবছো সময় আমিও ভাবছি সময় অথচ দুজনের মাঝে
স্রেফ প্রবাহ যার আসা যাওয়া আছে ফেরাটা নেই ।

#সই 


...

রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

মায়াবী সফর

ক্রমশ বিলীন হচ্ছো আলো আর অন্ধকার সবটুকুতেই
মিশে যাচ্ছো নক্ষত্রে তারার দীপ্তিতে 
মোম কিংবা নকল আলোর সত্যতা  এখন জানা 
শেষ অধ্যায়ে ।

আলো চিনতে চিরকাল অন্ধকারের প্রয়োজন 
অথচ অন্ধকার চির সত্য ,
আলোর আগে আর আলোর পরে নিকষ কালো টুকুই সত্যি 
বেচেঁ থাকা জুড়ে অজস্র মায়াবী খেলা চলে 
চলে মন্ত্রের জৌলুশ ,
ভ্রম কাটলে ফিরের সময় টুকু বুক পকেটে ...
বোধ আর বোধোদয় দিয়ে জন্ম থেকে শেষ দুয়ারে নকশী কাঁথায় ছুঁচ সূতোর খেলা ,
অন্ধকার থেকে আলোর ট্যানেল হয়ে আবার সেই সত্যির অন্ধকারে মিশে যাওয়া।

#সই (মায়াবী সফর)




শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪

নাভির মত

তোমাকে দেখবো বলে প্রতিবার উৎসব সাজাই ,
অজস্র ছবির ভেতর একটাই ছায়া আমাকে ছুঁয়ে যায় 
সময় ঢেউ ভাঙ্গে যতবার ততবার কেউ যেন তোমার দিকে 
আমার নামক সব টুকুকে এগিয়ে দেয় দৃশ্যের বাইরে থাকা 
সেপাই সেজে ।
বহু দিন আর আগের মত  অ_সুখ  হয় না ভেতর ঘরে ,
বহুদিন হলো ঘুমের ভেতর এক অদ্ভূত শান্তির আলেখ্য
সাজানো থাকে ।
যতবার ভাবি আমার গোপন হারপুনে না থাকার কাব্য রেখে যাবো ততবার আর এক অন্য আমি উৎসবে হারিয়ে যাই,
নাভির মত তোমার থেকে যাওয়া প্রতিবার কেন যেন বড্ড সত্যি হয়ে যায়...!

#সই(নাভির মত)


বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৪

অনুপম

তোমার লেখা উপন্যাসের গল্প  মঞ্চস্থ,
 সবাই জানে চেনে বাহবা হাততালি দিতেই পারে  ইচ্ছেমত।
আমি অপেক্ষা করি সেই  সব অজানা গল্পের,
 যা লেখা গেলো না  বাজারি বিকিকিনির হিসেব কষতে গিয়ে ।
একটা একলা ঘর আর তার থেকেও ভীষণ রকম একলা
 তুমি টাতেই আমার যত আগ্রহ।

#সই

মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪

ছায়ার মত


অন্ধকারে সঙ্গ বলতে আসলে একার সাথে নিজেকে
চেনানো  মানানো,
ছায়াও শর্ত মেনেই সাথে থাকে কোনো চিরন্তন প্রতিজ্ঞা তার নেই ,
তেমনি তুমি আমি আকাশের রঙের মত ,গাছেদের ছায়ার দিকের মত সরে গিয়ে বদলের রূপে থাকি ।
এই যে এত কথা দেওয়া সাথে থাকা, বন্ধন  , প্রতিশ্রুতি,সাথে না থাকলে ভয় ...
সব সেই ছোটবেলার ভাবনায় যেমন অসম্ভব বৃষ্টি হলেই মনে হতো আকাশটা বুঝি ভেঙে গেছে সূর্যের আলো টুকু  গেছে ফুরিয়ে তেমনটা,,
 আসলে আকাশ ভেঙে পড়লেও বেচেঁ থাকাটা ফুরোয় স্রেফ  নিজের নিয়ম মেনে ,,
 কোনো আকাশ ,কোনো গাছ ,কোনো সাথে থাকা ,পাশে থাকা ,কিংবা প্রতিশ্রুতির তোয়াক্কা না করেই ...
তুমি আমি রোজ রোজ এভাবেই দারুন রকম বেচেঁ থাকি ।

#সই (ছায়ার মত)



সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪

আমাদের গল্প গুলো

বিভোর হয়ে থাকা জমাটি নকশী কাঁথার একটা গল্প ...
সেখানে ভোরের আসা যাওয়া  ছিলো আংশুমানের নরম আলেখ্য ছুঁয়ে,
আমাদের পাহাড়ী বাড়িটা ঝর্ণার গা ঘেঁষে খানিক সময়
বিনিময় করে কথোপকথনে।
যক্ষ পুরীর ভয় ডাকা পরে যায় এমন  প্রিয় সঙ্গমে....,,
তুমি আমি সংজ্ঞাহীনের মত থমকে যাই  এমন প্রিয় উৎসবে।

একে অপরের দিকে হিসেব নিয়ে বসতে গিয়ে একদিন অদ্ভূত ধর্ম যুদ্ধ আমাদের মাঝখানের সেতু টাকে চিহ্ন হিন করে দিলো
একটা অসম্ভব পাহাড় জন্ম নিলো ছবির ক্যানভাস জুড়ে।

প্রতিটা শব্দ  হিসেব করে পা ফেলতে শিখে গেলো তোমার দিকে কিংবা আমার দিকে ,
 প্রতিটা নিঃশ্বাসের ওঠা নামায় এক অনিশ্চয়তা তুমি কিংবা আমি দুজনেই দেখি রাত জেগে ।

আসলে সহজ ভাবে বেচেঁ থাকাটা মনুষের কাছে কখন যেনো
বড্ড কঠিন হয়ে গেছে ,
আসলে সাদা কে সাদা বলতে মানুষের একটা কালো রঙের দরকার হয়ে পড়েছে ,
আসলে বিশ্বাসে থাকার জন্য একটা অবিশ্বাসে সাথে ঘর করা চিরকাল বড্ড বড় ভূমিকায় থেকেছে,
আসলে থাকার পাশে  না থাকা  টুকু না থাকলে থাকাটা কখন যেনো স্পর্শহীন হয়ে যায় ।
আমরা রোজ এমন কত হিসেব করি এমন কত খোশরা লিখি 
তবু আমদের গল্প গুলো এ শহর রোজ জন্ম দেয় আবার মুখাগ্নি করে ....আমাদের গল্প গুলো 
        আমাদের গল্প গুলো।

#সই (আমাদের গল্প গুলো )






রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪

অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৫

তোমার না থাকা জুড়ে আজকাল তুমি ভীষন রকম 
বেঁধে বেঁধে থাকতে চাও ,
ভালো থাকার সাত সতেরো এখন বাসী গল্পের মতোই
লাগে ....আসলে মানুষ যে দিন একা থাকতে শিখে যায়
 সেদিন থেকে সমস্ত মন্দ বাসার গল্পেরা ক্যানভাস ছেড়ে অন্য আকাশে মিলিয়ে যায় ।
আজকাল সে এক অংশুমান ভেতর বাইরে আলোময় 
সেখানে অনুভূতি গুলো বড্ড হালকা পালক পালক
তোমার আসা যাওয়া  ছুঁতে পারে না আগের মত।

একদিন জড়িয়ে থাকার বাহানা গুলো আজ গেরুয়া
বসনে মোক্ষ পেয়ে গেছে ।
একদিন বেচেঁ থাকার উজ্জাপণ গুলো আজ নিজেকে ভালোবেসে বেঁচে থাকা শিখে গেছে ,
একদিন ঘর বাঁধার জন্য এক টুকরো বুক জমি চাওয়া
মন আজ আকাশ ,নদীর বহতা, আর বাতাসের বুকে বসত 
রেখেছে ।

বড্ড বেশি বিরতি টেনে   ফেলেছে তোমার না থাকার  অধ্যায় 
এখন সমস্ত জুড়ে এক সে অংশুমান আলোকময় সাম্রাজ্য বিছিয়ে ফেলেছে ....
তুমি তোমার লেখা গল্পে কোথায় কি ভাবে সাজাবে কিংবা
মুছে ফেলবে  স্রেফ তুমিই জানো,
এ তরফে সমস্ত জুড়ে অংশুমান  তার আলো নিরন্তর অনন্তে বিছিয়ে  সমস্ত আমি ময় ছাপিয়ে।

#সই ( অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৬)


বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪

অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৪



কোনো কিছুর সাথে তুলনায় রেখে অংশুমানকে ভালোবাসা 
যায় না ...,
আকাশ কিংবা নদী কিংবা পাহাড় হয়তো মুহূর্ত দাঁড়ায় 
সে পথে   তবু স্পর্শ যেমন চিরকাল তুলনাহীন কিংবা উপমহীন
তেমন অংশুমান।

ভাবনায় হ্যাঁ ভাবনা ভর করে এক নিরন্তর অভ্যেস সে,,
অংশুমান কোনো অলংকার শোভিত অহংকার নয়,
অংশুমান কোনো  বড় মাপের কবির   শ্রেষ্ঠ  কবিতায় 
বাস করেনি কখনওই ,
অথচ অংশুমান সর্বকালজয়ী প্রেমিক ,কবিতা,সময়,আলোর
আধার,আশ্রয় ,একটা বেচেঁ থাকা,একটা মৃত্যু।

কোনো কিছুর সাথে তুলনায় রেখে অংশুমান কে ভালোবাসা যায় না ...
অংশুমান যতটা দিতে পারে ততটা না হলেই খানিকটা
সে নিয়ে নিতে পারে সহজ করে,
অংশুমান যতটা গাছ কিংবা আকাশ তুলনায় মুহূর্ত থাকে
ততটা না হলে তার আলোয় শিখে গেছি ছায়া কিংবা সামিয়ানা হতে ...., এ পারা কেবল তার জন্য এ সম্ভব কেবল তার উপহারের প্রতিবিম্ব।
অংশুমান তোমাকে জড়িয়ে এখনও না লেখা হাজার উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি রাখা ।
একজন্ম কিংবা বারংবার তোমাকে লিখতে ফিরতেই হয় তোমার ভালোবাসার টানে।

#সই (অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৪)






মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪

অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৩

গল্পটা অংশুমান এর আলো ছাড়া এক বিন্দু 
এগোয়নি এগোবে  না, 
বুননের টানা বানা দুটোতেই তার উপস্থিতি,
অনাদিকাল প্রতিক্ষার কাছে মাথা নত করে নিজেকে
বিছিয়ে রাখা সে এক প্রাপ্তির নাম অংশুমান।
ছুটে   যাওয়া তোমার থেকেই ...তোমার দিকেই ফিরে আসা,
উত্তরে তুমি দক্ষিণে তোমার আলোকময় উপস্থিতি,
জটিল সমাধানে একমাত্র তোমার নামের অক্ষরের আধিপত্য 
অংশুমান।

চারপাশে এত কোলাহল ,এত কান্না ,এত সাজানো উৎসব 
প্লাস্টিকের সম্পর্ক কাঁচ ব্যায়ামে থরে থরে রাখা,
এত অভিমান , দিকভ্রান্ত হয়ে  ছুটে যাওয়া ,
এত অবিচার  তুমি ছাড়া আলো দেবে কে অংশুমান!

খাঁচা বন্দী পাখির মুক্তির আকাশ তুমি ,
কান্না অধিকৃত শ্রান্ত চোখে তুমি অংশুমান হয়ে হাহাকার মুছিয়ে দিও,
বাইরে তোমার তিরিতিরি স্পর্শ বুকের ভেতর জেগে থেকো তুমি অংশুমান দহন আর দ্রোহের মতোই।


কেউ নেই কোত্থাও কেউ নেই , কেউ আগুনে হতে পারলেও পুড়িয়ে সোনা তো তুমিই করতে পারো অংশুমান।

#সই ( অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ৩)







অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ২

রাত আকাশে তারার মত তার দিকে তাকিয়ে 
জীবন প্রহর কেটেই যায় .... সে জানতে চেয়েছিল এমন
তুমি ময় অংশুমানে সব টুকু ভরিয়ে রাখ কিভাবে !
বলা হয়নি তাকে  সর্বত্র যার অবাধ থেকে যাওয়া, জন্মাবধি যার খোঁজ সেই সর্বময় ... তাই শূন্যতা আর পূর্ণতা আলাদা করা যায় কই।

রাত হয়ে জ্বলে গেছি যতবার অংশুমানে মিশে গেছে
সবটা আমিত্ব ,
প্রতি সন্ধ্যের দুয়ারে দীপ শিখায় আমাদের দূরত্ব গেছে মিলিয়ে   ,
অক্ষর থেকে দূরে  অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা আমিটার 
ভিতর বাইরে উজাড় করে নিজস্ব অংশুমান ধ্যানস্থ  ।

একমাত্র তোমার কাছেই কোনো অভিমান নেই ।
একমাত্র তোমার উপহারে নেই প্রত্যাখ্যান ।
একমাত্র তোমার দেওয়া দহনে মোক্ষের পথ পাই।

যে স্মৃতি গোপন করা যায় না  সে স্মৃতি জুড়ে বেচেঁ থাকার
রসদ রাখা ... কখনো পর জন্ম প্রারদ্ধ সে ধারা ,
অংশুমান-আলোকময় তুমি রাত কিংবা অন্ধকারের ললাটে এক উজ্জ্বল সকাল মাত্র তাই...
 শ্মশানের শেষ সমর্পনও তুমিই একমাত্র অংশুমান।

#সই (অংশুমান আলোকময় আশ্রয় ২)

রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪

অংশুমান

বুকের ভেতরে আর কোনো চিৎকার গুলো বেমালুম 
হারিয়ে গেছে , সে সংসার এর শেষ কোথায় জানতে চাইলো,
আসলে নদীর কখনো কোনো সংসারে ছিলো না তাকে বোঝাই কি করে।
বুকের ভেতর শব্দজব্দ গুলো জট খুলে মুক্তির আকাশে
আজ বহুকাল পাখি ,
বুকের ভেতর আর কেনো জন্ম কিংবা মৃত্যু দিনের তারিখ
রাখা নেই ,
এক অংশুমান বুকের ভেতর ভালোবাসা ময় আলোকময়
এক অংশুমান বুকের ভেতর সব অঙ্গীকার নিয়ে রাজা...,
এক অংশুমান  একটা আকাশ লিখে দিয়েছে বুক পেতে,, ....তারপর আর কখনো আশ্রয়হীন হতে হয় না...
ভালবেসে কেউ আকাশ হলে আশ্রয় তো শেষ দরজার ওপারেও তাই না।

#সই (অংশুমান আলোকময় আশ্রয়)