শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২

ছায়াছবি

ফেলে আসা মুহূর্ত ভুল কি ঠিক জানি না ,তবে জানি  মৃত সময়ের এলবামে  হঠাৎ কিছু ছায়াছবি 

যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে,

 গড়িয়ে নামা বিকেলে স্টেশনে চায়ের ভাঁড় ,

কিছু বিশ্বাস কেনা গল্প যেন ফ্ল্যাসব্যাক ছায়াছবি ।

হ্যাঁ সত্যি ভ্রান্ত গল্পগুলো মুখ খিঁচিয়ে বলে তফাৎএ যাও  আরো তফাৎ এ ,

কে যেন আয়নার ওপারে বিদ্রুপ করে হাসি আঁকে ঠোঁটের কোণে।

জীবনের  কবিতায় সাজানো শব্দেরা সবসময় ঠিক

ভাবে সাজানো হয় না ,

তাই চাইলেই কবি কিংবা কবিতা কোনোটাই হওয়া খুব সহজ নয় ।

সময়ের বালিঘড়ি  সোনালী চুলের মুখোমুখি দাঁড়াতে বলে চুপিসারে।

.সময়ের পতন দেখে আরো এক সময়ের সাক্ষী,

অথচ আমরা জানি এ পতন চিরকাল শব্দহীন শব্দের বাহক।

 ,

দিনগুলো ফুরিয়ে যায় নিমেষে

কল্পনার আকাশ থেকে যত্নে উড়ান দেওয়া পালকরা নিচে মাটি ছুঁতে চায়।

.

মৃত মুহূর্তের ছায়াছবি  শব্দহীন কথায় কথায় প্রহর চুরি করে বেলা বইয়ে দেয়...

ব্যাকফ্ল্যাশে দেখি দুটো চোখ,সে চোখ কারো বেঁচে থাকার সাক্ষ ছিলো কিনা আজ আর মনে পড়ে কই!

সামনে তাকাই দেখি রাস্তায় নতুন গল্পের বাঁক ,

 একলা দাঁড়ানো কবির হাতে মেঘবালিকার জন্যে লেখা কবিতার খাতার দিস্তা, প্রথম পাতায় লেখা কিছু প্রতিশ্রুতি । তারপর একে একে আকাশ ,আয়না, স্বচ্ছতা ....হাহাহা সত্যি অবাক লাগে ভাবতে যখন একজন কবি অন্ধকারের কবিতাকে ভুল করে আলোর কবিতা ভাবে।


 যারা প্রতিজ্ঞা লেখে...লিখতে চায় ,

 অসংখ্য মুহূর্তদের সাক্ষী করে 

তারা আসলে মৃত্যু লেখে  তারা সাধারণ ঘুম ভেঙে সকাল দেখায় আশ্চর্য হয়না ,কারণ তারা বেঁচে থাকাকে সম্মান জানাতে জানেনা 


আসলে  ঈশ্বরের  প্রতিচ্ছবি যে একটা ঘুম ভাঙা সকালে সূর্য ওঠার সাক্ষী থাকার নাম হয়তো সবাই জানে না ।

তাই বুকের ভেতর কষ্টের অসুখ লেগে থাকে শেষতক।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন