জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
আমার ভেতর
বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
তথাগতর সাথে
মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২
সময়ের দাগ
শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২
জীবনফর্মা
বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
কে ?
সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
মেঘ হতে চাই
মেঘেদের কোনো কোনো দেশ নেই
নেই কোনো নিয়ম কিংবা বারণ এর কাঁটাতার,
শুধু অনেকটা উদার যেন একলা বুকের মাঝে আকাশ রাখে আকাশের গায়েই ভেসে
মেঘেদের চোখে এই শহরটায় কি জ্বলে ওঠে সন্ধ্যের বাতি কারো অপেক্ষায়
ফাঁকা রাস্তায় লাইটপোস্টের নিচে ভাবনাদের খেলা করতে কি দেখতে পায় মেঘ
.
মেঘ নিয়ম বোঝে না
বোঝে না এই শহরের হাজারো সুবর্ণা সুজন কেন মন খারাপ করে !
কেনই বা একটা ফাঁকা ঘর আমার ইচ্ছামতির বুকে !
ধরা দেয় না একমুহূর্ত সে ফাঁকা ঘরে কোনো স্বজন,
তবু সারা শরীর বেয়ে ভিতরে বাইরে শুধুই অজানা স্পর্শ।
.
আমি মেঘ হতে চেয়েছি
আমিও একা হতে পারি ভীষণ ভাবে
এই মেঘেরা কথা বলে রোজ আমার সাথে
চুপিচুপি ধরা দেয় একের পর এক মুহূর্ত আমার উঠোন জুড়ে থাকা আকাশে
জানি না কেন একা হতে কেউ কেউ ভয় পায়।
আকাশ থেকে এই গল্পের শহরটার দিকে তাকালে মনে হয় মানুষ গুলো একলা বড় ,
মনে হয় এই শহরের বুকে হাজারো গল্প মানুষের বুকে নিঃশ্বাস নেয়
জানি না সুবর্ণা সুজন এরা এই শহরের স্রোতে
বইতে বইতে ঠিক কোথায় কিনার পাবে !
জানি না আমার মতো আরো একজন কবে বলবে আমিও মেঘ হতে চাই তোর মত তোর সাথে ..ভিজিয়ে দিতে চাই এই শহরের বুকে খিদে আর তৃষ্ণা গেলে থাকা গল্প গুলোকে
জানি ওই গল্প গুলো বাঁচতে চায়
জানি জানি ওই গল্প গুলো হাসতে চায়
কিন্তু ওদের চোখে গোপন কান্না আজ শুধু ..ঠিক যেনো ওরা আকাশের দিকে তাকিয়ে বলছে
আমিও মেঘ হতে চাই ....তারপর বৃষ্টি
তবে ভালোবাসায় ঠিক কি থাকে জানি না মেঘ না বৃষ্টি ।
শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
ছায়াছবি
ফেলে আসা মুহূর্ত ভুল কি ঠিক জানি না ,তবে জানি মৃত সময়ের এলবামে হঠাৎ কিছু ছায়াছবি
যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে,
গড়িয়ে নামা বিকেলে স্টেশনে চায়ের ভাঁড় ,
কিছু বিশ্বাস কেনা গল্প যেন ফ্ল্যাসব্যাক ছায়াছবি ।
হ্যাঁ সত্যি ভ্রান্ত গল্পগুলো মুখ খিঁচিয়ে বলে তফাৎএ যাও আরো তফাৎ এ ,
কে যেন আয়নার ওপারে বিদ্রুপ করে হাসি আঁকে ঠোঁটের কোণে।
জীবনের কবিতায় সাজানো শব্দেরা সবসময় ঠিক
ভাবে সাজানো হয় না ,
তাই চাইলেই কবি কিংবা কবিতা কোনোটাই হওয়া খুব সহজ নয় ।
সময়ের বালিঘড়ি সোনালী চুলের মুখোমুখি দাঁড়াতে বলে চুপিসারে।
.সময়ের পতন দেখে আরো এক সময়ের সাক্ষী,
অথচ আমরা জানি এ পতন চিরকাল শব্দহীন শব্দের বাহক।
,
দিনগুলো ফুরিয়ে যায় নিমেষে
কল্পনার আকাশ থেকে যত্নে উড়ান দেওয়া পালকরা নিচে মাটি ছুঁতে চায়।
.
মৃত মুহূর্তের ছায়াছবি শব্দহীন কথায় কথায় প্রহর চুরি করে বেলা বইয়ে দেয়...
ব্যাকফ্ল্যাশে দেখি দুটো চোখ,সে চোখ কারো বেঁচে থাকার সাক্ষ ছিলো কিনা আজ আর মনে পড়ে কই!
সামনে তাকাই দেখি রাস্তায় নতুন গল্পের বাঁক ,
একলা দাঁড়ানো কবির হাতে মেঘবালিকার জন্যে লেখা কবিতার খাতার দিস্তা, প্রথম পাতায় লেখা কিছু প্রতিশ্রুতি । তারপর একে একে আকাশ ,আয়না, স্বচ্ছতা ....হাহাহা সত্যি অবাক লাগে ভাবতে যখন একজন কবি অন্ধকারের কবিতাকে ভুল করে আলোর কবিতা ভাবে।
যারা প্রতিজ্ঞা লেখে...লিখতে চায় ,
অসংখ্য মুহূর্তদের সাক্ষী করে
তারা আসলে মৃত্যু লেখে তারা সাধারণ ঘুম ভেঙে সকাল দেখায় আশ্চর্য হয়না ,কারণ তারা বেঁচে থাকাকে সম্মান জানাতে জানেনা
আসলে ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি যে একটা ঘুম ভাঙা সকালে সূর্য ওঠার সাক্ষী থাকার নাম হয়তো সবাই জানে না ।
তাই বুকের ভেতর কষ্টের অসুখ লেগে থাকে শেষতক।