মেরুদণ্ডর গা বেয়ে কুমেরু বরফ নামছে
ঠিক একটা শীতল গোখরো যেন
তার পথটাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বীষবাধনে
বেধে নামছে, একটা ঘুণপোকা গোখরোর
বীষ থেকে সদ্য জন্মনিয়ে মারুদুন্ডের আনাচ
কানাচে কোথাও একটা ঘর বাধবে, উল্টো
দিকে হৃতপিন্ডটা একটা কম্পন মৃদু,
একটা প্রিয় ইচ্ছা মৃতুর ঠিক এই সময়
খুব দরকারি.... নয়তো দরকচা হৃদয়ের
দাম মিলবে না যে, বাজারি চাহিদায়
একটা ঘুনধরা শিরদাঁড়ার ঠিক কতোটা
দাম হবে কি আদৌও দাম কি পাওয়া যায়,
যে ফসিল আছে তার কিছু ইতিহাস একটা
কবিতায় এ শহরে যদি বা পরিচিতি পায়,
যেমনটা বনলতা আজ খুব খুব পরিচিত,
মুহুর্তর জমে একটা আয়ুরেখার পথ
আর ঠিক তারপরেই একটা ঠিকানা হয়তো
বা পাকাপাকিভাবে সাদা কলো শব্দ দের
হাত ধরে পৃথিবীতে ইতিহাসে ঠেসাঠেসি করে
ইমারত গড়া, ইমারত শব্দটা বড্ড বড় বরং একমুঠো আলো আর চারটে দেওয়ালেই
একটা ঘুনধরা ফলিস কোন এক ইতিহাসবিদ এর অপেক্ষায় ঘুমিয়ে থাকা
এটাই একটা প্রিয় ইচ্ছামৃতুর জন্যে যথেষ্ট,
কোন এক রাতে একটা শীতঘুম এ পৃথিবীর
সব সরিসৃপ দের চোখে ছেয়ে থাকুক ক্লান্ত
হোক মেরুদণ্ড বেয়ে চলা সব বীষফনা, তাহলে হয়তো দুচারটে ঘুন ছাড়া শিরদাঁড়ার
সঠিক মূল্যদান এই পৃথিবী পাবে,
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬
একটা মেরুদণ্ডর খোঁজ
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন