বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩

অপেক্ষায় আমিও



ইদানীং ইচ্ছে হয়  বন্যার জলের মত তোমার  জীবন ভাসিয়ে দিই
সবকিছু বুঝে ওঠার আগেই তোমার ঘরের সব ঘড়ির কাটা স্থির ও
স্তব্ধ করে দিক মহাকাল,

প্রথম দিনের   স্বপ্নের অঞ্জলি  প্রত্যাশা,কিছু আশা
আর তারপর শূন্য এসব ওই বন্যার জল ভাসিয়ে চিহ্ন হীন করেই দিক এক প্রলয়ের মত। 
বড্ড তাড়াহুড়ো আমার এই ভাসানে  ,
ভালোবাসার নির্ভুল বানান এ শহরে ধুলোয় মিশে যায়  । 

  সিলেবাসের বাইরে কিছু প্রশ্ন সময়ের ধারালো অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে 
উত্তর যেন রক্তাক্ত নির্বাক।

  ক্যালেন্ডারে ঝোলানো  তারিখ আর তারিখে রাখা উল্লেখ্য
মুহুর্ত,  ঠোঁটে লেগে থাকে  চাওয়া পাওয়া  কালসিটে।

 গড়িয়ে পড়ে চোখের জল, বুকের ভেতর দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া ঝড়ের দাপট,
এ সব কোন এক প্রশ্রয়ের নাম  আর এ প্রশ্রয়ে লেগে থাকে অন্তর্মহলের বিশ্বাস ঘাতক স্মৃতির  সোঁদা গন্ধ। 
এখন আর ভয় করে না,  কোনো ধ্বংস কিংবা মৃত্যুকে 
বারবার, বারংবার ঠকে যেতে যেতে  
কষ্টগুলো নেশার মত ভীষন জড়াতে থাকে  মাথা আর মনকে,
এই  শূন্যতায় এই ভাঙচুর হৃদয় আর আমি 
একলা থাকতে ভালো বাসি  
আর ইচ্ছা করে বন্যার জলের মত একবার অন্তত তোমার ভেতর হুড়মুড় করে ঢুকে গিয়ে ভাসিয়ে দিই  ফুরিয়ে দিই তোমার ঘুন ধরা অহংকারকে
অপেক্ষায় আমিও,,,,,,,
.. #সই

পতঙ্গের মত


তুমি তোমার অন্তমিলে লীন, তোমার কথার অভিসন্ধিতে 
আগুন লুকিয়ে রেখো ...আমিও সাবধানী পথিক এখন 
আমার অক্ষর দের ভেতর আর জীবন রাখিনি  তাই তোমার
সৌহার্দ্যর গল্পে সেই কাঁচ ঘর কবিতা ক্যানভাস রঙ তুলি
সবই স্পর্শহীন ,
আমার সমস্ত মন্দ বাসায় বিষ মাখিয়ে  দেরাজে রেখেছি ,
হাসি পায় যে সব দিন গুলো ভালোবাসায় বাস করা যেত সে সব দিন আমরা  স্রেফ একে অপরের চরিত্রের সুতোয় টান মারতে মারতে সম্পর্কের বানান ছিঁড়ে ফেলেছি ।
আজ সরীসৃপের খোলোস ছাড়া আমাদের অতীত  যেখানে গল্পেরা কায়া হীন ।
সময় ক্ষয়ে গেলেও সময়ের কলমে লেখা কাহিনীর ক্ষয় হয় না ,
জীবনের সব  গল্প যেন  পতঙ্গের মত ।

#সই (পতঙ্গের মত)





মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩

কখনো আর দেখা হবে না

কখনো দেখা হবে না 
এ শহরের বরাচ্ছন্ন কিছু গল্পে হারিয়ে গেছি আমরা 

খবরের পাতায় ,বাড়ি ফেরত বাস ,অটো লাইনের তুমুল আলোচনা 
কফির শহরে একান্ত শক্তি বাবুর প্রেমের কবিতা সব সব বরফের নিচে চির ঘুমের
ভেতর রয়ে গেলো,
পাগলা দাশু কিংবা নন্দিনী ওরা কেউ কাউকে এখন আর চেনে না 

অনেকে হাসবে জানি  ,নিন্দুকেরা বলবে এসব আসলে টাইম পাস
কেউ কেউ গল্পটা  হয়তো জানবেও না গায়ে   । 
তবুও 
হলুদ ল্যাম্পপোস্টের নিচে বরফ শহরে হেরে যাওয়া একটা  সত্যির মাঝে 
তুমি এসে দাঁড়াবে হ্যাঁ  তুমিই এসে দাঁড়াবে ,
বুকে পাড় ভাঙবে তোমার ,সময় চাইবে কিছু যোগ বিয়োগের হিসেব 
পারবে তো সেসব হিসেব নিয়ে নিজের আয়নায় দাড়াতে  ?

আসলে গল্পbক্লান্ত আর   ব্যর্থ  সে গল্পের লেখক 
কত চরিত্র, কত দহন , কত হাত পার হয়ে যাবে সে দিন
কত না-বলা কথা ,কত আফসোস দীর্ঘশ্বাসে তোমার ,
ক্যালেন্ডার আর চোখের কোলে তারিখ ভুল হবে 
সময় হাসবে। হাসবে গোটা এই বরফ শহরের নিচে থেকে যাওয়া ফসিল।
আর পাগলা দাশু নন্দিনী দুহাতে নিজেদের কবর দেবে
তুমি একমাত্র তুমিই  এই গল্পে সেদিন খল নায়k এর ভূমিকায়
.
সেদিন  জিতে যাবে মহাকাল
            আর হেরে যাবে  তুমি. কোনোদিন আর আমাদের দেখা হবে ন।

সই (৬৯)

কোন কোন মৃত্যুকে  দাহ করতে হয় বুকের পাঁজরে আগুন দিয়ে , অনন্ত-কালশৌচ থেকে যায় জীবনের শেষ দিনেও 
এক মৃত্যু আর একটা জন্মের দায় বয়ে বেড়ায়।

..সই