মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬

.তোমাদের বাড়ি

----------------------------
তোমাদের বাড়ি থাকি জন্মান্তরের
অংিগকারে.... এক সূর্যাস্ত থেকে আর
এক সূর্যাস্ত তোমাদের ঘরের আনাচ কানাচ,
আমার অবাধ গতিবিধি,
ওই সূর্য র দেওয়া একমুঠো আগুন বুকে
ধিকধিক করে  রোজ পোষ মানে,
সেই আগুনে তোমাদের
ঘরের দেওয়াল মেঝে গরম রাখি, কারন
কনকনে শীতের রাতে ভীষন রকম
ঠান্ডা, আর আমি তখন ঘরছাড়া,
তোমাদের বাড়িতে আমার বসবাস তবুও
ঠিকানাটা স্থায়িত্ব পায়না মৃতু অবধি,,
তুমুল বর্ষায় তোমাদের উঠোন বানভাসি,
আমি আমার চোখে সেই বর্ষাকে বাধ দিই,
যাতে ফের চৈতী তৃষ্ণায় তোমরা সবুজে
থাকো,,
তবু এ উঠোন আমার নয় তোমরা জানিয়ে দাও
বারংবার,,
আমার নাকি একটা রক্ত মাংসের শরীর আছে,
জন্মসুত্রে পাওয়া, তোমরা জানয়েছো সেটা
আমার নয়,
তোমাদের অলিখিত চুক্তিপত্রে খদিত
সেটা তোমাদেরই,,
আপত্তি ছিলনা আদিতেও অন্ততেও নেই,
তোমাদের বরাবরই আপত্তি থেকে গেলো
আমাকে তোমাদের বাড়ির বাসিন্দা ভাবতে,
তবুও আমার বৃষ্টি, আমার উষ্ণতা, আমার
স্পর্শ তোমাদের আপন ভাবতে পারে,,
তোমাদের উঠোনে কোজাগরীর আলোয়
আমার দেওয়া আলপনা চিরন্তন।
কখনোবা তোমাদের কার্নিশ জুড়ে আমার
ছেঁড়া আস্তিন। আমি তোমাদের কেউ হবার
দাবি জানাবো না কখনো কথা দিলাম,
কথা দিলাম তোমাদের বাড়ির উঠোনে
চাইবো না আমার কবরের একটুকরো জমি।

রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৬

ঈশ্বরতা

-----------------------
আগল চাওয়া আর ঈশ্বরতা এক নয়,
যেমন আশ্রয় আর আশ্রয়ী,
দেবী রুপে দশভুজায় লালিত সংসার....
অথচ মাটি দিয়ে তৈরি হয়েও মাটি ছোঁয়ার
সাধ অতৃপ্ত,
চোখের কোল বেয়ে দেবীর ক্লান্তি যেন
বিশ্বসংসার অন্ধকার,
একটা আকাশের বুকে সময়ের আলোড়ন
আর জন্ম মৃতু যেন পরিপূরক,
দেবী কে ছুঁয়ে অগুনিত জীবন আর দেবী
বাঁধা আষ্টেপৃষ্ঠে খড়কাট দড়িতে,,
ছটপট প্রান যেন মুক্তি চায় সামাজিকতার
দায়ভার থেকে, নিজের ছায়ার মত
জড়িয়ে আছে আবছা প্রশ্নেরা,,
কেউ ছুড়ে দেওয়া ফুলের সাথে জানতে
অভ্যস্ত নয় কেমন আছ মা আজকাল তুমি?
কিংবা তুমি তো সর্বেশ্বর এই ভুমিকায়
হাপিয়ে গেছ কখনো?
চোখের কোল বেয়ে জল দেখে ভাবছ
বিসর্জন এর দু:ক্ষে বুঝি বৃষ্টি নামে,
অথচ আভরণ আর আবরণ এর পেছনে
দেবী না হয়ে রক্ত মাংসের। মানবী হওয়ার
সাধ যেন অতৃপ্তই রয়ে যায়,
আর্তিটুকু ছাপিয়ে যায় সমাজ আর সংসার,।

বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৬

নির্বাসিত তুমি ও আমি

----------------------------------
নির্বাসিত  তুমিও আমি অনেক্ষানি,
একটা ভীষণ সবুজ সংসারের খুব
কাছ ঘেষে  তুমি আমি,,এক সমুদ্রকোল ছুঁয়ে
শূন্যতার  দ্বীপ,
তুমি আর আমি আজীবন নির্বাসিত,
একটা স্নিগ্ধ শান্তি তোমার কপাল চোখে
ছুঁইয়ে দিলাম জীয়নকাঠি,,
আমার বনবাস তোমার সাথে কতটা বা
কতটা পথ তুমি আমি এতো ভেবোনা,,
ভেবোনা সংসারী হওয়া তোমার বা আমার
বেমানান,
সবটুকু ঠিক যদি পুর্নতা পাও হৃদয়কুঠুরির
চিলেকোঠা পর্যন্ত,তবে মিশে যেও।

এক শ্রাবন বৃষ্টি তোমার সংসারে ধনধান্যে
পুষ্পে ভরা আর তোমার বসুন্ধরায় আমি
বিকেলে কিংবা ভোরে আলগা অভিমান,
নির্বাসিত হয়েও তুমি থাকবে বৃষ্টিভেজা
সবুজ,,
বাসন্তিকা হওয়া নাই বা হল অনেক্ষানি
পাওয়া রইল জন্মান্তরের দিনান্তে,
কেন এমন, কি বা অজুহাত, চেনা দুচোখে
আলোর তারিখ, এসব না হয় বলা বারন
রয়েই যায় কখনো কখনো,
চুল ঢাকে ঘুম আমার মুখের পরে চোখের
পরে, পলাতক রাত তোমায় ভাবায় রাতের
শেষ প্রহরেও,,
ভালো থেক বলি বার বার,
কারন এখনো তুমি আমি নির্বাসিত কোন এক
সবুজ সংসারের সবুজ দ্বীপে,,

শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৬

তোমার কথা

---------------------------
আমার বাড়ির পথের বঁাকে একটা সদ্য
বাজ পড়া গাছের বুকে তোমার যাপন
টের পেলাম,
আমি নীলাঞ্জনা, আকাশলীনা, কিংবা
নীরা এদের কাউকে তেমন করে
চিনিনা, 
শুধু কয়েকবার ওদের দেখা পেয়েছি
কোন এক কবিতার পথের বাঁকে, সে তো
অনেক দিনের কথা,  কিন্তু সদ্য দগদগে
পোড়া গাছটার মুখে এক আর্তি....
তার বুকে ভস্মে লেখা আবছা যে নাম
আমি চমকে গেলাম,..... সে তো যন্ত্রণা,
তবে সবুজের বুকে কেন গলা শুকানো
কোন যন্ত্রণা!
ভয় পাওয়া বুকে ভাবি তবে প্রশান্তি কোথায়?
বুঝলাম তুই ভাল নেই, তোকে  ভালো রাখতে
পারিনি কখনো,
মনে হল বাজটা সবুজ গাছটাকে না
পুড়িয়ে আমাতে সেঁধিয়ে গেলে হয়তো
কিছুটা সবুজ এই পৃথিবীর জন্যে রাখা
যেত,
হয়তো ভালো থাকতিস 'সুজন'
ভাল থাকা মানেই তো সবুজ থাকা
কিরে তাই তো?
আমার বাড়ির বাঁকে সদ্য বাজ পড়া
গাছটাকে দেখে  বুঝলাম
ভালো থাকা কিংবা ভালো রাখা
ততটা সহজ নয়,,


বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬

নখের আঁচড়

------------------------------
দেশ কাল পেড়িয়ে একটুকরো জমি
খুঁজেছিলাম  নাড়ী সত্ত্বা কবর দেবার জন্যে,,
রক্ত মাংস আর কয়েকটা হাড় সামাজিক
চীল শকুনের মজলিশির প্রয়োজন,,
আয়োজন অনেক, নিয়ম আর সু
এই নিয়ে মাত্রা টানা, গভির প্রেমও
তার আসার পথ ভুলে যায়,  পড়ে থাকে
চিবিয়ে ফেলা ডাটার ছিবড়ে টুকু,
পরিচয়গুলো জীবনভোর ধারের খাতায়
জোড়াতলি দিয়ে,  কখনওবা.... 'ঘর সংসার
আমার আর চাবিরতোড়া তোমার',,
চামড়ায় পৃথিবীর মানচিত্র সামাজিক
নখে নখে, তবুও ফুরোয়না পথ আর
অন্ধকার হয়না চোখের আলো,
শুনেছি শুকিয়ে যাওয়া নদীও মাটির
বুকে হাড় পাঁজরের বিভাজিকায়
বেঁচে থাকে, তার অস্তিত্ব কেবল দৃশ্যিত
নয়, কবরিত......
তাই দেশ কাল পেড়িয়ে একটুকরো জমি
খুঁজে চলেছি মাটির ভেতোর মাটির বুকে
ভেজাব নাড়ী অস্তিত্ব,, আর সামাজিক
নখের আঁচড় পথে বইবে লুকনো কোন
নদী।

চলে যাস

--------------------
যদি চলে যাস কখন, মোচড়ান বুকের
কান্নায় বিদায় জানাবো না,
অস্থির বাতাসে উড়িয়ে দেব চোখের বাষ্প,
তোর স্মৃতি থেকে মুছে দেব কিছু ক্ষনকাল,,
আর মুক্ত আকাশে যত দূর চোখ যায়
যত দূর  যায়  ফুলেদের রেনু, তোকে
দেখিয়ে দেবে সেই পথ কোন এক শংখচীল,,
   ভালো থাকাটা বোধহয় আমার আর হলনারে
'সুজন',,
তোকে ভাবতে পারি আমার মত করে কিন্তু
ছুঁতে গেলে একজোড়া পাখনা দরকার,,
আমার ডানায় অজস্র ক্ষত,,
তুই আকাশ হয়েই থাকিস রামধনু রঙ
তোর জামায়,
আমার জন্য একমুঠো বৃষ্টি ফি বছর
পাঠাবি এইটা কি সামাজিকতারর দায়রায়?
আজ কাল ভাবনারা আমায় মাতাল করে
এলোমেলো করে রাখে......
কেন যে আজকাল তোকে চোখে হারাই
নিজেও জানিনা!
পাওয়াটুকুর থেকে না পাওয়া তুই অনেক্ষানি,,
যদি ভালো থাকার জন্যে যাস মোচড়ান
বুকের কান্নায় জানাবো না বিদায়,,
ভাল থাক তুই তাহলে আমি পুর্নতা পাব,,
যদি চলে যাস  ভুলে যাস আমার কখনো
ছিল নদী ভরা জল,,
আকাশ হয়ে পাঠাস ফি বছর একমুঠো
বৃষ্টি,,,
যদি চলে যাস........





দূরে কোথাও

------------------------
বুকের ভেতোর রক্তক্ষরণ দেখতে পাওনা
বলে চামড়ায় আঁচড় কাট আর রক্ত
খুঁজে ফের,
যাপন যখন জীবনকে ছাপিয়েছে আমার
ঠিক তখন থেকে ঠিকানা হারিয়ে গেছে,
রোজ সহস্রবার খুঁজেছি আমার মাটি
আমার দেশ আমার শহর কিংবা গ্রাম
হয়তো বা পৃথিবী,,
আমার কিছু থাকতে নেই বুঝিনি -- মানে
আমার কোন নিজস্ব ঠিকানা আমার জমি,
জমি বলতে কি বা বুঝি যা তোমরা বোঝাও,,
আমার কেন নিজের একটা জমি থাকবে না
বার বার জানতে ইচ্ছে করে তবুও তোমাদের
কাছে আমার প্রশ্নরা মাথা নিচু করে দাঁড়ায় না,,
শুনছ সমাজ আমাকে সু কিংবা কু তোমরা
তকমা দাও, আমার জীবনে প্রথম পুরুষ
আমার ঊরু দিয়ে গড়িয়ে পড়া রক্তে নিজের
গৌরব খুঁজে নেয়,
আমি হাসি অট্টহাসি তে ফেটে পড়ি,
আমার রক্ত মাংস আস্বাদিত করে আমারি
হাড় দিয়ে তোমাদের ঘরের কড়িকাঠ,,
তবু আমার কোনো জমি নেই,
নেই একটা নিজের দেশ,  নেই এক টুকরো
পৃথিবী,,
আমার সু বা কু হতে ইচ্ছে হয় না,  ইচ্ছে
হয় পাখি হই, আর আকাশ থেকে তোমাদের
পৃথিবি দেখি,,   আমার বুকের রক্তক্ষরণে
যে নদী বইছে তাতে তোমাদের সূর্য
ওঠার আগে স্নান সারি আমার রক্তে
আমার কথা লিখি, বড় সাধ হয় পাখি হই,,

মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৬

শুন্য থেকে

----------------------
শহরের প্রতিটা গলির মোড়ে একটা গল্পের
ফিসফিসানি  শোনা যায়,
সামনে দাঁড়ালে বড্ড ফাকা এই গলি কিংবা
চৌরাস্তার মোড়, এক যে আছে কন্যার মত
কোন এক ছেলের গল্পও কখনকখন বুকে
ছলাত করে ঠাণ্ডাবোধ জাগায়,
চিল কিংবা শকুন হয়ে মাংসের খেলায়
আজকাল এশহর মাতে,
সেই ছেলেটার প্রথম নারীর শরীর ছোঁয়া
স্নেহ পেরিয়ে এক পর্দা সরে যাওয়ার অনুভব,
গলির পর গলি আর গল্পদের চুপকথা,
আজ কাল শহরময় ছেলেটা মাংসের
গন্ধ খুঁজে ফেরে, তার নাকে কৈশোর
গন্ধের সাথে কোন এক দিদি মিশিয়ে
দিয়েছিল মাংসের গন্ধ,
আজকাল ছেলেটার বুকে চামড়ার পোড়া
গন্ধরা ঘর বাঁধে,
কেন শহরের গলির মড়ে গল্পেরা রোজ
রোজ আত্মহত্যা করে?
কেন সময়কে জাপ্টে ধরে বুকের ভেতর
বন্দি করা যায় না? কেন কিশোর ছেলেটার
বির্জ থেকে আজ কোন রক্ত করবী জন্মাতে
বাধ্য হয়,
কেন আজ চৌতিরিশ বছরের ছেলেটা ঘুমের
মধ্যে আতঙ্কিত হয়ে কুঁকড়ে যায়,
সেই ছেলেটার ঘুম ভাঙুক আর আকাশ
থেকে শহরের প্রতিটা গলি মড়ের গল্পদের
দেখুক, আর গল্প গুলোর মুখে চিৎকার
ফুটুক, লজ্জা পাক এই শহর,,

বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০১৬

প্রথম স্পর্শ

--
বৃষ্টির প্রথম প্রেম কে? আষাঢ়ষ্য প্রথম
দিবস না কালিদাস! তুমি জানতে
চাইলে সে দিন,,  ভাবনারা
এলোমেলো উড়ছিল চোখের পরে
মুখের পরে,,
মনে পড়ে যে দিন মেঘবালিকার আনন্দে
ময়ুরের পেখমে প্রথম নাচন.... মনে
পড়ে টিনের চালে নূপুরের অবিরাম সুর,
আর জানতে চেয়েছো বসন্তের প্রথম
প্রেম এর নাম সে কি আবীর না কিংশুক
তাও বলতে পারবো না......শুধু জানি
যে দিন আকাশে রং ছিল গোলাপি আর
কোপাইয়ের বনপথ  ছিল আগুন রঙা
পাপড়ি বেছানো,  সে দিন কি যেন এক
অভিষেকের আনন্দ সুর গাইছিল বাতাস,
আর তার তালটি বুকে নিয়ে দুলে
উঠেছিল রৌদ্র ধোয়া সবুজ গাছের পাতারা,
তুমি হাসছ জানি আমার এ প্রলাপ শুনে,
তবে কি জান? আমিও আষাড়ের প্রথম
দিন চিলেকোঠারর ছাদে ভিজেছি বহুক্ষন,
পায়ের নূপুর জোড়াও শিখেছিল নতুন
কিছু তাল....,
আর বসন্তের আবীরখেলায় ছিল কিংশুক
আমার খোঁপার নিবিড়ে.....,,
এবার তুমি বল কার প্রথম প্রেম কে,,?

সোমবার, ১ আগস্ট, ২০১৬

ভালো আছি

-------------------
প্রথম চায়ের চুমুকে তোমায় ভেবে
ভালো থাকি, ভালো থাকি সারা বেলার
সূর্য যখন তোমার মুকুটে রঙ ছড়ায়,
ভালো থাকার বিকেল বেলায় তোমায়
ভেবে বৃষ্টি মাখি, শহর জুড়ে মিছিল এখন
আমার পাশে তোমার চলা,
অন্ধকারে হাত বাড়ালেই তোমার প্রদীপ
আমার পরে, না বলা কথা আমার চোখে....
তখন তুমি ভীষন কাছে,
দারুন শীতে তোমার তুমি আমার উষ্ণ চাদর,
আমার ঘুমের একটু আগে তুমি দাঁড়াও স্বপ্ন
হাতে,
কালের ঘরে সময় কম তবুও তোমার
প্রহর কাটে আমায় নিয়ে,
আমার প্রহর শুধুই তুমি,,  হাসছ জানি
পাগল ভেবে,  ভালো থাকি রোজ যখন
ভালোবাসি ভীষন রকম।

ভাবনায় তুমি

--------------------------
তোমাকে ভাবতে বসিনি কোনো অবসর
কোনে, সকাল বিকেল আর রাতের সন্ধিক্ষন
তোমার ধমনি শিরা হয়ে আমাতে বয়ে যায়,,
সুজন কখনো মনে করতে হয়নি তোমার
নিজস্ব গন্ধ,  প্রতিটা প্রহর মেখে থাকে
আনমনে সেই গন্ধ,
যন্ত্রণা  আমার ভীষণ রকম প্রিয় আমি
যখন তোমার দরজার বাইরে আমার চিবুক
বেয়ে নোনা জল..... তুমি সজ্জিত ঘরের
বাইরে খুব সাবধানে রুমালে একমুঠো
প্রেম এনে আমার গাল ও চিবুকে বুলিয়ে
দাও,
আমি ভুলে যাই আমার দায়রাটুকু,
সামাজিক ভাবি নিজেকে....অথচ
আমি যে কখনো সমাজের সু নই,,
সুজন তুমি ভাবছ এ আমার অভিমান
তবে তোমার ভাষায় তাই,  আমি জানি
জীবন এতো সময় আমাকে দেবে না
যাতে আমিও কখনো তোমার হাতে
হাত রেখে সামাজিক হই,,
আর তাই তো আজ আমি হেসে
চিৎকার করে জানিয়ে দিই আমি সামাজিক
হতে চাই না সুজন,, তোমার ফ্রেমে আমি
বেমানান তাই আমার মনের দেওয়ালে তুমি
বন্দি, তোমার ঘরে সুগৃহিনি তাই আমি একলা
গোছাই  ঘর আমার ভেতোর,
তোমার সন্তান দুধেভাতে  তাই আমাদের
সন্তান বাজারি দরকচা,,
ভাবছ আজ আমি কেমন যেন অচেনা?
তোমার অলি গলি লুকোনো রাস্তায়
আমি এমন করেই রোজ হারাই আর
নিজেকে মনে হয় আমি কে কি আমার
পরিচয়?  তবুও তোমাকে ভাবতে বসিনি কখনো
কোন মনের কনে দেয়াল ঘেঁষে.... কারন
আমার শুরু থেকে শেষ সবটুকু জুড়ে
তুমি শুধু তুমি।।