বেলি ফুলের গন্ধ কেনা বেঁচে প্রিয় মুখ
দাবি করা ভালোবাসা পথের বাঁকে রাখা অপেক্ষা,
এমন ভালোবাসার কাব্য যার কিনার জুড়ে
আলতা মাখা পায়ের ছাপ লক্ষী সংসার....,,
শোক দুঃখ লিখতে পারা সহজ ভালোবাসার কাব্য কবি লেখে
কি ? লেখে কি ভালোবাসার কবিতা ... কবির কলমে
কেবলই না পাওয়ার শোক ।
আমরা ভালোবাসতে গেলে উহ্য
রাখি কিছু অলিখিত শর্ত ভেতর দরজা বন্ধ থাকে
সে শর্তের তালা দিয়ে ,
তবু ওই একটা তুমি যে রোজ বিরক্ত না হয়ে
প্রেমে রাখো তাঁকে অগ্রাহ্য করি কেমন করে ?
সে তো সবাই পায় না যে পায় সে সম্রাজ্ঞী।
এই নদীটার শরীরে অজস্র পঁচা গন্ধ
তবু তোমার ভালোবাসা ফুরোয় না ,
একটা ভালোবাসার ঘর আগলে রাখতে তুমি
কত যুগ হেঁটে এলে কেউ তার খবর রাখে না ,
জানতো এ কবিতা সবার জন্য নয় সৌগত ...,
তোমার আমার আমাদের হওয়া মুহুর্ত গুলো চিরকাল নালিশ বিহীন ....কত কাল দেখা হয় না কতকাল আমরা তুমুল
সঙ্গমে মাতাল হই না ,
অথচ তোমার আমার কথপোকথনে এখনও মধুচন্দ্রিমা
আমাদের মুখোমুখী মুহুর্ত যেন বিস্ময় আবিষ্কারে সারা
রাত জাগা ।
আমদের মুহূর্তের দাঁড়িয়ে আছে পুরনো গীর্জার দেওয়ালে
পিঠ রেখে ...রবিন বাবুর চায়ের গুমটি দোকানের বেঞ্চে,
.....সেমেট্রির নীরবতা যাবন বাগানে ,....মেহের বিবির মসজিদে।
মুহূর্ত যেতে দিয়ে হয় তবু আটকে রাখে মানুষ আঙুলে
সুতো বেঁধে কিংবা বুকে সেপ্টিপিন আটকে ,
তুমি বলো রোজ রোজ এত মুহূর্ত রাখবে কোথায় এত আলো
এত ছবি এত সৃষ্টি এত মুগ্ধতা !
ভেসে যেতে দাও গঙ্গায় .....আমি নৌকায় রাখি আমাকে
তির ধরে ভাসতে থাকি ওরা নদী পারে চুপটি করে বৃষ্টি শেষে কনে দেখা গোধূলীতে আমায় দেখে ,
ওরা আমায় দেখে তোমার বুকে মাথা রেখে আমাদের নিজস্ব
বৃষ্টিতে ভিজতে ।
হয়তো কয়েকদিনের খেলা
আবার হারিয়ে যাওয়া ...
এই পথ এই শহর ,এই গঙ্গা
এই যে তোমার আমাকে তুমুল করে পুরোনো মদের
নেশার মত চাওয়া এসব থেকে যাবে
বদলে যাবে আমদের মুখের আদল ,
মনে রাখবো আমরা আমদের মাতাল চাওয়া।
©সই (যারা ভালবাসে )