আমি সময়ের আড়াল থেকে এখন গোপন আঁতাত, সন্ধি-অভিসন্ধি, গন্ধ ও চুক্তি বুঝেও বুঝি না
একটি বিশ্বাসের গায়ে পেরেক গেঁথে অন্য একটি বিশ্বাসের গলা টিপে ধরে আমার ঈশ্বর।
সবুজ ঘর আমার তবু শূন্যতায় হাসে নীরব হয়ে ।
আর যা নেই, হারিয়ে গিয়েছে
হাওয়ায় হাওয়ায় একা ভাসে ইচ্ছার ভোকাট্টা ঘুড়ি,
যেসব মাটির কথা উন্মাদ সন্ধেরা জানতো আজ
ঘরভাঙা লালনের মতো একান্নবর্তী দুঃখ
আমার উঠোন জুড়ে , প্রতিটি ভোরের নীচে জাগে নিঃশব্দ মেনে ।
প্রতিটি ফেলে আসা মুহূর্তের কাছে ঋণী আমি।
একা একা মহাসড়কের দিকে হাঁটি মিলিয়ে যায় অনন্ত প্রেমের উপন্যাসিক পুনশ্চঃ লিখন,,
তীর্থের কাক এসে বসে সময়ের চৌকাঠে,
আমি মায়াভরা হাতের মুঠোয় রূপশালীধান
মেখে রাখি বাকি জীবন পথ হারানোর উদ্দেশ্যে হাঁটতে থাকি ।
শেকড় ও মাদুলি তো এক নয়, যেমন নিখাদ ভালোবাসা আর উপঢৌকন
কথা ও কামারশালার মাঝে তাই আমি চুপঘর বেঁধে জেগে বসে থাকি প্রতিটি দীর্ঘ রাত
তীর্থের কাক ডাকে সকাল, রাত্রি আমার অজ্ঞাতবাসে, মেলায় বা মঞ্চে ব্রাত্য চিরকাল যোগ্যতা জীবন বোঝে না
, জলের গভীরে, পোড়াঘাসে মিথ্যে সব গল্পরা মাথা নিচু করে থাকে
চুপ থাকি আমি।
অন্ধের কাছে আর আলেয়ার কথা বলি না।
বৃদ্ধ প্রেমের গ্রীবা থেকেও তো আজকাল
মৃতসাপ ও বিড়াল ভেসে ওঠে...
অতীতের হাততালি পচে যাওয়া হাড়িয়ার মতো,
ইমান থেকে খসে খসে পড়ে অন্তর হনন
তীর্থের কাক চেয়ে থাকে একা লালনের ঘরে,
মানুষ ভাবে এক সময় ভাবে অন্য কিছু ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন