তোমার দুহাতে সমস্ত নির্মল আজ শুধু সর্বনাশের
অপেক্ষায় ,
তোমার কলমে এ কোন বিষ ঝর্নার শব্দ চরণ !
এমন ভাঙা ভাঙা কাঁচের ভেতর তোমার প্রতিচ্ছবি দেখতে আমার বড় ভয় হয় ।
তুমি তো নও বিষাদ পুরুষ ! তবে তোমার সম্পর্কে কেন এমন মরণ রোগের বাস ?
আমি রাত ভোর গুমরে উঠি তোমার কবিতার ক্ষতদের যখন খুব কাছ থেকে অবরণহীন করি ,,
ক্রমশ নদী ,কাঁকর , আর ঝুরঝুরে যন্ত্রনা নিজেকে আড়াল করছ , একটা ধাতব অক্ষরেখার ওপাশে আমাকে রেখেছ অদৃশ্য অপেক্ষায় ,,
অথচ তুমি জান এত গভীর অন্ধকার আমি কোনকালেই লিখে উঠতে পারিনি , তাই তোমার
আটত্রিশ বসন্ত কেবল রুক্ষতা দেখেছে ।
আমি তো কোন জমিন ভাগ চাইনি ...তবু কেন ওরা তোমাকে আমার কষ্ঠ থেকে আমার দীনতা থেকে আমার নিদেন শব্দ মঞ্জরী থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে বলতে পারো ?
কেন দমকা স্রোতে ওরা তোমাকে হওয়ার কাছে দত্তক দিচ্ছে বারবার বলতে পারো কবি ?
অথচ পৃথিবী জানে তোমাকে ছুঁয়ে যাওয়া সব হওয়া এসে থামে আমার দক্ষিণে ,উত্তরে ,দশ দিশায় ...আমার আঙুলের সন্তাপে,,,
আমি উষশী নই কোন কালেই ....তবুও তোমার শব্দরা যেদিন যেদিন তোমায় ভাঙচুর করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয় , আমি জেগে থাকি সেই সমস্ত রাত জুড়ে ....জেগে থাকি প্রথম আলোর সোহাগ খুলে ,
আমার সমস্ত দহন কালের উদ্দেশ্যে একমাত্র প্রার্থনা খাঁটি সোনা হয়ে উঠুক তোমার একটা সম্পূর্ণ জীবন ,