রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

সাধ হল

-----------------------

রোজকার বয়ে যাওয়া হাওয়ায় সাঁতরে
দিনটা একরকম শুরুই হয়ে যায় কখনওবা
হামাগুড়ি দিয়ে চলি ঝাপসা আলোয়,
চলতে গিয়ে আলো আঁধারিয়া মাঝে একটা
মুখ দেখতে পাই
ভাল করে দেখতেই সে বলে উঠল আমি একটা
আত্মা খুজছিলাম......
তাকে বললাম আমি মৃত আমার আত্মা
শীতল, সে ঘাড় ঘুরিয়ে বলল আমি
তোর মরা বুকে প্রেম লিখবো,
আগে আমার দিকে একবার দেখ
যেমন করে খোলা জানলা দিয়ে
এক মুঠো আকাশ দেখে নিস রোজ,
আমি  আমার বুকে জায়গা খুঁজতে থাকি
এত্তোটুকু জায়গা করতে ঘেমেনেয়ে
অস্থির হলাম আর আমার নোনা ঘামে
তার হাতের পাতায় জড়ো হতে লাগলো
অজস্র শব্দ, আমার মৃত অবয়বটার বেঁচে
ওঠার এক আশ্চর্য ইচ্ছা হল, শুকিয়ে
যাওয়া নদীতল থেকে ভেজা সূর্যোদয়
তুলে এনে মরচেধরা স্কেলিটন কে আলো
মাখানোর মতো, এভাবে কত সময় বইলো
জানি না এখন এক সমুদ্র শব্দ নিয়ে
সেই মুখটা  রোজ লিখে ফেলে
কত অবাক করা কবিতা... অনেক
কবিতার মাঝে আমি হারাবো জানি
তবু একবার প্রেমের কবিতা হওয়ার
সাধ হল,

শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আমি ভিজচ্ছি

------------------------------------------

ভেজা দুপুরবেলা ট্রামের জানলায় মুখ
বাড়িয়ে বৃষ্টি মাখছি, ইচ্ছের জলতরঙ্গ
এক নতুন তালে বাজছে,
মেঘলা মন জল থই রাস্তায় আজ
ছেলেমানুষি বায়নায় বরাদ্দ সময় কে
বরাদ্দতার বেশি আঁকড়াতে চাইছে, নিয়ম
ভাঙা নিয়ম আর খেলা ভাঙার খেলা
চলুক সারা বেলা, ইচ্ছে করে গুপির জুতো
আর আলাদিনের প্রদীপ কুড়িয়ে পেতে,
জন্ম গুলো বেজন্মা বলতে নেই
কোনো  বেঁচে থাকা অবয়ব বেজন্মা হয় না
সবটাই বৃষ্টি ভেজা সবুজ  আলো, অভিমান
মৃতু ছুঁতে পারেনা রাস্তায় তোর অভিমান
যখন অঝরে ঝরছে......  ঠিক তখনি
একটা রজনীগন্ধার সুবাস একটা জীবনকে
মুক্তির মালা শেষ আবেশটুকু রেখে যাচ্ছে,
আর ভেজা ট্রামের জানলায় মুখ বাড়িয়ে
আমি কিছুটা ভিজচ্ছি.....এই মুহুর্তে
মরতে ইচ্ছে হচ্ছে আমি পুর্নতা পেয়েগেছি
তোর সবুজত্ত্বে আমার সব পাওয়া সম্পুর্ন
আমি ভিজচ্ছি তোর ইচ্ছা বৃস্টিতে,

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বেড়ে ওঠা তৃষ্ণা

-----------------------------------

নদীর বুকে পাহাড়ি ঝর্নার বানভাসি উছলে
পড়া প্রেম আর জল থই থই ভিজে পাড়ে
মিশে যাওয়া মাটির সোঁদা গন্ধ কোন এক
আদিমতার শুরুয়াত মনে পড়ে,
সময়ের খিদে মিটুক বা না মিটুক
কোনো নতুন সভ্যতার নামকরন করতে
চাই না, ছুঁয়ে থাকুক অনন্তের আদিমতা
এই পাড় ভাঙা নদীর বুক ঘেঁষে,
আমার অস্তিত্ব সভ্যতার খলোসে বেমানা,
তোর বেড়ে ওঠা তৃষ্ণা আর আমার
আগুন ভেজা চাহনি মিলেমিশে কোনো
প্রাগৈতিহাসিক আদিম সভ্যতার ভূমিকা,
আমি কখনো শেষ দেখতে চাইনি পৃথিবীর
পরে অন্য পৃথিবী, নেই কোথাও থেমে থাকা
আমার ভিতর বাইরের পাপ
পূন্য সবটুকু আজ না হয় হিসেবের খাতায়
জমা খরচের কচকচানি ভেসে যাক
সময়ের স্রোতে, নদীর পাড়ে ভেজা বসন্তঋতু
পুর্নতা পেয়ে তোমার
বুকে আমার রঙ খোদাই করেছে প্রশ্রয়ে,
শিহরণ তোমার নামে আমি তির তির কেঁপে
উঠি তরঙ্গ  এক আবেশ আমায় ছুঁয়ে থাকে,
ছুঁয়ে থাকে বেঁচে থাকা,
তোমার নিশ্বাস আমার শরীর জুড়ে,

বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

এমন করে ভালোবাসা যায়


এমন করে আশ্রয় খুঁজবো বুঝিনি এই স্বত্ত্বায়,
মেরুদণ্ডর ভেতোর দুরন্ত নিজস্বতার ওম যত্ন
করে রাখা, পাহাড় থেকে আছড়ে পড়া ঝর্ণার
খন্ডিত মুহুর্ত গুলো ধারায় মিশে এতো সহযে
সাগর  পেতে পারে জানা ছিলো না,এক আঁচলা
জীবন তাই বড়ো মিঠে স্বাদে বুক জুড়োয়,
স্বপ্নেরা পেয়ে যায় আলগোছায় এক নরম
স্পর্শ,
পাহাড়ি রোদ সব ফুলেদের ছুঁয়ে যায়
রোজকার নিয়মে... এক শুধু অর্কিডের
বুকে জমে থাকে ভালোবাসার সঞ্জীবিত
আলাপন,
সময়ের পরেও তাই রঙ বদলায় না কখনো
ভালোবাসার,
এমন করেই ভালো আশ্রয় বুকের মাঝে
আর ভালো থাকা একটা জীবন,
এমন করেই ভালোবাসা জন্ম থেকে
জন্মান্তরের পরে আকাশ বাতাস
ছঁুয়ে থাকার নাম,,

রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

যেখানে তুই....


--------------------------------------

তুই যে পথ দিয়ে কখনো হেটেছিলিস আমি
সেই পথে এখনো হাটি, যে শহরে তুই ছিলিস
আমি সেই গলি থেকে রাজ পথে রয়েছি,
আমার বুকে তুই কোথাও লুকিয়ে আছিস
কি না আছিস....
হাসি মাখা রোদ্দুরে তুই এইখানেই কোথাও,
সারা বেলা জুড়ে আনাগোনা করিস,
খুঁজতে থাকি তোর টুকরো কিছু নিশানা,
পেয়ে গেলে জানতে চাইবো আমার এক
অজানা কাহিনি কেন কেন বেঁচে আছি?
কেনো খুঁজছি তোর শহরে তোকে হন্যে হয়ে,
আমার বাড়ি ফেরার পথে ক্লান্তিরা কেন সংগ
ছাড়া একা পথ হাটে, তুই নেই বলে কেনো
ভীড়েও আমি ভীষণ একলা, তোর নিশান
খুঁজি হাজার খামখেয়ালি প্রশ্নের সরগোলে,
বায়নারা তোর বায়নায় কেনো আজ অবাধ্য,
যুক্তি মানে না কোনো.......
তাই আমি তোর হেটে যাওয়া পথে পথে
পথিক, তোর থেকে যাওয়া শহরে আমি
শহরবাসী, তোর হেসে ওঠা রোদ্দুরে
আমি পুড়ি.....তোর নিশান ছুঁই,,

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

এন্টিক এখন


-------------------------------

আঁতুর ঘরের প্রথম আলোয় পৃথিবীর
জটিলতার জাল বেছানো তাই জন্মের
খুশি এখন বড্ড এন্টিক
তুই আমি এই জন্ম জালে আষ্টেপৃষ্ঠে
জোড়াচ্ছি প্রতিক্ষনে ভাবছি সেই মুশিক
আসবে কবে এই দেশের মাটি ফুঁড়ে ,
ধারালো দাতে ছিন্নভিন্ন হবে জালের গিট,
একটা মুক্তি অসময়ের বুকে পা দিয়ে সময়কে ডকছে, লাটাইয়ে টান দিয়ে বেস
খানিকট বেঁচে থাকা গুড়িয়ে নিচ্ছি আর সেই মাঞ্জা দেওয়া নানা নকশা তুলে তুলে
সুতোয়  ঘরের ভেতোর আর এক ঘর বুনছি,
ওরে বিশ্বায়নে চাপা পড়া জীবন সাধ হয়
তোকে মুক্তি দিতে পারলে একটা আদিম
পৃথিবিতে জন্ম দিতাম এক নিষ্পাপ ভালোথাকা, আর আত্মায় মেখে থাকতাম
নিজস্ব গন্ধ...... আতুরঘরে মায়ের জন্ম
মুখ থেকে যে গন্ধ তোর আমার শরীরে বেয়ে
আদোর মাখছিল.... বড্ড ফ্যাকাসে এখানে
ভালোথাকার বাহানা গুলো সবটা সুধু নাটকীয়, রঙ মেখে সং সেজে ভালো আছি
ভালো থেকো...., তাই প্রথম আলো পৃথিবীর
জটিলতার জাল বেছানো....  জন্মের খুশি
অড্ড এন্টিক,,

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

অপেক্ষাকারী

------------------------------
অপেক্ষা করতে শুরু করেছিলাম কবে
কোন প্রাগৈতিহাসিক যুগ এর গোলাপি
ভোর থেকে, একের পর এক সংসারের
জন্মমৃতু আমাকে ছুঁয়ে গেছে মুহুর্তের
আনাগোনায়,  শরীরের খাঁজে খাঁজে
নানান রঙের কালশিটে মুখ লুকিয়ে
আমায় জাপ্টে ধরে, তোমার ঠিকানায়
যাবার  যে পরিবহণকে সংগ করেছি
শূন্যতার মাঝে ভুবনডাংগার ধূ ধূ প্রান্তরে
আমাকে পেয়েছি, অপেক্ষা শেষ হয়নি
মিশরীয় যুগেও..... আমি পিরামিড এর
চূঁড়ায় দাঁড়িয়ে তোমায় খুজছিলাম আর
আমার আত্মাকে রেখেছিলাম পরম যত্ন
করে মমির বুকের খাঁচায় নানান সুগন্ধির
আস্তরনে, নীলনদের তীরভূমি ধরে আমার
অপেক্ষা আরো একটা নদী হয়ে সভ্যতা
ছুঁয়ে গেছে ছুঁতে পারিনি কেবল তোমার
উঠোন ঘর, সময়ের ধারায় আমি মুঘল
তাজমহলের  এক একটা শ্বেত পাথরে
বুকে তোমায় খুঁজেছিলাম যমুনার জলে
অনেক ভালোবাসার প্রতিবিম্ব দেখেছি....
কোথাও তোমার বুকে আমাকে দেখিনি,
আজ উইএর ঢিপির তোলায় আমি অপেক্ষা
করছি..... ২০৬টা হাড় আর বেস খানিক
ওজনের পচা গলা মাংসপিন্ড..
তোমার ঠিকানা অপেক্ষায় কতো যুগ
ছুঁয়ে গেলো আমার রক্ত, আমি বইলাম
গোলাপি ভোর থেকে কমলা বিকেল তার
পর ঘন কাজলের রাতের বুক দিয়ে,
আজ আমি আর আমার আত্মা দলছুট হয়েগেছি,
শুধু দাঁড়িয়ে আছে যন্ত্রণার হাত ধরে অপেক্ষা,,

নদী


তোকে জানানো হয় নি আমি নদী
হয়ে বইছি, তুমুল বর্ষায় ভাসছিলাম
তখন যন্ত্রণা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে
দম বন্ধ করে ডুবছিলো, সময় বলল
স্নিগ্ধ হয়ে বয়ে যাও, নিজের ইচ্ছেমত
বাদলা হাওয়ায় আজ আমার খোঁপা
এলোমেলো  করে সারা দুপুর আনমোনা
হল, নদীর বুক জুড়ে অনেক গল্পেরা কথা
বলে মেঘের সাথে ফিসফিস প্রেম সবুজ
সংসারের বাইরে একমুঠো নিজের মতো
বেঁচে থাকা...... নদী জানে প্রেম অপ্রেমের
সবটকু, প্রতিরাতে বয়ে যাওয়া  যে নোনাজল
আর নোনা রক্ত নদীকে মনে করে বাঁচে
সুর্য ঘুম ভাঙার আগে আমার বুকে ভর করে
পাড় থেকে পাড়ে সুজন খোঁজে, সুজন তখন
জলের নিচে স্বপ্নঘুম আচ্ছন্ন, রোজ জাগাই
আমার তরঙ্গর স্পর্শ দিয়ে আজো ঘুমন্ত
রয়েছে একইভাবে, আমার পথের ধারে
কিছু শব পড়ে আছে আমাতে ভাসবে অপেক্ষায়,
আমার স্নিগ্ধ ধারা আরো পবিত্র হয়ে যায়,
আমি স্বর্গের দ্বারে ঠিক সামনে আমার একটা
মোহনা পেয়ে যাই, আমার যন্ত্রণার বুকে আমার
বয়ে যাওয়ার শীৎকার,,

বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আমন্ত্রণ


আমি বৃষ্টিকে বলি মেয়েটার বুক বেয়ে
যে রক্তক্ষরণ সভ্যতাকে ভাসিয়েছে
তুমি ধুয়ে দাও, মেঘকে বলি পাঁজর
ভাঙার শব্দকে তুমি তোমার ছন্দের
ঝংকারে হারিয়ে ফেলো,
আমি রক্তক্ষরনের আঁশটে গন্ধ ধুতে চাই
মেয়েটার অর্ধেক মৃত হৃতপিন্ডটা থেকে,
একটা সরল রেখাপথ একে দিতে ইচ্ছা হয়
বৃষ্টিজল দিয়ে সভ্যতার বুকে পা দিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষটার উঠোন পর্যন্ত,
আমি বজ্রকে বলি মেয়েটার নাভিচক্র
থেকে চন্ডালের আগুন তুমি নিজেতে
সেঁধিয়ে নিয়ে পুড়িয়ে দাও জন্মমুল
থেকে জন্মমুখ, ইচ্ছে হয় এই পৃথিবীর
অভিধানে বেজন্মা শব্দটা মুছে ফেলি,
মিথ্যে আধুনিকতার ঝুলি কাঁধে সময়ের
রানার কেবলি ছুটে চলেছে,
রাতের এলো চুল মেয়েটার সারা মুখ
আজীবন ঢেকে রয়েছে, একটা পলাশভোর
জুটলো না, পূব দুয়ারে আগুনে স্নান সেরে
মৃতুর পায়ে হাত রাখে মেয়েটির শীৎকার,
একটা সাদা খামে রাখলাম বৃষ্টি, মেঘ, বজ্রের
আমন্ত্রন......
আমি বৃষ্টিকে বলি মেয়েটার বুক বেয়ে
যে রক্তক্ষরন সভ্যতাকে ভাসাচ্ছে তুমি
ধুয়ে দাও, মেঘকে বলি পাঁজর ভাঙা শব্দকে
তুমি তোমার ছন্দের ঝংকারে হারিয়ে ফেলো,
একটা ধ্বংস আর একটা জলমগ্ন পৃথিবীর
বুকে ভেসে যাক মেয়েটার পচা গলা হাড় মাংস,

বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

মাটি বলছি শুনছ... ------------------+-----------------


একটা অবয়ব  খুজছিলে তুমি মাটি খুঁড়ে
খুঁড়ে কখনো মৃতের শবাগারে, এক এক করে
সব পোশক খুলে  এই পৃথিবীটাকে নগ্ন দেখতে
তোমার বেশ লাগে,
পৃথিবি মানে মাটি, মানে মা, মানে কন্যা, মানে স্ত্রী,
তোমার  কোনো দিন কোন  কন্যা, মা, স্ত্রী, মাটি
থাকতে নেই, শুধু একটা ঈগলের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি
থাকা জরুরী যা  দিয়ে এক একটা আবরন
তুমি পুড়িয়ে দিতে পার  তার পর শরীর
চামড়ার গন্ধে তুমি মাতাল হয়ে যাও তা সে
কচি হোক বা মাঝামাঝি কিংবা ঢিলে
কোলাজেন... সব স্বাদ বেশ মুখোরোচক,
এক মুঠো আলো যখন জড়িয়ে ধরে, একটা চৈত্রের
দুপুর যখন জাপ্টায় মাটি -- তখন লজ্জায় ঘৃন্নায়
সরে দাঁড়ায় পৃথিবী , অভ্যাসগত হয়ে খুলে ফেলে সব
লজ্জার আবরন, শরীর জুড়ে একটাও অসহায়
সুতো রাখিনি, এর পর তুমি বলবে নারীত্ব নিয়ে
অসম্ভব কিছু তাত্ত্বিক কথা আর বিচারের
আসনে বুদ্ধিকৌশল দুর্জধনেরা, কতো
ধার্মিক চোখ কতো সন্তান খুঁজবে বিবস্ত্রের
সঠিক তত্ত্ব, তোমার নেশা তখন তোমাদের
নেশা আর তোমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা
উল্লাসের ফোয়ারা,
চামড়া নিয়ে তোমার থেকে তোমাদের
চোখ ছুঁয়ে যায়  চুড়ান্ত তৃপ্তি, এক দিন
হাতে নিয়ে দেখ একমুঠো মাটি জেনে
যাবে তোমরা ছুঁতে পারোনি কোনো দিন
কোনো আত্মা রাশি রাশি মৃত দেহ নিয়ে
খেলে যাও হাজার হাজার বছর ধরে,
বিজয় পতাকায় লেগে থাকে মাটির রক্ত,

মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ভ্রান্তির পথে


--------------------------
মিছে কিছু ভ্রান্তি নিয়ে আমার আমিকে
ভুল রুপ দিলি, বর্ষাতি পরা সময়কেও
কাকাভেজা স্নানে লেপ্টে দিল সময়,
বাইরে আসিড রেন আর ভেতরে
পটাসিয়াম বৃষ্টিপাত মুহুর্তের বুকে পথ
করে হারিয়ে যাচ্ছে , খুব ইচ্ছে হচ্ছে
হাত ধরে আটকাই চোখের বাইরে যাওয়ার
ঠিক আগেই .... পরিচয়হীন বয়স সময়ের
পাল্লায় ওজোন বাড়িয়ে গেছে অনেক আগে,
ফুরিয়ে যাচ্ছি  এটা জানাতে ভয় পাই
তোর মানচিত্রের সামনে...যেমন
সুনামিতে ফুরিয়ে যায়  দেশ,  কোন রাসায়নিক
বিক্রিয়ায় কোন দেশ জন্মায়নি, সময়
পেছনে হাটেনি, কিছুটা ভালোলাগার
নাম খুঁজতে চেনা মুখ অচেনা হয়ে যায়
গাছের অভিমান দেখিনি মাটিকে কেমোন
আঁকড়ে থাকে সে মাটির সব স্বাদ সব রুপকে
ভালোবাসায় ছুঁেয় থাকে,
ভালোবাসা এক আশ্রয় নাম হয় না এই
ঠিকানার.... তবে পরের জন্মে গাছ হওয়ার
ইচ্ছা পাঠালাম ঈশ্বরের ডাকবাক্সে, আকাশ
হয়ে তুই না হয় থাকিস অহংকারে,
মিছে এক রুপ দিলি তোর ক্যনভাসে
সময় ফুরোচ্ছে অসময়ের কাছে আমাকে
একঘরে করে তুই এগিয়ে যা নতুন
দেশের খোঁজে, এই মৃতুমুখি আয়ুর পাশে
আমি রইলাম শতাব্দির শেষে পৃষ্ঠায়,

miss করছি ------------------------

------------------------

তোর পাঁজর ভাঙা  চিৎকার আজ একটু
শুনতে চাইছে এই শহর, কি যেন  নেই
কাজের মাঝে কোন এক অকাজ যেন
খুঁজছে একটা রিংটোন অফিস চত্তরে একটা
স্টেশনে অপেক্ষা করে আছে কিছুটা সময়
আলগোছ হাতে হাত ছুঁয়ে, আজ কবিতারা
গেছে ছুটির দেশে এক আবদারে কাগজে
আসবে না তাই কোন শব্দরা, ব্যস্ততায় মুখ গুজে
নিজেকে জানান দিচ্ছে সময় এই তো আমি
চাই গুনতে গুনতে দিন ফুরিয়ে যাবে, চল
আজ এই শহর ঘুরি তোর কথা ভেবে ঠিক
যেমন তুই কখনো হাত ধরে কখনো হাত ছেড়ে
শহর মাখতিস আমার পাশেপাশে,
তোর আনাগোনার রঙ পথের পাশে পলাশ
আমায় দিল এইমাত্র আমি রোদ্দুর মাখা
পলাশ নিয়ে আজ কবিতার খাতা ভরলাম,
আমার কাধের কাছে একটা নিশ্বাস তুই
জানান দিচ্ছে, বেশ লাগছে জানিস সুজন
তোর নেশাকে আমার চোখের মাস্কারায়,
এই শহর পাচ্ছে তুই না থাকার আস্কারা
তোর শহর আমার ঘামের নোনতা স্বাদে
মশগুল, একটা পাঁজর ভাঙা  চিৎকার
তবুও খুঁজছে  শহর,
miss করছে তোকে এই সময় এই শহর
miss করছি তোর শহরে আমি এই
তোর আনাগোনা পথে,

সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বিভাজিত সময়

সমপর্ক সময় সবাটাই বিভাজিত 
শহর গলি চৌরাস্তায়, হলুদ বসন্ত ও
আজ কাল রঙ ভাগ করে নেয়,
যেমন টা জীবন একটা রঙ আর
ক্যনভাস,তুলির কখনো প্রেম কখনো
অপ্রেম মেরুদন্ডের মজ্জা থেকে তুলি
টাকে মাঝে মাঝে ভিজিয়ে নেওয়া,
সবকিছু স্বাভাবিক সবকিছু মানানসই,
শুধু বেবাগ মন এযেন বানজারা কিসের
এক তাড়না যাতনা নাকি তৃষ্ণা  নামকরন
করা বড্ড শক্তকাজ, চলতে থাকা সময়
অজানা পথেরপাঁচালি লিখতে ব্যস্ত পথ
জুড়ে বিশাল অংক যেন গলি পথ ছেড়ে
রাজপথ সবটুকু একা একা, শেষটা সেই
একটা নদী  আর এক চকমকি আগুন,
অতৃপ্ত আত্মাও হলুদ বসন্তেরকোকিল
গানে খুঁজে  নেবে তৃপ্ততা, সবটুকু শুধু
সময়ের খেলা.......,,

সম্পর্ক

------------------
অনুর্বর বন্ধুর মনে ইটের পাঁজার মতো
হতভাগ্য ইচ্ছেরা দাঁড়িয়ে থাকে,
অবাক সূর্যাস্ত  পলকহীন চেয়ে থাকে
গংগার বুকে সম্পর্ক ভেসে যায় পশ্চিম পারে,
স্থির জলে সন্ধ্যা লাবন্যের আভায় স্মৃতিরা
বিলিন হয় কখনওবা সন্ধ্যায় ভাষা দীপের
মতো স্মৃতির আলো এগিয়ে যায় ঠিকানাহীন
অন্থহীনে,
ম্রিয়মাণ সময় কখনো কোনো পারের দুরন্ত
যৌবন জোয়ারেরা রঙ্গ করে আঘাত করে,
বুকের কাছে বেঁধে রয়েছে যা কিছু খাবি
খায় আর মনকে টেনে ভাসায়, পিছুটান মন
চেষ্টা করে ডাঙায় ফেরার.... মুক্তির চেষ্টা
চলে হৃদয়পুরের চিলেকোঠায় বন্দি ঘর থেকে
আকাশের বুকে,
কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমিচাঁদ উঁকি দিয়ে ইশারা
করে অনুর্বর মনের বাঞ্জার জমিতে,
সেই আশকারায় আকাশের কোলে মেঘের
দেশে পাড়িদেয় হতভাগ্য ইচ্ছেরা,
প্রকৃতির সংশোধন  সময় করে ফেলে নিজে,
ইচ্ছেরা ফেরে বৃষ্টি হয়ে গংগার বুকে উতসর্গ
করা পদ্মফুলের মতো পারের এক প্রান্ত
থেকে অন্য প্রান্তে,
মুখ ফিরিয়ে বিদায় জানায় নোনা মন....
পাড় থেকে যায়  পাড়েই আবার নতুন
আত্মিয় ভাসানের অপেক্ষায়,,

আমরন


-----------------------
বিভাজিত  কোষ থেকে সেই শুরু দৌড়ানো,
হাত পা আস্ফালিত করে মাতৃ জঠরে প্রতিবাদ
এগিয়ে যাওয়ার....
আস্ফালন থেকে থেকে হামাগুড়ি আমৃতু
পথ চলা, শৈশববোধ হাজার চাল চলন
ধ্যনধারনা হাজার বিষাদ, ইচ্ছার ঘরে
রোজকার অনিচ্ছারাও বসবাস সারে,
অসাধ্য থেকে যায়  বাসনা, প্রেমে অপ্রেমের
খেলা যৌবন স্মৃতিকে বিভ্রম করে, অষ্টপ্রহরের
টানাপোড়েন সবুজ সংসার,
জীবন জুড়ে অহংকার, সাহস,রুপ, রঙ,যশ,
থাকে নেশার মতো....নদীর ধারা পিছনের
পথ আবছা হয়ে যায়, বোধ থেকে বোধদয়
হয়ে উপলব্ধির বলিরেখারা স্পর্শ করে নিবিড়
হয়ে, সেই ভাঁজে হারিয়ে যায় ক্রমশ প্রেম,
হাসি, জ্ঞান, অহংকার, সাহস,
আবছায়া সামনেকার মুখগুলো বরং দুরেরটাই
স্পষ্ট,
সময় চলে যায়  আয়ুরেখার হাত ধরে...
ডাক দিয়ে যায় এসো মৃতু আমার হৃতপিন্ড
শীতলকাঠি ছুঁইয়ে দাও,
দৃশ্যমান পরিধি ছোট থেকে ছোটতর হয়ে
দখল হারায়, কয়েক দশক বসন্তও ঈর্ষা করে
নব বসন্তকে,ক্লান্ত বিভাজিত কোষ ক্রমশ
নিস্তেজ হয়ে দিনান্তের সিমানায় দাঁড়ায়
প্রান ভ্রমরা খোলস রেখে মৃতুজাজিম পেতে
অসীমের বুকে ঘুমিয়ে পড়ে,
শেষ হয় কোষ বিভাজনীয় নিরন্তরতা,
সীমানার দেওয়ালে এক পতিকৃত ইতিহাস হয়,

সন্ধিক্ষন

------------------------

ইচ্ছের বিকেল জ্বলে ভাবনার আগুনে
ধিক ধিক করে, এলোমেলো জীবনে
কি করে এক অনুভুতি রুপ রেখাপথ
হয়ে ওঠে নিজেকে চিমটি কেটে সম্বিত
পাই, ঘাসের উপর ভেষে যাওয়া  সবুজ
হাওয়া যেমন কোন চেনা পথেরদাবী করে
যায় তেমনি অচেনাজীবন  আর সময়ের
পথ, নাভির ভিতর মুহুর্তের সৃষ্টি অধিকার
বোধের অথচ শৃঙ্খলের নামে অজস্র
অলংকার..... ঈশ্বরের চোখে রাতজাগা
কাজল ঘর বাঁধে দু পলক স্পর্শ খোঁজ
করে রাতের ভিতর থেকে ক্লান্ত ভোর
টেনে তোলে, চটকানো সহধর্মীর সাথে
স্বাক্ষরিত চুক্তি অক্ষরে অক্ষরে মেনে
চোলে প্রহর, নাগরিক রাজপথের মোড়ে
মোড়ে এক একটা প্রহর চিহ্ন কেবল
কথা রেখে চলে যায়,  শতাব্দীর শেষে
নিয়ম যখন পরন্ত রোদের হাত ধরে
একটা নদী বুকে ঘুমিয়ে পরে তখন
একটা ভালোবাসা জন্মমুখ খুঁজে
যায়, হয়তো কোন এক মুহুর্ত বলে দেবে
যুদ্ধ  জয় পরাজয় বেলোয়ারি দিন শেষ
একটা পৃথিবী  এবার বুড়ো হয়েছে তাই
বানপ্রস্থ ভীষণ জরুরি,

বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বেঁচে উঠি

--_-----_----_----

সময় বলছে চল বাঁচি একটুআধটু নয়
সত্যি নিজের থেকে বেরিয়ে বাঁচা যন্ত্রণা
নিরন্তর পথিক ওকে আটকিও না,
উঠোন জুড়ে উষ্ণ শীতরোদ আসুক এক
জীবন বাঁচি,
পায়ের নিচে  শীতল পৃথিবী চিৎকার
করে ডাকছে এক ছেলেমানুষি দৌড়
বুকের মাঝে ছটপট করছে, স্মৃতির
বাক্সে তে বেঁচে থাকা সুগন্ধি আছে
বলে সব ফেছনে ফেলে এসো,
আঙুলের মুঠো থেকে কালকের
সময় বয়ে যাক,
আজ এই মুহুর্তে নিজেকে রাখি,
বলছে এই মুহুর্ত বেঁচে নিই চল আজ..
হেচকি তোলা হোঁচট জীবনে এক
টুকরো হাসি চেখে দেখার ইচ্ছা
ঠোঁটে, এই মুহুর্তের এটাই দরখাস্ত,
ফোটা ফোটা জীবন ভরুক আজ
স্বপ্নেরা বৃষ্টি ঝরাক এই মনে
বয়ে যাওয়া  জল নিজের রাস্তা
খুঁজে নিক আজ... আলোর
পায়েরছাপ হোক এই মনের ঠিকানা,

মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

তুমি কার সময়

--

মাটির বুকে পা দিয়ে তুমি চলেছ আদি
অনন্তকাল ধরে সময়
কখনো জবাবদিহি করতে হয়নি তুমি কার
মাটি খন্ড করে দেশটাকে রক্তাক্ত করে
তুমি যুদ্ধ জয়ের স্নান সেরেছিলে যে
দিন কেউ তোমার কাছে কোনো প্রশ্ন রাখেনি,
স্বাধীনতার চাদর মুড়ে পরাধীনতা ছড়িয়েছ,
একটা মুহুর্তকে তুমি নিরাপদ করতে পারনি
এই মাটির বুকে কখনো সুক্ষ হাতে রাজনিয়ম
চানক্য হার মেনেছে, কখনো শিশুর শরীর
থেকে তোমার লোলুপতা নারীর শরীরকে
ছিন্নভিন্ন করে এক মহা উৎসব,
সময় তোমার দেওয়ালে দেশের রক্তমাংসর
গন্ধ, নগ্নদেহর দীর্ঘশ্বাস....
তোমার হাতের রেখায় ভাষার মৃতু
লিখেছিলে নদীর রঙ বদলে দিয়েছিলে
নির্বাক সে দিনো প্রশ্নেরা, নিরন্তর তুমি
জীবনের গলাটিপে অট্টহাসি তে
নেশাতুর তুমি মহাকালে নিজেকে সেধিঁয়ে
রেখেছ, কখনো হাটুমুড়ে হাহাকার
তোমায় প্রশ্ন করেনি তুমি ঠিক কার সময়,
লজ্জা তোমায় লজ্জা পেয়ে মুখ লুকিয়েছে
রাতের আড়ালে , তুমি কি
নিজেও জান সময় তুমি কার?

পথের শুরু

----------_-------------

হেটেছি অনেক পথ তোর সাথে সময়ের
সাথে সাথে
অনেক বাকি এখন পথের
একটা বেঁচে থাকার মিষ্টি
গন্ধ বুকের ভেতোর এইসবে মাত্র আশ্রয় নিল,
একটা সোনালি রোদ্দুরের
এক্ষুনি তো সবে জন্মদিন এলো,
একটা পুর্নতা সবে মাত্র সকালের স্নান সেরে
নতুন আলো মাখছে তাই এখন অনেক বাকি
সবেমাত্র ছুঁয়েছি আত্মার আদিম ভালোবাসা
এখনো বাকি আগামির আলবামের অনেক
ছবি রাখা,
এক উপন্যাসিক শুরুয়াত সবে সবে
ভুমিকার হাতে হাত রেখে তোর আমার
কিছু জানা কিছু অজানা পথে হাটা শুরু
এক আকাশ ছইয়ের নিচে অনেক
গভির খাদ কখনো একটু আলসেমির
ভাঁজে বুকের মাঝে মুখ আর ঘামের
নিজস্ব কথা বিনিময়,
এভাবে অনেক অনেক পথ হাটবো....
হেটেছি পাহাড় নদী জংলি পথে
পাশাপাশি, জানি এটাই সত্যি
মুহুর্ত যে টুকু বেঁচে নিয়েছি, হিসেব
করে মাপা নেই ঠিক কতটা ভালোবাসলে
আক্ষরিক অর্থে সম্পদিত হওয়া যায়,
কতটা জীবন বুকে আঁটা হলে স্পন্দনের
অনুরণন শিরা উপশিরায় পৌঁছায়,
শুধু হেটে যেতে  চাই এক অন্তহীন
রোদ বৃষ্টির ছায়াপথ ধরে,
এক যন্ত্রণার হাতে হাত রেখে,

সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

সময় কে বলি

-----------------------

একদিন তোমার  নিয়মে জীবন ছুঁয়ে
ঘুম ভেঙেছিল যখন ----বয়ে যাওয়া
জীবনে ভেসে চলেছিলাম, পাশাপাশি
অনেক ভাবনা আমায় দেখে ভাবতো
প্রানের স্পন্দন বুঝি পায়নি শরীর,
কিছু আগাছার জন্মের ছোঁয়ায় সবুজের
অস্তিত্ব আমার ভেতোর কখনো কারো
সময়ের অবসরে চোখে এলাম, শুধু
সময় তুমি এক মাত্র তুমি জেনেছিলে
একটা হৃতপিন্ডের তরল রক্তের খোঁজ,
তাই তোমায় আমার অলিন্দদ্বয়ের ফোয়ারায়
স্নান করাবার ইচ্ছা জানালাম, মুহুর্তের পাহাড়
পেরিয়ে আমাকে আবিষ্কৃত করে পরম যত্নে
ছুঁয়েছ...তোমার প্রত্যেক স্পর্শর এক একটা
নামকরন করবো ভেবেছি, অসময়ের কুমেরু
বরফে যখন মৃত প্রায় এই আত্মা তুমি সময়
হৃতপিন্ডের সাথে হৃতপিন্ড ঘষে উষ্ণীয় করেছো,
মেরুদণ্ড যখন একেবারে ভংগুর প্রায় সময়
তুমি বজ্রস্তম্ভ সেঁধিয়ে দিলে  আমি উঠে দাঁড়ালাম
তোমার হাত ধরে , তুমি আমার হাত ছেড়ে বললে
শক্ত হয়ে মাটি কামড়ে হাটতে শেখ....এখন
শহরজুড়ে আমার নিরন্তর ক্লান্তিহীন হেটে যাওয়া,
অনেক রাতে মাঝপ্রহর পেরিয়ে যখন পৃথিবীর
চোখে ঘুম এঁকে তুমি একটু অবসরে..
আমি তোমার কাছে এসে দাঁড়াই, তোমার
স্রোতের খুব কাছাকাছি একটু স্পর্শ নিতে আর
তুমি দুহাত দিয়ে আমায় আগলে রাখ
তোমার বুকপেতে একটা ছাউনি বানিয়ে
কিছু কবিতা আবৃত করে কালশিটে পড়া
চোখকে ঘুম পাড়িয়ে দাও আমি নিশ্চিন্ত হই,,
অন্ধকার খাদ থেকে তুলে এনে একটা ঝলমলে
সূর্যদয় কে তুমি আমার জন্যে পুব আকাশে
বসিয়ে দাও আর তোমাতে ডুব দিয়ে আমি
সোনার রঙএ রাঙা হই, তোমার গন্ধ আমাতে
মেখে সময় তোমায় অনুসরণ করে চললাম
অন্তহীন, তোমায় চিনতে কখনো ভুলবো না
হাজারো জনপদের ভিড়ে হাজার তারার মাঝে,
একটা সময়ের ধ্রুবতারা,