রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৬

বরাদ্দকৃত যন্ত্রণা

------------------------_

যুগান্তরের প্রতি স্তরে আমার যন্ত্রণার
আঁশটে গন্ধ এশহরকে পেরিয়ে জমির
আলপথ ধরে এক আশ্রয়ের বুকে প্রশ্রয়
পেয়ে যায়, মেঘের খেয়ায় দাঁড় বাইতে
বাইতে মাঝি গলাছেড়ে ভাটিয়ালি গানে
ভেতোরে চিনচিনে ব্যথাটার ঘনত্ত্ব কমায়,
বৃষ্টি মেখে শহরের বিঞ্জাপন ধুয়ে যায় যন্ত্রণা,
একটা প্রেমমাখা যন্ত্রণা শহরের পথে পথে
হন্যে হয়ে তোকেই খোঁজ করে, আর
ঠোঁটের লুকোনো তিলে একটুকরো হাসি
তোর আত্মা ছুঁয়ে আমার ঠোঁটে চুঁইয়ে পড়ে,
হারিয়ে যায় প্রতিদিনের ভিড়ে ব্যস্ততম শহরে
একটা বাঁচার আকুতি, একটা ভীষণ একলা মন,,

সেই ছেলেটির ঠিকানা

----------------------------

সেই ছেলেটির বুকের ভেতোর একটা ধুলিঝড়
এলোপাথাড়ি আছড়ে পড়ে  পাগলি মেয়ের
জন্যে, বার বার কিছু শব্দের অস্তিত্ব বোঝাতে
মরিয়া ছেলেটির চোখের ভাষা, আমি তোর
কথাটার মানে বুঝিস..... যদি না বুঝিস
আয় এই বুকের মাঝে আদরে ভিজিয়ে দে
এই বাঞ্জারা শুখনো জমি, দেখ তুই ছুঁয়েদিলেই
কেমন সবুজ এ কচি পাতায় বসন্ত হাসে তুই
ভালোবাসলে ফুলেদের রঙ আর সৌরভের
প্রেমে মধুযামিনী চুঁইয়ে পড়ে, সেই ছেলেটি
মুল্যায়ন  মেয়েটির বুকের খাঁচায় প্রান ভোমরায়
বন্দী, বন্দি মানে বন্ধন ভালোবেসে  আর বন্ধন
ছাড়া 'আমার 'কোথায়, লেখা নেই কোনো চুক্তি
নামায় আসলে ভাষা কম পড়ে তাই অনুভুতি
সব বলে দেয়....... বুকের সাথে বুক মিশে
যন্ত্রণা বিনিময়ে নেই কোনো কাঁটাতারের
বেড়া.... তবুও যোজন দুরত্ত্ব এক অবয়ব
থেকে আর এক অবয়ব, হিসেবি দুনিয়াদারি
আর তার মাঝে কিছু হিসেব ছাড়া ধুলিঝড়ে
উড়ে আসা খড়কুটো, হিসেবি এই গ্রহে নাম
ঠিকানা হয় না  একটা হৃদয়েরও, সংগোপোন
তাই মেয়েটির  আঁচলে খুব যত্নে বাঁধা সেই
আরশি নগরের ছেলেটির হৃদয় , বরাদ্দতায়
পাকাপাকি এখন এই ঠিকানা,

শনিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৬

বাকিবকেয়া কিছু কথা

----------------------------------

এই সবেমাত্র একপদ্ম শিশিরের কথা
লিখতে বসেছিলাম ঠিক তখনি একটা
জলপরি ভীষণ বায়নায় শর্ত রখলো----
আমার কথা লেখ আগে নইলে তোমার
চোখের বাইরে আমি ঝর্না খুঁজে নেবো,
সবে মাত্র আকাশের বুকে যন্ত্রণার রঙ
আঁকছিলাম  ঠিক তখনি একটা রামধনু
রঙ মাখাছেলে এসে আমার তুলি
কেড়ে নিয়ে বলল আগে আমার রঙএ
সময় আঁক নয়তো আমি ঈশানী মেঘে
আত্মগোপন করবো একজীবন ধরে,
সবে মাত্র  দাবানলের আত্মকথা লিখতে
শুরু করেছি ঠিক তখনি এক দেশলাই
কাঠির বারুদ বড্ড স্যতস্যতে অভিমানে
বলে উঠলো আগে যদি আমার কথা না
লেখ আমি তোমার বুকে আর ঘর বাধঁবো না,
সবে মাত্র চৌরাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা
আদ্যিকালের অভিজ্ঞ বটগাছটার কাছে
এই শহরের  শৈশব  থেকে যৌবনের গল্প
শুনছিলাম ঠিক.... ঠিক তখনি কৃষ্ণচূড়া
চেঁচিয়ে বলল আমি এখন ভরা যৌবনে
আগে আমার সদ্য ভালোবাসার কবিতা
লেখ নীল খাতার প্রথম পাতায়... নইলে
ওখাতা কোনোদিন ভরবে না কোনো
লেখায়,  তাই আজ অনেক লেখা বকেয়া
থকলো শর্ত অভিমান আর টুকরো কিছু
আদুরে আব্দারের আবডালে,,

একটা জন্মদিন

----------------------------

তুষেরআগুন যখন ধোঁয়ায় স্নান করায়
সাদা কালো দেওয়ালটাকে, সুক্ষ জং ধরা
তারের সুর যখন পুর্ন চাঁদটাকে ছুঁয়ে যায়
বুকের ভেতোর একটা মৃতুর জন্মদিন আসে,
কিছু রজনিগন্ধা কেবল বুকের খুব কাছে
মৃতুর  অনুভূতি টের পায়, সংগে থাকা
সময়ের  পুরোনো অভ্যেসরা বদলে যায় মুহুর্তে,
ছইয়ের মধ্যে হারিয়ে যায় পথের ধুলোবালি,
একটা কোজাগরীর আলোর ফুল্কি আকাশ
থেকে নেমে এসে নদীর চরে অপেক্ষা করে
খেয়া ভেসে আসা নতুন জন্মদিনের,
আকাশের বুকে একটা ফুরফুরে রোদের জন্মদিন
পেছনে ফেলে আসা আপোষের জমে থাকা
মেঘ কফিনে কবরিত, সাদা কালো দেওয়ালের
অবিরত চুঁইয়ে পড়া নোনাজল চরের বুকে
বীষঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায় ..... তুষের ধোঁয়ার
আকাশ ছোঁয়া বাকি থেকে যায় নতুন জন্মে,

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৬

সময়------------------

কিছুটা সময় আজকাল আমাতে তোর
প্রয়োজন চিনিয়ে দেয়, এক শহর থেকে
আর এক শহর ভালবাসার আকাশটায়
মেঘেরা একসাথে থাকে, পড়ে পাওয়া
চোদ্দআনার মতো এক ফালি আকাশ
আমার জানলায় উকিপাড়ে, গরাদের
ভেতোর এক প্রান ভ্রুমরার ছটপটানি
ঝাপ্টানো পাখার শব্দ আকাশ কোনো
দিন শুনবে, তবুও মৃত্যুর বুকে মাথা
রাখতে ইচ্ছে হয়, লড়াই জন্মটাই যেন
এক লড়াই এর শুরুয়াত.... জাত খুজে
চলা পৃথিবী তে  সব জন্মই পরিচয় হীন
সব সম্পর্কর যেমন নামকরন হয় না
হয় এক প্রয়োজন এর ---- আজীবন
বেচেঁথাকার রসদের খোজ,  কখনো
একটা জীবন  কম পড়ে, একফালি
আকাশটার খোজ  পেতে তবুও একটা
জীবন পাই আজকাল শহর থেকে আর
এক শহরের মাঝে এক আকাশের নিচে
তুই আমি, হাতড়ে বেড়াচ্ছি একটা বেচে
থাকা, একটা মুহুর্ত, মুঠো  বন্দি সময়,,

এখনো অনেক বাকি

----------------------------

সময়ের এক একটা পরত পেরিয়ে এসেছি
  ভিতু হতে লজ্জা করে ক্ষতদের কাছে,
জেনে গেছি হাতের রেখা ঘুমিয়ে থাকে
হাতের মুঠোয়, আঙুলে বিধে যাওয়া নকশি
সুঁচ এখন আমার রক্ত মেখে স্নান করে রোজ,
এফোঁড়ওফোঁড় করে বুকে পাতার পর পাতা
গল্প লিখে যায়,
খুব চেনা, একটা শীত হাওয়া  সে দিন সবেমাত্র
শেষ স্পর্শ ঘোষনা করেছে  খাঁচায় বন্দি
ধৈর্য  সমস্ত আশংকার সুচকে দাঁড়িয়ে এক
রহস্যের হাসি হেসে উঠেছিল এক অজানা
কারনে, নিভে যাওয়া পাঁজরের আগুনে পোড়া
রক্তের রঙ বদলে গিয়ে গনগনে কমলা,
আমার আর যন্ত্রণার মিলন কখনওই অসমাপ্ত
থাকেনি তাই মৃতু বলার কিছু নেই, ঈশানী কালো
মেঘের বুকে ঘুমন্ত সুর্যর সাথে আত্ম গোপোন
করলাম না,অনেকটা পথ বাকি অনেক না বলা
কথাদের জন্ম এখনো বাকি, শহুরে রাস্তা এক
রুমাল মেঠোগন্ধ খোঁজ করতে থাকায় বয়সকে
ক্লান্ত হতে চোখে পড়েনি,
কালো স্বপ্নে রাত ঘুমের অনেক গভীরে হেটে
যাওয়া  বাকি,বাকি এক একটা ভোরের
বুকে কিভাবে ঘন অন্ধকাররা ভালোবাসা
প্রশ্রয়ে রোজ রোজ আশ্রয় খুঁজে নেয়,
সময়ের পরতে পরতে জীবনের অনেক
কোলাজ সাজানো এখনো বাকি,বাকি
কাচের জানলার  শিশিরজলে এক বিন্দু
নোনতা যন্ত্রণা মিশিয়ে একটা নদীপথ
এঁকে যাওয়া,

বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৬

মনের দেওয়ালে

---------------------------
স্পর্শ কে মনে করিনি আমার ভিতর
বাইরে জুড়েছ তুমি যন্ত্রণা তোমাকে
আলাদা করে সময়ের কাটায় মেপে
মনে করিনা তাই, ওই দিন শুরুর আজানের
অনেক আগে যখন ব্যস্ত রোজনামচার ধারাপাত সোনার কাঠি ছঁুইয়ে
ঘুমের দেশে তখনো  বুকের দেওয়ালে
যন্ত্রণা কোন না কোন ছবি খোদাইয়ে ব্যস্ত,
অনর্গল বলে যাওয়া  এলোমেলো শব্দেরা
যখন স্তুপাকৃত চায়ের ভাঁড়ে সময় ভুলে যায় তখন তোমার নিকোটিনে আমার হৃদয় পোড়া
গন্ধ মিশে আকাশের বুক চিরে একটা তুবড়ির
আলো ছড়ায়, ঈশ্বর  বুকের ভেতোর টোকা
মেরে বলে যন্ত্রণা হারায় না মৃতু নেই অবিনশ্বর,
ফুটপাতের ধারে আলবেলা ছেলেটার কোনো
কাজ নেই আছে শুধু এক বুক যন্ত্রণা, রোজ
সকাল বিকেল রাস্তার ভিড়ে কখনো হাত ছাড়া
কখনো হাতের মুঠোয় মনের ছেলেমানুষি
চাওয়াগুলো, কখনো  মনে হয় যন্ত্রণা তুই ঠিক
জীবনের সাথে নিয়মের সত্যি দৈনন্দিন মরে
মরে বাঁচা সকাল সাঁঝ ব্যস্ত কি যেন এক
চাবি দেওয়া পুতুলের মতো ভালো না লাগা
নিয়েও নিয়মের কচকচানি, তবুও তুই
বুকের ভেতোর বাইরে জুড়ে থাকিস
তাই আলাদা করে সময়ের কাছে হাত
পাতি না তোকে মনে পড়ার সময় চেয়ে,

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৬

তোমার সুরে আমার সুরে

------------------------------------
একের পর এক সময় ভেঙে তোর মুঠো
ফোনের সুরে আমার নুপুরেরা আজ তাল
কানা হয়ে রইলো সাজানো মঞ্চস্থ জলসায়,
হাজারো জনপদের ভিড়ে নিবিড় যন্ত্রণা টুকু
সময় চুঁইয়ে হাতের মুঠোর বাইরে অতিত
হয়ে যায় নির্বাক দর্শনে, আর কিছু পরে
নিশ্চিত মুঠোফোনের সুরে একবার  না একবার
আমার নুপুর তাল খুঁজে  পাবে,একের পর এক
সময় ভেঙে  পাখিরা ডানা মিলয়ে কি এক
জরুরী আলোচনায় ঘরফেরা যাত্রী, আমার
নুপুরেরা আজ মন খারাপের চুক্তিতে
সাক্ষর করেছে যেন, একটা অন্ধকার মন
জুড়ে সন্ধ্যে নামায় আমি চোখ বন্ধ করে
ঘুমোনোর ভান করি, নিজের সাথে নিজে
অভিনয়  আমায় ভাল থাকতে হয়.. এক
অংগকারবদ্ধ যন্ত্রণার জন্যে, এই ভাবে
মুহুর্তেরা দরজায় কড়া নেড়ে যায় , ছটফট
করা মন ব্যস্ত থাকার অভিনয় করে যায়,
ঘড়ির কাটার তালে সময় হেটে এগিয়ে যায়
অসহায় দৃষ্টি নির্বাক থাকে, অপেক্ষা কাল
একটা সোনালী দিন আর একমুঠো সময়
হয়তবা তোর মুঠোফোনের সুরে আমার
নুপুরের সুর একি তালে বেজে উঠবে,

সেই ছেলেটির প্রেম

----------------------------+
    
সেই ছেলেটা যার বুক পকেটে আরশি
নগরের পাগলিটার জন্যে কিছুটা স্পর্শ
একটা নীল খামে রাখা থাকে,
পাগলির বোবাকান্না ছেলেটার  কবিতায়
শব্দময় হয়ে ওঠে, ছিন্ন ভিন্ন হৃদয়টাকে
পরম যত্নে জুড়তে থাকে নিজের ছাঁচে,
ভালোবেসে পাগলি মেয়ের বোবা না বলা
সব কথা এঁকে ফেলে নিজের বুকের ক্যনভাসে,
আকাশ থেকে রামধনু রঙ পেড়ে আনমনা
দুপুরবেলা সেই মেয়েটির গল্পে রঙ ভরে...
মেয়েটির বোবা বুকে ছেলেটির স্পর্শ...
ভালবেসে মরতে ইচ্ছে হয়.....এ কেমন
ছুঁয়ে থাকা! ছেলেটির বুক পকেটের নীল
খামে একটা গোলাপি বোবা প্রেম বন্দি
থাকতে ভালবাসে, ইচ্ছে করে না ফুরনো
অনেক কথা সেই ছেলেটির কবিতায় থাক,
ইচ্ছে করে না ফুরনো অনেক ক্রোশ
জোতস্নাপথ  ভীষন দুজনে একা পাশা
পাশি সেই ছেলেটি আর আরশি নগরের
পাগলি মেয়ে হাটতে থাকুক... ছেলেটির
বুক পকেটে নীল খামে এখন মেয়েটি
নোনতা বোবাকান্নারা, সেই ছেলেটি
ভালবাসে আরশি নগরের এক পাগলিকে,,

সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৬

একটা বৃষ্টি

----------------
এই ব্যস্ততম শহরের বুকে এক আকাশ
তৃষ্ণা মরিয়া হয়ে তাড়া করছে,
গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে সাবধান করছে
সময়, পাঁজরের ধ্বংসাবশেষ এর ওপর হেটে
সভ্যতা ছায়াজন্মের জাল বিছিয়ে চলছে,
আজ কাল যা কিছু এ মাটিতে ঘটে সবকিছু
অবৈধ সকল নারী সকল পুরুষ সময়ের বুকে
পা রেখে ঈশ্বর হয়ে ভালো থাকে আর বৈধ
অবৈধ অভিধান ছেড়ে চলে যায়  ক্রোশ দূরে
এত্তটুকু স্পর্শ  দুর্ভিক্ষে অসংখ্য শরীরের মাঝে
আহত, বুকে একটা অসম্ভব তৃষ্ণা খাসমহলের
গাঁথনিতে ছটফট করে...একটা অসম্ভব বৃষ্টির
দরকার মরিয়া চাতক আকাশের বুকে গলা
শুকাচ্ছে, সাবধান যত হিসেবি হৃদয় আঘাত
সহ্য করার ভয়ে তালা বন্ধ করে রেখেছ নিজের
অস্তিত্ব..... উত্তলিত ছিন্ন যন্ত্রণা দুহাত বাড়িয়ে
আলিঙ্গন সারবে মরিয়া তৃষ্ণা কে, আজ তাই
এ পথ রক্তাক্ত হবে বাতাস মাখবে সেই আঘ্রান,
একটা সাঁকো আজ আবার হবে এই পৃথিবী
থেকে ওই অপৃথিবী পর্যন্ত,

রবিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৬

সময়ের ক্ষত ----------------------

-------------------

হৃদয়ে চাবুক মারলে যে ক্ষত হয় তার দাগ আত্মা
নিজের ইজেলদানিতে মিশিয়ে রাখে, কিছু মুহুর্তের ভাঁজ
করা পাটেপাটে, যন্ত্রণা সে তো একটা সময়ের অনুরণন,
একটা সময় পুড়ে পুড়ে হৃদয়কে খাটি করছে, এতো খাটি
আসপাশেরঅশুদ্ধি প্রয়োজন গুলো মিলতে মেলাতে পারে না,
তোর একাটা আমি আর আমার একটা তুই ভীষন জরুরী,
জীবন খাতার হিসেব নিকেশ আজ কাল একেবারে মেলে না,
বুড়ো ঘড়িটার আজ কাল স্মৃতি ভ্রম হয়েছে দাগ কেটে সময়
মাপতে পারে না তাই এই বুকের ধুকপুকুনি দিয়ে
একটা সময় একে দিলাম, এক জীবন বরাদ্দকৃত
যদি নাইবা হলো, অনেকটা মুহুর্ত বাঁচা এটাই তো চাওয়া ছিল,
সময়কে ক্লোরোফিল মাখিয়ে স্নান করানো এক নতুন অনুভব,
বাকি টুকু ওপারে পরিপাট্ট হীন এক আদিম জীবন
হাওয়ার পালে আটকানো, হ্রিদয়ের চাবুকের
দাগের কোনো দাগ আত্মাও আর মনে
রাখবে না, সময় ও সময় তুমি সত্য বাকি সব
টুকু মিথ্যে,,

এটুকুই আমার

--------------------
আজ গোধুলি লগ্নের হাত ধরে যন্ত্রণা
হেটেছিল কিছুটা সময়-- একটা নোনতা
জল ছলাত করে আমার চোখ থেকে ঠোঁট
ছুঁয়ে গেল, দেখলাম তোকে গোধুলি ফুল
ছুঁইয়ে দিল, ছাদের কার্নিশে একমাত্র শুকতারার
দিকে তাকিয়ে নিশুতি পেরিয়ে যায় খুব দূরে
হেটে যাওয়া ভোরের দিকে, একটা চিনচিনে
মনকেমন সূর্যাস্ত থেকে স্পর্শটাকে ঘিরে থাকে,
পড়ে পাওয়া চোদ্দয়ানা হারাবার হলেও সবটুকু
সময়ের হাতে, কয়েক আনার মুহুর্ত বিকিয়ে
চালে ডালে ফুটিয়ে বাঁচি যন্ত্রণাকে বুকে টেনে
নিয়ে, অধিকারী  প্রিয় পড়শি গোধুলি তুমি
রঙ মাখিও না আমার ওটুকু বরাদ্দতার
যন্ত্রণায়, তোমার পৃথিবীতে অনেক আলো
আমার যে এক মাত্র রাতপ্রদীপ শুকতারা,
ছলাত করে বুকের মাঝে নোনতা তরল নেমে
আসে, গোধুলি তোমার জিম্মায় এখন আমার
যন্ত্রণা,
তোমার মুখে একমুঠো আলো আমার হৃদয়কে অন্ধ
কারায় দম বন্ধ করে, আলোর পাশে দেখি
এক বুক আকাশ.....আর আমি ভীষন একা
শুকিয়ে যাওয়া নদী-- গোধুলি আমার অনেক
তৃষ্ণা,  এক মুঠো আলোর তৃষ্ণা....
এক বুক স্পর্শর তৃষ্ণা.........
এক নদী স্নানের তৃষ্ণা.........
তোমার এক ভরপুর পৃথিবী  আর
আমার তৃষ্ণা মেটানো যন্ত্রণা ---- রেখে
যেও তোমার উচ্ছিষ্ট সময় আমার
তৃষ্ণার জন্যে,,,

শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৬

যন্ত্রণাকে সাথে নিয়ে

-------------------------
কথা দেওয়া একটা চলন্ত অভ্যেস অথচ
কথা রেখে হাতে হাত রেখে বাঁচা একেবারেই
সহজ নয়, একটা জীবন আর অজস্র কথারা
আসে যায়, উপন্যাসসমগ্র  কখনো  কোথাও
ভীষণ মন ছুঁয়ে যাওয়া লেপ্টে থাকা স্পর্শ,
কিছু উপলব্ধি  যা কিনা আত্মাশ্রয় খুঁজতে
গিয়ে চড়াদামে জতুগৃহ মিলে যায়... মন
চিনতে সময়ের হাতে সময় ফুরিয়ে যায়,
দুটো চোখ একটা চাহনির ভাষাবোধ বুঝে
ভাষাবিদ হয়ে যায়, তবুও দৃষ্টির কিনারা
থেকে মনের জানালার কাঁচে কেবলি কিছু
শিশিরজল গড়িয়ে পরে ভোরের আলোর
আগে, সকল চাওয়া পাওয়ার বাইরে দরজায় কড়া নাড়ে ঘোমটাপরা  এক শুন্যতা, সংগে একটা কফিন , কখনো
শুন্যতা ফিরে যায়  কফিনের বুকে কিছু
কথা রেখে যায়  একটা দম বন্ধ খামে,
এ কথারা কোনোদিন অংগিকার বদ্ধ
থাকে না তাই চলন্ত অভ্যেসের কাছে
আত্মা পরাধীন হলেও স্পর্শ কথা রাখতে
পারে না, 

নিরন্তর চলা


রুটিন  মেনে সূর্যঘড়ির ঘুম ভাঙার আগে
যে আজানএর সুরে একটা হিসেব রোজকার
শুরুয়াত---- জীবন
সব হিসেব সবাই খুশ  খুশ মেজাজ,
একটা নিজস্ব আকাশ সেখানে দুর্নিবার
এ পৃথিবীর নিয়ম...হ্যঁা একটা বাচাকুচা
সময়ের, সকালের কৈশোর  থেকে রাত্তির
বালিশ  তোষক সব কিছুর সাথে, শাড়ির
ভাঁজে নোনতা ঘামে বুকের বিভাজিকায়
জমতে থাকে.... বড্ড হিসেবি শিড়দাঁড়ার
ব্যেথাটাও তাই হিসেবের বাইরে শরীরটাকে
ভালবাসার সুযোগ পায় না--- মনের
স্বজন কোথাও কোন ব্যস্ত কংক্রিটের
জংগলে পথ ভোলা এক পথিক,
বাকিরা অবয়ব ঘিরে প্রয়োজন
অপ্রয়োজনে,  একটা আকাশ আর
একটা সমুদ্র মুখোমুখি চেয়ে আছে..
দেখার সাধ আর অনিয়ম কিছু
আকিঁবুকি বালুকাবেলায় সারাদিন,
হৃদয়ের স্পন্দনের সাথে সমুদ্রের ডাক
মিলে আকাশের বুকে মেখে থাকা
এক সুরের আবেশ...  অসুর বধ মনের
বন্ধ খাঁচের,  মনের ঠিক আর কি কি
থাকে.... সুর অসুর অনুভূতির রকমফের
ইমারত  আর সেখান্ব কখনো  কারো
বাস কখনো  শূন্য ঘর, জীবনভর
এই চারদেওয়ালের এক চিরস্থায়ী
এক বাসিন্দার খোঁজ....  সহজ হয়ে
সহজ নয় এমন হাজারো কঠিন খোঁজকে
ঝিনুকের বুকে একটা সুপ্তির খোঁজ....
একটা বুকের মাঝে আত্মার খোঁজ...
সভ্যতার মাঝে নিরন্তর এক আদিতার
খোঁজ,

বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৬

এখনো যদি আসতে চাও

-----------**------------------
যদি আত্মিক স্পর্শ চাও তবে কোনো
হিসেব মেনো না, বুকে আকাশী স্বপ্নদের
লাগাম ছাড়া এক ঝলকা হাওয়া কে ছুঁতে
দাও.... দু চারটে বোতাম নাহয় বেহিসেবি
হয়ে খোলা রেখো, যদি পাশে পাশে দুপা
হাটতে চাও তবে অনেক কথা বলার আছে,
একটা ফাঁকা বুক পকেটে কিছুটা সময় রেখ
রেখোনা পায়েরছাপে কোনো পিছুটান,
যা কিছু রাখার রেখ ওই বেহিসেবি মহুর্ত
দের খাঁজে, কখনো তোমার দুহাত বাড়ানো
নীল নীল স্বপ্নেরা যখনি ভবিষ্যৎ এর কথা
ভেবে হিসেব কষবে,চলে এস আমার
বেহিসেবি সময়ে এখানে নেই কোনো দাবিদার,
আছে অনুভুতি থেকে অনুভুতির সরিকসেতু,
আছে ছুঁয়ে থাকা একটা ভালবাসা,
এখানে শর্তরা  শর্তহীন, শুধু কিছুটা নিজেকে
ভালবাসা নিজের মতো একটা স্পর্শ  খোঁজা,
তবু যদি আসতে চাও চলে এসো,,

সুজনকে

-----------------------
চাঁদের কার্নিশে বসে কোনো এক
ভেসে আসা হাওয়ার অপেক্ষা করি,
তোর নাম লেখা ঘুড়িটা যখন মেঘেদের
মাঝে গিয়ে তোকে খুঁজবে সুতো কেটে
ছুটি দেব তোর কাছে ফিরে যেতে তু পারবি
তো ধরতে, যখন ভোকাট্টা হয়ে ঘুড়ির সুতো
তোর চিলে কোঠায় ছাদ ছুঁয়ে যাবে....
নিবি সুতো গুটিয়ে কাছে টেনে--
ফেটে যাওয়া  ছিঁড়ে  যাওয়া মেঘের চুমু না পাওয়া ঘুড়িটাকে
নিজের করে নিবি তো,আকাশের ঠিকানাটা
আজ বরাদ্দতায় অন্য কারো, তোর নীল
খামে ভরা ছটফটে সময়টা এখন স্বর্গের
সিঁড়ির নিচে এক অপেক্ষা মাত্র,,

মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬

অভিমান

--------------------------------
অভিমানে মুখ ফিরিয়ে যন্ত্রণা মাখি,
আহত করি বরাদ্দকৃত টুকরোটুকরো
অনুভূতির এক গুচ্ছ সময়কে,
সময়টা কখনো বড্ড সোহাগে আদরে
আকাশের বুকে রামধনু র থেকেরঙ নিয়ে
ছেলেখেলায় মেতে ওঠে,একটা বেঁচে
থাকায় এত রঙ মাখি রাঙাই পাঁজর এ
আটকান বেতালে বাজা সুক্ষ তারটাকে,
এখন যন্ত্রণা জানতে চায় কে তুই বল?
এত রঙ মিলেমিশে এক নতুন রঙ..
নাম যে সত্যি জানা নেই,যন্ত্রণা কে
এড়িয়ে গিয়ে তুচ্ছ ভাবি এমন সাধ্য
হৃদয়ের নেই, জীবনের সব রঙ এর
নাম নাই বা দেওয়া হল,এমনটা হতেই
পারে নাম না জানা কোনো দেশ তবে
এমনটা মানতে দোষ কি যে নাম নাজানা
রঙ হবে, শুধু সে রঙ কালো নয়
অভিমানের সময়টা সোহাগি হয়ে বলে
কেমন হয় যদি কালো রঙ এ পথ হারিয়ে
আর না ফিরি?
সেদিনো কি যন্ত্রণার মনে প্রশ্নরা আসা
যাওয়া করবে,

