বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

তিনপাত্তির জীবন

  তিনপাত্তির জোকারের গাল গড়িয়ে নামছে রক্ত, 
কলজে থেকে শুনশান বাতাস ছুটে  শহরের খবর  মহলে।

 রোদ চশমার  আড়ালে  জীবন  দহন লুকিয়ে ফেলা এ সভ্যতার  অভ্যাস। 

ধুলোপড়া  সময়কে ধুলো সরিয়ে  দেখার নাম তাই  ইতিহাস।

মিথ্যে  গল্পেরা মঞ্চে  সাজালেই হঠাৎই  কেমন জীবন্ত হয়ে ওঠে, 

মৃত্যুর  ওপারে  কোনো  প্রতিশোধ  ধোপে টেকে না বলেই  তাই মৃত্যু  চেয়ে  লেখা কবিতার শেষ  অক্ষর পরজন্মের দুয়ার আঁকা  যায়  না।

জাতক হয়ে ফিরে এলেও  দুঃখ বলেই ডাকবে সে,
কারণ এখনো তো যন্ত্রনা লিখতে চেয়ে   কেউ মেঘে কাব্য লিখছে ,।

 সময়কে অশ্রাব্য করতে শেখা হলো না বলেই

শেখা হলো না হিসেব নিকেশের মানুষের ভূমিকায় লুকিয়ে থাকা সংকল্প।



নগর সংকীর্তনের উল্লাসে হারিয়ে যায় নিয়মের ঘরন্দা ,,

গল্প কখনো ফুরোয় না 

                      কারণ সময়ের আয়নায়  মানুষ চিরকাল  গল্প হয়েই থেকে  যায়।

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২

সই(৭০)


সময় শিখিয়ে দেয়  না থাকাগুলো   মুছে নিতে,, 
 তাই চোখের  উপত্যকায়  নতুন সকাল অপেক্ষায় জেনো।
 অপেক্ষা  না থাকলে এক সময়  দুরত্বে মাঝে সেতুটা নিজে থেকেই দৃশ্যের  আড়ালে হারিয়ে যায়। 
প্রহসনের  শব্দ গুলোয় প্রহর লেখা থাকলেও সেটা  উহ্য  আর
শান্তি শব্দটা  তরল জাতিয়, ... পাত্র বিশেষ  আকার বদলে নেয় খুব সহজে, 
 জাতকের কাছে তাই জীবন শব্দটা উৎসব কিংবা   যাপন   হতেই পারে 
আসলে শব্দটা    কাঁচা  মাটির ঢেলার মত... গড়ে নিতে হয় একজন শিল্পীর  ভুমিকা নিয়ে ।

..

সই (৬৯)


ঈশ্বর কোনো অপেক্ষায়  স্থবির  নয় 
পথ চলায় তার অধিবাস, 
হৃদয় কে জাতের ছুরি  দিয়ে কাটলে অনুভূতি 
শব্দটা  বড় বেমানান ,, 
কালের খেলায়  মানুষ  কেবল তার দাবার ছকের গুটি।
তুমি ভাবছো অথাস্তু শব্দটায় তথাগত বাস করে, 
আসলে সে সময়ের মঞ্চে  কাঠ পতুল খেলছে  আর তুমি
সারাটা প্রবাহ জুড়ে নিজেকে তথাগত  প্রমান করতে করতে ফুরিয়ে ফেললে শখের জীবন... 
 
...সই

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২

সম্পর্ক

সম্পর্ক গুলো জলের মত   
কাছে গিয়ে ছুঁয়ে না দেখলে বোঝাই যায় না 
সে জল আসলে সমুদ্রের ,নাকি নদীর ,নাকি পুকুর, কিংবা কুয়োর ।
সম্পর্ক গুলো জলের মত তাই ছুঁতে আসে ,আবার ফিরে যায় অজস্র অজুহাতে ।

মানুষ তার ভাবনায় বাঁচে বেশিরভাগ জীবন,
হাঁসি কান্না রাগ অনুরাগের অনুভবে খাবি খায়
মুহুর্মুহু ।
স্মৃতি কখনো কখনো চোখের সামনে নতুন করে বেড়ে ওঠে নতুন চারাগাছ হয়ে ,,

আত্মার সামনে আয়না ধরে সময়ের সমুদ্র,
ভবিষ্যত আর অতীত মুখোমুখি ।

আজকাল  এসব ভাবনায় নিজের ভেতর গোটা ব্রহ্ম দেখতে পাই বোধহয়,

ইদানিং নিঃশব্দের ভেতরে এক কিংকিনি শব্দের সাথে সফর করি , কোনো এক  অন্তহীন প্রবাহর ভেতর হারিয়ে যাই।

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

সই(৬৪)

যখন  কাছে  ছিলে দুদন্ড বসিনি কখনো কাছ টুকু  ঘেঁষে , 
আজ তোমাকে    মন্দির, মসজিদ, গির্জার
কপাট ভেঙে  কাঠামো  তছনছ  করে তন্নতন্ন  করে খুঁজি,
চোখের  জল বুকের আর্তিতে  সব বিষয় -বাসনা বিসর্জন  দিয়েও
 তোমায় পাইনি   আর... 
#সই

 

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

প্রথম ও শেষ

জীবনের  কাছে যাকিছু  প্রথম অনুভূতি  তার স্পর্শে  পুঁজির গাঁথনি বোনে সময়,

পাওয়া না পাওয়ার বাঁধন  কখনো কখনো  আঁকড়ে ধরে বুকের কলজেটাকে। 

কিছু না নিয়ে  এসেও অচেনা কেউ মোহের গিঁট  পরতে পরতে বেঁধে দেয় সুতোয়। 

চোখের  নদীতে  কখনো  কোজাগরী,  কখনো  ঘর ভাঙা  উজানে ফুঁপিয়ে ওঠে ভাসমান তরঙ্গ। 

আয়োজনের পরে স্মৃতি , অভিমান, কিংবা  নিছকই শখের  শব্দ-কোষ হাসায় কাঁদায়, 

 কখনো  জন্ম জঠর, কখনো বন্ধু ,কখনো প্রেম  ,কখনো সুখ, 

সব যেন ভীষণ সম্পর্কের  সুখ  আর অসুখের নকশীকাঁথা । 


খিদে ,তৃষ্ণা ,ক্ষত , প্রেম, শোক, প্রিয়জন ,প্রিয়মুখ প্রয়োজন  সব ভুলতে হয় উপন্যাসের  শেষে রাখা উপসংহারে, 

  মৃত্যু জাজিমের বুননকৌশল কেবল স্পর্শ  অনুভূতি এফোঁড় ওফোঁড় করে এ যেন   পাতা জুড়ে এক বিশাল  সিঁড়ি ভাঙা  অংক। 



 

বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২

মহেন্দ্রক্ষন


শব্দেরা ঘুমিয়ে পড়লে বুকের ব্যারিকেড ভেঙে  উত্তরে শীত হাওয়া প্রশ্রয়  পায়,

ইচ্ছাবাড়ির দেহাতি স্বপ্নেরা তখন  হয়তোবা  লাগামহীন,   তারা বোঝে না সুনীল বাবু তিস্তার  বুকে ভাসতে ভাসতে  লিখে গেছে আসলে  কারন ছাড়া কেউ স্রেফ  কথা রাখার জন্যে সারা জীবন  পাশে থাকে না। 

আসলে সবার উঠোনে  সাঁঝবাতি   জ্বলবে এমনটা নয়, 

কিংবা  সব শীত সকালে  চটকানো সূর্য টা উত্তাপ  দেবে এমনটা  নাই বা হোতে পারে। 

তবু চলতি কা নাম গাড়ি যেহেতু  সেহেতু  সে গাড়ির  একটা ছই থাকে কখনো সখনো,

আর কখনো সখনো  সে ছই বড় শান্তির সে ছই এর বুকে মুখ গুঁজে  আর কোন  দুনিয়াদারী কেনাবেচা দরকার  হয় না।

বুকের মাঝে আকুতি  থেমে যায়... ভায়োলিন এর সুর যেন সব পেয়েছির সিম্ফনীতে পরিপূর্ণতা পায়

 ...করণীয় ভাবনারা শূন্যে  অবস্থান  করে  মুহুর্তে,, 

বেঁচে থাকায় ছায়ার মত লেগে থাকা অপেক্ষাগুলো  মুক্তির  আকাশে আনন্দ উতসবে হারিয়ে যায়। 

গল্পের উপসংহারে  একটা  শান্ত তৃপ্তি সমস্ত  স্বার্থ, চালাকি, একাকিত্ব, পাওয়া না পাওয়ার যতি মুছে দেয় শেষ মেষ

প্রশ্নেরা চিহ্ন  হারায়, শব্দেরা ধ্যানমগ্ন হয়,

আর সে মুহুর্তের  নাম মহেন্দ্রক্ষন।

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২

প্র যত্নে আয়োজন

প্রযত্নে  আয়োজন 


সই

.....

সব ফুরিয়ে যাওয়ার উপসংহারে 

যেতে যেতে  চরিত্রেরা একটা ইতিহাসের  পাশে দাঁড়িয়ে থাকে শেষ মেষ । 

পিছনে ফিরে তাকালে সত্যি মিথ্যের যতিচিহ্ন  ছায়ার মত লেগে থাকে।

অনবদ্য  দিনলিপির একটা  খসড়া  থাকে প্রত্যেকের কাছে

অথচ সবটাই  নতুন অজানা সামনে রাখা অধ্যায়,, 

জীবন  প্রয়োজনীয়  আয়োজনে  প্রিয়জনের  তালিকা  তৈরি করে।

আর তারপর কোনো এক তারিখে পাশা পাল্টে  বুকের ভেতোর মুহুর্ত গুলো  কলজেটাকে নাগপাশে বন্দি করে না দেয় মরতে না দেয় বেঁচে থাকতে। 


শব্দ মহলে বর্নদের ইটের দেয়াল বুনে মানুষের  সম্পর্ক  আর সে সম্পর্কের ঘরেও ভালবাসা  একলা কাঁদে। 

বিশ্বাস  ভাংচুর , হাতে হাত রেখে কথারা ঠুনকো  কাঁচের মত আলুথালু  ছড়িয়ে ছিটিয়ে   অচেনা সে কাঁচে  নিজেকে রক্তাক্ত দেখেও হাসি পায়, যেন নিজেই নিজের ধ্বংস  দেখে উৎসব উজ্জাপনে মাতাল।

একটা দ্রোহের  কাছে একটা  দহন মিলেমিশে  বাঁচে শেষমেষ।


আসলে এ পৃথিবীতে সব আয়োজন প্রয়োজন  মেপেই চিরকাল

মানুষের চোখের পাতায় আজও  যে স্বপ্নের বাস সে স্বপ্নে ঈশ্বরের আধিপত্য চিরকাল , 

বুঝি না ঈশ্বরের আর শয়তান কি একই কয়েন এর এপিঠ ওপিঠ!



সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২

অভিশপ্ত ঈশ্বর

দুচার কথায়  নিম্নবিত্ত দেওয়াল বুনি , তুমি শব্দে হাতুড়ি  পিটিয়ে  আশিয়ানা গড়তে  থাকো। 
যে তোমার নাম জপে মৃত্যু জাজিমে শুয়েও  তুমি সে প্রেমের নাম নিলামে  রাখো খুব সহজে ।

যে কথা বলোনি  শতাব্দীর পথ হেঁটে পাশাপাশি 
লিখেছো নিজের হরফে নিজের মত  অন্ধের গল্প  আলো লেখার আড়ালে।  , 
আসলে কয়েক ছত্র বাঁচতে গিয়ে মৃত্যু  কিনেছো এক মহাভারত। 
নিষ্ঠাবান কে একলা করে ঈশ্বর ও আসলে নিস্তব্ধতায় মোড়া একাকিত্বই  কিনে নেয়। 
কখনো কখনো  ঈশ্বরের চোখে  নোনাপানি  আর বুকে রাখা থাকে পাথরের  অভিশাপ। 

..
সই

গাছেদের সমীকরণ

  
মাটি আঁকড়ে থাকা  সম্পর্ক  আসলে প্রতিবাদের সমীকরণ 
 শিখে  নিতে পারে না,  
তারা শুধুই আকাশ - মুখি প্রেম ছড়িয়ে 
যায়  সবুজ  সাক্ষী হয়ে। ,

হ্যাঁ কখনো কখনো  মোলাকাত  ফুরিয়ে গেলে নিজের কাঠামো  ছেড়ে চলে যেতে  হয়। 

 কখনো কখনো মুখোমুখি দাড়িয়ে  থাকা ভালবাসাও পাতা ঝরা সময় হয়ে ওঠে অচেনা মুসাফির।  

শব্দের স্রোত সাক্ষী  রাখে আকাশ কারন সব গল্প মৃত্যুর  পর ফসিলের ভুমিকায় জমি কিনে নেয় সেই আকাশের নিচেই। 

আচ্ছা নিশ্বাস ফুরিয়ে যাওয়া  অথচ শেকড়ে মাটির টান না ফুরোনো মানে কি শব্দহীন  প্রতিবাদের জেহাদে একটা গোটা মন-জমিন বানজার করে দেওয়া?


...সই

শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২

দিনলিপি

রোজ নিয়মিত সুতোর বুনোন জমাটি  আড়াল আর সেই আড়ালে  লুকিয়ে রাখছি তোমার দৃশ্য, 
কারন খুঁজে  সময় বিলিয়ে  সব  আর্তচিৎকার আর ক্ষত দের ব্যান্ডেজ বেঁধে  রেখেছি  সময়ের কফিনে, 
জিতে জেতে হয় এভাবেই নিজের কাছে নিজের জন্যে , 

সকালের কাঞ্চনজঙ্ঘায় লেগে থাকা মাত্রা ছাড়া  কুয়াশা 
শিখিয়ে দিচ্ছে  দূরে থাকা মানে ভালো  থাকা, 

বলতে চাওয়া কথারা একদিন ঠিক এভাবেই দুরত্ব  মাপতে মাপতে পাহাড়ের ঢালে  আরো কোনো  একলা সময়ে  হারিয়ে যাবে খুব সহজে। 
 যাকিছু  ছিল ইচ্ছাবাড়ির চিলেকোঠায় ক্যানভাসে  আঁকা  স্বপ্নের কথা ... তাদের গায়ে চির-শীত, যেন অভিমানের মত আঁকড়ে  ধরছে, 

ভালবাসার সাথে  ঝগড়া তবু ভালবাসা  দিয়ে আগলে রাখা স্বভাব।
প্রশ্নেরা জানে উত্তর  তবু জন্মের  সাথে সাথে  অনবরত  প্রশ্নের  রক্তক্ষরণ স্বভাব।  
  হাত বাড়ানো  বাঁচতে  চাওয়া প্রতিটা সম্পর্ক আসলে  সময়ের কাছে  সিড়ি ভাঙা অংক, হিসেব গুলো  নিজেদের  মত মিলিয়ে জমা খরচের  খাতায় নিজেকে  ঠিক  প্রমাণিতও হয়তোবা সময়ের স্বভাব। 


সেদিনের গল্প আজকের মত নয়



সেই দিন যে   উপন্যাসের ভূমিকা প্রথম  পাতায় শুরু হয়েছিল 
বৃত্তের পথে মুখোমুখি  হাঁটা কিছু শব্দের সোয়েটার বুনেছিলো সময় অজানা  নির্দেশ মেনে। 

আকাশে মেঘেদের মল্লার ছেঁড়া  তারের কান্না গাঢ় মন খারাপের তেজপাতা সবছিল ঠিকানায় রাখা , 
পথ ঘাট গলি মোড়ের মাথায় নির্ভর হীন নৈশব্দর ব্যাস্ততম  জীবন যেন সাজানো পটচিত্র।

সেই দিনের গল্পে  মহাকাল সাজিয়েছিল দাবার ছক 
মুখোমুখি দেওয়া নেওয়ায় দরবারে রঙ মাখা মুখ যেন সত্যির মত সত্যি।
আকাশী পরবাসে অগুনিত শব্দহীন চুপ কথার    ভাঙাচোরা স্বরলিপি।
সদিন যারা সময়ের দেওয়ালে সাক্ষ্য হয়ে ছিলো
কেউ আজ অপরাধী নয়, কারণ সময়ের প্রবাহে আবহাওয়া বদলায় বদলে নিতে হয় প্রয়োজনের সমীকরণ।


বাদশা বেগমের গল্পে জোকার ছিলো সেদিন  উহ্য,
সাজানো সাম্রাজ্যে  উদাস হওয়ায় বসন্ত ছিলো না  ।

 দিনগুলো  হাজারও মতলবি ডোরে বেঁধে ছিলো দৃশ্যের আড়ালে সে ।

 হ্যাঁ আজ মৃত সে গল্প ,  নেই সে গল্পের কোনো চরিত্রেরা আজ,
 



আজ সুখ খুঁজে নেয় নিজের মত সবটুকু আয়োজন ।
  আজ দুঃখ খুঁজে নেয় নিজের থেকে  নিজেকে আড়াল রাখার ব্যাস্ততা।




আজ  গল্পটা অন্য পথে  ,
আজ সেই ভাবনাটা সময়ের  সাথে শব্দদের সাহুর জলে ভাসিয়ে দিয়েছে অজানায় ।
আজ  উপন্যাস  লিখতে বসে  জীবন কে পাখির মত আকাশ থেকে দেখতে ভালো লাগে।
 


বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

সই(৬৩)

একটাই বেঁচে থাকা আর এ সফরে সকল সফরকারি  চায় তার সফর নিরাপদ ও সুগম হোক ।

  অমাবস্যা বিহীন একটা রাত-আঁকাশ , কাব্যময়-বারিশ ,  প্রিয় ওম ছড়ানো শীত সকালে প্রিয়  হাতে এককাপ চা  সকলের চাওয়া ।

 অথচ পাহাড়িয়া জ্যোৎস্নার পথে ভ্রূভুক্ষ মেঘ ভুরু কুঁচকে মুখ ভেঙচে সামনে দাঁড়ায়  সে পরম রূপকথার চাওয়ায়।
 
কুহেলিকার ওপারে দাঁড়ানো আত্মীয় অনাত্মীয় 
ঝাপসা..... আর যুদ্ধ সামনে রেখে ঈশ্বর বলেন সমস্ত প্রচ্ছদ আগে থেকে সাজানো  ।

...হ্যাঁ এই বেঁচে থাকা সফর তারপরেও এক উৎসবের ভেতর লুকিয়ে থাকা আর এক উৎসব

... মৃত্যু সত্যি তবু বাঁচতে চাওয়া আসলে বিসর্জন একমাত্র ভবিতব্য জেনেও সফরকে  ফুল মালা আলো  রোশনাই  দিয়ে  ভরে নেওয়া ।

...সই 
মন কথার কাব্য (১৮)