সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

সুবর্ণা (৯৫)

প্রতিদ্বন্দ্বী  হতে চাইনি  কোনো  চারুবাক্যের 
কিংবা দড় কথা গুছিয়ে বলার খেলায়,, 
স্বীকার  করি অনেক কথাই সযত্নে  সঞ্চিত রাখি 
তুমি চুরমার হওয়ার ভয়ে।  
কথপোকথনের মুহুর্তে  বেসুরো  কথা অথবা দীর্ঘ  
নিরবতা রাখি যাতে তোমার ভাল থাকার সাম্রাজ্যর
ব্যাঘাত না ঘটে। 
ইদানীং  তোমার নালিশ সকাল সন্ধ্যা  আমাকে ঘিরে বেহাগ সুরে বেজে চলে..... হয়তো আমি আগের মত তোমার ভেতর স্রোতম্বীনি নই  হয়তো  
নীল পদ্মের জ্যয়গায় এখন  রঙ  বেরঙের  গুঞ্জরন,  এসব বুঝে না পারা ব্যার্থতা গুলো কালি 
অন্ধকারে  নিঃশ্চুপ থাকে  প্রায়শ।  
তুমি স্পষ্টত উচ্চারণ  করেছ অনেক না বলা কথা, 
আসা যাওয়ার  পথে কুড়িয়ে নেওয়া কিছুটা সময়ে 
সামিল করেছো আমার জন্য বঞ্চনা, 
এমন করে হয়তো  আরও  কিছু দিন  তারপর  এক সকালে পাখিরা ডাকবে না আর , সমস্ত নালিশ  থমকে গিয়ে বলবে এবার ফুরিয়ে গেছে 
যাবতীয়  কর্মকাণ্ড,  সেদিন পথ বদলে নিও শব্দ মহলের কোন বুকে,  খুঁজে  নিও নিজেকে গুঁজে  রাখার ছই। 
আমি সেদিনও  অপেক্ষা করতে করতে জ্বলবো  তোমার  হাতে শেষ  আহুতির কাঠটার জন্যে 
জানবো না তুমি কতটা সাবধানি হবে, জানব না 
সেদিনও তোমার  সময় তোমাকে আমার জন্যে শেষ  সময়টুকু দেবে কিনা,  হয়তো তোমার আমার দিকে আসার সব পথ চিরকালই  নিষেধের  প্রস্তাবনা  দিয়ে  দাঁড়াবে। হয়তো তুমি সেদিনও  বাধ্য হবে সমাজের নিয়মিত সম্মেলনে  সামিল হতে,  তবু বলব যে ভাবে ভাল থাকো সেভাবেই নিজেকে রেখো আমার জন্য বাধ্য হয়ো না সে আমার অপেক্ষারা  যত আর্ত হোক না কেন। 

.........সুবর্ণা  প্রিয় শেষ  কথোপকথন, 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন