সোমবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২২

জানলা খোলা ঘর আমার

জানালা খোলা ঘর আমার তবু ক্যানভাসে সবচেয়ে প্রিয় রং অন্ধকার বর্ণে ভালবাসা খুঁজে নেয় ।
 তখন  বুঝি ....কোনো  ঝড়ই  ইদানিং,  আর বৃষ্টি আনতে পারবে  না ।
ঝরে গেছে স্মৃতি কখন বিস্মৃত হয়ে  ফ্যাসব্যাক ইদানিং  আর তোমায় ছুঁতে চায় না  .....অমন আমার আঁকা ছবি নষ্ট করে অন্য জনে .....
আসলে আসল রং চেনে  কজনে!
রাত্রির জাগা মানুষ টা  নিজের ভেতর আলাদিনের প্রদীপ জ্বালাতে পারে খুব সহজে ইদানিং ।
ভালোই হয় কখনো কখনো ভুল বোঝাবুঝির রেশ মৃত্যুর মাইল ফলক যখন ছুঁয়ে ফেলে ।

 ,  সইতে যারা পারে তাদের পরম নিবিড়তাও শেষমেশ সইতে শিখিয়ে যায় ......আপন বলে হয় না কেউ ....আসলে সবটুকু প্রয়োজনের আয়োজন।


রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২২

চলে যাওয়া মনে প্রস্থান

কিছু কিছু চলে যাওয়া প্রস্থানের মত হয় বলেই
কথারা মুলতুবি হয়ে যায় বিনা নোটিশে .....।

কিছু কিছু চলে যাওয়া মানে প্রস্থান বলেই পরিযায়ী হঠাৎ থামিয়ে দেয় মরশুমি যাত্রা ,।

কিছু কিছু চলে যাওয়া প্রস্থান এর থেকেও গভীর শোক বলেই মৃত্যুর  আখ্যান  চির সত্য ,,

কিছু কিছু চলে যাওয়া কে প্রস্থান মেনে নিতে হয় তাই  ... জেগে থাকা মুমূর্ষু রোগ বলেই অসম যুদ্ধ নাম তার ।

কিছু কিছু চলে যাওয়া প্রস্থান বলেই  দায়িত্বশীল হয়ে ভুলে যেতে হয় সমস্ত ফেলে আসা গল্প,,

কিছু কিছু চলে যাওয়া মানে প্রস্থান বলেই মন  হেমলকে  নির্বাসন চায় ভালোবাসার সাথে ।।

কিছু কিছু চলে যাওয়া মানে  চিরকালীন প্রস্থান মেনে নাও হে জানেমন.......।
কিছু কিছু চলে যাওয়া মনে কোনো চিহ্ন না রেখে  প্রস্থান .....।

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২২

জীবন যেনো রূপকথা

  আজো দু একটা রাত প্যাঁচা জেগে পাহারা দেয় এই শহরের ভালোবাসা রূপকথা দের ,,,

 হাইফেন দাড়ি কমা  আজো আকাশের গায়ে রামধনুতে ঘর বাঁধে বলেই রোজ একটা ভালোবাসার দিনের জন্মদিন পালন হয়  , 

আমার কবিতা এখন ভীষণ রকম ইষ্টিকুটুম,  তোমার  কবিতার তোয়াক্কা করে না এ মন।, ,

শুধু তোমার জন্য আজো দু একটা জলফড়িং কে জলের চকমকির সাথে নাচার জন্যে সামিল রেখেছি....  আমি বেঁচে আছির সংজ্ঞা তুমি পড়ে ফেলবে বলেই  ,।

আগের থেকে অনেক বেশি অক্সিজেন ফুসফুসে জায়গা করেছে শুধু এটুকুই জানলেই ....বুঝবে পারিজাত  শব্দটা আসলে কত গাড়....💐

বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২

সই(২৮)

প্রেম যখন প্রেমাস্পদকে আঁকড়ে রাখতে চায়
শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তখন সেই প্রেমের মৃত্যু নিশ্চিত...
#সই

সই(২৭)

যে দিন কোনো নিয়মে ভয় না করেই তুমি জীবনটাকে উজ্জাপন করতে পারবে যেনো সে দিনটাই তুমি বেঁচেছো আসলে ,
বাকি মৃত্যু ছুঁতে চাওয়া মাইল ফলক বসানো গুনতে থাকা দিন গুলো ক্যালেন্ডারের এক একটা তারিখ মাত্র ...
#সই

তোমায় শুভেচ্ছা

তোমায় শুভেচ্ছা জানানো  হলো কই মুখোমুখি !
 এই অনিয়মিত কবিতায় তাই রোজ হাতড়ে বেড়াই অস্তিত্বর কাঠামোয় তোমায় শুভেচ্ছা জানানো ফিকির।
তোমায় শুভেচ্ছা জানানো আমার পূর্ণতা,,
 তোমায় শুভেচ্ছা জানানো আমার দিকে শুভেচ্ছা ফুল সাজিয়ে দেওয়া আমারই ছবির পাশে নত মস্তকে দাঁড়িয়ে থাকা ,
তোমাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেকে পূর্ণতায় খানিকটা হলেও ভরে ফেলতে পারি , 
তাই বারংবার তোমার আমাকে দেওয়া সমস্ত আস্থাবরের বিনিময় শুভেচ্ছা জানাই ।
ভালো লাগে বলতে তোমার দেওয়া ভালোবাসা এবং অবহেলা দুটোই আমাকে আমার কাছে  আমার আগের আমির থেকে অনেক বেশী মূল্যবান করে দিয়েছে ,,,,
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো নিজেকে সস্তা করলে ঠিক কি কি প্রতিফলন হয় ।
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো ভালোবাসা দিতে গেলে হিসেবি হতে আগে শিখে নিতে হয় ,
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো এ পৃথিবীর সমস্ত সম্পর্কে একটা মুখোশ খুব জরুরী ।
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো বিশ্বাস শব্দটা কতটা বিশ্বাসঘাতক হতে পারে পলক ফেলতেই ।
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো যোগ্যতা শুধু দেয়ার জন্যে নয় যোগ্যতা নেওয়ার জন্যেও লাগে ।
তুমি শিখিয়ে দিয়েছো জন্ম বেজন্মার তকমা দেয় না চরিত্র বেজন্মার তকমা গলায় ঝুলিয়ে দেয় ।
তোমায় শত রূপে শুভেচ্ছা চিরসখা ......
তোমায় শুভেচ্ছা ....তোমার অস্তিত্ব আমার জীবনদর্শন ,
তোমার অস্তিত্ব আমার উপলব্ধি ,,
তোমায়  শুভেচ্ছা /THANK YOU FOR ALL OF YOUR ASSIGNMENT,

সই(২৬)

কিছু কিছু   দিনে  জেনো প্রহরেও লুকিয়ে থাকা বয়স হঠাৎ করেই সাহসী হয়ে ওঠে , 
কালো চুলের আড়ালে ফিকে রঙে বোহেমিয়ান  
বেঁচে থাকা তফাৎ শিখিয়ে দেয় উজ্জাপন আর যাপন আসলে কাকে বলে ....
#সই
 

সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২২

সই(২৫)

জিন্দেগী মে কুছ রিসতে এসেভি বান যাতে হ্যায় ..
জিনহে হাম সমঝতে তো হ্যায়, পর সমঝনা নেহি চাহতে ,,
বো যবভি বাত করতে হ্যায় দিল খরিদ কে হি যাতে হ্যায় ....না জানে উসকে লবজো ম্যে দৌলত কিতনে হ্যায় ।
ইহা দুরিয়া শিখাতি হ্যায় নজদিকিয়া কে মায়নে ,
মতলবি হ্যায় সভি  কোই খাস নেহি  হতা  ...
সব হ্যায় মুসাফির ফির ভি দর্দ কিউ দেতা ...,
জিতনা গ্যেহরা রিস্তা উৎনি গ্যাহরি চোট 
সামনে ওয়ালে মে নেহি আপনেহি দিল ম্যে হ্যায় খোট ।
#সই

সই(২৪)

. . . . . . . . . . . .
ইবাদতে থাকুক ও চোখ 
 এ হৃদয়ে থাকুক  ইচ্চামতির স্রোত
বাকি সবটুকু পৃথিবীর হোক ,
না হয় মন্দবাসী নাম হল 
ক্ষতি নেই ওরা পেলে   ভালোবাসার উপাখ্যান ,,
আমার মৃত্যুর পর  না হয় বেঁচে থাকবো  আমিও 
ও ঠোঁটে এ নাম গোপনেও যদি আসে  জানিও ।
#সই



শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২২

সৌগত জীবন কথা

প্রতিটা গল্পের আলেখ্য একটা সময় লেখা হয়..
কিন্তু আত্ম নির্বাসনে সেই  সময়ই লুকিয়ে যায় 
জীবনের চিলেকোঠায়...! চিলেকোঠা কে প্রথম বানিয়ে ছিলো জানতে ইচ্ছা করে 
জানোতো !, 
 সে জানতো হৃদয়ের চোরা কুঠুরির দুঃখ ছুঁতে পারলে..
 শুদ্ধ ভালোবাসার জন্ম হয়..
আর সুখ ছুঁয়ে দিলে হয় শুধুমাত্র বাড়ে প্রজনন...!

অথচ, দেখো এই শহরে পরিপূর্ণতা বলে কিছু নেই কিছু হয়  না.. এখানে সবটাই মঞ্চে সাজানো প্রকাশিত গল্পের বই ...যেখানে একে অপরের মন পুড়তে দেখাই উদ্দেশ্য যেনো।

 পরিপূর্ণতার গোলকধাঁধাটা  তোমার আমার বেঁচে থাকা কে নিয়ে জুয়া খেলছে প্রতিনিয়ত এই শহর ,এই দুনিয়াদারী নামক বাজারী অলিগলি রাজপথ ,আর সবার ওপরে সে ,,
মানুষের সাথে ছায়া হয়ে থেকে যায় আমৃত্যু তার অতৃপ্ত পরিপূর্ণতা ..;,
মানুষ নিজের ইচ্ছা টুকু বুঝে উঠতে উঠতে জীবন ফুরিয়ে ফেলে ..আর ফোঁপান কান্না রেখে পৃথিবী বদলে ফেলতে হয় সময়ের মহাকালে ।

সই(২৩)

আমরা সবাই নিজের জন্য 
একটি স্বচ্ছ আয়না খুঁজে বেড়াই... 
কিন্তু আয়নায় দাঁড়িয়ে  ঠিক কি দেখতে হয় বুঝতে পারি না..!
বিনিময়হীন ছায়া যে বড্ড বেশি অভাব...খুঁজে ফেরে সে আয়নায় ...
#সৌ ...সই

সই(২২)

আমরা আমাদের জন্য এই চারফর্মায় কোনো সমীকরণ ছাড়াই জীবনের অংক কষে যাই..
"কখনো কখনো নিজের মনের কথাও শুনতে হয়..
জীবনের সব স্বম্পর্ক বুদ্ধির পর্দায় ঢাকতে নেই যে"...সৌগত সেখানেই আমাদের মাঝে তফাৎ এর সেতুটা দাঁড়িয়ে আছে ..
#সই

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২২

কাল ছোবল

বিষধর সা‌পের ম‌তো ‌বেপ‌রোয়া  হয়ে  ;

ছোবল মা‌রো, বিষ ছড়াও ....কি নিদারুন প্রেম হে পরমেশ্বর!
দুর্দান্ত দুপুরে ছায়াবাড়ি হারিয়ে যায়  সময় ঘড়ির কাঁটায়  ও চোখের চাহনি,,

উর্দির নীচে  জলফড়িং এর শরীর নাচে ।

মৃত্যু কে অনুসরণ করে শ্মশান পথিক জীবন,,




অজ্ঞাত প্রহরী

তবু কেনো পুরোনো বান্ধব প্রহর আমার স্মৃতির ঘরে নকশা কাটে জানি না ! ,
আমি তো তুমুল শীতে  আজও নতুন মিঠে রোদ্দুরে বারান্দা করেছি নতুন  ঘরে !
আমার বর্ষা এ ঘরে নান্দনিক কাব্যময়,  তবু কেনো পুরনো বান্ধব প্রহর... প্রহরী চাহনি রাখে এই মোহলায় !
আমার বসন্ত এখন বড্ড দামি ....প্রান্তর জুড়ে পলাশ অশোক কিংশুক যেন চিরসখ্যতা ঘিরে নিজস্ব গল্পের সামিয়ানা ,,
স্বপ্নেরা ইচ্ছের ঘরে যত্ন মাখে .....যেন সারল্য শৈশব ,,,
তবু জাতিস্বর কেনো ফেলে আসা বান্ধব প্রহর  জানি না !
বেঁচে থাকা জুড়ে আনন্দনিকেতন হেঁটে যায়  হাতে স্পর্শ রেখে .... ,
....অথচ আমি পাপী হয়ে উঠি 
সৎকার না করতে পারা মৃত  বান্ধব প্রহরের গন্ধ মেখে ।
আমার পলাশ  আমার কিংশুক আমার অশোক 
মুষড়ে পড়ে ভালোবাসা ঘেরা ভালোবাসা হীন শোক দেখে,,,  ....ওদের ফ্যাকাসে অসহায় চাহনি আমায় নির্মম কাঠগড়ায় দাঁড় করায় ,  আমি যেন  উত্তর হীন মাথা নিচু এক আসামী মাত্র ।
রবি ঠাকুর এসে নিভৃতে রেখে যায় অসহায় সেই লাইন ....."কি করিলে বলো পাইবো তোমায় রাখিব আঁখিতে আঁখিতে " 
নির্ঘুম উপত্যকা দৃষ্টির উপকূলে অন্ধকার রাতের সাক্ষর রেখে সিলমোহর সেটে দেয় অজ্ঞাত কোনো পথিক ....।
যত পুরোনো হয় ও  ক্যানভাসে মৃত প্রহর আমার ভেতর না সেরে ওঠা রোগ যেন বেড়ে ওঠে শাখা প্রশাখা মেলে প্রকান্ড হয়ে ।

আমি বারংবার হেরে যাই জীবনের নতুন সকালের রঙ গুলোর কাছে ....বারংবার ওই প্রেতাত্মা প্রহর আমার নবীন বসন্তে, রোদ্দুর নরম শীত , ভালোবাসা ময় বর্ষার  মুখাগ্নি করে রক্তকরবীর রাজা হয়ে ওঠে ,,
মুক্তি চাই.... মুক্তি চাই, অথচ ওই মৃত বান্ধব প্রহর কেনো যে আমার স্মৃতির ঘরে নকশা জাল  বুনে যায় নিরন্তর,   জানি না ..... জানি না  কেনো!!!

সই(২১)

জীবনে কিছু বাজারে মানুষ দেখেছিস ...আমাকেও তাদের সাথে গুলিয়ে ফেলেছিস
....সই
#সই

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২

সই(২০)

চলতি পথে ছুঁয়ে দেখা জন্য যেই কাছে গিয়ে আঙ্গুল ছোঁয়ালাম .....ওমনি ফুসমন্তর হয়ে বাতাসে মিলিয়ে গেলো ভাবনার রূপকথা ....
#সই

ওম জড়ানো প্রহর

ওম জড়ানো আদুরে প্রহর এখন 
পিঠ জুড়ে ভালোবাসার রোদ্দুর ,
সন্ধ্যের রূপকথায় আশ্চর্য নরম আবেশের মোম আলো ,
ঘুম আসা চোখে রুপোর কাঠির গল্পেরা জীবন্ত বড্ড,
সহবত আলোর উৎসব মুখর একলা তারার জড়িয়ে রাখা রাতের ওম, আতরের লেগে থাকা ভালোবাসার প্রহর যেন এই বেলা ,,
বুকের দেওয়ালে শব্দের দেয়ালে লিখন যেনো
কোজাগরীর বিচ্ছুরণ ,
আজ যা কিছু লিখে রাখা ওমের ভেতর পশমী আদরের মত,
গোলাপী আভায় পালক যত্ন প্রহর জুড়ে চুপ কথা
তোমার সহবতের মত ।



*সকাল তোমার জন্যে (১)

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২

তোমার ঈশ্বরীয় হয়ে ওঠা

আমার সমস্ত ভুল গুলো আমিযে  মানুষ আর তুমি ঈশ্বর  প্রমান করে সেটুকু বুঝি  ,
কিছু শব্দহীনতা আছে বলেই কিছু সম্পর্ক রয়ে গেছে ....,, কিছু সম্পর্কে থেকে যাওয়ার জন্যে চোখকেও বোবা হতে শিখিয়ে দিয়ে হয়  বুঝেছি।।

অনেক গুলো মাইল ফলক অতিক্রম করেও কি বোঝা গেলো .. আসলে কাছের  কাকে বলা যায় !! 
ভালোবাসা যদি পারফেকশন খুঁজত তাহলে এ মনে ও ঊষর ধূসর বাউল কে ঘর বাঁধার জমি দেওয়া হত না ।
কেতাবি লেখনী তে জীবনের সংজ্ঞা কখনো ছিলো না , ছিলো না কোনো ঐশ্বরিক ভবিতব্য ।
বড্ড বেশী জীবন পথ হেঁটে বুঝতে পেরেছি ...
নিজের মত বোকা কাউকে দেখলাম না বলেই ..
শুধুমাত্র জানা হলো না কাঁচ , স্বপ্ন, বিশ্বাস , ভরসা ,সম্পর্ক , আগাম নোটিস না দিয়েই কেনো ভেঙে যায় ,,
....ফাঁসির মঞ্চে যাবার আগেও তো আগাম  চিরকুট আর ইচ্ছার তোরণ রাখা হয় !!! 
অথচ তুমি ঈশ্বর হয়ে সমস্ত সংবিধান পাল্টে ফেলতে পারো নির্মমভাবে ।।

সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২২

সুবর্ণা(১১০)

একলা আকাশ হতে চেয়ে ভালোবেসেছি ..
একলা তারার মত চেয়ে থাকতে চেয়েছি ,
একলা ঝর্ণায় ও প্রেমে স্নান সারতে চেয়েছি ...
সমস্ত যন্ত্রনা শুষে নিয়ে বিছিয়ে দিতে চেয়েছি যত্ন ...
নামকরণে ছিল আদর নামে একটি শব্দ ,,
সুবর্ণা ভালোবাসলে দোষারোপ করতে নেই বলেই 
আমি রুদ্রর সকাল হয়ে বেঁচে রইলাম ,
ভালোবাসলে যন্ত্রনা কিনে নিতে ইচ্ছে হয় প্রতি।মুহূর্তে ,ভালোবাসলে লাভ ক্ষতি আর স্বার্থ পথ হারিয়ে ফেলে ইচ্ছা করেই ।
ইচ্ছা বাড়ির চিলেকোঠায়  শীত সেখা গোপন সমর্পণ  আতাত  রাখা থাকে ভালোবাসলে,,  ,

সুবর্ণা আমি মরণোত্তর উৎসবে বিশ্বাসী নই ...

আমি অতীত আয়নায় অন্ধ হতেই ভালোবাসি ...,।

যেটুকু থেকে যাওয়া সেটা এই পথ চলায় দুঃখে আনন্দে , কান্না কিংবা হাসিতে  নিশ্বাস বাতাসের
মত বইতে ইচ্ছা রাখি , 

তোমায় ভরসা নাম দিয়ে আমি কেবল আকাশ ঠিকানা  নামে বাঁচতে চেয়েছি আজন্ম  ....।
অথচ ও মনের সংকল্পে আমি রুদ্রের সকাল হয়ে কিছু কাল বাস করেছিলাম মাত্র ....।

আমাদের ছিলো না তাই  কোনো ঘর পাতানো ...
 পরের জন্মে তুমি ভরসা হতে শিখে নিও  সুবর্ণা 
আমিও তখন আকাশের ঠিকানা নামের ফলক লিখে নেবো ঠিক .....তোমার শব্দেরা আমার ক্যানভাসে রং হতে শিখে নেবে আর আমি তোমার দেখা শ্রেষ্ঠা হবো সেদিন ।
........(সুবর্ণা প্রিয় ভরসার আকাশ)

একলা হতে

যারা    রোজ   হাঁটে  এই শহরের পথে ,

যে ভাবে হাঁটতে হাঁটতে প্রেমের  অনুকরণে  

        পথ হারায় তারা, 

 সেই ভাবে আমি তোমাকে  জড়িয়ে বাঁচতে চেয়েছি বাকিটুকু ,

.

মানুষ , সম্পর্ক,  শূন্যস্থান , আর তার পরের লাইন থেকে আবার শুরুয়াত , আবার মানুষ ,সম্পর্ক, শূন্যস্থান .....ছেড়ে দিয়ে নতুন লাইন শুরু ....ক্রমশ..,,

যে ভাবে সময় প্রবাহ সাথে  ঘড়ির কাঁটায়  স্রোত লিখে যাচ্ছিলো,

                        না চাইতে ছিঁড়ে ফেললে সেতু বেঁধে রাখা দড়ির টান। 

 আসলে  সেইভাবে তুমি  ছুঁড়ে দিয়েছো  চিরকাল। 

.

ওরা যেভাবে মঞ্চ  সাজিয়ে রাখে  বোধ আর বোধিকরনের জন্যে

 আমি নিজের শুকনো ঘা  গুঁড়ো গুঁড়ো করে সাজিয়ে রঙের আড়ালে তোমায় আঁকি ব্যস্ত দুপুরে

                     ধীর গতিতে  বিকেলের আকাশ কাঁদে  চেনা দুঃখে  ,মুখ লুকিয়ে কাঠের জ্বালে।

মেঘেদের  শীতে পায় কিনা জানা নেই তবু  আমার  ভিতর কাঁপন লাগে তখন   ।

 তেমন করে নিবিড় তুমি আমির মাঝে লুকিয়ে রাখা আমাদের কথা । 

.

ধুলোর নীচে  সম্পর্কে  চাপা পরে   জীবন  তাকে অভিজ্ঞতা বলে । কিছু অভিজ্ঞতা না হওয়ায় ভালো ,

ভীষণ একা থাকা আজকাল  আমি অভ্যাসে রেখেছি ,, .....তুমি ছাড়া রাতগুলো আলো হয়ে থাকে

                  হঠাৎ ওই ক্যানভাসের ছবির মেঘেদের ঝরে পড়তে চাইলে আলো নিভিয়ে অন্ধকার করে দিই চিলেকোঠা...

 আমি  বৃষ্টির ভেতর ভিজতে ভালোবাসি  একলা হয়ে  যাওয়া মুহূর্তে ....আমি বৃষ্টি হয়ে বয়ে যাই একলা হওয়া মুহূর্তে।

আজন্ম

গত জন্মের ইচ্ছা  বলেই    তাই এজন্মে ভালবেসেছি, 
গত জন্মে হ্রদয়ে ছিলো .. এজন্মে তাই মৃত্যু  দূরত্বে বয়ান থাকলো উপন্যাস জুড়ে ,
ভালোবেসে অজস্র বার মৃত্যুর কাছে যাই ....
জীবন তখন কেবল উপহাস মনে হয় ।
শূন্যতা পূরণ হবে না জেনেই থেমে গেছে ইচছা,
পরের লাইন শুরু করেছি জরুরী যা কিছু ডাল ভাতের গেরস্থালি দিয়ে।
ভালোবাসার মুখের আদলে বসিয়ে দিয়েছি যক্ষ পুরীর তীক্ষ্ণ দাঁত , এখন থেকে আমার ভালোবাসা নামক ভরসা মৃত । 
যে কথার শেষে এসে দাঁড়াবে   বলে পঞ্চাশতম কাব্যগ্রন্থ তুমি পড়তে  বসেছিলে।
তার ভূমিকার বুক চিরে ভালোবাসা গুঁজে দিলো  সময় ....আর উপসংহারে  মেটামোরফিন দিয়ে সময় সেজেছে মীরজাফর ।
আমার কাছে আমিই দেশ ,আমিই শহর ,আমি রাজনীতি ,আমিই সাম্রাজ্য , যেখানে সভ্যতা শুরু হয় আমারি জঠর থেকে ....শেষ হয় আমার প্রজন্মের প্রান্তরে ,
আমি বার বার জন্মাই ইচ্ছা হয়ে তাই তোমার কবিতা  প্রসব করে আমারই নাম গান ,
তোমার না থাকার দিনে কফিনের সাদা কাপড়ে আমার সংলাপ , 
জীবন বড় অদ্ভুত সুজন .....ভালোবাসলে দিয়ে দিতে শিখে নিতে হয় .....শুধুমাত্র দিয়ে দিতে শিখে নিতে হয় .....নয়তো নিয়তি প্রেতাত্মার মত বাতাসে ঠিকানা হাতড়ে বেড়ায় .....।

শনিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২২

খনার বচন

খনার বচন
----------------------

চোখের চাহনি ভাঙা তোমার ডাক আমি বুঝি। পাতা-ঝরা  শীত তোমাকেও মন খারাপের প্রহরে দাঁড় করিয়ে কাঁদায়। 
কলমের নিবে গড়িয়ে নামে একান্ত  বিষাদকলোনি  দারিদ্রতা খুঁটিনাটি। 
এত বেশি রাজকীয়  হতে চেয়েছিলো তোমার নামগানচরিত ...তাতে চেনা মুখের আদল গেছে বদলে।
 বাতাসের ভাষা পড়তে শিখেছিলাম বলেই 
শেষ চিঠি বৃষ্টির আগে ডাকবাক্সে রেখে এসে ছিলাম।  তুমি মানতে চাওনি সেদিন সে কথা ...,

 তোমার  এলোমেলো পা ফেলায় আমি সম্মতি দিতে পারিনি , 
তোমার  বলা সংযত ভাব আমি মেনে নিতে পারিনি ।

বুকে ট্রেন-চলে-যাওয়া বিদায়ের ক্ষত নিয়ে আমি চলে গেলাম তোমার আড়ালে ।
মুখে হাসি- উপহারে নীল পাঞ্জাবির পোট্রেট  সহজ ছিলো না । 

এসেছিলে একদিন  দূর কোনও ঠিকানা ছাড়িয়ে
মুক্তি ভালোবেসে ...অথচ ভালোবাসলে মাছেরও গলায় কাঁটা ফুটে যায় বোঝোনি ।
জানি আসা যাওয়ার প্রান্থ শালায় 
দেখা হবে  আরো একবার .... । 
সে মনে  আজও চোখের বাড়ি বিরহের আবদার..
সারারাত স্মৃতি জাগায়  , ফ্ল্যাসব্যাকে , একা।
তবু ভালো আছি বলবো চিরকাল।

হারিয়ে ভালই হলো পলকের ফাঁকে...তোমার জন্মদিন গুলোয় আমার এক একটা মৃত্যু দিন খোদিত থাকলো, ,,
মুখোশের পৃথিবীতে মানাতো না আমাদের ভালবাসা ....তাই এ বিচ্ছেদ ছিলো বড্ড পুণ্যের।

ভালোবেসে ...

তোমার বারংবার  অ‌ঘো‌ষিত অসুখ  হয় আমি জানি ..
আর সে অসুখ ব্যাকুল হয়ে ঝরে পড়ে
আমার আঁচলে,,
 ....পথের মত বুক পেতে রাখি 
ও তরফের ধুলো মাখা যন্ত্রনার কুড়িয়ে নিতে ।

তোমার সব  প্রবাহে ক্ষয়ে যাই  নিঃশব্দে শুধু  ভালোবাসা আছে তাই  ,,,

ও চোখের নির্ঘুম  রাত জাগায় ..  নিজেকে পোড়াতে ভালোলাগে রোজ রোজ , ,

 এমন আদিম অসুখে ভুগতে থাকি সভ্যতার শুরু থেকে ..., আমি রোজ মরে যাই তোমায় ভালোবেসে ,

......তুমি আসোনি ব্যাথায় হাত রাখতে ,
.......,তুমি আসোনি অসুখের পথ্য হয়ে ,
এসেছে তোমার সমস্ত দ্বিধা  আমার মুক্তির আকাশ কে আড়াল করে ।



আয়োজন

তোমার সমস্ত আয়োজনের ভিড়ে আয়ু হারাচ্ছে
বলেই ....রোজ ক্লান্তি  ছায়ার মত ধাওয়া করে চলেছে ।

নিঃস্ব সে শহরের কোলাহলে ,
তবু চাইনি হঠাৎ দেখা হোক কোনো মঞ্চে কিংবা 
অপেক্ষার বাসস্ট্যান্ড এ ,

তোমার কথা কেউ জানতে চায় না ....যারা তোমায় একদিন ভালোবাসা দিয়েছিল তারা সবাই আকাশের জমিতে বাড়ি করে বসত করেছে নিষ্ঠার সাথে ,

সময় চলে গেছে ....আগামী কিছু দিন পর বৃদ্ধ হবে
শব্দের চাতুরী , 
ভর সন্ধ্যায় শোক ছুঁয়ে বাতাস বলে যাবে .. কাল বলে নেই কোনো অপেক্ষা ।


শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২

সই(১৮)

আমার অন্দর মহলে কিছু অযাচিত  অতিথিদের  সমস্ত জমি দখলের সংলাপ চলছে ..... 
তেমন নির্দেশ  জারি হলে পৃথিবী  জানবে আমার আগেই....... 
আমি চুপ  করে সময়ের দিকনির্নয় এর অপেক্ষায় জীবন অতিথি শলায়...

 #সই

বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২২

সই(১৮)

 মনে রেখে মেনে নিও .. যাকিছু  তুমি দেখবে ভেবে রেখেছো  কিংবা দেখা'র  ইচ্ছা রেখোছো ... আর যাকিছু  দেখছো বা দেখবে তার মধ্যে কোনো মিল কখনো  পাবে না হে মানুষ   আপোষ  তোমাকেই  করে নিতে হবে সময়ের কাছে...., 
#সই

বুধবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২২

সই(১৭)

সময়ের সাথে সময়ের মত বদলে গেছো ... প্রয়োজনের থেকে বেশি সময় দেওয়া হয়ে গেছে বলেই ...
সময়ের সাথে সময়ের মত বদলে গেছো ...
নিজের থেকে বেশি দাম  দিয়েছি বলেই ...
আসলে অপাত্রে দান এর পরের লাইনটা অরণ্যে রোদন হওয়ায়ই যে উচিৎ .....
#সই

সই(১৬)

আমি তোর আজন্মের গোপন  অসুখ হয়ে রয়ে গেলাম .... 
তুই রাতভর এক একটা  ইচ্ছাদের বুকে গুলিবিদ্ধর   শব্দ গুনতে  গুনতে .... একদিন ক্লান্ত হয়ে  ঘুমতে চাইবি  অথচ ঘুম ও চোখ  থেকে মাইল ফলকে কেবল দুরত্ব  লিখে  বাতাসে মিশে যাবে....

#সই

সই(১৫)

যেতে  পারো যাও... যতদুর  শোক যেতে  পারে তার থেকে-ও বাহু দুর  আমি... 
ঝাপ্সা  আলোয় তোমার  পোট্রের্ট  থেকে আমার স্পর্শ কে একটা  ও ঠোঁটের  শেষ  জ্বলন্ত সিগারেট  ছুড়ে দেয়াটাই মুখাগ্নি হোক  আমার... 
#সই

সই(১৪)

 কিছু বেহায়া সময় স্মৃতির জানলায় চরিত্রহীনের মত উঁকি মেরে যায় .....
ইচ্ছে হয় অন্ধ হয়ে যাই..  ইচ্ছে মাথার ভেতর কিছু মুহূর্ত চেতনাহীন হোক চিরতরে ... কিংবা শোক হীন মৃত্যু ......

#সই

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২

মঞ্চস্ত শোক তোমার

ভালবাসার চিত্র  সাজিয়ে রাখো  ঘরের দেওয়ালে 
অথচ গ্রাহ্য করো না  ভালোবাসাকে.... 
আত্মহত্যা একটা পন্থা সে তুমি যে ভাবে নিতে চাও,
হতে পারে জন্ম যেমন তাকে মেনে নাও নয়তো পুরোপুরি বদলে ফেলে পাল্টে নাও জন্মচিহ্ন থেকে পরিচয়।
অথচ আমরা যাদের অনুভব আছে বলে বুক ঠুকি সময়ের পৃথিবীতে তারা নিজেরদের সাথে একটা গোটা সমাজ কে ঠকাই, দু নৌকাও পা দিয়ে বেশিদিন ভেসে থাকা যায় না,
একদিন গোপন বেঁচে থাকা কিংবা বাহ্যিক মৃত্যু দুটোই বড্ড হাস্যকর হয়ে ওঠে ....আসলে এই বাইরে এক ভেতরে আর এক আমরা কাপুরুষের বেশি মানুষ কম ,
মেনে নাও হে সখা হেরে যাওয়া মেনে নিয়ে নতুন করে জন্ম নাও .....
মুক্তি আসলে হোটেলের রুমে কিংবা মুঠোফোনে নয় .....মুক্তি নিজের ভেতর,,
 ...ভালোবাসা বড় মূল্যবান যত্ন করে রাখতে হয় এই মানুষ জন্মের আধারটায় ,
  বড্ড অবহেলায় হারালে সে রতন... আর চিরকাল  জনসভা ডেকে মঞ্চস্ত করলে একলা থাকার শোক।

সই(১৩)

কখনো কখনো  প্রিয় সম্পর্ক হারিয়ে ফেলা ভালো
এ পৃথিবীর সবাই আসলে মুখোশে থাকতে ভালোবাসে .....
নহবতে নেশা থাকে তবু ফিরতে হয় পুরোনো খোলসে ....যেখান থেকে পাওয়া সেখানেই  হারিয়ে যাওয়া ....তবু শোক চিরকাল অবুঝ নামেই খ্যাত ...।।
#সই

বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২

বৃষ্টি সংবাদ(২)

বৃষ্টি সংবাদ(২)
***********

১) ঝাপ্সা কুয়াশার আড়ালে তুমুল একটা বৃষ্টির  সংবাদ লুকিয়ে আছে তোমার বাড়ির ওপর আকাশের....আগাম সংকেত তোমায় জানিয়ে দিয়েছিলাম । 
 এখন বহুদিন  আমাদের গল্পটা আর এগোচ্ছে না  জেনেও 
রোজ রোজ  শীত মেঘেদের  স্মৃতি  আঁকড়ে ওই শব্দ মালাকরের  একমাত্র  রাত জাগা পাঠক আমি কেবল মাত্র,
চাতকের মতো জলের ফোটার দিকে
তৃষ্ণা জমিয়ে রেখেছি আমরণ .....কারণ আমি অভিশপ্ত  চিরাগ  এর জীন ,
হাজারো অভিমানী       স্পর্শে   নির্ঘুম রাত থেকে ভোর ভেঙে যায় আসে আরো একটা অপেক্ষার দীর্ঘ  দিন,..  জানি না........ জানি না, 

             ইচ্ছে করে রাত  পাখি  হয়ে চুরি করি ও পৃথিবীর নিশ্চিন্ত ঘুম 
তোমার ঘুমের কাছে  গুঁড়ো গুঁড়ো কূজন ছড়িয়ে
রাখি যাতে ঘুম বেয়ে পুরোনো বদ রক্ত গড়িয়ে নামুক পাথরের বুকে ।

চোখের ভিতর কী তীব্র দহন  কেউ বোঝে না 
কাউকে বোঝাতে মারাত্মক রক্ত ক্ষরণে ঝাপসা দৃশ্য আরো ঝাপ্সা হয়ে যায়,

 নদী পারে যত সভ্যতা সব একা একা নিদারুন ভাঙাগড়া  খেলায় মত্ত চিরকাল।
আমাদেরও নিজস্ব  ভোরের আজান ভেসে আসে নিঃশব্দে শব্দ হয়ে "sound of silent"
ভোরের আজানে  মন কাঁদে তুমি  শুনছো তো ...?

 জানি আজকাল তুমি অনেক কিছু শুনতে পাওনা ............
তোমার কানের ভেতর অবিরাম চলন্ত ট্রেনের হুইসেল আর লাইন বদলানোর আওয়াজে ব্যস্ত তুমি সারাটা সময় ।

 আমাদের ভোরের আজান একসাথে
শোনা আর কখনওই হবে না জানতাম , , 
একসাথে ভুলে যাওয়া কথাদের  পুনরায় মনে করায় কেবল টানেল জুড়ে বিস্মৃতির অন্ধকার যার দু পাশে আলো থাকলেও বুকের ভেতর চির অমাবস্যা ।

২) ঈশ্বরের সঙ্গে যার কোনো চাওয়া-পাওয়ার সম্পর্ক নেই, 
 আমি নাস্তিক এর দলেসেদিন থেকেই ।
 আমি শুধুই  আগুনের দিকে নিজের ডানা মেলে ধরি  ... 
বৃষ্টি জলের গভীরে ডুবে ডুবে পদ্মমঙ্গল লিখি...মগ্ন হয়ে ।

অলক্ষী আর নাস্তিক বলেই  তোমাকে এভাবে ভালোবাসতে পারি  এও কী খুব কিছু  কম বলো ?

 চুপ করে  ঘুম এসে পা ডুবিয়ে বসে থাকে আমার একান্ত দীঘির জলে  রাতভর ,

পাঁচিলের ফাটল থেকে  ভোরআলো   খিড়কির কাচে কান পাতে,  ভালো আছি কিনা খবরাখবর নেয় ।
 পাগলের মতো  হাসে দেওয়াল  আঁচড়ায় অজানা কিছু গোপন আর্তি নিয়ে আমি নাকি বাঁচতে ভালোবাসি!     
যে বিষণ্ণ রাতের   কোনো জাত হয় না   সেও তো আমারই মতো ভবঘুরে বিনিদ্র  কথোপকথন যেমনটা .......তুমি অন্ততঃ তাই বুঝে নিও শেষমেশ।
বাইরে বৃষ্টি  তোমার ভরসার বাড়ির ছাদে নিদারুন অধিকারে ছিদ্র করে ফেলে  হঠাৎ করে ।

আমি জলে ভেজা   ধ্রুপদি আঙ্গিকে নিজেকে বোঝাই শামুকের ভেতর এক খানা  ঘর বাঁধা যায় যত্ন করে ,, 
......তার পর জ্বলতে থাকি 
 নিভন্ত চাঁদের আগুনে,  তুমুল বৃষ্টি  সংবাদ 
থাকে আমাদের সমস্ত গল্পের ধারাবাহিকতায় ।

#সই 
#বৃষ্টি সংবাদ (২)

বুধবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২

#সই(১২)

💐শব্দরা যথেষ্ট নয় তোমার প্রশংসায়
তাই আভিধানিক মুক্তি দিলাম তোমায়💐

#সই

মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২

#সই(১১)

যে নিজের মা ,বাবা , ভাই , আত্মীয়র সাথে সম্পর্ক চুকিয়ে  দিতে পারে, তাকে ভালোবাসা কিংবা প্রেমে ভরসা করা কি উচিৎ হবে ......
একটা মানুষ কে ভরসা ও বিশ্বাস করা যায় কিনা সেটা তার মা বাবা ,কিংবা ভাই বোনের  এর সাথে সম্পর্ক জানলেই বুঝে নেওয়া খুব একটা কঠিন নয় ...
যারা কিনা জন্ম থেকে সাথে তাদের থেকেও দূরে, তার  কাছে অন্য  সম্পর্কর সম্মান  একটা বড় প্রশ্ন নয় কি  !

#সই 

#সই(১০)

এখনো কিছু আমার মত বোকা মানুষ এই স্মার্ট শহরে স্মার্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় আছে যারা ব্লক শব্দ টা কাজে লাগাতে হয় শিখতে চায় না শত বিপদজনক শত্রু উল্টো দিকে থাকলেও ....
তোমাদের মত বুদ্ধিমান  আর স্বার্থপর হয়ে ওঠা হল না আর এ জন্মে ...
#সই

সোমবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২২

অবন্তিকার চিরকুট(৭২)

তোমার শব্দের বৃষ্টি জানলায় চোখ রেখে দেখতে পারে সবাই .....
কজন পারে ওই বৃষ্টিতে নিজেকে পুরোপুরি ভিজিয়ে ফেলতে !

তোমার দুঃখের গল্পেরা কেতাবি হতে পারে সবার কাছে 
কজন পারে হৃদয়ে সে দুঃখ যত্ন করে গোপন করে
 বাঁচতে শেখাতে .....!

সবাই মলাটে  প্রচ্ছদ আঁকতে চায়  ...যা কিনা পরবর্তী বইমেলায় প্রাক্তন.......,

কজন পারে মনের ক্যানভাসে মুহূর্ত কে  চিরন্তন বর্তমান করতে বেঁচেথাকা জুড়ে !

******************
#সই
#অবন্তিকার চিরকুট উপন্যাস থেকে( ৭২ অধ্যায়)
(অবন্তিকার চিরকুট উপন্যাস এই প্রথম সংকলন শেষ পরের সংকলন এর জন্যে একটু অপেক্ষা /এছাড়া অনলাইনে এই উপন্যাসটি পেতে পারেন ।)

#সই(৯)

প্রবৃত্তির অবিচ্ছেদ কারাগারে ,চিরন্তন বন্দী করে সৃষ্টি করেছি তাকে  ...
নির্মম কারিগর আমি তার...
যতবার ফুরাবে সে তার থেকে বেশি বার সৃষ্টি করবো তারে .....
#সই

রবিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২২

মানুষের ভূমিকায় পুরুষ হয়ে ওঠা

জন্ম দুয়ার থেকে বেরোনোর পর বুকে, হাতে, কোমরে  সাফল্য গুঁজে তাবিজ ঝুলিয়ে পুরুষ হতে হয় ,,  
কানে স্নেহের নামে বিষ মন্ত্র দিগ্বিজয়ের , ধ্বজায় লেখা জিত কিংবা মৃত্যুর ,

সভ্যতায় লিখে রাখা তীক্ষ্ণ দৃষ্টির তীরন্দাজ হতেই হবে তাকে  ,।
মন্ত্রে অনড় যাত্রা পথে ফুল কিংবা পাখি তে 
মনোহরণ তোমায় মানায় না ,  ...কান্না  মিশে থাকুক ধমনীর প্রবাহে ......তবু অসহায় কিংবা অসফল হওয়া তোমার তকদিরে থাকতে নেই , 

যদি বা  তসবিরে সে বঞ্চনা জুটে যায়   রেল লাইনে একটা যোতি চিহ্ন কাটা পড়ে গল্প থামিয়ে দিতে হয় ।

না না এটা কোনো অন্ধকারের উপকথা নয় ...
তোমার পুরুষ হয়ে ওঠার বাঞ্চনীয় শর্তে ভরিয়ে ফেলা সামাজিক আইন , 
সে আইনে নেই কান্না , নেই ইচ্ছে , নেই পিছিয়ে পড়া , নেই হৃদয়ের কথায় নিজেকে খানিক দোলা দেওয়া , ।

জামার কলারে অজস্র বেদনা মুক্তির,,  .....তবু মুক্তি দেওয়া  হয় না   তাদের,  
ইচ্ছের জুতো জোড়া শুকতোলা ক্ষয়ে গিয়ে চাহিদা পূরণের ভাঙা কাঁচ পা কে ক্ষতবিক্ষত করতেই পারে,,  ....তবু গুপী বাঘার  নতুন জুতো জোড়া  আর কেনা হয়ে ওঠে না ....কাদের যেন হাসিটুকু বজায় রাখতে ।

 অন্যের জন্যে অজস্র ভালো থাকা কিনতে কিনতে কখন নিজের কাছেই  পরবাসী হয়ে ওঠা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
 .....তোমার চিঠি পৌছয় না আমার কাছে   আমার চিঠি ডাকবাক্সের আগেই  দমবন্ধ ঘরে বন্দি হয় ,,,
..........তোমায় পুরুষ হয়ে উঠতে হয় বুকের দমকা কাশি লুকিয়ে ...,
জীবনের নষ্ট সময়ে  তোমায় নিয়ে কাব্য লেখা  হাতে গোনা মাত্র ,, 
সুরক্ষার তাবিজ পরে সুরক্ষায়  আগলে রাখতে রাখতে .....সন্ধ্যে নামার আগে চায়ে মিষ্টি কমে যায় ,
 হৃদয়ের ধুকপুক  দারুন অবাধ্যতায় মেতে ওঠে ,

 ভালোবাসা কেবল নিয়মিত নুন কম ডায়ালিসিস আর তৃষ্ণা মেটে পরিমিত জলে ।

....তবু তোমায় হায়রে পুরুষ হয়ে উঠতেই হবে ।
তারপর রাজার মত সময় আসে হিসেবের খেরোর খাতা নিয়ে, তুমি জাজিম বিছিয়ে বসে হিসেব  পুঁজি স্থাবর অস্থাবরে  হয়তো বা কখনো অংক মিলয়েও দাও, ....হয়তো বা কখনো মুক্তির আকাশে দুফোঁটা  জল গুছিয়ে রেখে ছেড়ে ফেলো খেলা ঘরের শেষ অস্তিন , 
তোমার শেষ নিঃশ্বাসে পাখির মত প্রেমিকার আঘ্রান পালক ছুঁইয়ে যায় , যে কথা বলা হয় না 
সে কথা পুরুষ হয়ে উঠতে গেলে গিলে ফেলতে হয় .....আর তোমায়  সভ্যতার বুকে মানুষের ভূমিকায় পুরুষ হয়ে উঠতে হয়, এভাবেই  মানুষের চেয়ে অনেক বেশি পুরুষ প্রমান করতে হয় তোমাকে ।

#পুরুষ
#সই

গল্পেরা চিরকাল বাসি হয়

গল্পেরা চিরকাল বাসি হয় , 
যেখানে মরে যাওয়া মুহূর্ত সাজিয়ে রাখা সময়ের পাতায় ....তারা ছবির মত কথা বলে না ছুঁয়ে যায় না , 
শুধুমাত্র হিসেবের খাতায় একটি বাড়তি হতে থাকা জের ।

গল্পেরা পূজিতো নয় , চর্চিত ,.....আসলে গল্পের পক্ষে সাক্ষী কেবল মৃত সময় , ,
মঞ্চে যারা থাকে তারা নিজের মত সাজিয়ে গুছিয়ে ঘটনা ,প্রেম , হত্যা , জন্ম , মৃত্যু, কিংবা বিচ্ছেদ মিলনের চর্চা করতেই পারে ,,....তবু জেনে রাখা ভালো  "সত্যি" বেঁচে থাকে দম বন্ধ মিথ্যের ঘরেও ....তার মৃত্যু  নেই প্রেমের  মতোই  ধ্বংস নেই আত্মার মতোই ।

..শুকনো পাতার বুকে কোনো ঠিকানা থাকে না কোনোদিন  , শুধু মুক্তির  মত বোকা বোকা আনন্দ  থাকে ।

অন্ধকারে থাকে ঘুমন্ত আলোর উৎস .....
তাই জীবনের পাটাতনে পেরেক ফুটিয়ে রাখা গল্পের চরিত্রেরা চিরকাল লাভ কিংবা ক্ষতির পাটিগণিত  জানে না ...জানতেও চায় না ,,
গল্পেরা বাসি হলেও অঙ্গীকার হয়ে থেকে যায় ,
তাই কেউ না কেউ সেই গল্প পৌঁছে দেয়  সময়ের ধারাবাহিক স্রোতে।

#সই(৮)

শাস্ত্র বলে প্রতিটা মৃত্যুর পর সম্পর্ক ধরে রাখার আধার মিশে যায় ব্রহ্মলোকে ,
 পিছুটানের মায়া   রাখলে  মুক্তি সম্ভব নয় ...হাতের মুঠো খুলে দিতে হয় ফুলস্টপের আগেই...।

#সই

সই(৭)

জীবন আর মৃত্যুর মাঝে  এই যে বেঁচে থাকা বেঁচে থাকা খেলা.....,,
এটা সমীকরণের পৃথিবী,   সম্পর্ক শুধু সময়ের  বিস্ময়  সময় যাপনের সাধন ..... বাকি শুধুমাত্র মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলার অপেক্ষার নাম এই খেলা...।

#সই

#সই(৬)

কাল নিয়ে কালের ঘরে কাল হারালো অচিন পুরে...
কাল থাক কালের ঘরে অপেক্ষা দেখছে কে  ....
আজ ঘিরেও কালের ভাবনা ...
কাল সব চলেই যাক না ....


#সই