রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

মন জানলা

সই


 দেয়া নেয়ার খেলা এই আয়ুরেখা জুড়ে 

মনে রাখার মতন ভাংচুর কিছু গল্পেরা শুন্যতা ভরে। 

শেষ  ট্রেনে বাড়ি ফেরা মন অপেক্ষা  খুঁজে ফেরে শহরে শহরে,,

সবাই ফিরতে চেয়েও পথ হারায়... হারায় চেনা ইনকেলবি

হারিয়ে যায়  ভিনদেশী সৌরভের চেনা মানুষের গন্ধ। 


বৃষ্টির ফোঁটা  হাতড়ে বেড়ায় মাটির বুকের ভালবাসার  পুরনো গন্ধ। 

হৃদি অনুবাদে  মেঘেদের অভিমান ঘর বাঁধতে থাকে অথচ 

সৃষ্টি তেমন স্পষ্ট  নয় কোনো কালেই, 

তবু গৌরব চিহ্ন  স্বাক্ষর রাখে ছায়ায়  প্রেম ছুঁয়ে  দিলেই। 



ভালোবাসা আসলে সেইসব ত্যাগ যাকিনা মুক্তির   ডাকনাম। 

সময়ের ঘড়ির কাঁটা  থামতে চায় না  অথচ পৃথিবীটা ছোট প্রমান করে মুখোমুখি করে আরও এক চেনা সময়ের সাথে। 

তবু জানি দূরত্ব  মাপা যায় না , দূরত্ব ঘোচবার নয় ভাংচুর কাঁচের বুকে... দূরত্বতেই  ভালো থাকে মন

 দূরত্বের মাঝে  তুমি  আমির অদৃশ্য থেকে যাওয়া  । 

 আর দুরত্বের কাছেই  সারাজীবন এক তুমুল প্রেমিকের  প্রেমিকা হবার সাধ। 

.


সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

আমার কবিতায়

আমার কবিতায়
*
আমার শব্দরা তোমার থেকে বহুদিন আলোকবর্ষর পথ দূরে
চলে গেছে, 
ব্যাস্ত  শহরে  কারন বদলে গিয়ে আমার ভুমিকা অন্য রুপে,
শুধু  এ শহরে  গাছেরা জানুক অতীত  হাতড়ানো মন কেমনের কথা, 
সময় আগলে রাখে,  সময় গন্তব্য বদলে দেয় বলেই বাসের কনড্রাক্টর তাই কারো ব্যাক্তিগত হতে পারে না। 
মানুষ  ক্রস পাজলে জীবন  মেলাতে মেলাতে সামাজিক পোষ্য হয়ে যায়   ঠিকিই একদিন, 
তবুও জীবনভোর বুক ও গলা জুড়ে  শুকিয়ে যাওয়া  মাটির বুক ফেটে যায়। 
একটা  ছায়ায় মায়া রাখা থাকে অথচ সময়ের ঘড়ি ছায়া কে মায়া হীন নৈশব্দতা মেনে সরে যাওয়ার  নির্দেশ  দিয়ে রাখে। 
আসলে নিজের ছায়া নিজেকে হতে হয় জেনেও মানুষ 
প্রেম খোঁজে  নিজের বাইরে একটা বুকের ছায়ায় খোঁজে মায়া।

আমি মানুষ জন্মর খুঁটিনাটি  কাটিয়ে উঠতে পেরেছি তোমায় প্রাক্তন করে আর তাই আমার শব্দে তুমি কেবলমাত্র এ শহরের গল্পে একটা চরিত্র মাত্র এ কবিতায় আর তুমি পা রাখতে পারবে না আজন্ম ভোর ও কবিতায় তুমিও কখনো আশ্রয় রাখোনি।



শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

...পাখিদের মত

আকাশটা নিভে যাওয়ার  আগে পাখিদের আনাগোনা  বেড়ে যায় ,  ঘর ছেড়ে ঘর খোঁজে । 
ওরা ডানায় অন্ধকার মুড়ে সারা রাত  একটা  সকালের স্বপ্ন  বুনবে। 
সিমান্তের চুড়ায় বিশ্বাস     টাঙানো রাজনৈতিক  মতভেদে মশগুল  যখন চেনা মানচিত্রর রাজা উজীরেরা... 
  তখন  বুকের পাঁজর  জ্বালিয়ে খোলসের ভেতোরের সাঁঝবাতির  আলো-দানির  কাছে কথা রাখতে চেষ্টা করি, 
পাখিগুলোর  দিন শেষের  কলতানে মগজের চিন্তা মগ্ন নীরবতা বারংবার  জোড়াতালি দিতে দিতে বিস্তারিত  মেলা গুটিয়ে   নির্জনতার ভেতর  হাঁটতে  থাকে মন। 

আজান আর শিবরাত্রির মন্ত্র কানের ভেতর কাঁটা  তারের বিচ্ছেদ সরিয়ে দেয় নিয়ম থেকে বেরিয়ে  গিয়ে...।

 মানুষ চেনার চেষ্টা  করতে করতে মানুষ-ধর্মের ভিড়ে নিজেকে  মিশিয়ে  নিয়ে  নিছক সামাজিক হতে থাকি কেবলমাত্র,
  একসময়  পাখিরা  নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পরে  স্বপ্ন বুনন শিয়রে রেখে...,, 

  এক জীবন  পাখি হবার ইচ্ছে নিয়ে আরাধ্যের কাছে   মাথা নত করি শেষমেশ। 
মানুষের আকাশ কি পাখিদের মতো  হয়! 
পাখিদের মতো করে মানুষ কি স্বপ্ন বুনতে পারে! 
একটা  বিকেল ফুরিয়ে যাওয়ার আগে অনেক প্রশ্নের কাছে এসে অন্ধকারে মিলিয়ে যায়  কেন বলতে পারো? 

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

ফিনিক্স পাখির কথা(১)

যেদিন তোর গলার আওয়াজ টুকুর অপেক্ষা  আমার বুকফাটা  তৃষ্ণায়  সামিল হয়ে না দেয় মরতে না দেয় বেঁচে থাকতে আমি সমস্ত দ্বন্দ্বর কালাপানি  সাঁতরে উঠে 
তোর বলা কবিতার কাছে দাঁড়াই, 
যেদিন তোকে একচুমুক দেখার খিদেতে আমার ভেতরে ভিক্ষার্থীটা হাহাকারে করতে করতে রক্ত কান্না চোখ বেয়ে বুক ছুয়ে  ফেলে সেদিন তোর মুখোমুখি  না হওয়ার নিজের কাছে রাখা প্রতিজ্ঞাবাক্য ছিড়েখুঁড়ে দেয়ার ক্ষমতায় পারিজাতের ছবিগুলোর মুখোমুখি  তুই আমি, 
তখন  তুই বা আমি ভীষণ রকম আগের মত মুখোমুখি একই সরলরেখায়, দুজনেই  ভীষণ  বেঁধে বেঁধে। 
তোর উচ্চারণএ এখনো  সেই  'স' এর দোষটা রয়েই গেছে, 
আচ্ছা তোর সেই বন্ধু যে তার বউ কে আগুন থেকে বাঁচতে গিয়ে নিজেও বউ এর সাথে মারা গেলো, তার ছেলেটা এখন  কেমন আছে রে?  
গুট্টুস কি এখনো  গীটারের  তারে বিলাবল  খুঁজে ফেরে? 
আমিও অনেক কিছু ছেড়ে  দিয়েছি গিটার , ছবি আঁকা , 
অফিস, জীবনটা সামান্যতে রেখেছি, 
পাহাড়ের পাশে এক টুকরো  চার দেওয়ালে দিন কেটে যায় 
মনের দেওয়ালে নতুন সাদা রঙ লেপে দিয়েছি... জানিস তারপরে পুরোনো  ছবিগুলো  কেমন যেন  মিটিমিটি চোখে  পাহারা দেয়। 
রতনদার কি প্রেমিকা বদলেছে আবার... আর আর তোর প্রেম কি পঞ্চাশের ঘর অতিক্রম  করেছে! 
একটা  কথা না বলে পারছি না আজকাল তোর লেখা কবিতায়  শুধুমাত্র অন্ধকার ছাড়া কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না।
অথচ তুই যাবার  দিন  বললি তুই নাকি আলোর ঠিকানা পেয়েছিস  তাই পাহাড়  নদী  কেটে সে আলোর উদ্দেশ্যে রাস্তা  বানিয়ে ফেলতে চাস, 
নাহ তোর একটা কবিতায় কোথাও সূর্য ওটা সকাল নেই... নেই বেঁচে থাকা,, 
হয়তো নিজের  মৃত্যু লিখিস নিজের কবিতার কাফনে, 
হয়তো বিশ্বাস  হত্যা করতে করতে নিজেই নিজের  হত্যাকারী  আসামি।


ক্রমশ... 

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

সই(৬৭)

কত বিবেকহীনতা  গোপনতা মুড়ে চিলেকোঠায় রাখলাম মানুষ জন্মের পর, তবু  এ গ্রহে  শাস্তির হিসাব  নির্ভুলই প্রমাণ করেছে সে ... 
পুড়ে যাওয়া  চিতাকাঠ যেন  একটা  গোটা মানুষের  জীবনের অগুনিত  উপহাসের স্বাক্ষর , 
আসলে ঈশ্বর কখনো  কারো তোয়াক্কা করে না। তাই...
জন্ম মৃত্যু  যেন নির্বোধ  ঘটনা মাত্র।
  জীবন কখন যেন  বিস্ময়ে অক্ষম  হয়ে কেবল বয়ে চলার নামমাত্র হয়ে মহাসমুদ্রে  মিশে যাওয়ার  অপেক্ষায়... 

..সই

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

মুক্তির নাম




*
নিশ্বাসে  তখনও  অগুনতি  লাঞ্চিত হতাশা  আর নিপিড়ন  লেগে রয়েছে, 
...মথিত  দলিত  বিছানা থেকে বাসি যন্ত্রনা যে মুছে নিতেই হয় এখানে নিপাট ভাঁজের আড়ালে। 

এইমাত্র  জীবন বুঝি  মুক্তি  পেলো  জন্ম-যন্ত্রনার থেকে, চিলেকোঠার  জানলার পাল্লা দুটো  সে মুক্তির খবর দিতেই বাতাসে নিজেদের দোলা দিয়ে জানান দিচ্ছে। 

মুখোশ পরা সভ্যতা বিছিয়ে রাখা এ তিলোত্তমায়,
 রাস্তার দুপাশের   ঠিকানা   গুলোর ভেতোরে রঙ মাখা মুখ আর মাটির  খেলনা গড়া সংসার । 
যারা  বাস করে তাদের অনেকেরই আঁতুড়ঘর  এই ইঁটের  ইমারত  নয়,

সমাজের কলুষতা কদর্যতা আর লাঞ্চনা মেখেই কিছু যন্ত্রনা  বেঁচে থাকার  নাম মাত্র এ শহরে।
মানুষ গুলো যেন কিভাবে মিথ্যের গল্পে হারিয়ে যায়! , আর নিয়মমাফিক নিয়মের বাইরে সূর্যের আলোয় রাত কিনে নেয় ,... রাতের আলোয় শরীর জুড়ে উৎসবের খেলায় মেতে ওঠে ওরা।

বড্ড অদ্ভুত গল্প হলেও খোলা জানলার পর্দা সরিয়ে  সময় মুখ বাড়িয়ে দেখতে চাইছে যন্ত্রনা আর মুক্তির  সন্ধিক্ষণকে আরও এক সাক্ষী সময়কে। 
বিহারের শাশারামপুরে প্রেমিকের হাতে স্বপ্ন  সঁপে  দিয়েছিলো 
সে, 
পিশে যাওয়া  মেহেন্দির রং অবহেলা করে ঘর ছেড়েছিল  ভালবাসার বিশ্বাস দিয়ে ঘর কিনতে চেয়ে , 
সারাটা পথ প্রেমের হাতে হাত রেখে মনে মনে নিজেকে সাত পাকে বন্দিও করলো।
,
জুলেখা মাসির ইমারতে প্রেমিক বিশ্বাস হত্যা করে এই তিলোত্তমা শহরে অদৃশ্য হয়ে গেলো, ভালবাসার ইঁটে নোনা লেগে ঝুরঝুরে  কবরের মাটি...

অবহেলিত মেহেন্দির রঙ যেন  অভিশাপ বেঁধে দিয়েছিলো তার খুটে , তাই নস্ট-আতরে গায়ের গন্ধে অন্য গল্প বুনে দিয়েছে  সভ্যতার জামা খুলে রাখা এ শহরের মানুষ।

আধাখানা ভোরের আলোয় এইমাত্র  জীবন   মুক্তি  পেলো  জন্ম-যন্ত্রনার থেকে,    চিলেকোঠার  জানলার পাল্লা দুটো  সে মুক্তির খবর দিতেই বাতাসে নিজেদের দোলা দিয়ে জানান দিচ্ছে ,  জানান দিচ্ছে তিলোত্তমা তোমার বাতাসে যন্ত্রনা ও মুক্তি দুইই সামিল, তুমি জন্ম ও মৃত্যুর রঙ দিয়ে নিজের ক্যানভাসে ছবি আঁকো চিরকাল অথচ তুমি ভালবাসার শহর।


বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

সে

তাকে খুঁজতে গিয়ে বারংবার  হারিয়ে ফেলি 
তবু ভালবাসা ফুরোয় না, 
আমি সময়ের  কক্ষপথে তাকে    যতবার খুঁজে ফিরিছি...  সে সময়চুত্য খসে পরা তারার  মত, 
তবু ভালবাসি  কারন সে শিখিয়েছে ভালবাসা মানে তার ভালোতে নিজের বাস, 
সে ভালবাসায় ত্যাগও সামিল...

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

মধুদি(৪)


মধুদি  সময়ের ঘর গড়তে গড়তে এক একটা ইঁটের  ফাঁকে  অমরত্বের  কয়েক মুহুর্ত  গুঁজে  দিচ্ছে, 

সারাদিন  প্রহর মেপে যত্ন করে প্রতিটা গন্তব্যে  ঘনিষ্ট একটা  করে খোলস রেখে আসা শিখে এখন পোক্ত মধুদি,

বিকেলের আলোকে তোয়াক্কা  না করেই অন্ধকারে  খবর ক্যমিস্ট্রি গুলে নেয় জীবনের  পেয়ালায়। 

মধুদির বুকের পাঁজরে একটা  গোপন মৃত্যু-কথা ভাঁজ করে রাখা খানিকটা  ফসিলের মতন ,  মুখের হাসি ভিষণ রকম নির্লজ্জ তবুও।,  

সম্পর্ক  চলে যাওয়ার  শব্দ  শব্দদূষণ এর মত এ শহর মেনে নিয়েছে, তা মধুদি জানে। 

 অথচ মধুদির বারান্দার মাধবীলতার ঝোপে আজো এক জোড়া ময়না সংসার বুনছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনেও।

অন্য একটা নিয়মে মধুদি ইঁটের গাঁথনি  গাঁথে সারাক্ষণ, বালি আর সিমেন্টের সাথে নষ্ট দিন, মিথ্যে, আর অপ্রেম মিশিয়ে  নেয়, আর দফন করে অমরত্বের কয়েক মুহুর্ত, নাম তার 'পারিজাত'।




মহাকালের সাথে


কালের প্রবাহ মুখে জীবনের আনাগোনা  দেখি... 

দেখি শোক ও উৎসব এর মহড়া,,  দেখি 

মুহুর্তের জন্ম আর মুহুর্তের মৃত্যু একিই সন্ধিক্ষণে। 


আমি সময়ের দিখে তাকিয়ে  নতজানু হয়ে সময়ের কথা শুনি, 

কালের দরজায়  দেখি অগুনতি চরিত্রে যাওয়া আসা। 

জীবনের  কাটাকুটি খেলায় জেতা হারার অভিজ্ঞতার সাথে

বাড়ে সোনালী ফ্রেমে বাঁধানো বিস্ময়, সাদা কালো সফর একসাথে পথ চলে দশকের  ঘর বাড়লেই।

আমি নিশ্চুপ হয়ে সকাল ফুরিয়ে যাওয়া  বিকেল আর বিকেল ফুরিয়ে যাওয়া  রাতের দিকে তাকিয়ে  থাকি কেবল তাকিয়ে  থাকি সময়ের গুম করা ঘোর আমায় আচ্ছন্ন করে রাখে।

 

কালের দরজার এপারে নাগরিক মিছিল ওপারে  মহাকাল নিজের  লেখা গল্পে নিজেই অবাক দর্শক খানিকটা আমারই মত... 

 আর আমার ভেতরে সমস্ত প্রশ্নেরা যেন চিহ্ন-হীন। 



...সই

বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

খিদের পতাকা



শ্রুত বিশ্রুতর প্যারামিটার আদোও হয় কিনা জানা নেই,

 তবে এটুকু দেখি   এ শহরে একটা রুটির শোক বহু মানুষের পেটের কাপড়ে বেঁধে রাখতে হয় এখনো। 

 সময় যাদের  বেঁচে থাকার খুঁটে উপোষ   কোনো  আয়োজন ছাড়াই বেঁধে দিয়েছে   তাদের ঘরে অন্ধ ঈশ্বরের বাস চিরকাল । 

ছাদহীন ক্ষোভ গুলো ছায়ার মত উপোষী মানুষগুলোর পেছনে হেঁটে  বেড়ায় দিন প্রতিদিন ,

নির্ঘুম সময় বদলায় না রাজা বদলে যায় বারংবার , ঈশ্বর যেন নষ্ট পুরুষের ভুমিকায় চিরন্তন। 

দশ ফুট বাই দশ ফুট যাপনে বিছিয়ে রাখা বেআব্রু অগুনতি খিদে,  আর না পাওয়া আবর্জনায় ভারতবর্ষ শুয়ে, 

সরকারের দরজায় দাঁড়িয়ে এই মানুষগুলো নিজেদের ছায়া

খুঁজে কিছু ভাতা পেয়ে ভোঁতা চন্দ্রবিন্দু হয়ে কেবল বিমুর্ত,।

আসলে এই মানুষগুলোর জন্মদ্বার থেকেই একদিন সমাজের কিছু 'অ' এর জন্ম হবে, সময়ের রাজনীতি ফুঁড়ে  সেই না খাওয়া পেটে বেঁধে রাখা কাপড়ে আবারও কোনো  নতুন পতাকা  সেলাই হবে।

আর জনৈকরা খুঁজে পায় শ্রুত -বিশ্রুতর প্যারামিটার। 

 



রনির কথা

রনির  বিস্তীর্ণ বুক জুড়ে  পুড়তে থাকা মোমবাতি বইছে, 
সামাজিক তকমায় সে বেজন্মা উপাধি পেয়েছে অনেক দিন। 

আবিষ্কারের আলমারিতে অজস্র মরিচীকা 
সাদা কাপড় ঢাকা  দিয়ে ঘুমিয়ে আছে, 
কবিতার খাতায় প্রতিটা পাতার শুকনো
  গোলাপে আতর যেন  বদ রক্তের স্মারকের মত
ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে রনির দিকে। 

জীবনের দিকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে যতবার সে সম্পর্কগুলো হিসেব মেলাতে চায়, প্রতিবার কিছু না কিছু গড়মিল পায়,

তার মাথার ভেতর অজস্র মৃত্যু -শোক আর বুকের নিচে
দাপুটে সমুদ্র ঝড়,
বুকে পুড়তে থাকা মোমবাতি বইতে থাকে চিহ্ন রেখে,প্রেমহীন অমোঘ প্রেমে।

নেশার ভেতর মরচীকার হাতছানি,...  রনি  সময়ের 
জটিল শব্দ অভিধান খুলে বসে, ওর গা গুলিয়ে ওঠে, 
সময়ের জানলা কপাট বন্ধ করে রনি ধোঁয়ার ভেতর "দ" মত ঘুমিয়ে শুয়ে থাকে...।