এখনো এ পৃথিবীতে রাত শেষ হয়নি
পারলে একবার ঈশ্বররের দৃষ্টি দিয়ে
আমার বুকের মাটিতে চোখ রেখ,,
সময়ের স্তরে স্তরে কঠিন পাথর
হচ্ছে হৃতপিন্ড, শ্বাস কষ্ট বাড়তে পারে,,
থাবা উঠিয়ে সময় দৌড়ে আসছে
অন্ধকারকে এফোঁড়ওফোঁড় করে,
একটা তুষেরআগুনে বুকের প্রলেপ
শক্ত বাদামি রঙ নিচ্ছে,
রাত শেষ হলেই পৃথিবীর তোমার
চোখে ধরা পড়বে.....আর এক দুরন্ত
প্রলয়ে তুমি সময়ের নটরাজ,
মুকবধির হয়ে চেয়ে আছি আমি তোমার
দিকে,
কোন এক ভোরের প্রথম শিশিরজলে
তুমি স্নান সেরে আবারো প্রতিক্ষা করো
নিয়মের যুদ্ধের,
আর আমি মৃতু কে জানিয়ে দিই যে তুমি
ভয় পাওনি.......
ভালোবেসেছ এক মুঠো মাটিকে,
ভালবাসেছ পালিয়ে বাঁচা দুরন্ত সময়কে।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১৬
সময়ের সাথে
শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬
আলাপন
--------------------
মনের সাথে সখ্যতা করিনি সুজন
দ্বীপের মাঝে নিজের সাথে একটা
নিজের বোঝা পড়া সেরে ফেলেছিলাম,
স্পর্শগুলো রেখেছিলাম ঝিনুকের
বুকে ঘুম পাড়িয়ে,, নৌকার বৈঠা ভেঙে
নিরুদ্দেশ হওয়া সব অনুভুতিরা আজো
কোনো অচিন দ্বীপবাসী,,
ভালো না লাগার অসুখেরা
শীত চাদরে উষ্ণতা খুঁজতে ব্যস্তসমস্ত বেলা।
কেমন আছিস আজকাল? একটা আলসেমি
মনখারাপ তোর ঘরে বাসা বাঁধছে একটুআধটু,
চিৎকার করে জানাই ঝড়ো হাওয়ার গতিপথ
ধরে ভালো আছি ভালো থেকো,,
আকাশের ঠিকানাটায় তোর আমার নাম
একি সাথে লেখা আছে........
ব্যস্ততা থেকে সামান্য দুরত্ত্ব রেখে একদিন
দুকলম লিখে পাঠাস ওই ঠিকানায়,,
মনের সাথে আজো কোন সখ্যতা রাখিনি
সুজন পারিনি অনেক কিছু চাইতে আঁজলা
ভরা জীবন থেকে,
তুই বলিস একটা প্রতিবাদ দরকার
আমি বলি সময় নেই আমাকে বহুদুর
হাটতে হবে,
সময় ফুরোচ্ছে আমি পথ শেষ যদি
না করতে পারি সাক্ষরিত চুক্তিনামা
নিয়ম ভাঙবে,,
আমায় ফিরতে হবে আকাশের ঠিকানায়
যেখানে অপেক্ষা করছে আমার বেঁচে থাকা
অজস্র ইচ্ছারা আর একটা স্পর্শ,,
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১৬
নাম না জানা মনের ঠিকানা
--------------------------------
একটা সকাল আসে রোজ ইচ্ছা অনিচ্ছাকে
বেপরোয়া করে রোদ মেখে হেসে জানান দেয়
জীবন্ত কিছু অনুভুতির,,
জল থেকে তুলে আনা মাছের প্রান এর ধারালো
মৃতু মিশে যায় চাওয়া না চাওয়ার রোজকার
খাবার থালায়, বুঝিনা কিসের এতো টান
ভিড় পেরিয়ে এক আবডালে বন্দি অগোছাল
দিন যাপন,........ বেঁচে থাকা কিংবা যাপন
সবটুকু রোজ রঙ মাখানো নাটকের মহড়া।
চিনচনে পাঁজরের ব্যথায় আজ কাল আপোষহীন
সুখের মলম আর ক্ষনিকের ভালো থাকা,
গলা ফাটিয়ে নিজেকে বলা এইতো ভালো
থাকা এই তো সুখের ঘরে তোমার আমার
বাস...... ফোঁটা ফোঁটা রক্তেরা
ঝটপট কিছু সময় লিখে ফেলে জীবন এর
এক একটা পাতায় আর রোদ্দুর শুখিয়ে
নেয় মনখারাপ এর স্যাঁতস্যাঁতে রুমাল,,
একটা রাত আসে লেপ্টে যাওয়া কাজলে
ঢাকা,
আর রাতের মধ্যে কিছু বোঝাপড়ার হিসেব,
সব হিসেব মেলেনা রোজ রোজ,,
একলা না মেলা হিসেবগুলো চাঁদের মতো
একা হতে থাকে আর চুঁইয়ে পড়া জোতস্নায়
রাত পাখিটাকে আঁকড়ে বাঁচে,,
কতবার মনে হয় চাদরের কোনে পড়ে
থাকা রাত টুকুর চোখে ঘুম আসে না,,
তবুও বেখেয়ালি সময়ের হাত ধরে
আবারো একটা সকাল ইচ্ছা অনিচ্ছায়
বেপরোয়া হয়ে অজানা মনের আনাচ
কানাচে রোদ্দুর ছড়ায়,,
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১৬
দীপ জ্বেলে যাও
সাদা কোর্ট এ ঘুম পাড়িয়ে এলাম আমার
সব আত্মিক অনুভুতি গুলোকে সকাল ছটার
এলার্ম বাজার সাথে,,
এইমাত্র মৃত কিনা দেহে প্রান সত্যি আছে কিনা
যাচাই করতে ডাক পড়লো, একটা কাক বাইরের
জানালায় আমায় সম্বিত হারানোর কথা মনে
করিয়ে দিচ্ছে,,
শরীরটা ছুঁয়ে শিউরে উঠলাম এখনো তো
নাড়ীটা জানান দিচ্ছে তার উপস্থিতি,,
আমার নাড়ীর থেকেও কম্পন বেশী, আর
মুখে লেগে আছে এক আপেক্ষিকতারর হাসি
যেন সব জীবন্ত প্রানগুলোর লাটাই আজ থেকে
তোর,,
তুই বা আমি ভাবতে ভাবতে আর একটা
জলন্ত দেহ আমার দিকে ছুটে আসছে ---
আমাকে একটু ঠান্ডা জেয়গায় শুতে দাও
চামড়া মাংস ঝরছে...... প্লিস ওদিকে ওদিকে
পোড়া মাংসের গন্ধ আমার দম বন্ধ করে দেয়,
কেবনের বাইরে মুখগুলোয় রক্ত ঝরছে,,
চোখ মুখ নাক আলাদা চেনা যায়না এতো
রক্ত আমি কখনো দেখিনি দেখতে চাইনি,,
আমার আত্মিক অনুভুতির ঘুম কি ভেঙে
গেছিলো? আমি পরম যত্ন করে রেখে
এসেছিলাম আমার হৃদয়, অনুভুতি, কান্না,
তবে আমি দেহটাকে মৃত ঘোষনা করতে
ভয় পাচ্ছি কেন আমার বুকে রক্তক্ষরণ এর
যন্ত্রণা এতো প্রবল কেন?
সিনিয়র ডক্টর আমার ছুটি চাই প্লিস
আমাকে ছুটি দিন.....,,
সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬
অজানা আগামীকাল
-------------------------
অচেনা আগামি কালগুলো শান্ত ডানায়
আসে একি ছন্দে, পায়ে পায়ে চলা থামে না
তোর বা আমার, জং ধরা এই বুকের তারে
বেদুইন কোন নতুন সুর ছুঁয়ে যায় এক একটা ভোর,,
একদিন শহরে কাক ভোর বৃষ্টি ধোবে
আনমনে পড়ে থাকা ধুলোবালি,, বৃষ্টির নুপুরে একটা চেনা ছন্দে অচেনা বেলা
বয়ে যাক কিছু আলসেমি ছেলেখেলা,
চিনে ফেলা সম্পর্করর গায়ে অধিকারবোধ আর না থাকা সত্ত্বায় কিছু কর্তব্যরত সময়,,
সুতোর টানে হৃদয়ের স্পন্দন কমা বা বাড়া
সবটাই সামাজিক চাদরে লুকানো একমুঠো
দোমড়ান মোচড়ান স্বপ্ন,,
উচ্চতায় এসে ইচ্ছেরা নিচে পড়ে থাকা ছড়িয়ে যাওয়া হিরের টুকরো......
ছুঁতে না পারা এক আলোর স্পন্দন,,
কেউ যেন বলে যায় পাহাড়ি কোনো বেলাশেষের গানে..... এবার যন্ত্রণার
উত্তরণ হোক,, তবে যে জুড়ে থাকা ছেঁড়া
তারের সুর হারাবার ভয় জড়াবে বার বার,
তবু কখনো হারিয়ে পাবার অপেক্ষায় এক
উত্তরণ হোক,
যেমন হেরে যাওয়া যন্ত্রণা স্পর্শর জিতে যাওয়া অমর করে রাখে ইতিহাসের বুকে,,
রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬
হাওয়ার সাথে
------------------------------
যত দূর যায় ফুলেদের রেণু একটা
স্পন্দন ছুটে যায়, একটা নদী এঁকেছিল
কুয়াশা বুক চীরে পথ, সেই পথে লেগে থাকে
আবেশ,, একটা ফেলে আসা আনকোরা সকাল
শিশিরের জলে স্নান সারে....
হারিয়ে ফেলা কিছু ইচ্ছার ঘুম ভাঙানো
একটা জীয়নকাঠি, একটা যন্ত্রণার আশ্রয়
তোর বুকে, একটা দিনের কিছু পাওনাকড়ি
তোর বুকপকেটে রাখা থাকে, আমি রোজকার
মতো চলি...... টুকরো কিছু পরবাস আমার
ছাতার হাতলে একটা হাত সবটুকু ভগ্নাংশ,,
যত দূর যায় ফুলেদের রেণু একটা স্পন্দন
যায় পিছুপিছু,,
আমি আগামী দিকে চোখ রাখি, একটা নদী
কুয়াশার বুক চিরে আমায় নিয়ে যায়
এক যন্ত্রণার উত্তরণে,,
আমি পাই কিছু রোদ্দুর, একটা হঠাৎ
পাওয়া আলো আমার চোখে মুখে লেগে,,
যত দূর যায় ফুলেদের রেণু একটা স্পন্দন
ছুটে যায় পিছুপিছু,,
বুধবার, ৮ জুন, ২০১৬
ফেলে আসা বেলা
---------------------------_----------------------
ব্যেস্ততম দিন জানান দিতে ভুলে যায়..
ফেলে এলাম অনেক কুচি কুচি রোদ পায়ে,,
একটা ভোর এখন উপলব্ধি দিন পেরিয়ে
চলেছে,,
ঝলসানো সূর্য আর সময়ের আবর্তন
পরিপূরক এক মাত্রা, সবটুকু
নিংড়ে নিয়ে তবুও ফেলে আসা বেলাটুকুর
জন্যে মন কেমন,, একটা কোল কিছু সকাল
সাঝেঁ্র আলটুসি আবদার.....
দেরাজে রাখা লুকোনো আলসেমি দুপুরের
ছেঁড়া অংকের পাতা...
সবটকু জিইয়ে রাখা জিয়লমাছএর প্রানের
পরে, জল থইথই বর্ষা বেলায় ইচ্ছে করে
ভুল করা নেই ছাতা নেই বর্ষাতি.....
আছে অকুলান টুপটাপ খুশি,
আজো এ শহরে নিয়মিত বর্ষার
আনাগোনা........ কেনো যেন আজ
অচেনা টুপটাপ খুশি,
ফেলে আসা বেলার কুচি কুচি রোদ
আজ পায়ে ফোটে,,
বদলে গেছো রোদ তুমি বদলেছ আমার
ছেলেবেলার মেঘবালিকা,
আজ বড্ড ভিড়ে হতড়ে বেড়াই ছেলেবেলা,,
মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬
চুপ কথা
-------------------
আজ কাল স্বপ্ন কুড়িয়ে রাতপাখির চোখে
চোখ রখি খুব সাবধানে,
সোহাগি বেপরোয়া কিছু আব্দারের আবডালে
লুকিয়ে রাখি আনকোরা কিছু স্পর্শ,
আজকাল অলি গলি শহরের পথে রাজপথ
আঁকি নিজের কলমে, আজকাল যন্ত্রণারা
আমার বুকে মুখ গুঁজে আশ্রয় খোঁজে....
আজকাল আমার উঠোন জুড়ে বানভাসি
বেঁচে থাকার আকুতি.... আমি চেয়ে থাকি
আকাশের দিকে,
জীবন ফুরিয়ে যাচ্ছে আমি বাঁচার রশদ
খুঁজছি ওপাড়ের হাতছানির অজুহাতে,,
তুই হাতড়ে বেড়াস দেরাজে আমার স্পর্শ
আমি হাওয়ায় মিশে তোকে ছুঁই সকাল সাঁঝে,,
একটা পূর্ণতা আজ কাল আমার একাকিত্বের
ধার বাকির অংক মিলিয়ে দেয় আজ কাল,,
আজকাল মৃতু ছুঁতে সাধ হয় যন্ত্রণা তোকে
আমার শুধু আমার করে পাওয়ার নেশায়,,
তোর ক্রোশ দুরত্ত্ব পথ চলায় যখনি আমার
চোখে ছায়া নামে তোকে আঁকড়াতে থাকি
ডুবে যাওয়া জীবন যেমন,,
আজ কাল যন্ত্রণা আর আমি একাকার হই
প্রতিক্ষণ,,
আজকাল স্বপ্ন কুড়িয়ে রাতপাখির চোখে
চোখ রাখি খুব সাবধানে,,
সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬
প্রচ্ছন্নতা
তোমাকে বলা হয়নি আমার হাসিগুলো
সাজানো, যেমনটা তোমার সাজানো তাসের
ঘর, জানানো হয়নি আমার শরীরের ভাঁজে
চোখে মুখে অসংখ্য কালশিটে, আমি রঙ
মেখে সজ্জিত হই তোমায় ভালো আছি
জানাবো বলে, যেমনটা তুমি কোনো ফাঁকি
রাখোনি তোমার বাদশা বেগম এর সবুজ
বাগিচায়.....
তোমার রক্তের ঘ্রান ফুলেরা পাঠায় আমার
সাজানো সংসারে, আমি মাখি আমার
চোখে মুখে সেই আঘ্রাণ,,
তোমায় জানাবো ভেবেছি বহুবার আমি
আজ কাল খুব ক্লান্ত হয়ে গেছি নাটকের
ভুমিকায়.......,, একটা ঘুম তোমার বুকের
মাঝে আজ কাল হাতছানি দেয় ভীষণ,,
তোমাকে জানানো হয়নি বেশ কিছু দরকারি
কথা....
তোমাকে জানাই একটা কথা আজ কাল
আমি ভয় পাই আগামি দিনগুলোকে,,
আজ কাল আমার হাসিগুলো দিয়ে মুড়ে
রাখি আগামির যন্ত্রণাগুচ্ছকে,,
সুইসাইড পয়েন্ট
------------------------------------
পায়ে পা মিলিয়ে হাটছি সময়ের
সাথে তালে তাল মিলিয়ে, সভ্যতার চাদরে
মুড়ে স্ট্যাটাস এর ট্যাগ গলায় গলাবন্ধ,
সুজন অক্সিজেন বোমা খুঁজছিস বুকের
মাঝে মৃতু চেপে,
যদি আমি আমাকে ভুলে যাই কোনো
সময়ের প্রটোকল মেনে তবে কোনো
নির্মম নিয়মের পাটাতনে বন্দিনী করে
দিস এই যন্ত্রণাটুকু,
শহরের বাইরে কোনো এক বেহিসাবি
পরিচয়ে ঋণী হয়ে থাকবে চাওয়া পাওয়ার
হিসেব নিকেশ,
কখনো না বলা আব্দার কখনো না বলা
কিছু সমঝোতা বুকের পাঁজরে
ধিক ধিকে আগুন..... আর পুড়ে যাওয়া
স্বতন্ত্র স্বত্বা হাওয়ায় মিশিয়ে
দেয় জমে থাকা যন্ত্রণাগুলো,
নিয়মিত নিয়মগুলো ঠিক রেখে একটা
বিদায় জানানো যেতে তো পারে,
কোনো এক কাকভোরের আজানে
সুইসাইড পয়েন্ট তুই আমি পাশাপাশি
ভেসে চলেছি নতুন কোনো পৃথিবীদিকে,,
তোমাকে বলা কিছু কথা
পাথরের জীর্ণতা ধুয়েছিস স্বচ্ছজল
ঝরনাধারায় একটা মন ভেসে যায়
তোর অজান্তে...
দূর কোনো পাহাড়ি ঢাল বেয়ে....,
অপেক্ষমান সময় হাত বদল হয়ে যায়
নিজ দেশ থেকে পরভূমে,
নুড়ি পাথর আর নাম না জানা অসংখ্য
পাহাড়ি ফুল লিখে ফেলে ঝরনার বুকে
কবিতার পঙক্তি,
একটা চোখ খুঁজে মরে এক একটা ফেলে
আসা চাহনি, বুকের চেনা স্পন্দনকে ঝরনার
চাদরে মুড়ে রাত পাখিরগান ঘুম ছড়ায়
কোনো এক চারদেওয়ালের সভ্যতায়,
একটা গোপোন নদী ঘোমটা খুলে এলোচুলে
আকাশের উষ্ণতা মাখে আর নীল
চিঠি সংগোপনে লুকিয়ে রাখে বুকের
বিভাজিকায়,
এমন করে কখনো দিনমাস কালের মাঝে
পথের বাঁক বদলে ফেলে নদী ফেলে আসা
ঝরনা শান্ত হয়ে গভীরতা খুঁজে পায়,
আকাশ হাঁসে কাঁদে অভিমানী হয়ে সাত
রঙ ছড়ায় নদীর বুকে....পূর্ণতা পেয়ে যায়
যন্ত্রণা, আশ্রয় পেয়ে যায় একগুচ্ছ অভিমান,