মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬

সময়ের প্রত্যাবর্তন

নিয়মের রোজকার হিসেবি খাতার
পাতার যোগ বিয়োগ কিংবা পাটিগনিত
মেলাতে বসে সুত্রগুলো এলোমেলো
উত্তরে শীত হাওয়ায় দলছুট সাদাকালো
কিছু সংখ্যার ভগ্নাংশ হয়ে একা ভালো
থাকে, একটা হিসেবের খাতায় কত গুলো
হিসেব করা যায় , একটা শৈশব একটা
বেহিসেবি যৌবন থেকে পড়ন্ত বিকেলের
্্হাত ধরে একটা সন্ধে দুপায়ে বাতের ব্যথা
নিয়ে রাতের গভিরতায় একটা ঝলমলে
ফেলে আসা সময়ের হিসেব কষতে থাকে,
সারাটা বেলায় সব হিসেব নির্ভুল এমনটা
তো ঈশ্বর কি পারেন? যদি পারতেন তবে
তবে সব হিসেবি আত্মাদের একত্রিত
একটা পৃথিবী হতে পারতো, আর বেহিসেবিরা
না হয় বেওয়ারিশ বাসি বিস্কুট আর পানশে
চা দিয়ে একটার পর একটা সকাল আনতো,
পারেনি তাই ঈশ্বর  মানুষের অধিন হয়ে
রোজ নিজেকে প্রমান করতে ব্যস্তবাগীশ,
তাই বলি ঈশ্বর  তুমি বড়  না দুনিদারি বড়,
স্বর্গ রাজ্যের দুনিয়াদারির হিসেব রাখা এক
কলের খুড়ো আজ কাল এই পৃথিবীর
গলি রাস্তার ধারে গাছের তলায় সহজে
অংক শেখানোর সরল কি যেন  এক পদ্ধতি
দোকান খুলেছে, ভাবছি একদিন সময়ের
কাছে কিছুটা সময় ধার করে হিসেব
মেলাতে গেলে হয় কেমন' সূজন'
তোর শহরের পথ চলার হিসেব কি
কখনো  অংক নিয়ে কাটাকুটি খেলে?
আমার মেঠো পথে তো রোজ কিছু
ভুলেরা গায়ে গা লাগিয়ে পায়ে পায়ে
খুনসুটি খেলে, সময়ের প্রত্যাবর্তনে বার
বার বেহিসেবি হতে বেশ লাগে,
একটা অভিযান আজ কাল কানে আসে
'সচ্ছ ভারত অভিযান ' তাই বেহিসাবি
কাটা কুটি খাতাটা একদিন হিসেব মেনে
রি-সাইকেল বিনে হারিয়ে যাবে,
আর    বেহিসেবি সময়কে বড্ড
খুঁজে বেড়াব,

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন