-----------------------------
কণা কেন তুমি এতোটা দেরী করে
এলে? কেনো আমার চোখে প্রথম আলোর
পরে তুমি আলো হয়ে আসোনি... কেনোইবা
শৈশব থেকেই আমার উঠোনে তুমি ফুটে ওঠোনি?
কণা তুমিতো পারতে আমার স্পর্শর প্রথম বসন্ত
হতে,, পারতেনা! তোমার হাতে আমার এই
সাম্রাজ্যর অভিষেক সম্পন্ন করতে! কিংবা তারো
আগে ঠিক তোমার মত করে
তোমার ধারায় সিক্ত মাটি দিয়ে আমাকে
মটির মানুষ গড়তে?
তাহোলে তো এই সভ্যতারর মুখোস আর সামাজিকতার
মুকুট আমায় পরতে হতো না, কণা তুমি কি
জান, এই সোনার রাজবেশ আমার শরীরে
কত ক্ষতর জন্ম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত , এই রাজমুকুটের ভার
আমার অস্তিত্ব কে রোজ রোজ গলাটিপে মারছে,
অথচ আমি হাসছি, আমার কান্নারা আমাকে
ছেড়ে গেছে কবেই যেন!
কণা আমার তো সারা জীবন তোমাকেই খোঁজ ছিল,
তোমার এক একটা টুকরোও কেন আমি কোথাও
পাইনি, কিংবা আমার সকল ধারনা জুড়ে কেন
কেবল তুমি কাব্যে ছিলে এতো দিন?
আর এখন যখন সেই কাব্যের অবয়ব
আমার পৃথিবীতে রক্ত মাংসের এক নারী
কণা, তখন আমার অবাক হওয়া শুরু আর
আমার সকল অসম্পুর্নতা সম্পুর্নতার বদলে যাচ্ছে।
কিন্তু কণা কেন? কেন? এতদেরী করে তুমি আমাতে,
আজ তোমায় পেতে আমায় সমাজ ভাবতে হয়
কেনো? কেনো কণা আমি এতো নিরুপায়
কেনো?
আজ যদি তোমায় বলি , যেহেতু এতো দেরী
করে এসেছো তোমায় আমার মনে বন্দী করে
রাখবো এজন্মের শেষতক, আমার মনের দেওয়ালে
আমাদের মূল্যবান মুহুর্ত কোলাজ একান্তে
থাকবে শেষতক,,
তোমায় ছাড়াই যেহেতু আমার প্রথম এবং
তার পরে অনেক বসন্ত কেটেছে শুধুই
পলাশের সাথে, সেহেতু এরপর শেষবসন্ত
অব্দি তোমায় .. এই রাজার মনে পলাশরং
ছড়াতেই হবে,
কণা আমি তোমায় বন্দী করলাম
আমার হৃতপিন্ডের ভেতোর, যেহেতু
এতোদেরি করে এসেছো আমার ঠান্ডা
শরীরের শীতল রক্তে মেশাতে হবে তোমার
অসম্ভব উষ্ণ রক্ত,, যেহেতু দেরী করে
এসেছো সেহেতু আমার তলোয়ারে যেমন
আলো ঠিকরে সারা সাম্রাজ্য উপচে
পড়ে, এরথেকেও ঠিক এর থেকেও বেশি
আলোয় আমার হৃদয়ের প্রতিটি অন্ধ
কোটোর ভরেদিতে হবে অসম্ভব আলোয়,,
আমি জানি কনা তোমার আলো সূর্যকেও
হার মানায়। যেহেতু দেরী করে এসেছো
সেহেতু আমার সকল চাওয়া আজ থেকে
আমার মত করে তোমায় পূরণ করতেই
হবে কনা, কথা দাও কনা তুমি আমার ঘুমের
আগে কখনো ঘুমিয়ে পড়বে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন