শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২

জীবনফর্মা

পাথরের কাহিনী লিখতে গিয়ে কাচের মত ভাঙতে দেখেছি  জমানো অভিমান , 
জন্ম শেকড় উপড়ে ফেলে কাঁটা তার পুঁতে দিতে দেখছি ,,  
চোখে ভাসতে দেখেছি পাখিদের গুঁড়ো গুঁড়ো স্বাধীনতা ।

রোদ্ পুড়ে যাওয়া জীবনের পাশে নদীর গল্প মানানসই হলেও বেঁচে থাকায় শীতল পরশ লাগে না তাতে।
জানলার গরাদে জন্মের খিদে একফালি চাঁদে পুড়ে যাওয়া রুটি কতটা আপোষ জানে সেটা বুঝিয়ে দেয় ।
জীবন সময়ের ক্রুস বিদ্ধ যীশু  ... ,
বাতাসে মোলায়েম শোক ও উৎসব দুইই মজুত থাকে , হিসেব মত খোরাক বুঝে বাঁচার রেশন-পানি নিয়ে নেওয়াই এই পথের শুরু থেকে শেষতক একনিষ্ঠ দীক্ষা মন্ত্র ।

জানা চেনার মাঝে হঠাৎ দমকা হওয়া  যেন ভিড় হারানো একা  করে বলে  পার্থ আসলেই সব মৃত, ,কেবল মলাটি বেঁচে থাকা ওদের কফিনের বাইরে এই পৃথিবীর ইজাজত দিয়েছে ।
যুদ্ধের বিকেল ফুরোলেই আগুন কিংবা মাটি খুঁজে নেবে সম্পর্কের থেকে বেদখল দেহগুলো ।
যে জন্মতক একটাও ছবি আঁকেনি পথের শেষে তার জীবনও কেমন যেনো অসম্ভব বর্ণময় হয়ে যায়।
পাখির ডানায় ভর করে  একমাত্র মৃত্যুই দেখতে পায় জীবনকে রূপকথার মতোই ।
অথচ একটা গোটা জীবন পাথরের মতন ভারী ও সম্ভারময়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন