জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
তিনপাত্তির জীবন
মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
সই(৭০)
সই (৬৯)
বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
সম্পর্ক
মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
সই(৬৪)
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২
প্রথম ও শেষ
জীবনের কাছে যাকিছু প্রথম অনুভূতি তার স্পর্শে পুঁজির গাঁথনি বোনে সময়,
পাওয়া না পাওয়ার বাঁধন কখনো কখনো আঁকড়ে ধরে বুকের কলজেটাকে।
কিছু না নিয়ে এসেও অচেনা কেউ মোহের গিঁট পরতে পরতে বেঁধে দেয় সুতোয়।
চোখের নদীতে কখনো কোজাগরী, কখনো ঘর ভাঙা উজানে ফুঁপিয়ে ওঠে ভাসমান তরঙ্গ।
আয়োজনের পরে স্মৃতি , অভিমান, কিংবা নিছকই শখের শব্দ-কোষ হাসায় কাঁদায়,
কখনো জন্ম জঠর, কখনো বন্ধু ,কখনো প্রেম ,কখনো সুখ,
সব যেন ভীষণ সম্পর্কের সুখ আর অসুখের নকশীকাঁথা ।
খিদে ,তৃষ্ণা ,ক্ষত , প্রেম, শোক, প্রিয়জন ,প্রিয়মুখ প্রয়োজন সব ভুলতে হয় উপন্যাসের শেষে রাখা উপসংহারে,
মৃত্যু জাজিমের বুননকৌশল কেবল স্পর্শ অনুভূতি এফোঁড় ওফোঁড় করে এ যেন পাতা জুড়ে এক বিশাল সিঁড়ি ভাঙা অংক।
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
মহেন্দ্রক্ষন
শব্দেরা ঘুমিয়ে পড়লে বুকের ব্যারিকেড ভেঙে উত্তরে শীত হাওয়া প্রশ্রয় পায়,
ইচ্ছাবাড়ির দেহাতি স্বপ্নেরা তখন হয়তোবা লাগামহীন, তারা বোঝে না সুনীল বাবু তিস্তার বুকে ভাসতে ভাসতে লিখে গেছে আসলে কারন ছাড়া কেউ স্রেফ কথা রাখার জন্যে সারা জীবন পাশে থাকে না।
আসলে সবার উঠোনে সাঁঝবাতি জ্বলবে এমনটা নয়,
কিংবা সব শীত সকালে চটকানো সূর্য টা উত্তাপ দেবে এমনটা নাই বা হোতে পারে।
তবু চলতি কা নাম গাড়ি যেহেতু সেহেতু সে গাড়ির একটা ছই থাকে কখনো সখনো,
আর কখনো সখনো সে ছই বড় শান্তির সে ছই এর বুকে মুখ গুঁজে আর কোন দুনিয়াদারী কেনাবেচা দরকার হয় না।
বুকের মাঝে আকুতি থেমে যায়... ভায়োলিন এর সুর যেন সব পেয়েছির সিম্ফনীতে পরিপূর্ণতা পায়
...করণীয় ভাবনারা শূন্যে অবস্থান করে মুহুর্তে,,
বেঁচে থাকায় ছায়ার মত লেগে থাকা অপেক্ষাগুলো মুক্তির আকাশে আনন্দ উতসবে হারিয়ে যায়।
গল্পের উপসংহারে একটা শান্ত তৃপ্তি সমস্ত স্বার্থ, চালাকি, একাকিত্ব, পাওয়া না পাওয়ার যতি মুছে দেয় শেষ মেষ
প্রশ্নেরা চিহ্ন হারায়, শব্দেরা ধ্যানমগ্ন হয়,
আর সে মুহুর্তের নাম মহেন্দ্রক্ষন।
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২
প্র যত্নে আয়োজন
প্রযত্নে আয়োজন
সই
.....
সব ফুরিয়ে যাওয়ার উপসংহারে
যেতে যেতে চরিত্রেরা একটা ইতিহাসের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে শেষ মেষ ।
পিছনে ফিরে তাকালে সত্যি মিথ্যের যতিচিহ্ন ছায়ার মত লেগে থাকে।
অনবদ্য দিনলিপির একটা খসড়া থাকে প্রত্যেকের কাছে
অথচ সবটাই নতুন অজানা সামনে রাখা অধ্যায়,,
জীবন প্রয়োজনীয় আয়োজনে প্রিয়জনের তালিকা তৈরি করে।
আর তারপর কোনো এক তারিখে পাশা পাল্টে বুকের ভেতোর মুহুর্ত গুলো কলজেটাকে নাগপাশে বন্দি করে না দেয় মরতে না দেয় বেঁচে থাকতে।
শব্দ মহলে বর্নদের ইটের দেয়াল বুনে মানুষের সম্পর্ক আর সে সম্পর্কের ঘরেও ভালবাসা একলা কাঁদে।
বিশ্বাস ভাংচুর , হাতে হাত রেখে কথারা ঠুনকো কাঁচের মত আলুথালু ছড়িয়ে ছিটিয়ে অচেনা সে কাঁচে নিজেকে রক্তাক্ত দেখেও হাসি পায়, যেন নিজেই নিজের ধ্বংস দেখে উৎসব উজ্জাপনে মাতাল।
একটা দ্রোহের কাছে একটা দহন মিলেমিশে বাঁচে শেষমেষ।
আসলে এ পৃথিবীতে সব আয়োজন প্রয়োজন মেপেই চিরকাল
মানুষের চোখের পাতায় আজও যে স্বপ্নের বাস সে স্বপ্নে ঈশ্বরের আধিপত্য চিরকাল ,
বুঝি না ঈশ্বরের আর শয়তান কি একই কয়েন এর এপিঠ ওপিঠ!