জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৬৯)
বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৬৮)
বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৬৭)
শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৬৬)
সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
উপকুল জুড়ে
মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৬৫)
বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
যে ভাবে সীমানা আঁকে
বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
এক আকাশের নিচে
সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
শেষ রাতের নক্ষত্রদের গল্প----------------------------
বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯
দলছুট
মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা(৬৪)
মন চায়..
অবাঞ্চিত
রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৯
গোপোন কথা
জলটোপ
বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
ফেরারী মন
নিখাদ কোমল
বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
অন্তঃক্ষরন
মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
সমান্তরাল
জীবন ডট কম
রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা(৬৩)
শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯
প্রিয় লেবু ফুল
বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯
তোমাকে ছুঁয়ে
মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৯
মুর্শিদ
সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯
যন্ত্রনা
রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯
সময়
শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯
আগুনের পরশমণি
বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৯
সুবর্না(৬২)
বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৯
সুবর্না(৬১)
সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯
সুবর্ণা(৬০)
বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯
মোনা লিসা
বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯
)পরিনীতা
সুবর্না(৫৯)
----------------------------
হাতের মুঠোয় ফুরোতে থাকা
বালি, মাটির ঘুম ডাকে রাজার
রাজা, হাওয়ায় উড়তে থাকা হরিরবোল
খই ফুল সুবর্না তোমার প্রিয় সব কটা
অধ্যায় সুগন্ধি মলাটে,
দরজায় দাড়ানো সব অপেক্ষা পরজন্মর
দিকে তাকিয়ে প্রহর কাটানো,
কাজ ফুরোনো ২০৬টা হাড় তিতাসের
জলে এগিয়ে দাও সুবর্না, ফিরে তাকানো
বারন মায়ায় জড়ানো বারন,
ও চোখ পুড়তে পারে দহন দাহে,
তোমায় এমন করে চাইতে পারি... তাই
একশো আটটা নীল পদ্ম নিয়ে তোমার জন্যে
নদীর ওপারে এক অপেক্ষা ,
মানচিত্রে তখন থমকে যাওয়া সময়ের
পেন্ডুলাম মৃত... মৃত সমস্ত সাজানো
নাটকের ভুমিকা,
আমরা কেবল মুখোমুখি হাতের
মুঠোয় ফুরোতে থাকা সময়
নতজানু,, সন্মুখে বিস্তর একটা জীবন।
রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯
তোমার মত
-------------------------
সে দিন শেষ ভোরে তুমি ঠিক
খসে পড়া তারার মতো আমায়
বলে গেলে আমার আলোটুকু
তোর বুকে রাখ, আমি এরপর
পৃথিবীর শেষ লগ্ন অবধি কেবল
তোর একার ঘর তোর একার....
লুকিয়ে রেখেছিলাম সকল অহংকারি
ভিড় থেকে তোমায়... লুকোনো খামে
তোমায় সুগন্ধি পাঠানো আমার এক অদ্ভুত
অভ্যাস করে ফেলেছিলাম ,
রক্তকরবী গাছের নিচে আমাদের
প্রথম স্পর্শ গুলো যত্ন করে গুছিয়ে
রেখে এসেছি, আরো আরো কত
কি যে এ পোড়া মনের আনাচকানাচে
গুঁজে রাখা, সে বাঁশিওয়ালার সুর
ভীষণ গরমের দুপুর আলস্যে যখন
তখন তুমি আমায় চুপিসারে চোখ বেঁধে
মিশিয়ে দিয়ে ছিলে সুরের সাত রঙা
মূর্ছনায়, আমার হাতের তালুতে এখন
সেই নিবিড় সব গন্ধ কেমন তাজা,
নীল রঙ তুমি তেমন ভালবাসতে না
তবু কখন যেন ভালবাসার আবদারে
তুমি নীলাদ্রি হয়ে উঠেছিলে,
মনে রাখা সহজ, না ভুলে যাওয়া
সহজ জানা নেই, তুমি যখনই
হিসেবি হতে বলো আমি খেই হারিয়ে
ফেলি আমার উপকুল বরাবর
কোনো হিসেবই মেলাতে পারিনি,
আয় ব্যয় সব কেমন একাকার হয়ে
পড়ে তাই সে চেষ্টা আমার বৃথা,
সারারাত তোমায় জুড়ে তোমার মত
আলোর সাথে কথায় কথায় ফুরিয়ে
আসি আর তখন তুমি এসে বল আমায়
বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখবি আমায় ভালবাসিস?
আমায় ভালবাসিস? ভালবাসিস?
একদিন না হয়...
----------------------------
একদিন তুই হঠাৎ করে ভীষন
রকম আমার মতো....
একদিন আমার সকাল জুড়ে
শিউলি ফুলেদের গল্প-দাদুর ভরা আসর...
একদিন ঘুম ভাঙা সকাল এর রঙ
আমার ইজেলদানির ইচ্ছে রঙের....
একদিন খুশির আলোয় এই চোখ উছলে
উঠবে... বিস্ময়ে হারাবো সম্বিত... এমন করে
ভাবিনি,,
একদিন তুই হঠাৎ করে ভীষনরকম আমার
মত, একদিন আমার সকাল জুড়ে শিউলি
মেলা, একদিন ফিরবো বিস্ময় ভরা
আমার সকল দহন শেষে গোলাপি
ভোরে,,
শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯
কারণে অকারণে
----------------------------
তোর চোখে দিন শুরু হয়
এ পাওয়া না হারানো তোকে সে
কেবল রহস্য...
নিঃস্ব হতে পারি বার বার,, তোর পথে
হারিয়ে ফেলে আবার এক ভিখারির ভুমিকায়
নিজেকে দেখতে পেলে আমার সুখ,
আর্ধেক আমি মাটির বুকে বাকি অর্ধেক
আকাশলীনা....
ফিরে গেল সব নামবিহীন আলোর রেনু
পূবের বারান্দা থেকে, এখন রাত ডুবে
তোর গভিরে অন্তমিলের সন্ধানে....
স্বপ্নেরা এখন তুই আর তোর মন কে
এক সুরের মূর্ছনায় হাতের রেখায় হেটে
যাওয়ার কথা বলে,,
আমার মিথ্যে বাহাদুরি কবিতায়
থাক কফিনে শুয়ে ..... ,
আমার দুমুঠো চালচুলোয় থাক
জোনাক জ্বালা রাত... তোর চোখে
এমন করে দিন শুরু হয় আর আমি
হারিয়ে যাই সহস্র কারনের ভিড়ে।
সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯
সে আসে বারে বারে ফিরে.. ************************
************************
শুন্যতার বুকে শর্তহীন হয়ে
ঘুমিয়ে আছো সময়ের স্বরলিপি,
কয়েক শতাব্দী পর দেখা আমাদের,
ঘুমের দেশে গোধুলির আলোতে সেই
নিশ্চুপতাকে ঘিরে আমাদের উৎসবের
বর্নে গন্ধে ভরা সবুজ ভেজা সময়
এখন শিলালিপিতে বন্দি,
তোমার বুকের আঁচে আজ আর কোনো
সময় পোড়া ছাই লেগে নেই, এক
অনাবিল শান্তির চিরআশ্রিত সব প্রেম
বুকের পাটাতনে,, এভাবেই আরো কয়েকশ
কয়েকশো শতাব্দীর সাক্ষি থাকবে হয়তো
এমন অগুনিত তুমি আমি ,
আবার কথা রাখার ঠিকানায় বুকফাটা ছটফটানি
তার চিরকুট রেখে যাবে আলতা পায়ে পায়ে,
তোমার বাসন্তীকা ভুলে যাবে না পাওয়ার
ঠোঁট ফোলানো সব নালিশ,
আজ যখন মুখোমুখি আমরা তখন সব কথা
হারিয়ে যায়.... শব্দগুলো সবুজ শ্যাওলার
বুক আঁকড়ে নিঃশব্দে জানায় হলুদ
বসন্তে বাসন্তীকা আসে আলোর সাথে
ঘুমের দেশে গোধুলি হয়ে, সে এমন করে
কথা রাখে পারাপারের সকল অহংকার কে
ভেঙে ফেলে সে আসবে ফিরে বারে বারে....
রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
অকবিতা
--------------------
অভিমানী যত খসড়া কেবল খুশির,
দুঃখের এত সময় কোথায় সুজন
যে এত সোহাগি হয়ে উঠবে?
আমাদেরও ব্যেস্ত দিন জুড়ে চরিত্রদের
আসা যাওয়া , কখনো জড়ানো
লতার মত আঁকড়ে চলার চিত্র .... মনে
হয় ভালবাসা হতেও পারে, অথচ
মন জানে এ শহরে আঁকড়ে থাকা
মানে সবসময় ভালবাসা নয় , সে
শুধু প্রয়োজন,, খানিকটা পেটের
দায়, খানিকটা সাজানো পোট্রের্ট
ড্রয়িংরুমে খানিকটা সামাজিক
পেজ থ্রির খবর,, বলতে পারো
শীতল স্পর্শ মুঠো কোথায়?
এটুকু পেলেই 'বাকি জরুরত পুরি
হো যাতি হেয় ' , তবু কেন বলতে পারো
সুজন ঘুমের সময় সব
চেয়ে বুকের কাছে যন্ত্রনার কেন বাস,,
বালিস যেন মায়ের মত সবটুকু
চোখের জল নিজের কাছে গোপন
করে রাখে,
সব সুতোই কি ভীষন দুর্বল!
জানি না সুজন, কখনো তাই ঈশ্বর
হওয়ার সাধ হয় তার অংকের
সুত্র জানতে ইচ্ছে হয়, নিয়মিত
আয়োজন আর নিশ্বাসের প্রয়োজন
কোনটা বেশি শেকড় শক্ত করে
সে বড় ধাঁধার মত....
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
ঘুম ----------------------------
আজকাল ভিষণ ঘুম আসে, মাথার
ভেতোর বটের শেকড় অন্ধকার করে দেয়
জানলার পরিসর, ভাবি গভির রাত হয়তো...
যে পথে হাঁটি ঘন অন্ধকার দু বাহু মেলে ঘুম
বিছিয়ে আমায় কাছে নেয়, আকাশে
আলোর দেখা পাই না চোখ ভাবে আর
কিছু দেখার নেই তাই ঘুম পায়, নিজের
কোটের সুতোয় বাঁধা চাবির গোছায়
সেই ভোরের চাবি কিছুতেই খুঁজে
পাওয়া যায় না, ঘোর লাগা অন্ধকারে
ঘুম আমায় নিয়ে যায় গোপোন দেশে,
সেখানে হাতে হাত রেখে জীবন মৃত্যু
পাশাপাশি বসে.... অন্ধকার যেন আলোর
চেয়েও অনেক দামি সেখানে,
যারা আছে আসেপাশে সবাই এক ঘোর
লাগা ঘুম মেখে সব চেনা থেকে অচেনা
হয়ে পথ হাঁটে, আমারও আর ফিরতে
ইচ্ছে করে না আলোর দেশে , আমায়
আজকাল ভিষণরকম ঘুম নিয়ে যায়
গোপোন নীল নির্বাসনে,,
সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৫৯)
------------------------------
তাকে চেনা যায় এতটা সময় একজীবন
আমায় দেবে না জানি ,, হয়তো একজীবন
সময়টা ভীষন কম তাকে জানার জন্য ,,
তার হৃদয়ের পথে আমার অবাধ
আসা যাওয়া বহুকালের তবুও সে পথ প্রতিবার
অচেনার মত নতুন , তাকে ভুল ভেবেছি যে সব
কালের চলাচলে ,আজ সে সব স্মৃতির মুখোমুখি
বসে নিজেকে ভুল প্রমাণ পাই , তার বাড়ির
যত বার ঠিকানা খুঁজেছি, হঠাৎ একদিন
মিলিয়ে গেছে বাকি পথটুকু ......খুঁজে পাওয়া
হয়নি আজও ,, মন্ডবাসার বহু গল্পে এসেছে সে ,
তবু আমি সম্পূর্ণ বৃত্তে তাকে আগলা তে
ব্যর্থই হয়েছে বারংবার ,
কাক ভোরে ঘুম ভাঙা চোঁখে তাকে জড়িয়ে
জাপটে রোজ ভেবেছি প্রথম আলোর
অভিষেক হোক এই জীবনে ,প্রতিবার সে ভোরের
অনেক আগেই চলে গেছে কোনো বার্তা না রেখে ,,
তাকে ভেতরে বাইরে পাবার আকুতিতে অযুত
শব্দেরা ভিড় করে বিশাল উপন্যাসের বুক জুড়ে...
শেষের পৃষ্ঠা তে এসে প্রতিবার মনে হয়েছে এখনো
তাকে সামান্যতম ছুঁতে পারিনি তাই অসমাপ্ত সে
উপন্যাস এখনো ,
এ আমার আরাধ্য যাতনা ছাড়া আর কি বা হতে পারে বলো ,,
তাকে পেলে মনে হয় আর কিছুই জানা চেনা চাওয়া পাওয়ার
নেই এই বেঁচে থাকায় , ......সে ফিরে গেলে তার শূন্যতা অদ্ভুত
অচেনা করে দেয় আমার কাছে তাকে প্রতিমুহূর্ত,,
সে জীবন জুড়ে কেবলই তৃষ্ণার মত ....
........সুবর্ণা প্রিয় খোঁজ ,
বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৫৮)
ঠিক তোর মতন কেউ ভালবাসে না,
ভিড় শহর মিথ্যে হাসি, মিথ্যে দেনাপাওনার
খরচের খসড়া রোজ আসে হাত ধরে
ভিড়ে মেশে সাথে সাথে.......
ঠিক তোর মতন কেউ হাতে হাত রেখে
সাবধানে রাস্তা পার করে না,
ব্যস্ত পথ ব্যস্ত মন খরস্রোত হয়ে বয়ে
যায় সব চড়াই-উতরাই,
পথ পাশে রঙের মেলা হৃদয়এর বিকিকিনি...
ঠিক তোর মতন কেউ ছুয়ে যায় না,
প্রিয় মন … প্রিয় পথ... প্রিয় কিছু স্বপ্নের
ঘরকন্না ঋন বাড়ায় যন্ত্রনার খাতায়...,
বহু কবির কবিতায় প্রিয় মুখ আঁকা সারাক্ষণ, দিন
শেষে মিশে যায় ক্লান্ত চিমনির ধোঁয়ায়, কলের
বাঁশী পারাপারের ভিড় বাড়ায়... হয়তো বা
শেষ ট্রেনে ফিরে যায় সাজানো অপেক্ষা,,
তখনও কোনো বোবা অন্ধকারে তুই আমার
অপেক্ষায়....,
ঠিক তোর মতন কেউ ভালবাসে না
কেউ কাছে আসে না,,
............. সুবর্ণা প্রিয় ভালবাসা
সুবর্ণা (৫৭)-----
----------------------------------
তোমার গায়ে আজ অভিমানের গন্ধ ,
যাচাই করার দাঁড়িপাল্লায় তোমার "আমি"
ব্যাকরণ এর সমস্ত স্বপদ শব্দদের তুমি ঠোঁটে
রেখেছো পৃথিবীর সব জীবন্ত মুখোশের মত ,
টেলিফোনের রিংটোন কুঁকড়ে আমাদের সেতু টা
অমসৃণ কিছুটা , তাই তুমি কিছু ভুল ছবি এঁকে
ফেলেছ সামান্য মাটির কাঁপনে ,,
তবু কিচ্ছু বদলায়নি আমাদের সহবাসে ...
তবু তুমি আমার ভেতর রোজ রোজ নিজের
স্বভাবে বেড়ে উঠেছ ,
স্বৈরাচারী আমি সে তোমার বিহীনে নই ,
..আমার শব্দের তেমন প্রাচুর্য নেই ,
তাই কলম অনায়াসে হার মেনে নেয়
কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই ,
তোমার তীক্ষ্ণ বর্শার ফলা সামান্য ক্ষত করে ,তবু
বেশিরভাগ প্রমান রেখে যায় ভালোবাসার তীব্রতার ,,
যে কথা বলার ছিল ...শুধু বলি আমায় সহ্য করার
মত অসহায়তা নিয়ে তুমি আমাকে রচনা করো না,
আমি অনাদর মেনে নিতে পারলেও সহ্য করার
অসহায়তা মেনে নিতে পারি কেমন করে তুমিই বল, ....
........সুবর্ণা প্রিয় অভিযোগ
সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সুবর্ণা (৫৬)
------------------------------
ঠিক এভাবেই ভেসে যেতে চাই,আমার সকল চাওয়ার
উসকানি যেনো উদ্দাম ঢেউ কেবল আমার , ইচ্ছা অনেকটা
জলের উপর ভাসমান কোনো সন্যাসীর তপস্যা ,
তবু বাসি ক্যাফেচিনো কবিতার পাতায় ,
আর তোমাকে নীলাভ-শুভ্র আদর যেন একটুকরো
বেশি পাওয়া কিছু বরাদ্দ ,
ঠিক এই ভাবে ভেসে যেতে চাই , তোমাকে ছুঁয়ে
অথচ তোমার পৃথিবীর মাটি না টলিয়ে .....
এভাবে ভেসে যেতে চাই ...
যদি হারাই কখনো খুঁজো না তুমি ,স্রোত ভেবে ভুলে
যেও অথবা সময় .....।
.
বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯
সুবর্না(৫৫)
----------------------------
রোজ তোমার নতুন রুপ খুঁজে পাই
ওই মুখে, চোখের ভাষায় শেষ কিছু
ছবি সময়ের স্রোতে ভেসে থাকা খড়কুটো..
তুমি আছো কোনো মৃত শতাব্দীর শিলালিপির
মত, শেষ কবে তোমায় আলো ছুঁয়ে গেছে
মনে রাখোনি..., ঘোর লাগা জীবনের ছেঁড়া ছেঁড়া
বুদবুদ যেন নিশ্বাস ঋণের খাতায় বেড়ে উঠছে রোজ রোজ,,
তোমার ছবির পাশে মোমবাতি জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করতে
চেয়েছি সমস্ত অন্ধকারকে,, মনে হয়েছে একটুকরো আকাশ
বুঝি তোমাকে দিতে পেরেছি...
অথচ দেখ আমি আমার বরাদ্দের পাওনাকড়ি
সব আজকাল খরচ করে চলেছি আজন্মের দেনায়,
তোমার ভাগের আকাশটুকুও রাখিনি বাকি,,
তুমি বেশি কিছু কখনওই চাওনি তবু আমি হাতটুকু
বাড়িয়ে দিতে কেবল ভয় পেয়েছি বারংবার,,
তোমায় সাহস করে বলতে পারি না যে কথাটা
.....সে কথা আর হয়তো না বলাই ভালো...
তোমার ছবি সামনে রোজ দাঁড়িয়ে তোমায় নতুন
করে খুঁজে পাই আর ভাবি এখনও তোমায় অনেকখানি
জানা বাকি হয়তো এক জীবনে এতটা সময় নেই তোমায়
চিনবো আপন করে নিজের মত,
কোনো একদিন আসবে তোমার ছবির সামনে তোমায়
আর খুঁজে পাব না.... মন মরবে, কাঁদবে, ছিড়েখুঁড়ে ফেলবো
হৃদয়, অথচ তুমি আর কোথাও নেই সুবর্ণা,,,।
.........সুবর্না প্রিয় বিচ্ছেদ,
বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯
ঝরা পাতার আওয়াজ ----------------------------
------------------------
স্মৃতিটুকু থাক সাথে... পাশে
থাক ভেজা অনুভূতির ছবি,
কেউ পৃথিবীর রঙে খুশি নয়,,
শুধু স্মৃতি থাক হাতের মুঠোয়
কোথাও চলে যাওয়া কাল আর
ফিরে আসে না, কয়েকশো মাইল
হেঁটেছি ঘুমের খোঁজে.... শেষ রাতের
পর শুন্যে হাত বাড়িয়ে একটা ঘর
ছাড়া চিমনির ধোঁয়ায় নিজেকে হারাই,
মাটি না কাঁপে তোমার পৃথিবীর তাই
সাবধানে পার হই উঠোন,
কোনো দেওয়াল রাখিনি এই অবাধ্য
মনের যেখানে আছড়ে পড়া যায়,
তুমি শুয়ে পড় ভেবো না কে
জেগে আজও উত্তরের বারান্দায়...
নয়তো আমার মতো স্বপ্নহীন হয়ে তুমিও
হবে ভীষণ একা,
ফিরছি ঘর নদীর থেকে অনেক দূরে আগুন যেখানে অনির্বার...
স্মৃতিটুকু থাক সাথে পাশে থাক ভেজা আস্তিনের
জলছবি...।
রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯
মেঘ....... ইতি
---------------------------
তুমি আমাকে শ্বেতপাথর ভাবো,
তাই না হয় তোমার কাছে আমার
অস্তিত্ব হোক চিরকালের ... আমি বালির দেওয়াল
হতে চাই না... আমি ভাংতে ভয় পাই
তাই নিশ্চুপ আমার সমস্ত দুঃখ সুখ
মান অভিমান...,,
আমার মিস করার মাত্র কয়েক টুকরো
আকাশই তো আছে যা আমার জমিতে
প্রবলতর বর্ষা আনে যে কোনো অজুহাতে,, ,
ভেবে দেখেছি ভালবাসা মানুষকে
ভিষণ রকম দুর্বল আর অসহায়
করে দেয়.... নিজেকে ভয় পেতে
শুরু করে জীবন...,,
কখন যেন জীবন নতজানু হয়ে
ঈশ্বরমুখাপেক্ষী হয়ে যায়,,
আর অসহায়তা, দুর্বলতা, ভয়,
শব্দগুলো কে আমি ভীষণরকম
দূরে রাখতে পছন্দ করি, তবুও তুমি
এই জীবনের আরাধ্য হয়ে উঠছ,
আমায় শ্বেতপাথর ভাবতে পারো...
আমি বালির দেওয়াল হতে চাইনা কখনো,,,
শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৯
স্রোত
***********************
তোর কাল আমাতে মিশেছে কবে
জানি না সুজন, এখন আমার
চিলেকোঠায় বুক ভার করা কান্না ডুকরে আসে,,
অনিচ্ছায় আসা ভোরগুলো এমনই
কিছু মনখারাপের রানার কে আমাদের
ঠিকানায় পৌঁছে দেয়,, কাল তোর বুকের
মোচোড়ে উজান ছিল, আজ আমার আছড়ে
পড়া জলচ্ছাস..., তুই ঠিকি বলিস আমরা
বড় বেমানান এই সাজানো পৃথিবীতে....,
কিংবা কোনো মানসিক হাসপাতাল হয়তো
আমদের আশ্রয় হওয়ার কথা ছিল,,
গুছিয়ে রাখা ঘরদোর কখন কিভাবে কেউ
এলোমেলো করে দেয় কখনো ভেবে পাইনি,
আর এই ঊষরধুষর নগরীতে সারাবেলা
মুখভার করা বোবা কান্না গড়িয়ে নামে।
কিচ্ছু চাইনি বলেও বহুকিছু না পাওয়াগুলো
খয়েরী রঙের খামে আমাদের দেরাজ ভরছে
প্রতিদিন।
প্রতিদিন মরে যাচ্ছে বেঁচে থাকা যেত যেসব
মুহুর্ত,,
হাজার প্রশ্ন চিহ্নের দোড়গোড়ায় সুজন
তুই আমি, কিংবা আমাদের মত অনিয়মিত
কিছু হৃদয়,
সম্মোহিত সেই সবুজ ভেজা চিঠি গুলো হারিয়ে গেছে
আমাদের থেকে বহু সভ্যতার ওপাড়ে... বাকি টুকু
তাই কোনো প্রলয়ের অপেক্ষায় আমাদের পথ চলা।