মন গড়িয়ে নামে খরস্রোতা হয়ে সংসার হাসি মুখ ।
বহুবার পাহাড়ী বাড়িটার পাশে রডোডেনড্রন গাছটার দিকে
তাকিয়ে ভেবেছি গাছটার লেখা সব কবিতায় কিভাবে এত
আনন্দ ধারা জারি থাকে ! হ্যাঁ ঠিক ততবারই আমার বিবর্ণ
কাব্যের কান্না আড়াল করেছি সালমা চুমকি গাঁথা পর্দায়।
স্মৃতি অসলে এক মৃত্যুর ছবি ,সে ছবির সামনে দাঁড়ানো যায়
কয়েক মুহুর্ত কিন্তু আজন্ম কাঁধে সে বোঝা চাপিয়ে রাখা যায় না ,
যে সব মুহূর্ত রিকল করলে একদিন সম্পর্কের ভেতর তিরতির নদী বয়ে গেছে সময় পেরোলে সে স্রোত শুকিয়ে যায় শুকনো স্রোতের নতুন সংসার বিছিয়ে দেয় আরো এক সময় ।
আসলে সব মুহূর্তই ক্ষণজন্মা সব স্মৃতিই এক অভ্যেসের দাগ
আর সে দাগের পাশে আরো এক গভীর দাগ বসত করলেই ক্রমশ পুরোনো দাগ হয়ে পড়ে মৃয়মান তারপর একদিন দাগের সাক্ষর থাকলেও সেভাবে চোখ যায় না ।
মন মস্তিষ্কে অজানা ইরেজার কখন যেন নিজের মত দেওয়াল লিখন মুছে ফেলে ... ঈশ্বর বিসর্জন হয়ে গেলে মাটি হীন কাঠামোর কথা আমরা মনে রাখি কই।
#সই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন