গোঁসাই তুমি প্রতি অমাবস্যার মধ্যমার ভেতর ঘুমের ভঙ্গিতে যে ক্ষতরেখা আঁকো আমি তার
ডানায় মেলে দিই ত্রিকালমুগ্ধ উড়ান.....,,,
....আমি যে হারবো বলে জন্মাইনি যে পৃথিবীতে ,,
.......... একদিন যখন হাতের কাটাকুটি রেখা গুলো মুখেও ভীষন স্পষ্ট হবে তোমার অভিজ্ঞতার বয়স বেড়ে উপান্তর কাছে চুপ করে গুটিসুটি হয়ে বসবে ,
চিবুকে সোনাঝুরি খোয়াই নিয়ে কোমল মিড় সেদিনও ওই বুকে নতুন ধানের অঘ্রান সজীব থাকবে ।
...... বিভঙ্গে আদিম মৃত্যুর মত সভ্যতা বয়ে যাবে নীল নদের পার ধরে অজস্র শতাব্দী .....রাই তখনো অমর স্থাণু হয়ে তোমার দিকেই চেয়ে থাকবে ,,
........... কেঁপে ওঠা ঈষৎ বিবর্ণ পথ ধরে তুমি বার বার একতারার ছিলায় যে ঘর ছাড়া গান বাঁধো
সারারাত একলা ছাতের ঘরে রাই তার এক একটি বর্ন মালা প্রসব করে নীরবে ,,
নক্ষত্রের আলো হাতে তুমি পৃথিবী প্রদক্ষিন করতে করতে ... ঈশ্বর হয়ে উঠেছো বহুদিন হল
.... অথচ পরমার্থ তোমার বুকের বাঁ পাশে নিঃশব্দে ঘুমিয়ে আছে তুমি অন্তর আলো জ্বালিয়ে দেখোনি ।
দিন..... মাস... বছর...
জন্মান্তরের চেনা অশ্রাব্য গলি... মেঠো রাস্তা.....
সব পেরিয়ে যাচ্ছ আলোর গতিতে যেন বানভাসি তোমার অস্তিত্বের স্ত্রোতে মহাকাল ধ্বংস লিখছে সতী বিচ্ছেদের শোকে ,
গোঁসাই মানুষ জন্ম একবার তাই
. ছায়ার বয়স বাড়িয়ে মনে দ্বিধা দের প্রাচির বাড়িয়ে নাই বা রাখলে ,
রাই যে তোমার বাউল সুরে চিরকাল বেঁচে থাকার গানই শুনতেই চায় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন