বাসি খবরকে বরফ কুচি দিয়ে জীবিত রাখা অভ্যাস যে বদলে ফেল দরকার তোমায় কেউ
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ভুলতে হয় কখনও কখনও
বাসি খবরকে বরফ কুচি দিয়ে জীবিত রাখা অভ্যাস যে বদলে ফেল দরকার তোমায় কেউ
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আমাদের কথা,
কালের বিষ ফোড়ন
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ফরিয়াদি কাহিনী
গন্ধর্ব
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
অনাত্মীয় হয়ে
তাই বহুদিনের বাসি কাব্য পড়ে আছে অসম্পূর্ণ
একটি পঙক্তি শব্দরা আমায় শূণ্য করে গেছে ফিরে ,
তুমি ফিরে তাকাও না বহু কাল
তাই আমার ইজেলদানির থেকে ঝরে গেছে দিনের আলো ,সামান্যতম স্নেহের অভাবে আমি
তুমি মুখ ফিরিয়েছ বলে
চুপচাপ ক্ষয়ে গেছি বাইরে ভেতরের দেওয়াল,
হয়ে গেছি নিঃস্ব,
শুধু তোমার উপেক্ষা আমার
পরাজয় মেনেছি এভাবে ,
হোঁচট খেয়ে শুরুতেই হেরেছি ,
ধীরে ধীরে চলে গেছি অজ্ঞাতসারে
কাউকে বলিনি কিছু, বুঝতে দেইনি এই গোপন
ব্যর্থতা, আমার একান্ত থেকে যাওয়ায় রয়ে যাক ,
শুধু আমি জানি
মুগ্ধ কিশলয় ফোঁটা না ছিল খুব কঠিন না ছিল সহজ ,
তোমার সযত্ন অবহেলার পরিচর্যা ব্যতিরেকে
নিরাময় হয়েছে কখন পুরোনো ক্ষত
তুমি ফিরে তাকাওনি বলে রৌদ্রদগ্ধ হয়ে গেছে
হৃদয়ের ঘন বনাঞ্চল
তুমি মুখ ফিরিয়ে নিয়ে
এই গ্লানি এই পরাজয় আমার চিরন্তন করেছিলে,
দিনরাত্রি হয়ে গেছে উসকো-খুসকো,
এলোমেলো, সঙ্গতিবিহীন যেন
সবখানে থেকে যায় একটা না একটা ছেঁড়া তার
তাই আমাকে বেড়াতে হয় বেদুইন
শুধু তুমি ফিরে গেলে একলা করে
কোথাও খুঁজিনি ঠাই,
একমাত্র তুমিহীনা হয়ে
ভিতরে-বাইরে এক অপার ব্যর্থতা
শুধু একলা করে চলে গেলে বলেই
মরুভূমি গিলে ফেলেছে আমায় গোগ্রাসে ।
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আমার প্রতিবেশী
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
অবান্তর
ভেবেছিলাম হঠাৎ তুই এই শহরে
আমার চলা রাস্তা রুখে
জাপটে ধরে বলবি, ‘আমায়
যাচ্ছিস কোথায় একলা ফেলে,,
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি তখন ডাঙা মনের মোড়ে জল থই থই,
গাল গড়িয়ে নামবে তখন ছায়ার মত বাসি কাজল,
জানিস না তুই, পাখিরা রােজ ওড়ে
আমার হয়ে ওই শহরে ক্লান্ত হয়ে
ডানার ভাঁজে মুখ ঘষে, বেশ কাউকে
বোধহয় ভালবেসে ।
, ওড়না যখন শেষ রাতের আলো মাখে
এক মুহূর্ত থমকে কলকাতা ঠিক আমার মত
কেউ মনে হয় পথের ভুলে এসেছিল সংগ দিতে,
আমি বরং সন্ধ্যা তারার অস্ত
রাগে একলা তখন কার যেন খুব বুকের কাছে,
বৃষ্টি থামে এই শহরে দুজন ঠিক খুব চেনা
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলে ....
‘ছিলি কোথায়? আমায় ছেড়ে!
আজকে একটা হেস্তনেস্ত বুকের পাঁজরে গুঁজে রাখার,
ঠোটের গায়ে ঠোটের গরম আমার
শহর প্রেমিক তখন
বৃষ্টি ভেজা মনের
পারে রামধনু রং আমায় দিল,
মন কখনও দেখতে পারে
মনের যে কি বায়না হয় যখনতখন
সে থাকে মনের মাঝে, শহর ভরা সব লোকগুলো আজ অবিকল ঠিক তোর মত,
আসাইলামে ঘুমোতে যাই সকাল হলে সেলাই করি প্রিয় শহর প্রিয় মানুষ এফোঁড় ওফোঁড়, পারি
নি একটাও নকশী তুলতে ঠিক ওদের মতন,
চেনা যারা অচেনা আজ
অচেনারা ফুলের তোড়ায়, নষ্ট নয় কিছুই
হারায় না কিছুই, দেশ আছে দশ আছে শব্দ আছে লেখক আছে পাঠক আছে...... আমি কেবল অবান্তর।
পরের জন্ম
আরো কিছু
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ঘরের ভেতর ঘরের ঠিকানা
বর্ন চোরা
যেতে দিই
অজ্ঞাতবাস
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
কাছে এসো না
খুব কাছে এসো না ঈশ্বর তুমি
যতটা দুুুরে থাকা যায় আর যতটা দুরত্বে ঈশ্বর প্রভাব নষ্ট না হয়
বজায় থাকুক এতটা পারাপা,
এ চোখ থেকে দৃষ্টির প্রেক্ষাপটে শুধুমাত্র পাখির চাহনি থাকা চাই বই কিছু নয়,
এক পা বাড়ানো থেকে অন্য পায়ের সাথে চলায়
থাকে যেন আমুল ফারাক, ছায়া যেন ছুঁয়ে না ফেলে পার্থিব স্পন্দন
অবিরাম বয়ে চলা মহা কাল অথবা সময়
যে কাছাকাছির মাঝে বিন্দু খানেক দূরত্বও আছে
অতো কাছে এসোনা কোন দিন ঈশ্বর তুমি,
তুমি থাক দিব্যি মেঘের বাড়ী, আকাশ কিংবা আলোর সারির মাঝে সুক্ষ্ম তার দৃশ্যত অদৃশ্য,
তার চেয়ে বরং দূরেই থেকো
যেমন দূরে থাকে ছোঁয়া, স্পর্শ
রোদ্দুরের বু্ক, থেকে উত্তাপ
শীতলতা, থেকে উষ্ণতা
, পৃথিবীর ম্যাপে যেমন লুকিয়ে থাকে
এপিঠের দেশ ওপিঠের দেশের সাথে
তেমন দূরেত্বেই থেকে যেও-
কখনো বলতে পারে না যেন কেউ
কাছা কাছি ছিলে বলে দূরত্বের পরিমাপ দিতে পারেনি তোমার পার্থিব ছিল যারা এই পৃথিবীর বুকে, ।
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
চিরন্তন সে
এই শব্দ চয়নের কারখানা শুধুই তোমার কথা ভেবে,
এ শব্দরা মধ্যরাত্রে তোমাকেে খুব কাছ থেকে
লক্ষ্য করে ঘুমের ভিতরে তুমি আমাকে ডেকে উঠে,
এক মুহুর্ত ভাবতেই পারো নিছক পাগলামি মন মন কেমন যখনতখন,
তখন আমার প্রতিটি লাইন শব্দ অক্ষর
কিংবা যতিচিহ্ন কেবল তোমার দিকে রাস্তা শুধোয়,
বিছানায় আমার নিঃশ্বাসের মতো নিঃশব্দ এই শব্দগুলো অথচ কি প্রবল তীব্র তাদের তরংগ স্রোত,
এই কবিতার প্রত্যেকটি শব্দ শুধু
তোমার জন্য, এরা শুধু তোমাকেই চিনতে চেয়েছে প্রতি জন্ম,
জানি এসব শুনে আয়নায় তোমার ভয় পাওয়া চেহারা,
তুমি ভয় পেয়ো না, , আমি বহু দূরেই থাকবএ জন্ম
ভর,
আমার ভযংকর স্পর্শ তোমাকে ছোঁবে না,
কিংবা এই মাঝ রাতে আমার অসম্ভব জেগে ওঠা, তোমাকে বিব্রতও করবে না,
আমার সম্পূর্ণ আবেগ একান্ত আমারই
শুধু মোমবাতির আলোর মতো নিশ্চল,
. শব্দ ও অক্ষরেরা শুধুমাত্র কাব্যময় তোমার কাছে
এরা তোমার ঠোঁট স্পর্শ করলে
তুমি টের পাবে না, এরা তোমার সঙ্গে সারা রাত শুয়ে থাকবে এক বিছানায় তোমার
সাজানো সভ্যতায় লাগবে না কোনো দোল — তুমিও জেগে উঠবে না, | এরা আমার আত্মা
স্বরুপ,,
মিশে থাকবে তোমার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে, চিরজীবনের মতো,
বহুদিন পর তোমার সঙ্গে দেখা হলে ঝর্নার জলের মতো. নিজস্ব চোখ তাকাবো তোমার দিকে
তুমি বা কেউ এ সংসারে জানবে না — তোমার সম্পূর্ণ শরীরে মিশে আছে এক অনাত্মীয়
আত্মা তুমি জানবে না,
আমার অতি ব্যক্তিগত প্রতিটি শব্দকে আমি আমার অন্তর স্থলে বন্দিজীবন দান করেছি যে।
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ভালবাসা তুমি
এখন আমি
শুধু তার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা আমার তপস্যা ছিল ছিল ঢেউ গোনা আর প্রহর মাপা
দাঁড়িয়েছিলাম আমি রাস্তার উপর
চক্ষুলজ্জা হীন হয়ে অনন্ত যুগ ;
তার একটু দেখা পাবো বলে
জীবনের সবকিছু ফেলে এসেছিলাম
দাঁড়িয়ে ছিলাম মাঝপথে ভিখারির মতো
দীর্ঘ পর্যটন, দীর্ঘ পথ হাটা পথে পথে ঘুরে মরা,
একটু দেখতে পাবো বলে
সন্যাসীর মতন আমি ঘর ছাড়া
পথের বাউলিনী ;
শুধু একবার তার দেখা পাবো
তাই অযুত বছর দাঁড়ানো অপেক্ষা
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
অনেক দিন হল
কূল ছেড়ে আজ তাই অকূলে যাইনা
– হয়তো ভয় ছিলো বৃষ্টি আসার ছিল
আজ শুধুমাত্র পোড়োবাড়ির স্মৃতি
বৃষ্টি যখন নামত আমি উঠোনে একা একা ভিজতাম তোমায় মত কেউ আমার
মেঘে-বৃষ্টিতে আমাতে শিউলি আর বকুল গন্ধ মাখানো তখন ,
ভারি ব বৃষ্টি আমার বুকের মধ্যে ঝরে
ভাঙন
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
পাশাপাশি
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
গুপ্ত কথা
*************
বহুবার পেতে চাই, তোর পুরোনো ভবিষ্যৎ কিংবা আমার নতুন অতীত অথবা
তোর নতুন অতীতের মধ্যে, আমার পুরোনো ভবিষ্যতে গুঁজে রাখা দৃশ্যগুলো,
তোর নিঃসঙ্গতা, তোর অপেক্ষায় সময়
অথচ তুই শুনতে পাস না
আজ সেখানে মৃত্যু, স্রোতে সব বদলে
ক্রমশ
পাথরের মতো স্থবির বেদির নিচে চিৎফাটা
মাটি, শেষর দিন গুলোর বৃত্ত সেখানে চিরতরে ঘুমিয়ে,
লোক চক্ষু থেকে দূর বহুদূর আমাদের সাম্রাজ্যের ভার থেকে আমরা নিয়েছি ছুটি বহু মাস
কাল দিন ,
হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে
কখনো কখনো আবার প্রেমি হতে সাধ হয়,
তখনই আয়নায় দেখি আমার চোখের নীচে কালো দাগ আর সম্বিতে কেউ বলে ওঠে এত
দপ করে জ্বলে ওঠা হৃদয়ের পুরনো বারুদের
ছাই নয়তো আর কি ?
মোহের থেকে মুক্ত নিচু জোৎস্নায় সিংহাসন থেকে নেমে এই মন অন্ধকার পুঁতে রাখে সমস্ত
অনুভব যেখানে বিশীর্ণ হাত কাদার ভেতর খোঁজে বলির স্পর্শ ,
আমাদের অতৃপ্তি বড় দীর্ঘশ্বাস বিষদৃষ্টি নিয়ে
এই মৃত শহরে মাটি খুঁড়ে রাজ বস্ত্র খোলার
পর মিশে যেতে চাই ...চাই থেমে যেতে ,
কারণ আমরা এই পৃথিবীতে বরাবর দুর্বোধ্য ছিলাম
আছি থাকবো ,
নিয়তি বদল করার আশায়, আলো-ছায়া-আলো ঘোরে নিভৃত সানুদেশে নিজেদের চোখ বেঁধে কোমল গান্ধারে মেতে থাকি ,অথচ সত্যিটা কেউ মেনে নিতে পারি না কখনোই।
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ওরা
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
মানুষ
ম্যারিওয়ানার মত
জমি
জমির মালিক নই আমি
শহর আর সে জানে জানে এখানের কংক্রিট,
সমস্ত খাজনা ,পাতি সব দিয়েও জমি পেলাম কই
আমি ওঘরের মালিক নই
তবু আমার উদযাপন থামে না ,
আমি ভাসি দরিয়ায় , গান বাঁধি আকাশের তারায়
জড়িয়ে নিই ঠান্ডা বাতাস , তারপর আমার আসে
অসুখ হবার ঋতু ,
পাতা ঝরে মরে যায়
বেঁচে থাকা গাছটা , সে আসে শুকনো পাতায়
রঙ মাখিয়ে সেলাই
করে গাছের শাখে ,
আমি ফেটে পরি অট্টহাসিতে ………
পরের জায়গা পরের
জমি আমি কেবল
বোকার মত ঘর বানাই
সে ঘরের
মালিক কোন দিন নই আমি,
ঘরখানা তার জমিদারিতে রাখতে দেয় না
সামান্য ছেঁড়া আস্তিন ,রাখতে পারিনি নিজের আসাড়
দেহ,
একদিন ফসল ফলবে বলে
খাজনা পাতি সবই দিয়েছিলাম
তবু নিজের মাপের মত জমি যে পেলাম না ।
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
বিসর্জিত
বিসর্জনের পর জেনেছি
একদিন পুজো
হয়েছিলো এই খড় মাটির
লেপনে , একদিন হয়েছিল প্রান দান,
আজ তাই
অন্ধকারে ফিরে
ফিরে
খুঁজি সেই পুরুষত্তম যে
অকাল বোধন ডেকে এনেছিল
মাটির পরে ,
তারপর চোখ
চুল হাসি
কথা
টুপটাপ অন্ধকারে খসে পড়েছে
বাড়তি আত্মার
কাছে জেনে
নিইয়েছি
কাকে বিসর্জন
বলে
জেনে নিই
কে কার
প্রতিমা ছিল একদিন,
আজ কাকে প্রান দান করে পুরুষত্তম ,
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সময় অসময়
হৃদয়ে লুকিয়ে রেখে সমস্ত অবহেলা
একতারাটি
যে শহরে একদিন ঘর বেধেছিলাম ভালোবাসায়,
আত্মগত এখন আমি আবার
নিজের কাছে প্রশ্ন করি
নিঃশব্দের এমন রাতে বুকের মাঝে
শব্দ কেন? শব্দ কি তবে