বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

যে ভাবে সীমানা আঁকে

------------------- 
 
প্রতিরাতে ঘুমের ওষুধ... যেমন বেঁচে থাকার
অপেক্ষা....... তেমনই  ঘুমের , 
এখন ভালোবেসে সাথে থাকা খানিকটা
প্রতিধ্বনির মতো,, 
কত বার তো একটা গোটা পৃথিবী এঁকে ভাসিয়েছি
কাগজের নৌকায়....... কোনো এক নতুন দেশে
উষর ধুসর বাঁশিওয়ালা হয়তো সুর পাঠাবে এই ভেবে , 
একখন্ড চরের ওপর দাঁড়িয়ে সদা তোমাকে
বলেছি৷  ভীষণ ভাল আছি...... অথচ
পায়ের নিচের মাটি অজান্তে দূরত্ব বজায়ে
ব্যাস্ত..........সামাজিক তাগিদ, 
আগে যেভাবে কাছে চাইতাম ---এখন
সে সব চাওয়া বৃদ্ধ হয়েছে,  হলেও হয় না, হলেও
হয় গোছের,, 
আজকাল তোমার পৃথিবী পাছে টলমল না করে 
আমি পা টিপে টিপে ফিরে আসি নিজ খোলোসে.....
নতুন চরিত্র আঁকি ভেতোর বাইরে, 
প্রতিটা শেষ  হয়ে  যাওয়া দিনের প্রান্তের পিঠ
ফিরে চোখ ঢেকে  তরঙ্গর মত মিলিয়ে যাই..... 
কখনো কখনো ভেতোরে ভেতোরে বিপ্লব জন্মায়
ইট সুরকি ভেঙে ধ্বংসের মাঝে নিজে পোড়াতে
থাকে  নিজের শব..... তার পর হাসতে হাসতে
ছায়ার দিকে হেঁটে  যাই,, 
তুমিও এক বৃদ্ধ বিকেলে হেলান চেয়ারে এভাবেই
নস্টালজিক  শব্দ আঁকড়ে আমাদের মত নষ্ট
জন্মের সাক্ষী আঁকবে জানি.... সে সব কবিতার
শরীর জুড়ে  ভৈরবী নদী আর চর জুড়ে
স্বেচ্ছা মৃত্যু।                               

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন