বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০২৪

শূন্যস্থানের

চেতনার মাঝে বরারার সমুদ্র 
উত্তাল স্রোতে  কেনো যে থমকে দাঁড়াই 
আর সেই দাঁড়ানোর মুহূর্তে কান্না উপচে আসে
চেতনার থেকে একটু নেমে এলেই 
পাথুরে পাহাড় বুক চেপে স্থানু অথচ অদ্ভুত ডানা 
ঝাপটানো ছটফট সে পাহাড়ের গভীরে ।

হ্যাঁ আলোচ্ছস আসে বিকেলের প্রান্ত ঘেঁসে 
কেউ ফিরে না এলেও আলো আসে বারবার ...
আর সেই আলোর হাত ধরে ক্রমশ তাসের ঘর থেকে
পা বাড়াই শূন্যস্থানের উদ্দেশ্যে।

ক্ষতগুলো ম্রিয়মাণ হয়ে আসে রোজ সন্ধ্যার 
শীতলতায় ....পাখিদের ঘরে ফেরা থাকলেও
আমার সেসব মোহ নেই ,
আছে আছে একটা গন্তব্য 
যেখানে তুমি আমি পেরিয়ে সমস্ত এক
যেখানে থেকে আলাদা করে ফিরে আসেনি 
কেউ ।

পায়ের ছাপ মুছে  আত্ম গোপন করা হয়নি 
নিজের হত্যা চেয়ে নিয়েছি বারংবার প্রকাশ্যে
ক্রমশ কোনো এক নাম জিতে গেছে সময়ের তালিকায়,
আমিও থামিনি এগিয়ে গেছি সমুদ্রের আহবানে
সেই শূন্যস্থানের উদ্দেশ্যে।

#সই। (শূন্যস্থান)




শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৪

ঘরে বাইরে

শব্দরা এক রকম দেখতে হলেও আমাদের ভাবনা গুলো আলাদা,
পথ এক গন্তব্য আলাদা 
হুবহু এক দেখতে দৃশ্যপট বাইরে থেকে আলাদা করা যায় না
অথচ তুলির টান আলাদা ,
বাইরে থেকে মনে হয় সাজানো সংসার তোমার আমার কবিতার শব্দে, বাইরে থেকে যা কিছু সত্যি মনে হয় সবটা
ভেতরে আলাদা ,
বাইরে থেকে দেখে মনে হয় ভালোবাসা ভেতরে আসলে হরমোনের খেলা ,
আসলে ভালোবাসা শব্দটারে কোনো অস্তিত্ব ছিলই না কখনো 
সামান্য কিছু হরমোনাল কাটাকুটি খেলা ।
তেমনি প্রতিটা ভাবনা আসলে বাইরে আর ভেতরে এক্কেবারে আলাদা কোনো মিল নেই ।
মানুষ ভুল করে বাইরের খোলসের রং দেখে 
ভুল গুলো সত্যি ভেবে কখনো সুখ পায় কখনো সুখের পরে অসুখ মাখে ...সময়ের টেবিলে হাজারো ওষুধ বাইরে থেকে
ভেতরে শুশ্রূষা পৌঁছোয় না ,
কেবল মুহূর্তের গায়ে ছড়িয়ে পরে সুখের পরে অসুখ আর জন্মের পরে মৃত্যু ।

#সই (ঘরে বাইরে)


শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪

ভুল

মানুষের জীবনে ছোটো বড় কিছু ভুল থাকে 
আমার এই বেঁচে থাকা  আলাদা  নয়,
আজ স্বীকার করতে দ্বিধা নেই আমার জীবনে আমার মতে
সব চেয়ে বড় ভুল তুই ...তোর সাথে পরিচয় হয়তো পেছনে ফেলে আসা অন্য কোনো জন্মের ঋণের হিসেব 
হয়তো অন্য কোনো জন্মের অন্ধকার অধ্যায় প্ররোদ্ধ হয়ে এই জন্মে তোর মুখোমুখি,
এটা আমার কনফেশন ...
আমাকে বারংবার ভেঙে দিতে তোর মত করে কেউ পারেনি ,
আমার ভেতর বিশ্বাস শব্দটা অদ্ভূত ফ্যালফেলিয়ে হাস রে ,
আমার বোকামি গুলো আমার গালে চড় মারে তবু 
তোর মৃত্যু চাইনি 
হ্যাঁ একটা মৃত্যু তো মুক্তি আর মুক্তি তো আশীর্বাদ 
আমি ঈশ্বর হতে চাই না ... তবু বুকের ভেতর যন্ত্রণাটাও 
সরিয়ে রাখতে পারি না ।
শুধু বলি ঈশ্বর আমাকে নিয়ে তোর মত এত বড় ভুল খেলায় সামিল না করলেই পারতেন ।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪

অজ্ঞাতবাস

মানুষের‘অজ্ঞাতস্থান‘দেখতে কেমন? 
নিজের ভেতর... নাকি বাইরে একটা বদ্ধ দেওয়াল 
পোড়োবাড়ী একটা সঙ্গ হীন পাহাড় চূড়া।
সেই ‘অজ্ঞাতস্থান‘ মানুষ কখনও কখনও নিজেই বেছে নেয়
তারপর নিজের  চোখ  বেঁধে নিজেকেই ইন্টারোগেশন করতে থাকে  ,
বরফের চাঙরে  দাঁড় করিয়ে রাখে নিজেকে 
নিজেকে অন্ধ বধির করে দেয় সেই অজ্ঞাতবাসে,
থেঁতলে দেয় নিজের মাথা মনের সমস্ত অস্তিত্ব,
একবারও রুখে দাঁড়াতে চায় না শেষতক,
একটা শুদ্ধিকরণ একটা রিগ্রেট একটা হিসেব নিজের সাথে ...
প্রতিটা মানুষের একটা অজ্ঞাতবাস জরুরী।

#সই (অজ্ঞাতবাস )

নতুন জন্ম

কোস্টারিকান গোলাপ এই নতুন শহর লন্ডন 
লক্ষ বছর  তুমি হাতছানি দিয়েছো ,
অপেক্ষায় থেকে থেকে হয়ে গেছি ক্রুশকাঠবিদ্ধ কাঠে আমার ভুল ভ্রান্তির শহর কলকাতায়,
আজ শুধূ আলো কিংবা অন্ধকার নয় একটা সম্পূর্ণ আকাশ
আমায় আগলে নিয়েছে  এই নতুন শহর।

 এখন আমি জানি বুকে ক্ষত  নিয়ে  তারপরও পাখিরা কেন গায়
কেন  উৎসব হয়  মৃত্যুর পরেও 
আসলে প্রতিটা শেষ কোনো না কোনো শুরুর দোরগোড়ায় দাঁড়ায় ।


হে আমার অপেক্ষার অবগাহন তোমায় জড়িয়ে আমার জন্ম 
সার্থক 
ও আমার ম্রিয়মান অনন্তকাল তুমি শিখিয়েছো 
কাদঁতে নেই হৃদয়হীন  বুকের কাছে  কখনও কখনও
কান্নাগুলো জমা থাক বিষাদের লকারে
আমি আমার কান্না দুঃখ পুড়িয়ে ছাই ভাসিয়েছি ওই গঙ্গায় 
এই হার্ডসন নদীর ধারে আমার সাথে নতুন এই শহর এই ভালো _ বাসা ।

 #সই(নতুন জন্ম)

জন্ম সাধ

বুকের ভেতর বারুদ রাখা 
জন্ম ফুরিয়ে গেলেও বারুদ ঠান্ডা হয় না 
স্বপ্ন রাখা চিলেকোঠায় চোঁখ রাখা সামনের দেওয়ালে ,
ওই দেওয়াল একদিন রাজপথ হবে ... বারুদ হবে আগুন 
বোবা ট্যানেল আলোয় ভরবে।*
প্রেম যে দিন জন্ম নিলো সেদিন থেকেই প্রেমের মৃত্যু পথ হাঁটা 
এই মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া সময়ের স্বভাব ।
পৃথীবিতে আমার শব্দটা মিথ্যে অথচ আগুনের মত জ্বলন্ত সত্যি নিয়ে অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে যায় আর পুড়িয়ে দেয় শেষের চিতা পর্যন্ত।
আমারও একটা জন্ম সাধ ছিলো অবুঝ শিশুর মত
ছিলো আমার শব্দ আঁকড়ে থাকার অহংকার ,
এক সকাল এলো আলোয় মিশে হারিয়ে গেলো আগুন , অহংকার ,আর আমার শিশুতোষ বায়না ....বোধ আর বুদ্ধ
এক হয়ে মুঠো খুলে বাতাসে মিশিয়ে দিতেই হলো 
শুধূ ঋণ  টুকু শোধ হলো এই পৃথিবীর।

#সই
(জন্মসাধ)


মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০২৪

চিৎকার

পেছনে ফিরলেই সময়ের গহীনে অজস্র 
চিৎকারকে ছটফট করতে দেখি ,
ওরা মুক্তি খুঁজছে অথচ খাঁচার ভেতর
বন্দী জন্ম জন্ম।
সময় তার দাড়ি টানে নিজের নিয়মে 
ওদের কফিন চাপা দেওয়া হয় কিংবা
আগুন ছুঁইয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় ....
ওরা নাভিমূলে রেখে যায় নিজেদের সংবাদ আগামীর জন্য ,
প্রতিবাদ নয়  শুধু আলোর অপেক্ষা ওদের সভ্যতার পর 
সভ্যতার চরিত্রের ভূমিকায় আসতে বাধ্য করে ।

পরিযায়ী পাখির মত কখনো রুপ বদল কখনো মাটি বদল
বদল কখনো সাজ পোষাক,
প্রতি জন্মে কিছু ঋণ শোধ আর কিছু ভুল করা বাকি 
এ যেন অনন্তের মাঝে জটিল অলাতচক্র।
যেখানে শূন্যে ফেরাটা জরুরী অথচ পথ কবে ঠিকানায় 
পৌঁছাবে জানা নেই , ঠিক কতগুলো চরিত্রের ভূমিকায় নিয়োজিত আর জানা নেই কত ভুল করা বাকি ।

#সই (চিৎকার)




বৃত্ত

প্রতিটা গল্প কোনো না কোনো বৃত্তে হাঁটতে থাকে 
একটা সময় আসে সেই বৃত্তের প্রথম বিন্দুতে 
গল্পটা মিলিতে দিতে হয় ....
ঋণ গুলো চুকিয়ে না দিলে বারংবার ফিরে আসা লেখা থাকে
কিছুতেই পুর্নতা পায় না বৃত্ত ।
পিছনের রাখা জীবনের কাছে এলেমেলো অগোছালো পংক্তিমালা গুছিয়ে নিতে পারলেই অনুভূতি গুলো শূন্যে 
খিলখিলিয়ে হাসে,
নাভিমূলে রাখা জন্ম জন্মান্তরের স্মৃতি মুক্তির আলোয় স্নান সারে  ভেসে যায়,
একটা বেচেঁ থাকার পেছনে অজস্র অজানা বেচেঁ থাকা থরে 
থরে রাখা ....ইচ্ছে করে পিছনে ফিরে প্রতিটা দরজা খুলে
ফিরে ফিরে শুধরে নিই সমস্ত গড়মিল হিসেব ,
ইচ্ছে করে সময়ের অনন্ত গভীরে ফিরে প্রথম দরজায় দাঁড়াই নতজানু হয়ে ,
ইচ্ছে করে আকাশের বুকে ভেসে সমস্ত ফেলা আসা অধ্যায়গুলো নিরিখ করি ,
ইচ্ছে করে সমস্ত ফেলে আসা জন্ম গুলোয় নিজের চরিত্রের কাছে দাঁড়াই ছবি গুলোর রং বদল হোক  তারপর।
গল্প গুলো ঋণ শোধ করে আলোকময় অনন্ত মিশে যাক ।
মনের জানলার কাচ মুছি  রোজ,   স্বচ্ছ আলো টুকু যেন পথ পায় ,,
এক অদ্ভুত ধ্যানস্থ মূর্তির মত সময়ের গভীরে ডুবছে আমার অহংকারী অস্তিত্ব,
একটা বৃত্তের প্রথম বিন্দুর কাছে দাঁড়িয়ে আছি দরজা গুলো যদি একের পর এক খুলতে পারি 
হয়তোবা গল্পগুলোর হিসেব মিটবে এই বেচেঁ থাকা অধ্যায়ে।
বৃত্ত যে মিলিয়ে দিতেই হয় একসময় ।

সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

সই

প্রত্যেকটা মানুষের মনের মধ্যে তার নিজস্ব একটা জানলা থা কে আর সেটা তার একদম নিজস্ব 

মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

একার সফর

স্মৃতি চিহ্নর ভেতর অরুপ আলো রয়ে যায়,
যারা চলে যায় তারা রেখে যায় মূল্য দিয়ে কিছু
সময়ের কোলাজ , 

সফর তো একারই হয় ...
এই যে রোজ শহরের রাস্তায় অগুণিত আসা যাওয়া 
সবারই একার সফর  ... কিছুটা দাঁড়ানো সিগন্যালে, কিছুটা
এক পথ, কিছুটা দেওয়া নেওয়া ।

কেউ কেউ বলে শূন্যতার চেয়ে পুড়িয়ে ফেলার মত আগুন
নাকি আর কিছুই নয় ...
কেউ কেউ বলে কান্না নাকি বিষাদের অন্য নাম ।

আমি বলি শূন্যতা না থাকলে নিজের ভেতরের নিজস্ব 
ঈশ্বরকে ছুঁয়ে চেনা হয় না ,
আমি বলি কান্না হলো আবর্জনা ধুয়ে ফেলা বর্ষণ,
আর নিজের সঙ্গ যদি নিজেরই না ভালো লাগে অন্য 
সম্পর্ক গুলো দায় নেয় কিভাবে ?


©সই (একার সফর)


মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪

(সুবর্ণা ১৯৯) শেষ চিঠি

তোমার সাথে বৃদ্ধ হওয়া হলো  না 
তোমার সাথে ঝর্নার ধারে কাঁচ বারান্দার
ক্যানভাসে কবিতা আঁকা হলো না ।
তোমার সাথে এক কফিনে ঘুমোনোও 
হবে না  ,
কোনো এক পড়ন্ত বিকেলের অঙ্গীকার ছিলো  এক সাথে
 বৃদ্ধ হওয়ার ,
কোনো এক ফেরি ঘাটে অপেক্ষাকে সাক্ষী রেখে ঘরে ফিরতো
 মন্দবাসা,
কোনো এক পরিজাতের উঠোনে উৎসব পেতো উজ্জাপন।

 ফিরতেই হয়  কখনো কখনো কাউকে  ফিরে যেতে হয় কথা না রেখেই 
...কথা রাখতে সবাই জন্মায় না ,
আসলে সবার জন্য সবটা নয় 
সবাই জীবনের শ্রেষ্ঠ কবিতার ছবিটা এঁকে উঠতে পারে না,
এই না পারা গুলো জন্মান্ধর মত জন্মকালার  মত প্রারদ্ধ।

 ,বাকি পথ হাঁটতে পারলাম না  ,
ঋণ গুলো ছড়িয়ে রইলো অসহায় তোমার দিকে তাকিয়ে 
ক্ষমা করে ফেলে দিও স্মৃতির দেরাজ থেকে  ।

যেটুকু সত্যি ছিলো সেটুকু থাক এই শহর সাক্ষী 
যেটুকু মিথ্যে ছিলো ভুলে যাক বহতা সময়ের মত
এ জীবন।
নিজের ভেতর ফিরতে হবে 
একটা  সফর  ধ্যানস্থ মূর্তির দিকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে 
শেষ বার শব্দের সাথে তোমার মুখোমুখি 
শেষবার সাহস জুগিয়ে ক্ষমা কাছে দাঁড়ানো,
শেষবার তোমায় জানানো সুবর্ণা তোমার সাথে বৃদ্ধ হওয়া 
হলো না ।
আমাদের উপন্যাসটা   শেষ হলো না  ।


©সই  (সুবর্ণা ১৯৯) শেষ চিঠি।

কলহ খেলা

সমস্ত কলহের পাশে চুপ করে বসে দেখি 
আর ভাবি লড়াইটা আসলে কিসের 
...আসলে এই আমি আর আমার শব্দ দুটোই 
একটা সম্পুর্ন  মহাভারত। 
অধিকার ফলাতে ব্যাস্ত  এই আমি আর আমার শব্দ 
আসা আর যাওয়ার  মাঝে এই কলহের কারন 
  হয়তোবা একটা  গোটা জীবনের আসল সৌন্দর্য  আসল এসেন্স থেকে আড়াল করে রাখে প্রতিটা জন্ম কে। 
 একটা পড়ন্ত বিকেলে মানুষ হয়তোবা  হিসেবে বসে 
হয়তোবা পেছনে ফেলে আসা ঋতু গুলো আলেখ্য দিয়ে তৈরি করে একটা সেরা গল্প...  একটা  অসম্পূর্ণতা লেগেই থাকে
আনাচ কানাচে ... দেরি হয়ে যায়  এতটুকু বুঝে নিতে। 

 জানতে ইচ্ছে হয়  শরীর  ফুরিয়ে গেলে আমার আর আমি শব্দটা কোথায় মিলিয়ে যায়  কোথায়  বা শুরুই
হয় এমন মোহের কারন  , কে এমন কাঠ পুতুলের খেলার সেনা নায়ক? 

©সই (কলহ খেলা)

rules of Life

""Fail fail fail again and then rise like a pheonix ""

সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

সই(১০১)

গত কালের যন্ত্রণা গুলো আজ মনোবল হয়ে পাশে হাঁটছে 
            আলো আর অন্ধকার দুজনের কাছেই কৃতজ্ঞ 
                            এই মনুষত্ব বোধ,,
                         Heartiest gratitude 

           
 

              

সই (১০০)

ঠকতে ভালবাসি, বিশ্বাস করতেও ভালোবাসি,
হারতে ভালবাসি , 
ভালবাসি বলেই রোজ কয়েক ফোঁটা এই পৃথিবী চিনে ফেলি।
    ঠকাতে পারিনি , অবিশ্বাসী হতে পারিনি
পারিনি কোনো মৃত্যুর সিঁড়ি চেপে জিত হাসিল করতে
...এই না পারাগুলো আমার অহংকার আমার অলঙ্কার।
©সই

সই(৯৯)

 নিজের অন্তর মহলে ফিরে এলে বোঝা যায়
বাইরের সাজানো দুনিয়াদারি কাঁচ ব্যয়ামের সম্পর্ক 
কতটা গরল মাখা অথচ মলাটি বাহারে  সাজানো....
 নিজের গভীরে  শামুকের খোলসে শর্ত হীন অনন্ত আনন্দ সুধা, আলোময়,
....যেখানে  অনুভূতিগুলো তুমি কিংবা আমি নির্ভরশীল নয়, মুখোশ নয় , ।


©সই