শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

বেঁচে থাকা

------------------------

একটা সম্পূর্ণতায় ভেজা আবদারের
আবডালে নীরবতার  ছুঁয়ে অধিকার বাস করে
রোজ রোজ,
বুকের উচাটন মনে করাটা কখনো অপরাধী করেনা তোকে বা আমাকে,,
অপরাধ নেই অন্ধকারে জোনাকির আলোর মতো তোর
টুকরো খুশি খোঁজা।
সাহসী কোনো আলিঙ্গনেও থাকে এক সামুদ্রক
প্রশান্তি,,
ছোঁয়া ,, শিহরণ ,,অবুঝ প্রেম সব টাই পড়ে
পাওয়া চোদ্দ আনা আর এদিকওদিক তাকিয়ে
বুকপকেট  বন্দি করা,
ভাবনার অবকাশ এসেছে বার বার ভাবা হয়নি
কেনো বা কি কারন,

যন্ত্রণা সময়ের সাথে নিজের অবস্থানে
আমাকে হাত ধরে দাড় করিয়েছে অনেককাল,
  কেন ?প্রশ্ন নেই মনে,
না কোনো উত্তর নেই যেহেতু,
হঠাত ওঠা ঝড়ের বুকে ভর করে
আসতেই পারে কনো মেঘের উড়োচিঠি
আজ নেই কোনো অপেক্ষমান মন,
নিজের হিসেবি দিনান্ত পেরিয়ে কফিন বন্দি
আকুতি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া স্পন্দনটা
বেহিসাবী হলেও ,,
হিসেব একটা থেকে যায় নিজের কাছে।
সকালের আরুশে পরে থাকা শিশিরের বিচ্ছুরণ
ইচ্ছাদের ডানা মেলা সকাল, এভাবেই

একটা সম্পূর্ণতা ভেজা আবদারের আবডালে
রোজ রোজ আমি বাধা পড়ি,,
স্মৃতির দেরাজে আজকাল মুহুর্তদের ভিড়।
একের পর এক স্পর্শ  যেন পাশাপাশি হাতে হাত,
কবিতারা আজ কাল খাতার পাতায় জীবন্ত হয়ে
বাঁচে,
ছুঁয়ে না থাকা মুহুর্তরা এখন বীষঘুমে আচ্ছন্ন
আর যন্ত্রণা  এক সম্পুর্নতার আবদারে ভেজা
পরবাসী,

বুধবার, ১১ মে, ২০১৬

তুমি ছাড়া সই

------------------
যে সকালে তুমি থাকবে না সেই সকালেও
সূর্যর সাথে আমার ঘুম ভাঙবে,
তোমায় চোখ খুঁজবে রোজকার
নিয়মে, আমি ভালো থাকবো  সারা সংসারে,
নিয়মমাফিক তুমি তখনো আমার গভিরে
আরো নিবিড়ে....,
আমি চুপচাপ তোমার হেটে যাওয়া
রাস্তা রোদ বৃষ্টির পাশা পাশি..
কখনো তোমার কল্লোলিনী শহরে
কোনো হাপধরা ট্রামে বাসে আমার
পাঁজর ভাঙার আওয়াজ,,
চারদেওয়ালে স্মৃতির জোনাকি আলো
মাখবে রাতজাগা চোখ,তুমি তখন
আরো কাছে,,  সব নিয়মেরা তখন গভির
ঘুমাচ্ছন্ন, বরাদ্দতা তখন অনেক দূরে
তারাদের দেশে, আকাশের বুকচিরে
তোমার গোধূলি আলো আমার ক্লান্ত
শরীরের ভাঁজে চুপিচুপি কেমন
আছি জেনে নেবে,
আমি আরো দৃঢ়  শিরদাঁড়ায় সোজা আর
আঁচলের গিঁটে লুকিয়ে ফেলি
সব যন্ত্রণা,, একদিন কথা দিয়েছি
ভালোথাকার একদিন কথা দিয়েছি
পথ চলার, তাই একদিন গুলো জমিয়ে
জন্মান্তরের অংগিকার করলাম।

অভিমানী বিকেলের আলো

-----------------------
বাড়তে থাকা সময়ের কোলাজ কিছু
দূরে কিছু কাছে নতুন টুকরো মোউতাত
,তিরতির বয়ে যাওয়া ব্যবধানে স্মৃতির
জমাট আদোরের আলোয় এসে মেশে,
রুল টানা পাতায় মন কেমনের চিঠি
সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ব্যেস্ত আছো,
দিনান্তের ডাকবাক্সে অপেক্ষায় বিকেলের
আলো বন্দি করা এলানো কাজল লুকোতে
ব্যেস্ত,, 
সময়ের ইজেল রঙ তুলি আর অজস্র
ভালোরাখা যন্ত্রণারা রোজ রোজ কথা
রেখে একি পথে যায় আসে, আসপাশে
বেশ কিছু বাহানা ছলনা হাটতে থাকে,
নাম ধরে ডাক পৌঁছায় না ডাকবাক্সে,,
বাকিসব সময়ের হাতে হাত রেখে
নিয়মের কাঠগড়ায় হাজির 'আমি'।
জ্বালাতুনে বেসামাল মন সাড়াহীন সারাবেলা,
আসা যাওয়ার রাস্তার কন্সার্ট কেবল কিছুটা
সুর তালের সংগ  সংগোপনে।
ইশারায় সাড়া দাও ফেলে আসা মন...,
সাড়া দাও আলগা অভিমানি বিকেলের
আলো...,,
আর্শিমন পুড়ছে বেলা প্রহর আমি আর
তুমি বাঁচি আজটুকু, কালের ঘরে
প্রশ্নরা থাক কফিন বন্দি আজটুকু
থাক শুধু প্রিয় হয়ে।

শুক্রবার, ৬ মে, ২০১৬

স্পন্দন তুই

-------------------
কি করছিস ? এই ছিল তোর সর্বান্তকরণ প্রশ্ন,
অদ্ভূত কৃষ্ণ চুড়ার মনে  চুপচাপ খুনসুটি
এক্কাদোক্কা খেলে, তোর দিকে দান ছুড়ে
নিজস্ব কায়দায় খিলখিলিয়ে হাসতে থাকে,
বুকের গভীরে দাগ সে তো ভালবাসা হস্তাক্ষর,
কিছু নির্বাক সময়ে অভুক্ত ইচ্ছার মত রোজকার তুই আমি,

কিছু কথা রয়ে যায় না বলা কথার আবডালে
কিছু কথা বয়ে যায়  সময়ের বহেবিয়ানায়,
আরো কাছে ধার বাকির এজলাস হিসেবগুলো,
তোর মুখের উপর বয়ে যাওয়া হাওয়ায় আমার
আঁচলের গন্ধ। আমি বন্যতা খুঁজে কবিতায়
হাসি, তুই আমার গভিরে হারাতে থাকিস,

কোনো কবিতা না শুধু আলোড়ন আর আবিষ্কার,
বুকের কাছে বুক মিশেছে ঘরের ভেতর ঘর
বেঁচে থাকার অনুকুম্পনে যে  আলোরণ
তোর মুখে হাসি সে ঈশ্বর। এটা মানি আর জানি,

আমার দিকে চেয়ে আছিস গোধূলি লালিমা
রোজকার প্রশ্ন কাল আবার আসবি কি?
নিজের কাছে দামী হতে শেখা তোর থেকে,

যতবার বলি মন ভরে না ,কিছুতেই...
ভালোবাসি  ভালোবাসি এই সুরে কাছে
দূরে বাজায় বাঁশি,
শুধু সময় বয়ে যায়
আমার বুকের কম্পনে তোর বেঁচে থাকা
আমার ভালোথাকার হাতে হাত রেখে
তোর ভালোথাকা,
"ভালোবাসা কারে কয় সে কি কেবলি
যাতনা ময়"!

নীতিকথা

-----------------
চারদেওয়াল থেকে নীতিকথা দেশজ
হয়ে যায় রেওয়াজি হয়ে চানক্যর হাত
ধরে হেটে যায়  রোজ রোজ,
মাটিচাপা পড়া লাশের বুকের ইতিহাসে
মনগড়া রঙিন মুখরোচক মেনকোর্স,
উফফ বেশ চলছে আমার বন্দুক তোমার
ঘাড়ে.....নেশায় নেশাতুর রাজনীতি আর
শহরের আলটুসি প্রেম,, পেটের খিদে,
মনের খিদে, সিঁড়ি ওঠার খিদে, এতো
রক্ত মুখে লেগে তবুও রক্তের স্বাদ মিটলোনা,
এতো শরীর দেখেও শরীরের দেখা হলনা,
শরীর থেকে খসা কাপড়ের পতাকায়
মাটির পরিচয় আর আসমানি সেলাম,,
তুমি আমি কেবল বুদ্ধিজীবী, এ যেন
ঘোমটাপরা নগ্ন দেশ আর সিঁদুর পরা
কোনো বারবনিতা,, হাতে কলম নিয়ে
পাতার পর পাতা ধর্ষণ,, নাহ দেশটার কিছু হবে
না বলে কলমের শেষকথাটা শেষ করা,
আর সেই ঘুমিয়ে পড়া সূর্যটাকে ঢাকা রেখে
ঠোঁট বেয়ে লালসা,
চানক্য বুঝি এবার লজ্জা পেলেন কিংবা
গভির ঘুমে আচ্ছন্ন....এ মাটিরদর  বড্ড
কম তাই খিদে মেটে না,
কালের ঘরে আরো খিদে.... যে
খিদেতে ওই ছেলেটা বা মেয়েটা
এখন মাটি চাপা আমি সেই খিদের
আতুরঘর দেখতে চেয়েছি বার বার,

বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬

নতুনভাবে

-------------------

সবে মাত্র তিরিশ বর্ষা ছুঁই ছুঁই নদীটার
বানভাসি বুকে পাথর ফেলা শেষ হল,
চুঁইয়ে পড়া জল চিরদিনের জন্যে পথ
হারালো,
অপেক্ষা গুলো কফিন বন্ধ করলাম সবে
মাত্র, ভালো থাকা ছাড়া কোন অনুভূতি কে
আজ অপরিচিত লাগুক.... কফিনে
রাখলাম এক জীবনে বার বার ছুঁয়ে যাওয়া
মৃতুগুলো,
ঈশ্বর কিংবা জোকার এতো কিছু ভাবনার
সময় নষ্ট করার সময় নেই.....দাদাঠাকুরের
ঘড়িটা মনে করিয়ে দিচ্ছে এক জীবনে সময়
কম,
চারপাশের ঝুলন্ত চরিত্রগুলো  সবে মাত্র
আতসকাচের অপারে রাখলাম আর
আমার -২দৃষ্টি পরপারে, বাজারি
চাহিদার যোগ বিয়োগী ফলাফল মেলানো
সবেমাত্র শুরু করলাম,
চিত্রগুপ্তের খাতায় লেগে থাকুক সময়ের
কলমের কালি, আজ মুহুর্ত গুলোতে
বেঁচে থাকার সাঁকো জুড়লাম সবেমাত্র,
আমার আমির দাম কতো জানতে চাইবোনা
আমার বাইরে,
নদীর ওপর পাথর ফেলে বাঁধ দেওয়া
শেষ করলাম আর আমি অহংকারী
আকাশকে জানালাম আমার বৃষ্টিরা
ভীষণ যত্নের ভীষণ প্রিয় ভীষণ মুল্যবান....