সময়ের প্রত্যাবর্তন

নিয়মের রোজকার হিসেবি খাতার
পাতার যোগ বিয়োগ কিংবা পাটিগনিত
মেলাতে বসে সুত্রগুলো এলোমেলো
উত্তরে শীত হাওয়ায় দলছুট সাদাকালো
কিছু সংখ্যার ভগ্নাংশ হয়ে একা ভালো
থাকে, একটা হিসেবের খাতায় কত গুলো
হিসেব করা যায় , একটা শৈশব একটা
বেহিসেবি যৌবন থেকে পড়ন্ত বিকেলের
্্হাত ধরে একটা সন্ধে দুপায়ে বাতের ব্যথা
নিয়ে রাতের গভিরতায় একটা ঝলমলে
ফেলে আসা সময়ের হিসেব কষতে থাকে,
সারাটা বেলায় সব হিসেব নির্ভুল এমনটা
তো ঈশ্বর কি পারেন? যদি পারতেন তবে
তবে সব হিসেবি আত্মাদের একত্রিত
একটা পৃথিবী হতে পারতো, আর বেহিসেবিরা
না হয় বেওয়ারিশ বাসি বিস্কুট আর পানশে
চা দিয়ে একটার পর একটা সকাল আনতো,
পারেনি তাই ঈশ্বর  মানুষের অধিন হয়ে
রোজ নিজেকে প্রমান করতে ব্যস্তবাগীশ,
তাই বলি ঈশ্বর  তুমি বড়  না দুনিদারি বড়,
স্বর্গ রাজ্যের দুনিয়াদারির হিসেব রাখা এক
কলের খুড়ো আজ কাল এই পৃথিবীর
গলি রাস্তার ধারে গাছের তলায় সহজে
অংক শেখানোর সরল কি যেন  এক পদ্ধতি
দোকান খুলেছে, ভাবছি একদিন সময়ের
কাছে কিছুটা সময় ধার করে হিসেব
মেলাতে গেলে হয় কেমন' সূজন'
তোর শহরের পথ চলার হিসেব কি
কখনো  অংক নিয়ে কাটাকুটি খেলে?
আমার মেঠো পথে তো রোজ কিছু
ভুলেরা গায়ে গা লাগিয়ে পায়ে পায়ে
খুনসুটি খেলে, সময়ের প্রত্যাবর্তনে বার
বার বেহিসেবি হতে বেশ লাগে,
একটা অভিযান আজ কাল কানে আসে
'সচ্ছ ভারত অভিযান ' তাই বেহিসাবি
কাটা কুটি খাতাটা একদিন হিসেব মেনে
রি-সাইকেল বিনে হারিয়ে যাবে,
আর    বেহিসেবি সময়কে বড্ড
খুঁজে বেড়াব,

একটা মেরুদণ্ডর খোঁজ

মেরুদণ্ডর গা বেয়ে কুমেরু বরফ নামছে
ঠিক একটা শীতল গোখরো যেন
তার পথটাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বীষবাধনে
বেধে নামছে, একটা ঘুণপোকা গোখরোর
বীষ থেকে সদ্য জন্মনিয়ে মারুদুন্ডের আনাচ
কানাচে কোথাও একটা ঘর বাধবে, উল্টো
দিকে হৃতপিন্ডটা একটা কম্পন মৃদু,
একটা প্রিয় ইচ্ছা মৃতুর ঠিক এই সময়
খুব দরকারি.... নয়তো দরকচা হৃদয়ের
দাম মিলবে না যে, বাজারি চাহিদায়
একটা ঘুনধরা শিরদাঁড়ার ঠিক কতোটা
দাম হবে কি আদৌও দাম কি পাওয়া যায়,
যে ফসিল আছে তার কিছু ইতিহাস একটা
কবিতায় এ শহরে যদি বা পরিচিতি পায়,
যেমনটা বনলতা আজ খুব খুব পরিচিত,
মুহুর্তর জমে একটা আয়ুরেখার পথ
আর ঠিক তারপরেই একটা ঠিকানা হয়তো
বা পাকাপাকিভাবে সাদা কলো শব্দ দের
হাত ধরে পৃথিবীতে ইতিহাসে ঠেসাঠেসি করে
ইমারত গড়া, ইমারত শব্দটা বড্ড বড় বরং একমুঠো আলো আর চারটে দেওয়ালেই
একটা ঘুনধরা ফলিস কোন এক ইতিহাসবিদ এর অপেক্ষায় ঘুমিয়ে থাকা
এটাই একটা প্রিয় ইচ্ছামৃতুর জন্যে যথেষ্ট,
কোন এক রাতে একটা শীতঘুম এ পৃথিবীর
সব সরিসৃপ দের চোখে ছেয়ে থাকুক ক্লান্ত
হোক মেরুদণ্ড বেয়ে চলা সব বীষফনা, তাহলে হয়তো দুচারটে ঘুন ছাড়া শিরদাঁড়ার
সঠিক মূল্যদান এই পৃথিবী পাবে,

তুই আমার তুই

------------_--------
রঙ তুই আমার সেই তেজপাতা রঙের চোখের জল দিয়ে ভালবাসা তুলি তে যে কটা টান দিয়ে চোলেছিস এই অমসৃণ ক্যনভাসটায় সেই রঙ কত রুপ পায় জানিস একটা রাতজাগা কৃষ্ণকলি চোখে
টুকরো কিছু আবেশ....
খানিকটা তোর নিকোটিন মাখা আগুন সেখা ঠোট এর
স্বাদের মতো..... বেশ লাগে
তোর বুকে আমার ভাঙা বিশ্বাসেরা যখন বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে সবুজ
নিশ্বাস এর আনাগোনায় বেঁচে ওঠে,আমার চোখের চাউনি তোর নীল চোখের
রঙ নিয়ে একদিন এক ইতিহাস, যে ছেলেটা খুব খুব
একলা এই শহরের পথে পথে তার বুক ছুঁয়ে একটা তিল নিবিড় প্রেমেজর্জর,
শেষ না হওয়া হাজারো গল্পগুচ্ছর মাঝে এ এক রুপালি তবকে মোড়া রাধা
কৃষ্ণর অন্তহীন বয়ে যাওয়া এক নদী দুপারের মুখোমুখি বেঁচে
থাকার গল্প, জানি
তোর কলমে বেশ অলংকৃত হয়ে নববধুর
রুপে সাজে, কনেদেখা
গোধুলি তোর তুলির টানে
আমার এক তৃপ্ততার রুপরেখা একে যায়, আর হাতের রেখায় আগামির
একটা গোটা জীবন বায়নাপত্র দিয়ে রাখে,আমাদের জলন্ত
ক্ষিদে আমাদের অ -তিথি
আমাদের এক আকাশ বেঁচেথাকা

শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৬

বেবাগ মন তোর-

-----------------------
আয়নার বুকে কৃষ্ণচুড়ার এক রঙিন
প্রতিবিম্ব.... ভীষন কাছে থেকেও
দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গন করা যায় না,
প্রেমের যন্ত্রণায় কবিতা হাসে কাঁদে,
প্রজাপতি উড়িয়ে যায় কাঁচের বুকে
সোহাগ পরাগ.....তোকে মনে করিনা
আমি কখনো --তুই মনেই পাকাপাকি
বাস করিস, তোকে লিখিনি সেভাবে
তুই আমার হৃদয়ের ছন্দের বোল,তোকে ছুঁয়ে
দেখিনা কখনো আমার ভেতর বয়ে
চলেছিস গোপোনে সংগোপনে..
সময় লিখুক আয়নার বুকে এক
অনিয়মে পাওয়ার উপন্যাস,  এ পৃথিবীতে
ঠিক কত কৃষ্ণচুড়া রোজ ফোঁটে তার খবর
আজ কাল তুই রাখিস না,বড্ড নেশায়
টলছিস সময় অসময়..... বেপরোয়া
মনে শব্দেরা  স্তুপাকার মুহুর্তে মুহুর্তে,
মোহের সুতোয় কোন গিঁট ছাড়াই
কবিতারা আসে যায়, নিমিষে লোমকূপ
এর মাঝেমাঝে একতারায় মেঘমল্লার
বেজে ওঠে, একটা বৃষ্টি নামে কৃষ্ণচুড়ার
বুক বেয়ে আয়নার বুকে, একটা আত্মা
ছোঁয় আর এক আত্মিক অনুভুতিকে,
হাওয়ার হাতে হাত রেখে সৌরভ মাখি
আমরা, একটা চাঁদের আলোয় তুই আমি
আমরা আলোকবর্ষ হেঁটে যাই হাসতে হাসতে,

স্পর্শ লিখি

-----------------------
একটা স্পর্শ  লিখি বুকের মাটিতে
লিখতে গিয়ে যে মাটিটুকু জড়ো হয়
তাতে ধোঁয়া লাগা অশ্রুজল মাখিয়ে
একটা মুর্তি গড়ি, বাকি জল টকু দিয়ে
একটা নদী---- একদিন তীব্রডুবে
ওপারে উঠব জেগে,
ওপারে গাছপালা ফুলেদের বলবো
একটা সাধের মৃতুর অভিজ্ঞতা,
"হারকে দিল আপনা ইয়ে জিত অমর
করে দেওয়া" এক বাজিকরের গল্প
বুকের মাঝে তখনো অক্ষত,
ওপারে বাজিকরের ঘোড়ার গতি
মন্থরিত নয়,সভ্যতাও আগাম
জেনে রাখ তোমার প্রোয়োজন হয়তোবা
নেই, বরাদ্দতাও  অভিধানে পথ হারিয়ে
নিজেতে মসগুল থাকবে চীরতরে,
তাই এখন তীব্র আঁচড় কেটে নিয়মিত
স্পর্শ লেখার  সময় খুঁজি অপরের
নির্ভরশীল বেলা অবেলায়,
মুখচোরা জীবন তাগিদকে ছাইয়ের
মধ্যে লুকোনো, মাঞ্জা দেওয়া দুনিয়াদারিতে
আঙুল সয়ে গেছে কাটা ছোড়াকে তোয়াক্কা
নেই, যে স্বপ্নের এখন ভীষন শীতঘুম ওপারে
স্বপ্ন জেগে উঠে কাহিনী লিখবে সাঁজু রুপাইয়ের,,