যেকোন ক্ষণে আবাদি মনের জমিতে
দু একটা বেনামি লাশ এসে পড়ে ,
আশায় জেগে থাকে অপেক্ষার শকুন মৃত্যু....
নিজের মৃত্যু সে দেখতে চায় না ,
মাংসের গন্ধে লোলুপ গোপন কামনার পোশাকি কিংবা মাগী বাজি হাজারো নাম থাকতেই পারে
এই ভদ্র সমাজে ,
কখন সুযোগ বুঝে শাবল গুঁজে দেওয়ার আগে যোনির মুখে হাত রেখে প্রেমিক জন বলে ওঠে আমার আমার ....অধিকার না ....বাজি,,
তারপর হয় আঘাত দুর্বিসহ যন্ত্রণার জন্ম ,
জমি ফুরিয়ে আসছে দেখেও প্রতীকী আগুনে কারা যেন লায়লা ,রানঝা , হয়ে পুড়তে থাকে
সময়ের নিরিখে ।
ভাগাড়ের আকাশে অপেক্ষার মেঘ এখন।
তবু বৃষ্টি হয় কম আজকাল কারণ
পচন ছড়ায় ইমান জুড়ে খুব তাড়াতাড়ি ,
হাতে হাত রাখতে পারে না সহজিয়া হয়ে পারে না
আতাত দিতে অথচ কেউ কেউ পারে মুখে তখন কেমোফ্লেজ এর ঋণ জানাতে ,
সারাটা জীবন অবহেলার চাঁদোয়া দিয়ে
নিজেদের কফনচাপা করে ফেলা কিছু মানুষ
প্রতি সভ্যতায় বাঞ্চনীয় , যেখানে গনগনে আঁচে হাঁটতে চায় তারা,
কিছু মানুষ চিতার আগুনে দেখে হাত সেঁকে নেয়
বিশ্বাসি হয়ে ।
সে বেড়ালই হোক আর বাঘই হোক ঘন্টা বাঁধার কেউ থাকে না
আসলে বিড়াল হয়ে লুকিয়ে মাছ খাওয়া আঁশটে স্বভাব নিয়ে জন্মায় রাখাল বালক ,
গোপন বাসনায় এই সঙ্ঘযাপন হয় কাব্যিক তরঙ্গ ।
আকাশে ধূসর পালক ওড়ে
তার নীচে ঈর্ষার লালা নীলাভ নিখাদ ভালোবাসার মুখে গ্যাজ বেরোয় ,
পুরুষের কাজ কি সে বিশ্লেষণ বুকে রাখা থাক ,
শুধু শকুনের কাজ গরম রক্তের নিমন্ত্রণ নেওয়া ।
আজ কার বিচার হবে কার কাছে?
কে না বলে ওঠা ফুরিয়ে যাওয়া টুকু বুকে টেনে বলবে বাঁচতে চাই .....শুধু বাঁচা টুকু আজও বাকি , মৃত্যু থাকুক উদযাপন হয়ে ।