-----------------------------------
কণা আমি ক্লান্ত হচ্ছি এই রাজবেশ বইতে
বইতে, অসম্ভব সবুজ আমার সাম্রাজ্য আর
এক সমুদ্র জল,, কণা আমার তৃষ্ণায় ছাতি
ফাটছে আমি সমুদ্র মাঝে এক আঁচলা মিঠে
পানি খুঁজছি, খুঁজছি হন্যে হয়ে এক অসম্ভব
সবুজ সাম্রাজ্যে এক ঝলকা হাওয়া যাতে
তোর ছড়িয়ে দেওয়া নিশ্বাস আছে,, আমার
দম বন্ধ হয়ে আসছে... এই অসম্ভব ভিড়ে
হারাচ্ছি আমার জীয়ন টুকু, একটা বিশাল
সমুদ্রে আমার দুটো নোকা আর আমি ঝড়ো
হাওয়ায় আমার সমস্ত বিশল্যকরণী বইছে
যাপনকারী নৌকায়,, আমার ক্লিষ্ট জীবন
যেখানে প্রানের ধুকপুকুনি তা পড়ে রয়েছে
হাওয়ার উল্টো পথে,,
কণা আমার গলায় আটকে থাকা কথাদের
তুই পথ বাতলে দিস, আমি পারি না সেই
কথাদের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে,,
আজকাল ভোররাত ধরে একটা ভাবনা
আমার স্বপ্নের জানলায় দাঁড়িয়ে,, আর ঝাপসা আলোয়
দেখতে পাই...
রাজপাটের পথের শেষে কোনো নদীর প্রান্তরে
একটা চিতা জ্বলছে আর চার পাশে কারা জেনে
অপেক্ষা করছে আগুন নেভার,
ভোরের শিশির সরিয়ে দেখি আমারি শবদাহ,,
আকাশ পথে কিছু তৃষ্ণার মুক্তি তীব্রগতিতে
এগিয়ে চলেছে,, আপেক্ষিক
সম্পর্কীয়রা আমার অস্থি ছাই ভাসিয়ে দিয়ে
ফিরে গেল সোনার সাম্রাজ্যে, এলোকেশে তখন
তুই কেবল তুই কণা নদী হয়ে বয়ে নিয়ে চললি আমার
নশ্বরতাকে.....,,,। হঠাত ঝুলন্ত তলোয়ার থেকে
ছিটকে এক তীক্ষ্ণ সূর্যরশ্মি আমার চোখ পুড়িয়ে
বলল এখানে মুক্তি নেই,, মিঠেপানির নদী,,
নেই, নেই সময় স্নানঘরে নিজেকে নিজের কাছে
খুলে দেখার, কণা তুই আমায় বলে দে আমি
কি করবো,, পারলাম এই আভিজাতিকচিহ্ন কে
নিজের প্রাণাধিক করে রাখতে,, পারলাম কই
তোর সব দ্বিধা দের উত্তর খুঁজে দিতে,,
পারলাম কই সময়ের সান্ত্রিকে তোর কাছে
নতজানু করে এই রাজমুকুট এর একমাত্র
জায়গাটুকু পাইয়ে দিতে, কণা এই সকল
না পারাগুলো তোর ধারায় নিমজ্জিত করলাম,,
আমার পুর্নস্নান তোর অবারিত ধারায়,,
তোর মধ্যে আমার সকল পুর্নতা,,,
কণা আমার ভীষণ ঘুম পাচ্ছে প্লিস
আমায় একটু ঘুমোতে দে।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
রবিবার, ২১ মে, ২০১৭
কণা( ৪)
শনিবার, ২০ মে, ২০১৭
কনা ৩
---------------------------
আজ ভোরে ফিনফিনে নীল কুয়াশায়
চোখের খুব কাছ ঘেঁষে এক প্রেয়সীর আলিঙ্গনে
তুই ছিলিস কণা ,,, শুনেছি চোখের ভিতর দিয়ে
মানুষের অন্দরমহল দেখা যায়, তবে কি তুই
আমাকে ভিতর বাইরে মেলাতে চলেছিস!
রোজ রাতে আমার ঘরে চোখের
পরে যেন মৃদু বাতাসে ঝাড়লন্ঠনের কাচ হয়ে দুলতে থাকিস কণা,,
আমার মাথার কাছে গাছের পাতার মত তোর
আঁচল বালিশের ফাঁকে শুয়ে থাকা না বলা
কথা দের শুষে নিতে থাকে।
ঠিক তখন আমার চার পাশে কেবল ইথার আর ক্লোরোফর্মের
গন্ধ ভেসে বেড়ায়,,
কণা বাতাসে তোর উত্তাপ কাঁপে আর
আমার ভেতোর এক সমুদ্র আলোড়ন...,, সেই
আলোড়ন আমি নারকেলের ছোট্ট খোলে বন্দি
করি,, যেমন করে আমার এই পরাশ্রয়ী বিয়াল্লিশ ছাতির
ভেতোর একটুকরো জমিতে তোর মালিকানা।
কণা কেন এমন অজেয় আশ্রয়ের খোঁজ বলতে
পারিস? বলতে পারিস আমি কেন রোজ স্বপ্নের
দেওয়াল ভাঙি তোর ভেতোর?
আর তুই শেষ রাতে চিঠি বয়ে আনা ডাকপিয়ন
হয়ে আমাতে কিছু অসংপৃক্ত বার্তা দিয়ে যাস,,,,
কণা আমার ঝলমলে পোশাকের নিচে ঘুমিয়ে আছে
স্যাঁতসেঁতে শ্যাওলা পড়া একটা যাপনকারী
মানুষ,, তুই জানিস আমি রোজ সেই যাপন
নিঃশব্দে পেরিয়ে ভাসতে ভাসতে ডুবে যাই
তোর ভেতোর..... তারপর কয়েকমুঠো
আলো তোর বুক থেকে নিয়ে ছুঁড়ে দিই আমার এই সাম্রাজ্যর
আকাশে। পার হতে চাই বাকি থেকে যাওয়া
উপন্যাসিক পথ, পরিশ্রুত হতে চাই নিয়ম
মাফিক পরিচয় থেকে,, কণা তুই সেই ভোরের জন্যে আলোয় আলো হয়ে থকিস
আমার সমস্ত জুড়ে। আমি আমার ক্লিষ্ট দেহ
রাখতে চাই তোর ছায়ায়।।
সোমবার, ১৫ মে, ২০১৭
কণা ২
-----------------------------
কণা কেন তুমি এতোটা দেরী করে
এলে? কেনো আমার চোখে প্রথম আলোর
পরে তুমি আলো হয়ে আসোনি... কেনোইবা
শৈশব থেকেই আমার উঠোনে তুমি ফুটে ওঠোনি?
কণা তুমিতো পারতে আমার স্পর্শর প্রথম বসন্ত
হতে,, পারতেনা! তোমার হাতে আমার এই
সাম্রাজ্যর অভিষেক সম্পন্ন করতে! কিংবা তারো
আগে ঠিক তোমার মত করে
তোমার ধারায় সিক্ত মাটি দিয়ে আমাকে
মটির মানুষ গড়তে?
তাহোলে তো এই সভ্যতারর মুখোস আর সামাজিকতার
মুকুট আমায় পরতে হতো না, কণা তুমি কি
জান, এই সোনার রাজবেশ আমার শরীরে
কত ক্ষতর জন্ম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত , এই রাজমুকুটের ভার
আমার অস্তিত্ব কে রোজ রোজ গলাটিপে মারছে,
অথচ আমি হাসছি, আমার কান্নারা আমাকে
ছেড়ে গেছে কবেই যেন!
কণা আমার তো সারা জীবন তোমাকেই খোঁজ ছিল,
তোমার এক একটা টুকরোও কেন আমি কোথাও
পাইনি, কিংবা আমার সকল ধারনা জুড়ে কেন
কেবল তুমি কাব্যে ছিলে এতো দিন?
আর এখন যখন সেই কাব্যের অবয়ব
আমার পৃথিবীতে রক্ত মাংসের এক নারী
কণা, তখন আমার অবাক হওয়া শুরু আর
আমার সকল অসম্পুর্নতা সম্পুর্নতার বদলে যাচ্ছে।
কিন্তু কণা কেন? কেন? এতদেরী করে তুমি আমাতে,
আজ তোমায় পেতে আমায় সমাজ ভাবতে হয়
কেনো? কেনো কণা আমি এতো নিরুপায়
কেনো?
আজ যদি তোমায় বলি , যেহেতু এতো দেরী
করে এসেছো তোমায় আমার মনে বন্দী করে
রাখবো এজন্মের শেষতক, আমার মনের দেওয়ালে
আমাদের মূল্যবান মুহুর্ত কোলাজ একান্তে
থাকবে শেষতক,,
তোমায় ছাড়াই যেহেতু আমার প্রথম এবং
তার পরে অনেক বসন্ত কেটেছে শুধুই
পলাশের সাথে, সেহেতু এরপর শেষবসন্ত
অব্দি তোমায় .. এই রাজার মনে পলাশরং
ছড়াতেই হবে,
কণা আমি তোমায় বন্দী করলাম
আমার হৃতপিন্ডের ভেতোর, যেহেতু
এতোদেরি করে এসেছো আমার ঠান্ডা
শরীরের শীতল রক্তে মেশাতে হবে তোমার
অসম্ভব উষ্ণ রক্ত,, যেহেতু দেরী করে
এসেছো সেহেতু আমার তলোয়ারে যেমন
আলো ঠিকরে সারা সাম্রাজ্য উপচে
পড়ে, এরথেকেও ঠিক এর থেকেও বেশি
আলোয় আমার হৃদয়ের প্রতিটি অন্ধ
কোটোর ভরেদিতে হবে অসম্ভব আলোয়,,
আমি জানি কনা তোমার আলো সূর্যকেও
হার মানায়। যেহেতু দেরী করে এসেছো
সেহেতু আমার সকল চাওয়া আজ থেকে
আমার মত করে তোমায় পূরণ করতেই
হবে কনা, কথা দাও কনা তুমি আমার ঘুমের
আগে কখনো ঘুমিয়ে পড়বে না।
শনিবার, ১৩ মে, ২০১৭
কনা
--------------------------------
তোমার জন্য সময় নেই কনা,
কনা গত বেশ কয়েকদিন তুমি এলোমেলো
হয়ে আছো, আর আজ তোমার ভীষণ আমাকে
জড়ানো প্রয়োজন।
তুমি চাইছ আমার কাঁধ বেয়ে বুকের পাটাতনের
সাথে তোমার অভিমানি দু:খদের একটা নিবিড়
আলিংগন, কিন্তু তুমি তো জান 'কনা ' আমার
এই সাধের সাজানো সাম্রাজ্যে তোমার প্রবেশ
বিশেষ ভাবে নিষিদ্ধ,,
আমার তলোয়ারের সামনে মাথা নিচু করে
সকল প্রাচুর্য আমারি নির্দেশে নতজানু।
তবুও তোমাকে আমার মুকুটের পালকে
অংগিকার করার সম্মতি দেয়না এ রাজবেশ,
কনা আমায় ভুল বুঝোনা আমি এ অধিপত্য
ছেড়ে তোমার পৃথিবীতে আসতে পারবোনা,
আমার মন দিয়ে তোমায় ছুঁতে পারি সহস্র বার
নির্দ্বিধায়, মনের পথে কল্পনায় বসন্তর পলাশ
তোমার খোঁপায় সাজাতেই পারি, কৃষ্ণচুড়ার ছায়া
মেখে তোমার হাতে হাত রেখে হাঁটতেই তো পারি,
সব দূরত্ব গুটিয়ে আনতে পারি চাইলেই...
চাইলেই তোমার গালে চুঁইয়ে পড়া দু:খ দের
আমার রুমালে চীরদিনের মত বন্দি করতেই পারি,
তুমি তো জান 'কনা' আমি দু:খ পাই তোমায়
কাঁদতে দেখে, আমি ভাঙতে থাকি তোমার
চুর্নবিচুর্নতায়... তবুও আমি নিরুপায়,
আমার সাম্রাজ্য সিংহাসন আর এই রাজবেশ
কিছুতেই অনুমতি দেয় না মনের বাইরে
তোমার হাতদুটো স্পর্শ করার,, কিংবা
আমার এই সাম্রাজ্যে তোমাকে প্রবেশ করার,,
'কনা' তুমি আমার অন্তরে কবরিত চীরকাল।
বাইরে তুমি সমাজচুত্য অস্পৃশ্যা, তোমায়
ছুঁলে আমার সাজানো সাম্রাজ্য পাপে ধ্বংস
হয়ে যেতে পারে, তোমার গালে চুঁইয়ে পড়া দুক্ষদের
আমি রুমাল বন্দি করতে চাইলে সমাজ আমায় রাজদন্ড
দিতে পারে নিশ্চিত,
'কনা' তার চেয়ে তুমি এই রাজরাজেশ্বরের
বুকে কবরিত থাক চীরদিন।
জানি আজ তুমি আমার জন্যে নদীর ধার বরাবর
হাটছো, 'কনা' আজ তোমার আমাকে ভীষণ
দরকার, তুমি আজ বড় বেশী ক্লান্ত
অন্যদিনের তুলনায়, 'কনা' আমার যে তোমাকে
দেবার মত সময় নেই,, জানি তুমি ঘুমোতে
চাইছ আমার হাতটা তোমার মাথায় খুঁজছ,
'কনা' আমার হাতে সমাজের দায়ভার আর
তীক্ষ্ণ সময় আমার বাহন আমার যে সময় নেই
'কনা' তোমার জন্য, তোমার মাথায় হাত রাখার
জন্য, তোমার কথা শোনার জন্য,. ...
'কনা' তুমি কি হারিয়ে যাচ্ছ প্লিস 'কনা'
কথা শোন হারিওনা শোন 'কনা'....
বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০১৭
পথিক করো
------------------------------
অসম্ভব ধুলিঝড়ের পথ আমায় পথিক
করে নাও, ঝড়ে পড়ুক সব সবুজ পাতারা।
সূর্যর দিকে মাথা করে দাঁড়িয়ে থাকুক
একলা কাঠামো,
ঠিকানা বিহীন পথের অন্তিম ইচ্ছারা হয়ে
উঠছে দৃপ্ত, অসম্ভব আলোয় আলোকিত
সমস্ত পাওয়া,, বাকি নেই কোনো নালিশের
আড়ালে অভিমানি মুখেদের ভিড়,
কোনো ঠিকানা আশ্রয় যাচিত নয় এ মন,
অনেক খানি যাপনীয় জীবন আর হাঁপিয়ে
ওঠা সময় মধ্য সমুদ্রতল খুঁজছে,
যাওয়ার পথের পাশে পাগলপারা হাওয়ায় কোনো
এক নিশ্বাস তার নিঃস্বতাকে রেখে গেল একলা করে,
একলা মানে কি আসলে? নিজের সাথে নিবিড়ভাবে
থাকা, তবে কেন একলা চলাকে ভয়!
সবুজ পাতায় লেগে থাকা ক্লোরোফিল যত
দিন রইবে হারিয়ে যাওয়া পথে বৃষ্টি আসবে বার বার।
এক জমির পাওনাকড়িতে ভিজবে অন্য কোনো জমি।
মুঠোভরা মাটি
---------------------------
আজ কাল তোকে অসহ্য লাগে আমার
মনে হয় তুইও যাপনীয় আমার পথ চলা,,
আমার নিরন্তর নিরুপায় গ্রীষ্ম তোকে ভীষণ করে
ধুয়ে দিয়ে যাক অসম্ভব বর্ষা, তোকে
যেন দুরদুরান্তে খুঁজে না পায় আমার
ভিতর বাইরে। আজ কাল তোকে পুড়িয়ে
ফেলবো ভেবেছি, কিংবা তোর বুকের গরম
রক্ত আমার ঠাণ্ডা হাতের মুঠোয়,
আজ কাল তোকে পেরিয়ে আগুন ছুঁতে
ইচ্ছা করে।
আজকাল তোকে অসহ্য লাগে আমার
তাই তোর কবরের পাশে আমার কবরের
মাটি খুড়ঁছি মুঠো মুঠো।
শনিবার, ৬ মে, ২০১৭
তোর আশ্রয়ে
-----------------------
আমায় যম ছুঁয়ে দিয়ে যাক, তুই আতর
মাখিয়ে রাখিস তোর পিরামিডে, শতাব্দীর
দ্বিধারা উত্তর খঁুজবে না পৃথিবীরর অন্ধকারে।
সব প্রয়োজন একদিন গন্তব্যপথ শেষ করে
ছাতিমফুলের আতরদানি তোর হাতে দেবে সময়।
ঝুলি থেকে শব্দ হাতড়ে মুঠোর স্মৃতিরা তখন
কোন এক অপাংক্তেয় ইতিহাসে,
ভালো করে চেয়ে দেখ আমার নিথর শরীরে
তোর দেওয়া হাসির আলো যা কিনা চিরকালিক।
এত আলো তোর হৃদয়ের পিরামিড অন্ধকার
ভুলে গেছে।
ঠাণ্ডা শরীরের এখনো ঘুমিয়ে আছে অজস্র
বিদ্যুৎ কনা.... হ্যাঁ আমি সেই কনা যে কখনো
হারিয়ে যাবে না তোর অন্তরাল থেকে,
আমি সেই ধারা তোর উঠোনে বুক ফাটা তৃষ্ণায় বর্ষা যেমন।
এজন্মের পরিপাট্ট গুছিয়ে দিস আমার বালিশের
পাশে, একটুকরো ছেঁড়া আস্তিনে।
ফিনফিনে রেশমি রুমালে সেই আতর তোর
বুকের কাছেও রাখিস যে আতর যমেরদোসর
হয়ে আমার সাথে তোকে বাঁধবে কোন এক শব্দহীন
রাতে কিনারে। তোর ভয়রা সম্বিত ফিরে পাবে
আর আমার হাতে পরে তোর হাত, সময়ের
কাছে জিতে গিয়ে কোন এক উষর ধুষর
ভিক্ষারীর কথা বদলে যাবে রুপকথায়।
আমায় যম ছুঁেয় দিয়ে যাক তুই আতর মাখিয়ে
রাখিস তোর পিরামিডে।
সহজিয়া তুমি
ভালো করে চেয়ে দেখো মিলে মিশে আছে নদীর ধারায়
অনেক ধারা যেমন জাদুকরের ছোঁয়ায় নির্বাক কোনো
ক্যানভাস ভাষা পেয়ে গেছে,
অবাক চেয়ে থাকা সহস্র যুগ তোমার দিকে অনন্তের মত তৃষ্ণার্ত,
এক আঁচলা জল নিয়ে সেই গল্পদের রঙ চিনতে খোঁজ করি,
চোখ মেলে দেখি সামনে তোমার মত উপমহাদেশর অবারিত অবয়ব।
আকাশ সমান হৃদয় , গাছের কোটোরের অন্ধকার
তোমার পদার্পণ । নির্ঘাত জাদুকর তুমি কিংবা তোমার ধারায় দৃষ্টি ভীষণ তীক্ষ্ণ।
.
বাসিমুখে সব স্বপ্নদের তুমি প্রথম নিজে স্পর্শ কর,
দুক্ষ ভুলে গাল ভরা হাসি চুঁইয়ে চেয়ে থাকি তোমার দিকে,
ম্লান অন্ধকার ধুয়ে এত আলো চারপাশে আমার ঘরে।
দরজা খুলে সামনে প্রশস্ত রাস্তায় কারা যেন
হাত ধরে এগিয়ে চলেছে কোনো সমুদ্রের কিনারায় .
কিংবা একটা সবুজ শান্তি হৃদয়ের ঘরে এবার চিরন্তন,
ঘরের সংজ্ঞা নদী তুমি কি জান?
নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর ,কখন কিসের টানে মানুষ
পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে তোমার ধারা সেসব জানে,,
চেয়ে দেখো মিলে মিশে আছে তোমার ধারায় জীবনের রঙ।
হৃদয়ের অযাচিত যন্ত্রনারা দূরে সরে যায়, তুমি কাছে আসো।
আর মুগ্ধতার আয়নাতে দেখি আমার প্রতিবিম্ব।
ভাবি, এমনই কি আগামী? আমার বাঁচার নিশ্বাসে তোমার
নিরন্তর আসাযাওয়া।