শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

সফর

  স্মৃতির ও একদিন পরিতক্ত হয়ে যায়, 
নিজের টুকরো গুলো  কুড়িয়ে  রাখার জন্য একটা
শুন্যতার  প্রয়োজন হয় কখনো কখনো  তাই 
সমস্ত স্মৃতি  কে চৌকাঠের বাইরে রাখতেই হয়,  
বৃষ্টির জলে নিজেকে ডুবিয়ে নিতে ভালবাসে মন, 

 'বস' আজ তুমি যেখানে দাঁড়িয়ে  আছো... আমিও ছিলাম
একদিন, 
আজ যে গহীন অন্ধকার তোমায় অন্ধ করে দিয়েছে আমিও
কখনো  হারিয়ে গেছিলাম সেখানে, 
সময় বুঝি আজ আমাদের মাঝ বরাবর রেখা টেনে সমানে
সমানে ভাগ করে দিয়েছে যন্ত্রনা , 
আমার ভাগের টুকু  পেরিয়ে এসেছি হয়ত এবার তোমার পালা,, 
এখন সমস্ত রঙ তামাশার থেকে বহু দূরে আমি 
ইচ্ছে হলেই ছুঁয়ে আসতে পারি তোমার ভেঙে যাওয়া  
তাসের ঘরের ব্যার্থ উপন্যাস, 
ইচ্ছে হলেই একটা পাহাড়ি  নদী ঝর্নার পাশে রঙ তুলি দিয়ে
সেই শ্রেষ্ঠ ছবিটা আঁকতে পারি... আর পারি কফিনের শেষ 
পান্ডুলিপিটা লিখে রাখতে... 
সাহস লাগে 'বস' ভালবাসতে আর ত্যাগ করতে সাহস লাগে, 
স্রেফ আদ্যোপান্ত  একটা রক্ত মাংসের মানুষ  হলেই কি সব পারা যায়  'বস'... বুকের ভেতর আগুন জরুরী, 
বাকি আয়না তো সবার ঘরেই থাকে। 

#সই ( সফর)

জাফরির ফাঁক

জাফরির ফাঁক  দিয়ে আমি লেন্ দেন সারি, 
আমাদের কথারা  ছোটো  হতে হতে চুপদেশের
খুব কাছে পৌছে গেছে বহুকাল।
আমাদের ঘরের ইঁট একটা একটা  করে খুলে ফেলতে 
থাকি রোজ দিন,  
উপেক্ষায় ঢেকে রাখা খাবারের থালায়
আমদের শব্দগুলো  নুন বিহীন  বিস্বাদ এখন
 ,  একে অপরের খিদে বড্ড  অচেনা।

নদীর স্রোতের মত রোজ সরে যেতে  যেতে  
আলো, ইচ্ছা পাহাড়ের ধারে ছবি আঁকা  কাঁচ বারান্দা সব
কেমন ঠিকানা বদলে ফেলেছে। 
 পুরনো  কথপকথন হারানো লিপির মত হয়তোবা  লেগে থাকে
পাঁজরে .... আথচ এখন আর সে শব্দে মাথা রেখে দুদন্ড শান্তির ঘুম আসে না। 
কেমন আছি বলবো  না জানতে দেবো না গুড়িয়ে দেওয়া 
আমিটার আজ ঠিক  কোন সেপে কোন  ফ্রমে... 
স্রেফ জাফরির ফাঁক দিয়ে বাকি লেন দেন সারবো।

#সই (জাফরির ফাঁক) 

বৃষ্টির অপেক্ষায়

 আকাশে  বৃ‌ষ্টি নেই বহুদিন-
শরীর  জুড়ে জ্বর  অযুত বছর এ অসুখ জড়িয়ে আছে যাপনের  সাথে,
 ঋতু অসচ্ছে চলে যাচ্ছে গাছেরা নতুন সংসারে আয়োজনে ব্যাস্ত এখন।
 শহরে দেশলাই বাক্সের সংসার ভে‌ঙে যাচ্ছে মানু‌ষ
ঘরের বাইরে বারো  ঘর বাঁধছে মন।*
ফু‌রি‌য়ে‌ছে জীব‌নের  লেনা দেনার হিসেব ,
খেরোর খাতায় সংসার লিখতে লিখতে 
সব অংক ভুল হয়ে গেছে ।


বহু‌দিন  জমি জুড়ে সবুজে শোক 
মুঠোয় কেবল শুন্য রাখা ,
পাখিরা গান ভুলে গেছে বহুকাল ,
 সৎ মা‌য়ের ম‌তো নিরুপায় 
স্নেহহীন  প্রতিটা সকাল  আর বিকেল গুলো সাদা
কাপড়ে  জড়িয়ে কলা পাতায় ইচ্ছা ভাসিয়ে দেওয়া ।

আকাশে  বৃ‌ষ্টি না‌মে‌নি বহু‌দিন-
ধু ধু শূন‌্যতার সাঁ‌কো পে‌রি‌য়ে প্রিয় রিং টোন মাঝ
পথে হারিয়ে যায় ,
জ্বর বাড়ে হাজারো মৃত্যু দেখি রোজ কিস্তিতে 
আমার ভেতর আর বাইরে তুমি নামক জ্বলন্ত চিতা
কেবল আকাশের বৃষ্টি ধুয়ে দিতে পারে ।

#সই( বৃষ্টির অপেক্ষায়)



বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪

ঘর দুয়ার

ঘরের দরজা একটাই  আর সে দরজা 
আছি আর নেই এর  সাথে অপেক্ষার বাস... 
আজকাল আছি আর নেই এর মাঝে 
অপেক্ষা বিসর্জনের ফুলের মত হারিয়ে গেছে 
সময়ের স্রোতে, 
মানুষের  হাতের রেখায় লুকোনো  থাকে 
নদী ঘাট 
আমারও  ঘাট রাখা আছে নিজস্ব  সে ঘাটে
ইদানিং  আমার মৃত শব রাখি 
মাথার কাছে রাখি শান্তি আর  আশ্রয়ের রুপকথাদের
 বাসি মালা, 
একদিন  বিকেলের কাঁধে  মাথা রেখে আমার সাথে আমার শব থেকে মুক্তি পাওয়া আমির মুখমুখি বসি  সে বলে জল কখনো বন্দর হতে পারে না... 
আমি জানি   আমি জানি...আমার জমি ও জলের হিসেব, 
আমি জানি আমার আমায় কোথায় থেমে যেতে  হয় একটা
ফুল স্টপ কে সাক্ষি রেখে, 
হ্যাঁ  কান্না পায়, অন্ধকারের বুকে মুখ গুঁজে  'দ' এর মত কুঁকড়ে থাকি  তবুও  ঘাতকের সহবাস আর চাইনি, 
আমি গাছের দের ভালবেসে আঁকড়ে  থাকতে দেখে ভুলে
গেছিলাম মানুষ  আসলে গাছ নয়, 
...  আমি স্রেফ বোকার মত  গিরগিটিদের দুনিয়ায় গাছের ভালবাসা খুঁজে গেছি তাই সবুজ নয় আমার ঘরের দেওয়াল জুড়ে কেবল ধুসর  রঙের খোলসের টাঙানো। 

#সই ( ঘর দুয়ার)

মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪

বাইরে ভিতরে

এই যে শব্দহীন ঘরে  আমার নিজেকে লুকিয়ে ফেলা 
একথা আমি কাউকে জানতে দিইনি। 
আমার বাইরেটা আমার ভেতরের থেকে অনেক দূরে ঘর  বেঁধেছে এখন ।
তুমি আমার বাইরের মানুষটাকে ভালোবাসলে স্রেফ প্রয়োজনে, 
আমার অন্তরকে খুঁজে দেখলে না । 
তুমি আমার সম্রাজ্ঞী সম বাইরের  অলংকার
দেখলে  আমার ভেতরের বাউল ভিখারী দিকে তাকালে না ,
একটাই ক্ষীণ ফাটল  দিয়ে হাওয়া আসে যায় ,
একটাই দুয়ার ফিরে আসার হয়তোবা ছিলো কখনো ,
 তুমি আয়নার  কাছে নিজেকে প্রশ্ন করো, 
কেন  বিষ আমি পান করেছি যে আমি বাঁচতে ভালোবেসে
দুঃসাহসী ছিলাম কখনো 
কেনই বা আলেয়া ও মঞ্চ থেকে গোপন আমার গল্প আজও 

মাঝে মাঝে মনে হয়, অজস্র অবিশ্বাস  আর ভালবাসা হীনতার  ভিড়ে  দাঁড়িয়ে  আমি এত বোকা রয়ে গেলাম কেনো । এত লোভ ও লিপির নীচ দিয়ে
সাধনের তিরতির  প্রবাহ আড়ালে বয়ে যায়।
আমি  ভেবেছিলাম একদিন ওই স্রোতের পিছু নেবো। 
একা একা  বয়ে যাওয়া  স্রোতের কিনারে  বসে থাকবো না। 
অপেক্ষায় করবো না আমার বারংবার হত্যা তোমার হাতে হোক

#সই

অসুখ

অসুখ  যেন আমার কবিতার খাতায় সংসার পাতছে 
 কষ্ট , আনন্দ ,প্রেম ,  হারানো ,পাওয়া, আমার 
না পাওয়ায় চোখ পিটপিট পুতুল এরা আমার এক একটা অসুখ,
সব কবিতার  সাদা পাতায় সংসার পাতছে আঁকড়ে ধরে ,
শব্দদের ভেতর আমার চিৎকার  কান্না হাসি মিশে
নানান দেওয়াল সজ্জা সে ঘরে ।,
ঘর ভরে যায় শব্দের আসবাবে তবু যেন ঘর ফাঁকা মনে হয় ।

.সময়ের  দৌড় থামে না থামে না ভাবনার নিরন্তর জন্ম মৃত্যু,
আগুন পুড়িয়ে বৃষ্টি ভাসিয়ে সভ্যতা গড়ে সভ্যতা মুছে চলে 
সে শব্দেরা ,
ফিনিক্স পাখির মত ডানায় যেন আজন্মের কিছু একটার নেশা
লেগে থাকে , ঈশ্বর হারিয়ে যায় তপস্যা যেন মাটির আড়ালে
রূপ বদলে ফেলতে থাকে অজানা ম্যাজিকে ,
আমার অসুখ বাড়ে একটার পর আরো একটা অসুখ অজস্র
অসুখের ভিড়ে নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলি ভুলে যাই আমি কে
আর কে আমার ....


#সই (অসুখ 

হাঁপিয়ে ওঠা জীবন


বুকের ভেতর হাপর যেন হাঁপিয়ে  উঠেছে
যন্ত্রনা গুলোর কান্না বদ রক্তের মত শুকিয়ে গেছেন
জীবনের অংক গুলো মেলে না সবসময় 
আর সে অংক না মেলার কারণ গুলো বড্ড কারণ হীন 
নির্বাক,
বয়স সিঁড়ি ভেঙে যায় হাঁটুর ব্যাথা আর চুলের রঙে
অভিজ্ঞ হয় জন্ম।
যেখান থেকে শুরু সেখানে আর ফেরা হয় না কখনোই
আসলে জীবন যে ওয়ান ওয়ে ।

বুকের ঘরে সময়ের নোনা ধরা ইট
আর আর কেটে যাওয়া মুহূর্ত স্রেফ ফসিল হয়েই রয়ে যায় ,
ধারাপাতের সংখ্যার বয়েসও তোমায় আমায় জড়িয়ে ধরে।

শেষ ট্রেনের মত  ভালবাসার রিংটোন একদিন স্পর্শ ছড়িয়ে দূরে কোনো আকাশের প্রান্তে মিলিয়ে যায়
পুঁজির হিসেব গোছাতে গোছাতে প্রয়োজন টুকুই
জরুরী ভাবে আসলে আশ্রয় টুকু কলা পাতায় ঘি মাখিয়ে ভাটায় ভাসায় জীবন ....আর তারপর একটা আফসোস জড়িয়ে মৃত্যু জাজিমে ঘুমোতে ইচ্ছে করে  ' দ ' এর মত ।।


#সই  (হাঁপিয়ে ওটা জীবন)

সময়ের আড়ালে

এই যে সময়ের আড়ালে  টুপটাপ শব্দের ঝরে পরা 
এই যে  চুপকোথায় কাহিনী উজাড় হওয়া 
এই যে বেঁচে থাকার গল্পে কত জন্ম মৃত্যু মিশে থাকে 
বুকের ভেতর  সে গল্পের আসর যেন এক কবির শ্রেষ্ট সৃষ্টি।

 আমরা বেঁচে থাকি বাঁচার তাগিদে 
নিজস্ব  নীরবতার সাথে কথপোকথন  একে অপরের মুখোমুখী তরবারির কাটাকুটি খেলা চলায় বুকের জমিতেই,
রক্ত কখনো ফিনকি দিয়ে মাটি গেঁথে হাজারো আমার মত আমি কিংবা তোমার মত তুমি জন্ম নিচ্ছে অনবরত,
জীবনের ষড়রিপুর কাছে হারি কিংবা জিতেও হয়তো যাই,
তবু কি বাঁচে বেচেঁ থাকার কারণ গুলো তবু কি স্পষ্ট হয়
মানুষের প্রিয় মুখের ছবি ! নাকি  সেই আবার প্রয়োজন
পড়লেই প্রিয়জন বেছে নেয় মানুষ ?

সম্পর্কের কাছে আসা আসা দূরে থাকার মাঝে 
বোঝাপড়া আর সে বোঝাপড়া বজে দিন ক্লান্ত 
সেদিন উত্তর দেওয়ার মতো কথা ঠোঁটের ভেতর
মরে যেতে ভালোবাসে 
কিংবা  শব্দেরা ফুরিয়ে যায় অবাক ভাবেই ।
একদিন সময়ের চাকায় পিষে গিয়ে 
নিজের মানুষগুলো কখন যেন কোন ফাঁকে হারিয়ে যায়। 
.
এই যে সময়ের আড়ালে   টুপটাপ শব্দেরা ঝরে পরে 
এই যে বাইরে গাছেদের কথাগুলো  মানুষ বুঝতে পারে না 
এই যে অগুনতি মানুষ একসাথে হাঁটছে  সম্পর্কে বাঁধছে তবু কেনো এই ভিড়ে  সকলের একার গল্পেরা ডুকরে কাঁদছে?

  একান্ত বোঝাপড়াr সামনে দাঁড়ানো মানুষ গুলো এত অসহায় কেনো  কেনো ভালো থাকার প্রতিশ্রুতি অসময়ের বৃষ্টি
ধুয়ে দেয় ...
কেনো গুলো কেনো যেনো অন্ধকারের সামনে একটা সূর্যের অপেক্ষায় চিরকাল ।

#সই

সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

ভালো থেকো

এ বসন্তে স্বপ্নের আগুন পুড়ে লাল
যে শব্দেরা শব্দের ঘরে বেহায়া
তারাও  আর ভালবাসা শব্দটার চিনতে পারে না
তবু বসন্তে উৎসবে মানুষ বাঁচতে চায় চায়
অশোক পলাশের রঙ মিশে যাক সমস্ত অভিমানের
চাদর সরিয়ে ।
মুখ ফিরিয়ে নেওয়া আসলে এক অমৃত সম 
মৃত্যু ,
 গাছের পুরোনো পাতায় সে মৃত্যুও 
নতুন জীবনের বার্তা দিয়ে যায় , 
অথচ গাছ সে পাতাকে মনে রাখার দায় নে না ...
মেনে নেয় এই ভেবে এমন তো কত কিছুই
আসে যায় এক  বেঁচে থাকায়  ...কিছু দুর সাথে 
থাকা তারপর হঠাৎ একদিন সময় দাড়ি টেনে
দেয়।
 বসন্ত ,শীত, চটচটে গ্রীষ্ম, অপেক্ষার ফেরিঘাট 
সব  সব কেবল চিহ্ন হীন ঘটনা তখন  ...তখন
পারিজাতের সেই বাগানে শুধু মৃত সব ছবিরা,
ওড়নায় জড়ানো আদুরে সেই ছবি অভিশাপের
নিচে শব হয়ে পুড়ছে ।

শুধু পাতা জুড়ে শব্দের যানজট  চিৎকার রেখে যায় 
কখনো জেহাদ কখনো প্যায়ারের ভূমিকায়
কখনো শেষের কবিতা থেকে
উপন্যাসে বিছিয়ে যায় রোজনামচার মতোই
প্রহরের শেষে আমাদের ঘরের  দেয়ালে স্মৃতির
কোলাজ টাঙানো অভ্যেস হয়েই যায় শেষমেষ,

 কোনো এক কবি  একবার বলেছিলো ...
তুমি যে ভাবেই ফিরতে চাও না কেনো
কোনো ভাবেই সেই আগের তুমি সেই আগের
আমি মুখোমুখি হবে না ।
আসলে গল্পটা শেষ ।
আসলে বসন্ত আসে প্রতি মরশুমে পলাশ ফোটে 
তবু সে বসন্ত একই নয় নয় সে পলাশও আগের মত ।


#সই

বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

এ শহর

ভীড়ের শহরে একা হাঁটছে সবাই 
দিন শেষে একটা  চার দেওয়ালে 
আশ্রয়  খুঁজে ফেরে রুপকথার মত, 
সত্যিই সামান্য চাওয়া গুলো এ শহরে 
রুপকথার মতই, 
তুমি আমির সংসার আমাদের কতটা 
সেটা বুঝতে এক জীবন চাতক  এর মত,
ভাতের পাশে নুনের হিসেব মেলাতে গিয়ে 
সিঁড়ি ভাঙা অংকের জরিমানা লেগে থাকে 
বেঁচে থাকার গা ঘেঁষে । 
রঙ রুপ গন্ধ বর্নের একটা আকাশ মুখি গাছের সংসারে 
আর হয় না... সাধ হয় এক জন্ম গাছের মত, 
সাধ হয় একজন্ম নদীর মত, 
সাধ হয় এক জন্ম নিজের জন্য আকাশ 
এ শহর এক জন্ম সাক্ষি থাকুক রুপকথার । 
 



সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

মিলিয়ে যায়

কান্নার সমুখে এসে থমকে দাঁড়াই  যখন কেউ একজন দরজায় কড়া পাহারা দাঁড়িয়ে থেকে উল্টো পথ বাতলে দেয় 
মন গড়িয়ে নামে খরস্রোতা হয়ে  সংসার হাসি মুখ ।
বহুবার পাহাড়ী বাড়িটার পাশে  রডোডেনড্রন গাছটার দিকে
তাকিয়ে ভেবেছি গাছটার লেখা সব কবিতায় কিভাবে এত
আনন্দ ধারা জারি থাকে ! হ্যাঁ ঠিক ততবারই আমার বিবর্ণ
কাব্যের কান্না আড়াল করেছি সালমা চুমকি গাঁথা পর্দায়।

স্মৃতি অসলে এক মৃত্যুর ছবি  ,সে ছবির সামনে দাঁড়ানো যায়
কয়েক মুহুর্ত কিন্তু আজন্ম কাঁধে সে বোঝা চাপিয়ে রাখা যায় না , 
যে সব মুহূর্ত রিকল করলে একদিন সম্পর্কের ভেতর তিরতির নদী বয়ে গেছে  সময় পেরোলে সে স্রোত শুকিয়ে যায়  শুকনো স্রোতের নতুন সংসার বিছিয়ে দেয় আরো এক সময় ।
আসলে সব মুহূর্তই ক্ষণজন্মা  সব স্মৃতিই এক অভ্যেসের দাগ 
আর সে দাগের পাশে আরো এক গভীর দাগ বসত করলেই ক্রমশ পুরোনো দাগ হয়ে পড়ে মৃয়মান তারপর একদিন দাগের সাক্ষর  থাকলেও সেভাবে  চোখ যায় না ।
মন মস্তিষ্কে অজানা ইরেজার কখন যেন নিজের মত  দেওয়াল লিখন মুছে ফেলে ... ঈশ্বর বিসর্জন হয়ে গেলে মাটি হীন কাঠামোর কথা আমরা মনে রাখি কই।

#সই