বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

অন্ধকারের সখ্যত

----------------------

দুরন্ত রোদের টিলা পেরিয়ে সাদা ক্যনভাসে
একমুঠো আলো জড়ো করা গেছে ভেবে,
নিজেকে দেবতা যেই না ভাবা,সেই অদৃশ্য স্যাঁতস্যাঁতে
আঙুল গুলো ক্যানভাসটার মুঠো আলোর গায়ে
হাত রাখলো,বিভূঁই মনের মধ্যে দারুন বিস্ফোরণ,
আর গল্পের রাতের রুপকথারা ধ্বংসস্তূপে পরিনতি
পায়, মগজে এক কঠিন পাটিগণিত মুখ বেকিয়ে
আমার নাড়ি তে টান মারে..... যতক্ষন না
আলোর গল্পগুলো মনে চেপে আবার দাড়াব
দু:ক্ষের দুয়ারে,

পৃথিবীর রাত

  
এখনো  এ পৃথিবীতে রাত শেষ হয়নি
পারলে একবার ঈশ্বের দৃষ্টি দিয়ে
আমার বুকের মাটিতে চোখ রেখ,
সময়ের স্তরে স্তরে কঠিন পাথুরে
স্বভাবী হচ্ছে হৃতপিন্ড--শ্বাসকস্ট
বাড়তে থাকছে ক্রমশ,  থাবা উঁচিয়ে
সময় দৌড়ে আসছে গাড় রাতকে
এফোঁড়ওফোঁড় করে,
ধিকধিক করে একটা তুষেরআগুন
বুকের প্রলেপকে শক্ত বাদামি করে
চলেছে, রাত শেষ হলেই এক পৃথিবী
মরুভূমি তোমার চোখে ধরে পড়বে,
তারপর এক দুরন্ত প্রলয়ে তুমি সময়
হয়ে মুক বধির  হবে জানি---
পৃথিবীর প্রথম ভোরে তুমি স্নান সেরে
নিয়ে প্রতিক্ষা করো আবার এক সময়ের
যুদ্ধজয়ের, আর আমি মৃত্যু কে জানিয়ে
দেব যে  তুমি ভয় পাওনি....
ভালবেসেছ  একটা আত্মাকে ভালেসেছ
পালিয়ে বাঁচা দুরন্ত সময়কে,

দিক্ষিত -----------------

----------------

   ভিতু চোখ কেপেছিল আজ বিকেলেও
তুই এলি আমি নেশাতুর দিক্ষিত হয়ে
মাতলাম আস্তে আস্তে ছুঁইয়ে দিলি জিয়ন
কাঠি একটু বেচেথাকা কাল দেখিনি তুই বা আমি
মিশে যাই  আজটুকুতে বেচে থাকি আজটুকুতে
আমার আকাশে এখন কোজাগরী
চাঁদ  আর মখমলি রাত... তুই যে আমার
সোহাগি স্পর্শ তোর থেকেও বেশি সোহাগি
তোর ভালোবাসা, তুই এখনো জানিস নি
ভালোবাসায়  জীবনের পুর্নতা, পুর্নতার
চোখেরজল সুখের তুই জানিস না,আমি
মেনে নিলেও তুই মানিস কই....
শেষ বার কেপেছিলো ভিতু পলক আজ
বিকেলে... আমি দিক্ষিত আজটুকুতে,

ভালো থাক

..................
সমায়ের কাছে কিছুক্ষন সমায় ধার করে
যাব কখনো তোর চিলেকোঠার দক্ষিণ
জানালায়-- শ্রাবনের এক পশলা বৃষ্টির
ফোটা হয়ে, দেখবো তুই চিলাকোঠার
ভেতর থেকে হাত বাড়িয়ে আমাতে তোর
হাত ভেজাস কিনা! একদিন সমায়ের কাছে
অসময়কে ধার নিয়ে আচমকা তোর ঘুমের
ব্যঘাত ঘটিয়ে মুঠোফোনের রিংটোন হয়ে
বেজে উঠবো বেলা বারটার সূর্যটাকে মাথায়
নিয়ে---- শুনবো বিরক্ত হয় কিনা তোর অসম্পুর্ন
ঘুমের ফালি, পাড়ার পরটার দোকানে ভীড়ের
মাঝে একদিন যেতে পারি গরম পরটা আর
তাওয়ার ঝলসানো আদর দেখতে.... হয়তো
জন্মদিনে পেঙ্গুইনে লাঞ্চ...,  কখনো অচেনা
রাস্তায় দেখা হয় যদি নতুন ঠিকানার খোজে
রিক্সাওয়ালার দর কষাকষি পারবি সামলাতে!
স্নেহের যে এমন সুদ আছে জানাছিলো না!
খরচের খাতায় প্রায় সব গেছে সুদের আশায়
কিছু খুচরো পয়সা আজো যত্নে রেখেচি.....
কোচর বেধে,  তুই যে বলেছিলিস 'ছোটো'তো
বেধে রাখিস কোথাও কোচর আঁচলে, তুই
জানতিস একদিন এই খুচরো দূষ্প্রাপ্য হবে
সময়ের অতীতে, ঐ খুচরোগুলো সবুজ রাখতে
ভালো থাকিস শ্রাবনের একপশলা সবুজ ভেজা
দুপুর, ভালো থাকিস অসময়ের বিরক্তকর
রিংটোন, ভালো থাকিস জলন্ত গরম পরটার
উষ্ণতা, ভালো থাকুক চড়া দামে নাছোড়
রিক্সাওয়ালা, ভালো থাকুক আমার খুচরো
খুচরো স্নেহের অনুভুতি, ভালো থাকাটাই
সব....বাকিটুকু বাকি থাকুক আবার যদি
দেখা হয় সেই আশায়.......,
                           শুভজন্মদিন,



নীল

----------------------------------
শেষ পৃষ্ঠাতে দাঁড়িয়ে উপসংহার
খানিকটা গভির নীল রঙ যেন
ঘুমন্ত লাভাংশ, চেনা জানার বাইরে
গল্পের খোজ.... মুখোশ ছিঁড়ে ফেলার
অপেক্ষাও বলা যেতে পারে,জানা নেই
গল্প কোন লেখকের কলম সিঞ্চিতা,
নিজেও অচেনা এক নাম না জানা নদী
দুপারে নাটকের নিরব সাক্ষি,নায়ক
খলনায়ক রাজা রানী  সবাই একই মুখোশ
একই সজ্জা চেনার উপায় নেই.... কেবল
একটা ঘৃণা মিশে যায়  আঘ্রাণে..... জলন্ত
ইচ্ছেরা মেশিনগানের ভেতর বন্দিহয়ে যায়
বারুদ হয়ে..... তখন সামাজিক প্রাণী হয়ে
যায় মুহুর্তের দুর্বলতা, শ্রিকৃষ্ণ সামনে বসে
উপদেশ দেয় সবাই মৃত তাই পাপ বলে
অপরাধ বলে কিছু নেই....তবুও অপেক্ষা
আরো খানিকটা বুঝে নেওয়া নিঃশব্দে....
মৃত্যুর আগে নদী স্রোতের রেশ না রাখা
কোনো অবশেষ অবধি.........,

আসাযাওয়া -----------------

------------

স্বপ্ন ছুয়ে আছে হৃতপিন্ড তাই জীবন
এখনো সবুজ বাতাসের স্পর্শ পায়, মৃত্যু
সরে যায়  যোজন দূরে, জেব্রাক্রসিং এ
দাঁড়িয়ে অপেক্ষাকৃত কিছু সমায় আজ
সেতু তৈরি করে,আবিষ্কৃত কিছু ছবি
দূর থেকে কাছে আবার কাছ থেকে দূরে
আসে যায়, অচেনা মুখ চেনা কখনওবা
চেনা সুর আবছা ,বাতাসের ভুমিকা বোঝা
সহজ নয়... কখন কাকে ছুঁয়ে যায়,

আবরন -----------------

--------------

কখনো  দেখানো যায়না হৃতপিন্ডের দারিদ্রতা,
কখনো বোঝানো যায়না চোখের নোনতা স্বাদ,
কাজলের আড়ালে মৃত চাহনিকে জীবিত রাখে
বিনিদ্ররাতেরা, ভিড়ালো সংসার থেকে অতর্কিত
মুহুর্ত চুরি করা যায়না, এক আঁচলা বৃষ্টিতে মনের
উঠোন সোদা গন্ধটুকু দেয় কেবল, বুকের
পাঁচমেশালি স্বাদের খামে পচে যাওয়া জীবন
কনো এক অভিশাপে মমি হয়ে রয়ে যায়......
এখানে সবটুকুই সাজানো..... কখনো
সাজানো জীবনের ঝলমলে আবরন খোলা
নিষিদ্ধ, অভ্যস্ততায় মৃত অবয়বকেও সাদা
কাপড়ে মুড়ে ফেলার নাম প্রথা......,
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত  কেবলি আদিমতা
ঢেকে সামাজিক হওয়ার এক নাটকীয় প্রচেষ্টা....







পাশা পাশি ----------------

--------------

      পাঁজর ভাঙার শব্দ প্রতিদিন রঙিন ফুলের
পাপড়িদের ঘুম ভাঙায় কাটাতারের দুপারে,
অন্ধকার এখন প্রতিবেশি  তোর আমার
চারপাশে-- ভোরের আজান ছুঁয়ে যায় রাত্রি
চুয়ানো শুকতারা
র আলোটাকে।
সবুজ রেখা চোখের ভিতর নিয়ে সেই আলোর
উত্তাপে কাঠামো পোড়ে মেশে হাওয়ায়....,
তবু শিকড়ে আজো ভেজা মাটির আস্তরন
ভালোবাসার বেদনাকে আঁকড়ে  রেখেছে
জোর করে,
যদি সময় বদলায় তবে বন্দিকরে রাখা
বুকের গভির ওম আর দেহাতি  যতো স্বপ্ন
যেন ভেসে যায় খরস্রোতা কোনো নদীতে
সিমান্ত না মেনে,

অবয়বহীন সময় যদি সমর্পিত হয় অগ্নিশিখায়
তবে লীন হয়ে যায়  যেন  যাকিছু সঞ্চিত.... এই বাতাসে-।
কিশোরী হলুদ বিকেল আর ফুলেরা যেন নতুন
কবিতার শব্দ নিয়ে এক্কা দোক্কা খেলে।
কারফিউ নয় বরং বিষণ্ণ মেঘের  রঙ্ মাখুক শহরময়,
আর নিঃশব্দে বয়ে যাক  নদীস্রোত,  বাতাস,
আর উড়ে যাক সব রংএর মেঘেরা,উড়ে যাক
উষ্ণতা বিনিময়ের অজুহাতে ডানামেলা পাখিরা।।

নব নব রপে--- ------------------------

-----------------------

মাতৃগর্ভের পর এক ছাচে গড়া মন
রঙ তুলির আবরন আভরনে তৈরী
চালচিত্র, অভস্ত্য জীবনযাপন পুতুল
খেলা কিংবা অস্তিত্ব্যের পুতুল, শেখানো
বুলি কিংবা রংতুলি, ছাচ শক্ত হওয়ার
পর অস্তিত্বের রদবদল, তোমারটা শুন্য
মানিয়ে নেওয়া আটপৌরে জীবন্ত লাশ
ছুঁয়ে থাকার শিহরন বিলুপ্ত ঝলসানো
উত্তাপে, অথবা এন্টিক সোপিসের অট্টনাদ.......,
শরতের দুপুরে দখিন জানালায় একখানা
সাদামেঘের হাতছানি উপেক্ষিত মনকে পশ্রয়
দেয়, রংদানির উপোহার কিছু নরম রোদ্দুর
আর একখানা ছুঁয়ে থাকা তুলি, পুরোনো
স্কেলিটন জং আবরন, পালিয়ে বাচার তাগিদ
সব অভিনয়টুকু ধরাপড়ে নরম ঘাসের সোহাগে,
চারদেওয়ালের দুরত্ত্ব কমে বন্দি হয় সাঁঝসকালের
নির্মিত চরত্র, মুঠোফোন নাকি পৃথিবীটাকে ছোট
করে দিয়েছে.......... তাই বেতালে বেজে ওঠা
তারটার বেসুর কাছের থেকে দুরেই আজ স্পষ্ট
,কথার পেছনে লুকোনো কথায় যদি কবিতা........
জন্ম থেকে মৃতু কি তবে কবিতাগুচ্ছ?  জানতে
চাওয়া যদি প্রশ্ন হয় তবে জীবন এক প্রশ্নপত্র,

বীষ তৃষ্ণা --------------------------------------------------

-------------------------------------------------
বালিশে শুখনো জলের রেখা আজকাল
সকালের খবরেরকাগজে পরিপাট্ট জীবন
খোঁজে..... মেরুদণ্ড জুড়ে সকাল দুপুর
বিকেলের গল্পগুলো প্রথম পাতায় জায়গা
করে নেয়, হৃতপিন্ডে খন্ড খন্ড জীবন
বিস্ময়কর কবিতার কোলাজ......মন্তব্যের
ভিড়ে সে পরিচয়  বাজারে দর কচকচানি
রক্তে যেন মিশতে থাকে অজস্র বীষছোবল
শরীর জুড়ে বাড়তে থাকে গাড় নীলের ছটপটানি
কোথাও যেন প্রতিবাদ নেই বাচঁতে চাওয়ার
তৃষ্ণা নেই, নিলাম শেষে ঠোট বেয়ে মৃত্যু নেমে
আসে, অদ্ভুত স্বাদ তার কেমন করে বোঝাই!
শব্দেরা এখনো নামকরণ  করেনি যে,,
                         --------------------------------

সুক্ষাদর্শী১ ---------------------

--------------------

অন্ধকার খাঁচা থেকে একটা আস্ত আত্মা
চুরি করলি ডাকাত বলতে পারলাম না,
তুই যে অন্ধকারময় হৃদয়ের জন্যে দুটো
চকমকি পাথর আমায় উপহার দিলি...
বললি ঘষে জ্বালা পুড়িয়ে খাটি কর এই
যাতনাটাকে ভয়  পাই আগামিকে....
তুই দেখিসনা আগামি, আমি মুক্তির স্বাদ
হারাতে চাইনা,  চাইনা পড়েপাওয়া চোদ্দা আনা
হারিয়ে যাক.... জানি তোবুও আসবে আগামি
তুই অকারনের কুস্টি বিচার করতে বসবি....
আমি মৃত গলে যাওয়া শবটাকে ভেলায় ভাসাবো,
আজ তবুও হৃদয়ের গচ্ছিত রাখলাম,আত্মা
সপেদিলাম, মৃত্যু ঘোষিত হবার আগে অন্তত
একবার বাচতে চাইলাম

সুক্ষাদর্শী১ ---------------------

--------------------

অন্ধকার খাঁচা থেকে একটা আস্ত আত্মা
চুরি করলি ডাকাত বলতে পারলাম না,
তুই যে অন্ধকারময় হৃদয়ের জন্যে দুটো
চকমকি পাথর আমায় উপহার দিলি...
বললি ঘষে জ্বালা পুড়িয়ে খাটি কর এই
যাতনাটাকে ভয়  পাই আগামিকে....
তুই দেখিসনা আগামি, আমি মুক্তির স্বাদ
হারাতে চাইনা,  চাইনা পড়েপাওয়া চোদ্দা আনা
হারিয়ে যাক.... জানি তোবুও আসবে আগামি
তুই অকারনের কুস্টি বিচার করতে বসবি....
আমি মৃত গলে যাওয়া শবটাকে ভেলায় ভাসাবো,
আজ তবুও হৃদয়ের গচ্ছিত রাখলাম,আত্মা
সপেদিলাম, মৃত্যু ঘোষিত হবার আগে অন্তত
একবার বাচতে চাইলাম

ফিরে ফরে-----

-------------------------

এক পৃথিবী মৃত্যু কুড়িয়ে নিয়ে
তোর দরজায় আমার নাম অ-তিথি,
ঘরের ভেতোর এক জীবন বাচাঁর
ক্ষিদে...... অভুক্ত গৃহস্তি,হৃতপিন্ডের
ওঠানামায় ঝড়ের আগমনীর অনুরণন,
তুমুল দুর্যোগের আমন্ত্রন পত্র শুখনো
পাতায়-- সবুজ দৃষ্টি  ক্রমাগতএফোঁড়
ওফোঁড় করছে লোহার বর্মটাকে.....,
অন্তিম আকাঙ্ক্ষার কলমে একটা
আদিমতার ইতিহাস লেখা হতে পারে
বয়ে যাওয়া  নদীতে ক্ষয়ে যাওয়া
পাথরের বুকের বিভাজিকায়......,
তাই মৃত্যু এখানে বিক্রি নেই...... শেষটা
যে শুরুর দরজায় নতুন  অতিথি,

নীল রঙ --

-------------+----------

নীল রঙ আমার প্রিয় তবুও কেনো আমায়
তুই পেলি না তুই তো আমার অভ্যেস নয়
তুই তো আমার সেই আদি অনন্তের তৃপ্তি
আমি একভাঁড়  চায়ের চুমুকে শেষ
হবো না... সকালের আরুষে আমি তোর
চোখ ছুঁয়ে  যাই  তুই বুঝিসনি স্নানের জল
হয়ে তোকে চুইয়ে যাই  আমায় মাখিস তুই
আজো তবু খুঁজিস হাজার চাওয়ার মাঝে
আয়নায় নয় আমি তোর ভেতোরে বইছি
আর তুই আমায় বাইরে খুঁজছিস, আমি এক
উপন্যাস হয়ে রয়েছি তোর ভেতর রোজ কিছু
শব্দেরা জড়ো হয় তোর চোখ চেয়ে তুই বলিস
আজ থাক কাল হবে কথা, আমি তোর ক্লান্তিতে
মিশে শুষে নিই বীষঘাম তবুও সমায় হয়তো
আমাকে তোর কাছাকাছি নিয়ে যাবে, আমি
আছি নিবিড় হয়ে মিশে তোর খুব ক্লোজড 

কি দেবো

-------------------------
কি দেবো তোমায় নিঃস্বতা ছাড়া?
এক শ্রাবণ মন খারাপ আর গাছের
পাতা চুইয়ে পড়া জলটুকুই আমার আছে,
কি দেবো তোমায় স্মৃতি ছাড়া----
মুহুর্তরা যে টুকু মুহুর্ত চুরি করে আমায়
দিয়েছে... সেটুকুই আজ পুঁজি,
কি বা দিতেপারি চীরদিনের অংগিকারে?
সাক্ষরিত মন খারাপের চুক্তিটুকু ছাড়া,
সম্বলটুকু যে  নেহাতি কাঙালিয়ানায় ভরা--
জমার খাতায় কেবলি একরাশ  ঋণ,
তাই কি বা দেওয়ার আছে এই লাঞ্ছিত
হৃদয় থেকে?
চাওয়াটুকু বরাবরই বেমানান রয়ে গেল-
বেচেথাকার রোজনামচায়,
আপোষহীন সমায়ের খোঁজে  হেটে চলেছি
আপোষেরি হাতে হাত রেখে,
তাই কি বা দেবো মানানসই যা তোমার পাশে!
অন্তহীন আকাশ দেখি রোজ চোখ ভরে রামধনু
কাজল পরবো ভেবে--
নাগাল পায়নি চোখ সেই কামরাঙা বিকেলার,
তাই কি বা দিতে পারি শূন্যতা ভরা চাহনিটুকু
ছাড়া?
বন্ধ খামে ভরা পড়ে আছে বুক জুড়ে নোনা
ধরা অদৃশ্য পাণ্ডুলিপিটা-- পারিনি দিতে কিছুই
কারন আমার সবখানি পরিসীমা যেন নিশ্চিন্তে
ছুয়ে আছে এক সমুদ্র  শূন্যতা,,



হারিয়ে যাওয়া শব্দেরা

-------------------------------

শব্দেরা হারিয়ে যায়  কোনো বোঝাপোড়া
হয় না, যেমন সব কিছু ছাতার তলায়
আনার আগে হঠাতই বৃষ্টি আসে..... ঠিক
যেমনটি অসম্ভব মেঘলা দিনেও অবাক
করে কাঠফাটা রোদ, যেমন প্রেম বার্তা
পাঠিয়ে আসে না, চলে গিয়েও শেষ হয়না,
বুকের মাঝে এক সমুদ্র সময় রেখে যায়,
প্রিয় আর্শিটা সবটুকু মন পড়ে ফেলে....
স্নিগ্ধতা ভরে দেয় খোপার রজনীগন্ধায়
কপালের টিপে একটা আমন্ত্রণ, আতরের
সুবাসে উতসবের শিহরন, তাই শব্দেরা
হারিয়ে গিয়েও বুকের মাঝে এক সমুদ্র
আর এক আকাশ প্রেম লুকিয়ে রাখে,
তাই বুঝি ভালোবাসা হারানোর নাম!

নিবিড় তুই

--------------------

তোর জংলি বুকের খাচায়
একটা নিবিড় আশ্রয়কে বন্য গন্ধে
মসগুল করবোরোজ এই ভেবে
আরো ঘন সবুজ হই, একটা স্নিগ্ধ
ঝরনাধারা আমায়স্নান করিয়ে
পাহাড়কেবলে কিছুটা স্থিরতা দিতে
মাটির গন্ধ মেখে আমি প্রেম হয়ে উঠি,
কখনো না ফুরোনো একটা ভালোবাস,
কিছু প্রসাদিফুল ডালিতে সাজানো
নীলপদ্ম দেখে বুঝিআকাশ এসেছিলো
পাপড়ির গায়ে একটাহ্রিদয়স্পন্দন এর
শিহরনআর সমস্ত ডালিভরেশীতল জংলি
আদিমগন্ধ, কোনো দ্বিমতছাড়াই বলতে
পারিএই সত্যি কোনোদুরত্ব আজ আর নাই,

অসম্ভব

---------------
অস্থির বাতাসে উড়ে যাক  কিছু অসম্ভব
স্বপ্ন, চোখ এখন ক্লান্ত তার নিজস্ব দায়ভারে,
সবুজ অলৌকিক আলোতে মন হামাগুড়ি দেয়,
পেরিয়ে মেঘ বৃষ্টির দেশ এমন তখনো  একা,
কুঞ্জবনে শাওন মেঘের কান্না ঝরে পড়ে....
ঝাড়বাতি সাজানো মেহফিলে বিবশ জীবন-
শুধু প্রতিক্ষা....... আর প্রতিক্ষা.....,
অজানা কারনে মন বিকিয়ে যায়  তার কাছে
সত্যকে জানা হয় না,দাম পায় মরীচিকার সমান,
কবিতার পান্ডুলিপি লেখা থাকে শুধু মনে উড়ে
যায়  সব স্বপ্ন --- ইচ্ছেদের ডানায় ভর করে,
অবিরল রঙ বদলানো জীবনে ব্যস্তময় দিন,
সমায় নেই কথা রাখার...... শুধু কথা দিয়ে যায়
মন,গুমরে ওঠে কান্না চোখ যে কুয়াশায় আচ্ছন্ন
পথ শুধু সংকীর্ণতা বাড়ায়--- বলে অসম্ভব অসম্ভব,
পান্ডুলিপি হলুদ হয়ে রয়ে যায় মনের আনাচেকানাচে
আজন্ম কেটে যায় অসম্ভবের প্রতিক্ষায়.....
মীরা হয়ে মন থাকে অসম্ভবের পদতালে,
পরজন্ম যদি পায় মন মীরা নয় হয় যেন
শ্যমের বাঁশি, অস্থির বাতাসে সেই বাঁশির
সুর পায় যেন আশ্রয়,  আজ বিসর্জনের
পথ যেন  হয় অনতিদীর্ঘ,  ধূসর শূন্যে অজানা
খুঁজে নিক তার সংগ,
অসম্ভব স্বপ্নরা পাক মুক্তি আর ইচ্ছেরা হোক
ভোকাট্টা, মৃতুজাজিম বিছিয়ে চন্দনের ঘ্রাণ
নিক মন...অস্থির বাতাসে উড়ে যাক কিছু
রঙিন প্রজাপতি, কবিতার পান্ডুলিপিরা হোক
হলুদ থেকে হলুদতর,,,
                         ........................

মৃত্যু

----------_------------------
মাঝ রাতে দুঃস্বপ্নর মতো নিশ্বাসে
মৃত্যু দেখেছি বহুবার, এক ভালোবাসা
ভরা মৃত্যু.... আহত জ্যোতস্নার রক্তে
রক্তিম মৃত্যু,আকাশে বাতাসে শ্বশাানের
গন্ধ-- কেমন যেন ধুপধুনো  পোড়া মাংস
আর বেচেঁ থাকা নিশ্বাসের গন্ধ মিশে শান্তির
গন্ধ নাকি মাটির সাথে মিশে যাবার  গন্ধ!
অনেক রঙের কাহিনি লেখা শীতল শরীরে
চাওয়া পাওয়া অভিজোগ রাগ অনুরাগ ...
সময় লেখা থাকে এক গুচ্ছ, সবটা মিলে
মিশে শেষটা বড় ভালো ছিলো........
'জীবন্ত অবয়বটা' এতোটা পথ আর একটা
একটা মেডেল ছবির গলায় ক্ষুদ্র উপহার
হিসেবে স্মৃতি, সদ্য চুল্লিতে ছাই হল তাই সে
সুজন, এভাবে মাঝরাতে হটাত ঘুম ভেঙে
মৃত্যু দেখি প্রায়শই,  ভালবাস না বেদনার
পায়ে চুমু খেয়ে চলে যাওয়া বরাদ্দ জীবন....,

নিভৃতে

--------+--------
চোখের কার্নিশে নোনাজলের চিকমিক
একমুঠো আশাকে সোহাগে বেধে রাখে।
হাওয়ার আচল উড়ে যায়  কিছু নিবিড়তার
মোহে,
সেই আত্মিক অনুভুতি কখন সাগরের ঢেউএ
ভাসা পুঞ্জিভুত শুভ্রতা ---কখনওবা গভিরতায়
মানিকে জমানো দ্যুতি....., প্রতি নিশ্বাসে তার আঘ্রাণ
ছুয়ে বাঁচে কিছু কাচা রঙএর ছবি,
হাতের ইশারায় ঘুম ডেকে চোখের কালি
মোছায় নিঃশব্দ রাতের স্বপ্নরা।
ফেলে আসা রাতের চাদোরে রন্ধে রয়ে যায়
না বলা কথারা,
বুক পেতে আধার আশ্রয় দেয়.... কাহিনিটার
ছলকে পড়া শব্দগুলোকে,
এই বেচে থাকায় কোথাও এ মনও হেটে যায় 
নির্বাক পথের হাতে হাত রেখে------
না বলা কথাদের ঘুম পাড়িয়ে মনের ভাজে।।

সময়ের খেলা ----------------------------

----------------------------

সমপর্ক সময় সবাটাই বিভাজিত 
শহর গলি চৌরাস্তায়, হলুদ বসন্ত ও
আজ কাল রঙ ভাগ করে নেয়,
যেমন টা জীবন একটা রঙ আর
ক্যনভাস,তুলির কখনো প্রেম কখনো
অপ্রেম মেরুদন্ডের মজ্জা থেকে তুলি
টাকে মাঝে মাঝে ভিজিয়ে নেওয়া,
সবকিছু স্বাভাবিক সবকিছু মানানসই,
শুধু বেবাগ মন এযেন বানজারা কিসের
এক তাড়না যাতনা নাকি তৃষ্ণা  নামকরন
করা বড্ড শক্তকাজ, চলতে থাকা সময়
অজানা পথেরপাঁচালি লিখতে ব্যস্ত পথ
জুড়ে বিশাল অংক যেন গলি পথ ছেড়ে
রাজপথ সবটুকু একা একা, শেষটা সেই
একটা নদী  আর এক চকমকি আগুন,
অতৃপ্ত আত্মাও হলুদ বসন্তেরকোকিল
গানে খুঁজে  নেবে তৃপ্ততা, সবটুকু শুধু
সময়ের খেলা.......,,

মুহুর্ত

---------------------------
সময় যা কিছু রেখে যায়  সবটাই স্মৃতি
পলাশ রঙা বসন্ত আকাশ সময়ের রংদানি,
কোলাজে অজস্র সময় বন্দি একটা নতুন
চাদর ঢেকে দেয় একক রুপরেখা..... রুপাই
সাজু নকশিকাঁথার গল্পে বাচেঁ, সময়ের বুকে
পা দিয়ে নীল কাজল মাখা ভোর আসে,
একুমুহুর্তে হাস্নুহানা কিছু স্পর্শেন্দ্রিয়তে
অনুভুতি প্রান পায়,প্রোয়োজন গুলো
সময়ের সুতোয় এক একটা মুক্ত হয়ে
গাথা হয়ে যায় ,  কিছুটা তোমার কিছুটা
আমার বাকিটুকু 'যদি এমনটা হোতো'
ইচ্ছামতি নদীর বুকে যে চোখ রাত জাগে
তার স্বপ্ন, মোহনায় একটার পর একটা ভোর
প্রহর পেরিয়ে যায়, 
সময়ের সাথে সময় ফুরোনো  কেমন যেন
নটেগাছটিকে মুড়িয়ে দেয় অভ্যেসের
দৈনন্দিনতায়, সবটা সত্যি কারন মুহুর্তরা
কখনো মিথ্যে হয় না মৃত হয় না,মুহুর্তেরা
শেষ হয়ে বেচেঁ থাকে আর এক মুহুর্তের বুকে,

সফর

--------------------------------------------
দক্ষিণ দিকের ঘরে একটা রোদ রোজ
কিছুক্ষন দাঁড়ায় ঝলমল আলোর চাদর
গায়ে,সময়ের আলো বয়ে যাওয়ার আলো
একমুঠো  বাচাঁর আলো সবটা ওই চাদরে
ঢাকা, ফেলে আসা সময়ের ইতহাসে হাওয়া
আর জলের গাড় আস্তরনে সেই রোদ চোখ
রাখে, একটা শিশুমনকেও তার চোখ এড়ায়
না,পুরোনো কাগজের নৌকায় রুপকথা
ভাসে আলোর নদীতে.... আমি হাসি এইভেবে
যে আমি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছি,হাস্নুহানা আর
রজনীগন্ধা মিলেমশে বাসর সাজায়, সবে
মাত্র শৈশব পেরোনো দিনটাকে উপচে পড়া
স্বপ্নেরা বিদায়ী শুভেচ্ছা জানিয়ে নকশীখোঁপা
বেধে সাজিয়ে দেয় অলংকারে, সদ্য যুবতি
দিনটা কেমন নিজের চেয়েও ভারি হয়ে ওঠে,
অথচ সারামুখে কোনো যন্ত্রণা নেই, এক
মোহন হাসি ভীষণ সুন্দর...বড্ড মিস্টি
দিন.....রোদ দুরত্ত্ব রেখে বারান্দায় আসে
চুপিসারে..... শরীর জুড়ে ঘামের গন্ধে দিন
এগিয়ে যায় তার সময়ের গাড়িতে জীবনের
সফরে স্টেশনের পর স্টেশন.....



বেচেঁ থাকা

-----------------------------------
প্রতিদিন একবার জানালার কাচেঁ
ভালোবাসা আসে শিশির বিন্দু হয়ে,
জানালা খুলে দিলেই একগাল হাসি
নিয়ে খুব কাছে শুভসকাল সম্ভব হতে
চায়, তরতাজা সংসারকে আচঁলের গিঁটে
যত্ন করে রাখা....মাথার চারপাশে রক্ত
গড়িয়ে ভেতোরে বাইরে ঈশ্বরতা প্রাপ্ত,
সাজানো আসবাবপত্রে মাতৃত্বের স্নেহগুলো
রোজ একবার ছুঁয়ে যায়  সময় মেখে.....,
সবুজ সংসারের মাঝে একটা ঝংকারের
অপেক্ষায় তাকিয়ে থাকা চোখে ক্লান্তিহীন
চাউনি সেই কণ্ঠস্বরের জন্যে......যা কিনা বুকের
জমানো কান্নায় নোনতা স্বাদ এনে দেয়,
আর ছেঁড়া তারে বেচেঁ থাকার সুর ছুঁয়ে
গড়িয়ে পড়া রক্তে মুহুর্তের কলমে জীবনের গান
লেখা হয়.....শিশিরবিন্দু রোজকার মতো
কাছে আসে' সুপ্রভাত আমি এসেছি' সেই
গান শুনতে......তখনি সব এলোমেলো
শব্দেরা গুছিয়ে নিয়ে একটুকরো বেচেঁ
থাকার ছবি হয়ে যায়......,,

ভেবেছিলাম------

----------------------------------------
ভেবেছিলাম এভাবেই থাকবো
আগল বন্ধ করে নিভিয়ে দিয়ে
তারাদের আলো, পুড়িয়ে ফেলবো
সবুজত্বের ক্লোরোফিল....আকাশে
উড়িয়ে দেব সেই ছাই, পারলাম না
পারলাম না কথা রাখতে.... তিব্র হার
আমাকে ঢেকে ফেলল তোর সামনে,
ঠোঁটের ডগায় সাজানো ইচ্ছেদের রাখলাম
এক অজানা ইশারায় পা দুখানা এগিয়ে
যায় সারি সারি গাছপালার মাঝখান দিয়ে
এক নি:সংগ  পথকে সংগ করে, এ যেন
কয়েক বসন্ত মেখে দম বন্ধ ঘরের রুপকথারা
দোল খেলে, বাইরে আকাশটা ভাঙছে তবুও
মেরুদণ্ড সোজা করে হাটছে আমার ভালোলাগা
হোঁচট খাওয়া ক্ষততে সাজানো ইচ্ছেরা চোখ
বন্ধ করে প্রেম ছুঁইয়ে দেয়,প্রশ্ন এড়িয়ে যাই
মন কে ঢেকে একটা দুরত্ত্ব বজায় রেখে,
ভেবেছিলাম নিভিয়ে দেবো  আকাশের সব
আলো অন্ধকারকে বেসে ভালো,ফেরাতে
পারিনি তোকে কারন বন্ধ ঘরের নেমপ্লেটে
তোর সাক্ষর "ভালোবাসা" ভালো--------বাসা
আশ্রয় ফেরাতে পারলাম না....,

নিস্তব্ধতা

-------------------------
নিস্তব্ধতা  একটা আওয়াজ তুই
শুনেছিচ কখনো? তোকে জড়িয়ে
নিস্তব্ধতা এক অনুভুত আমাকে
জুড়ে দেয় সময়ের আদৃশ্য তারে
সুরের অনুরনন সাদা কাগজে লিখে
যায় তোর আমার গানের স্বরলিপি,
এক শিলমোহরে বাধা ভালোবাসার
স্বাক্ষর, যোজন দুরত্ত্ব তুই আমি হাতে
হাত রেখে পেরবো নিস্তব্ধ চোখের ভাষা
পড়তে পড়তে, প্রতিটা নিশ্বাসে তোর
অবাধ আসা যাওয়া তাই নিস্তব্ধ আকাশ
থেকে স্বপ্ন এনে আমার চোখে মাখিয়ে
দিস গোলাপি মেঘ, কোনো এক মুহুর্ত
হয়ে আমাকে তোর বাহুডোরে বেধে
ভিজতে থাকি তুই আমি থমকে যাওয়া
ব্যস্ত শহরের তুমুল বর্ষায়, তুই আমি
পৃথিবীটাকে হাতের মুঠোয় যত্ন করে
লুকিয়ে রাখি অমুল্য রতনের মতো,
ঘুমিয়ে থাকা নিস্তব্ধ দুপুরবেলায় তোর
বুকে আমার স্পন্দন ক্রমশ অন্তহীন,

সুক্ষ্মাদর্শী -------------------

------------------

সুক্ষ্মদর্শী হলেই হিসেবি হওয়া জরুরি
সংসারী হলে যেমনটা জোকার হওয়াটা,
দফতরি কায়দায় সময় থেকে চুরি করা
প্রেমটা আকাউন্ট এর হিসাব নিকাশের
ব্যালেন্সসিটে হারিয়ে যায়,
জংলী হতে চাইলে বাইরে সভ্যতা নীল
জিন্স টিশার্ট ঝলমলে হওয়া ভিষন জরুরি,
জরুরি সাবধানি জীবনযাপনে কিছুটা সময়
মুঠোফোনটার সুইচ অফ করে সবুজত্য
বজায় রাখা,
যন্ত্রনা ছুঁয়ে  দেখতে গেলে যেমনটা হয়তো
জরুরি আত্মিক প্রেমের সহানুভূতি হয়ে হওয়া,
অনেক হিসেব নিকেশএর মতো ভালোবাসা
সম্পুর্নতা পায় প্রতিটা রন্ধ্র যখন স্নিগ্ধতা ছুঁয়ে
আবার ভিক্ষার্থী হয়ে ওঠে বার বার, এতো
কিছু হিসেব নিকেশ এর বাইরে কেবল
বেহিসেবি হতে চায় এই বেতালে বাজা
হৃদয়ের তারটা যন্ত্রনাকে আঁকড়ে....

অপেক্ষা

------------------------------------
কতবার ঠিক কতবার হৃতপিন্ডটাকে
আহত করলে মৃত ঘোষিত হবে জানা নেই,
স্বর্গরথ এসে অপেক্ষা করছে শেষ যাত্রার
সঙ্গ হবে বলে...... শুধু বাকি মৃত ঘোষিত
হওয়া, ধমনীর উত্তপ্ততা শীতল হয়েছে
অনেকক্ষন, রক্তের রংও সেকা হয়ে গেছে
সময়ের আগুনে, স্কেলিটনটা মাংসপেশীর
সাথে সখ্যতা ভুলছে..... বিদায়ী রজনীগন্ধা
পচে যাওয়া মাংসের গায়ে সুবাসের চাদর
ঢাকা দিয়ে রেখেছে.... কৃষ্ণতুলশী  দৃষ্টিকে
আলিঙ্গনে ব্যেস্ত....কিন্তু কোথাও নদীর শব্দ
ভেসে আসেনি,শেষ ইচ্ছের সাধ নদীস্রোত
শুনতে শুনতে জাজিমটা বিছিয়ে নেবে----
এখনো হয়তো কিছুটা সময় বরাদ্দ বেচেঁ
থাকার হাতে,
সহস্র ছুরি বিদ্ধ হয়েও হৃতপিন্ডটা যে বিদ্রুপ
হাসি হেসেই চলেছে, তাই এখনো লজ্জায়
অপেক্ষারত মৃত্যু.......