জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
কবি আর আয়ু লিখো না
দন্ড
হিসেব দিতে হয়
জীবন আশ্চর্য
বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১
ফিরে আসে ঊনত্রিশে এপ্রিল
বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
যত দূর চোখ যায় আমার শহরে
সফরনামা
মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
সমীকরণ
অলিখিত গ্রন্থ(৮)
ছুঁচ সুতোর ফোঁড়
সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
দরিদ্রতা
সুবর্ণা (১০৬)
শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
প্রশ্ন
কি করছো কেনই বা করছ কার জন্যে নিজের আয়না ভাঙছ একবার ভেবে দেখো ,
যে সময় তোমাকে আমাকে কিছু বলতে ছেয়েছিলো তার স্বরতন্ত্রিতে ভাঙ্গা আয়নার
কাঁচ নাই বা গাঁথলে...
এত চিৎকার
কেউ কেন চিৎকার শুনতে পাচ্ছে না , সবাই এত স্থির কি করে রয়েছে এত চিৎকারে,
শব্দের খরস্রোত কেন যে কেউ দেখতে চাইছে না , আমি এই অর্ধশত ছুঁইছুঁই বয়সে দাড়িয়ে
রোজ রোজ হাজার হাজার আর্তনাদ শুনতে পাই সময়ের টানেলে ,
কান ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে , মাথার বাইরে মাথার ভেতরে মিছিল আর মিছিল ,
আমি সময় কে চুপ করতে বলি মাঝে মাঝে সময় কাছে গিয়ে স্তব্ধতা চাই ...
এত চিৎকার এত হাহাকার সহ্য করতে কষ্ট হয় এখন ,
আমার ভেতর এখন একটা জলন্ত দেশ ...। দাউ দাউ করে পুড়ছে কে যেন মুখাগ্নি করছে ক্ষনে ক্ষনে ।।
মুখে কালো কাপড় বাঁধা কেউ দাড়িয়ে আগুন উস্কে দিচ্ছে ।
আমার ভেতর যারা জ্বলে যাচ্ছে যে দেশ জ্বলে যাচ্ছে সবাই জীবিত ,
তাই তারা চিৎকার করছে আর্তনাদে ফেটে পড়ছে,
এ পোড়া দেশে মানুষ গুলো উপহাসি আর উল্লাসের উজ্জাপনে আর কোনো ব্যাথার পাতা ঝরা
জানতে চায় না , আমি ঘুমের ভেতরেও শুনতে পাই নিঃশব্দে যে আর্তনাদ রাতের বালিশে মুখ গুঁজে নদী আশ্রয়ে
বেঁচে আছে ,
চিৎকার গুলো একটা বুক খুঁজছে অথচ এ শহরে যে বুকের অভাব তা
নয় ...
তবু কোন অজানা বিষক্রিয়া বতাসে বাতাসে মিশে গিয়ে দুরত্বে মিলিয়ে যাচ্ছে আশ্রয় দেওয়া বুক ,
কাঁধ ,
ধ্রুবন বাবু আপনি বলেন ... আমাদের মানুষের মত দেখতে ... আসলে আমরা
কেউ মানুষ নয় ... আমরা কেউ কেউ হেদলেশ মনস্টার ... আমরা সময়ের কালো কাপড়ে চোখ বাঁধা গান্ধার জীব, আপনি ঠিকই বলেন
মানুষ ছিলেন মনিন্দ্র বাবু , ভাস্কর বাবু ... আরও এমন অনেকে আসলে আমি যে তাদের তেমন চিনি তা নয়্,
শুধু আপনি আমায় জানিয়ে ছিলেন তারাও নাকি বেঁচে থাকতে আমার মত এমন চিৎকার আর আর্তনাদ শুনতে
পেতেন ,
তবে কি তারা এই তিব্র অহংকারী চিৎকারের নীচে মাথা নিচু করে চলে গেলেন জানি না দ্রুবন বাবু
আমিও এই সময়ের আরতনাদের সামনে আর কতক্ষন দাড়িয়ে থাকবো।
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
গোপন কথা
পুরনো শিকারি জানতো আমি আনকোরা তাই সে
সাথে রেখেছিল অন্য তীরের সাথে গোপন তূণীরে,
পশ্চিমের আলো যখন আমার মাথায় তির্যক হয়ে পরছিল, সমস্ত নাক নকশা সে বুঝে নিয়ে মাটির দু হাত নীচে রেখে গেলো আমায় ।
,
মাটির ওপর
্চক্রের মত ঘুরছে , জায়গা পাল্টাচ্ছে সিঁদুরে ধুলোর মত ছড়িয়ে আছে সবুজ ,
খয়েরি , লাল, নীল, সুক্ষ গুড়ো,
আমি মেঝেতে নিস্পন্দ শরীরটা বিছিয়ে তার রঙ দেখছি ,
মাঝে মাঝে সেই রঙের ওপর ছায়া পড়ে ... মানুষ অন্যমনস্ক হয়ে পা ফেলে চলতে থাকে
আমি তার সধবা বিধবা দুই রুপকেই এক সাথে চোখের সামনে দেখতে পাই ,
টিনের চালের ওপর যে শিশির বিন্দু গুলো একা একা অধিবাস সেরে নিচ্ছে , কথা ছিল
আমারাও মুখোমুখি বসবো, ...
অথচ দেখ আমরা আজ অচল নৌকায় বসে সমস্ত পাটাতন খুলে ফেললাম,
বার বার ছিঁড়ে কুঁড়ে নিজেদের সমস্ত বুননকে ,
উপহাসের থালায় সাজালাম...
কে বলতে পারে কতটা ক্ষতি না কতটা লাভের ঘরে এক দোক্কা গুঁটি এগিয়ে গেলো !
হঠাৎ কেমন মঞ্চের পুতুলগুলো জেগে উঠে হাসতে হাসতে আমাদের সুতোয় বেঁধে নাটকের শেষ অংকে দাঁড় করিয়ে দিলো ।
আঁকড়ে থাকা শেকড়ে ঝুরঝুরে মাঠি একলা কখনো কথা রাখতে পারে না ।
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া
আমার ডানায় দু ফোঁটা বৃষ্টি এখন , জানলার কাঁচ দিয়ে দেখা যাচ্ছে আমার মত
আরও একজন মাতাল ভিজছে এই অসময়ের বৃষ্টিতে ,
যারা তোমার সাথে সংসার করেছিল তারা প্রত্যেকে প্রহর শেষে আত্মহত্যা করতে বাধ্য
হয়েছিল ,
দশ বছর কাটিয়ে দিলাম আত্মহত্যা ছাড়াই, তোমার পরবাস জেনেও
গত কাল স্বপ্নে দেখেছি তুমি আমাকে ভালবাসছ্,
সকালে ঘুম চোখ খুলে দেখি প্রথম আলোয় যে পাখিটা আমার জানলায় ভোর আনল
তার ঠোঁটে তোমার বাড়ি ফেরার বার্তা ,
আমার ডানায় আহত হবার পুরনো চিহ্ন যত্নে রেখে দিয়েছি ,
কারন প্রতিটা বৃষ্টির ফোঁটা দিয়ে তাদের প্রত্যেককে আমি জিইয়ে রাখতে চেয়েছি ,গরম পানিয়র কাপে্
আমার কাছে ধারের কিস্তিতে এক পৃথিবী আয়ু কালের থেকে বারো মিনিটের নগদ
ভালবাসা বড্ড দামি .
চলে যেতেই হত
সিঁড়ি দিয়ে যে গল্পগুলো উঠে
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
আর যাবো না
দৃশ্যত
তারে বলে দিও বাতাস,
শিরোনামহীন তোর কথা লিখতে গিয়ে যেদিন আবার
ভালোবাসার সাহস
আবার কখনো ফিরে এসো এই হিজি বিজি নকশা কাটা দেশে
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
মৃতরা ফেরে না
আহত জন্ম
সময়ের ষড়যন্ত্র
কালো মেয়েটা আর কোথাও নেই
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
এক উঠোনে দুটো ঘর
তোমার উদ্দেশ্যে .....
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
এক মাত্র সত্যি
দেহজ মৃত্যু
শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
অলিখিত গ্রন্থ(১০)
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
উপশমের খোঁজে উপান্ত
নিঃস্ব হতে হয় বোধ হয়
আমায় দত্তক নেবেন প্লিস
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
নবিশ
শব্দ একটি জাল মাত্র
চিঠির অনুবাদ আর কালো মেয়ে
বলতে পারবেন ধ্রুবন বাবু
বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
সুবর্ণা (১০৬)
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১
বৃষ্টির অপেক্ষায় আমার কান্না
আশ্চর্য অমানিশা
অহংকারী পুরুষ
ব্যাক্তিগত ভেবে নিজের ঘরে রাখা অবলাটাকে রাস্তায় কিংবা বাজারে রোজ না হয় কাপড় টেনে
খুলে ফেলে অন্য দের সুড়সুড়ি দেওয়াই যেতে পারে ... তাতে কারো কিছু ছেঁড়া যায় বলে মনে হয় না ,
তবে পৃথিবীর সব নারী অবলা নয় । যাদের নরম আর অবলা ভেবে বাজারে কাপড় টেনে নামাচ্ছ
হে প্রেমিক পুরুষ... হতেই পারে তাদের অবলা নামের আড়াল দু একটা খরিস কিংবা গোখরোও মাথা
নিচু করে আছে ।
কাপড় খুলেছো এতে দোষ না ধরলেও, বাজারে নামাচ্ছ দেখে গোখরো যে তোমার গলার নলীতে বিষ
দাঁত বসাবে না তেমন অবলা ভাবা ভুল ।
হতেও পারে এমন অনেক লুকোনো গোখরো ওই সাজানো চতুর্ভুজে বিষ এর আগুন ছুঁড়ে দিতে পারে ।
হে প্রমিক পুরুষ তখন তোমার অহংকারী তৃতীয় পা যাকে অবলম্বন করে তুমি প্রায়শই চন্দনের জংগলে
হানা দাও ... সে পা সন্তানের দুধ ভাত আগলে রাখা নৌকাটাকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচাতে বৈঠা কিংবা আগুন নিবারক হতে পারবে কিনা পরখ করে রেখো ।
সব অবলা ভালবেসে মা সারদা হবে এমনটা ভাবলে আজও তোমার বয়স বায়ো কি তেয়ো ... অথচ পৌরুষ শিশ্নটি
বায়ো কি তেয়োতেই চন্দনের জংগলে সুড়ঙ্গ ঠিক খুঁজে নেয় ।
আসলে অবলা মানেই সস্তা ভাবো মাগি বাজিতে নেমে আসো ।
হে প্রমিক পুরুষ শরীরের বিশেষ অঙ্গ শুধু বড় করলেই কি পুরুষ ... ?
নাকি অবলা নিয়ে সভা সমিতিতে নিল পাঞ্জাবি গায়ে আকাশ আকাশ ভাব দেখিয়ে
হাততালি কুড়লেই পুরুষ হওয়া সহজ ?
নেমে এস হে ওই আসনটা থেকে নেমে মাটিতে পা রাখো ... মানুষ হয়ে ওঠো আগে
টার পর না হয় ... পু... রু...ষ হওয়া যাবে , ।
সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
টেরাকোটা
বৃথা চেষ্টা
গাছেদের মানুষ চেনা
বাসর
আমার দেশ ও আমি
বিকিয়ে যাওয়া অমরত্বের বারো মিনিট
উলঙ্গ রাজা
ননৌকা ডুবি
আগামী বাইশে শ্রাবণ
নট নটির খেলা
ক্ষমা কর হে
যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক তারা তো পারে না জানিতে
তাঁহাদের থেকে তুমি কাছে আছো আমার হৃদয়খানি ,
রবি বাবু তুমি বেঁচে থাকলেও প্রতিবাদ করতে লজ্জা পেতে , যেমনটা আমি
পাচ্ছি , এমন উচ্ছিষ্ট থালায় তোমাকে পরিবেশন করে শব্দ শ্রমিকরা নিজেদের
জাতের বকলেশে শ্রেষ্ঠত্ব লিখছে ... যে নিজের চোখ কান এর ধর্মে ঘা লাগে ,
জানো রবি বাবু তোমার লেখা লাইনের শব্দগুলো আজকাল বেশির ভাগ বিশ্বাসঘাতকরা
বিশ্বাসী হতে হাতরে বেড়ায় ,
আমরা যারা নগন্য , যারা সৃষ্টি জানি না কেবল তোমার শব্দের আর সৃষ্টির পুজো করি
তারা ভিতু হলেও অপরাধী নয় ...।
আরও আছে রবি বাবু তুমি কি জানো তোমাকে প্রেমিক রা উচ্ছিষ্ট করে আবার তোমার
প্রসাদের থালাতেই রেখে একই সাথে হাজার প্রেমিকা কে তুষ্ট করে প্রেমিক হিসেবে শ্রেষ্ঠ
বলেই দাবি করে ,
আসলে তারা জানে না রাতের রাস্তায় শুধুই নিয়ন বাতির আলো নয় সময়ের চোখ পাহারায়
থাকে , তারা হয়তো জানে না বিশ্বাস শব্দটা খুব ছোট ... তবে ইচ্ছা করলেই বাজারি নয় ,
রবি বাবু তুমি আজ বেঁচে থাকলে কি চুপ করে এই নাটক দেখতে ! নাকি দু দান খেলে নিতে
ওদের মতোই ।
আমি অবশ্য আজ কিছু দিন হল জেনে বা না জেনেও উচ্ছিষ্ট কেই তোমার প্রসাদ বলে গ্রহন
করেছি ...। হয়ত আরও করবো , আসলে জানো রবি বাবু যারা ঠকায় তারা ভাবে চালাকি করে জয়
হাসিল করা যায় ,তারা জানেই না তারা আসলে কতটা শ্বাপদ তারা অন্য কে সাবধান করতে
করতে নিজের অজান্তে পাপ কে সাত পাঁকে বেঁধে ফেলে ... আর তারপর ... খেলা জমে যায় ,
কি রবি বাবু তুমি কি হাসছ না কাঁদছ ... জানি কি এক কিংভুতকিমাকার দশা তোমারও ,
হয়ত তুমিও দশ চক্রে আজ ভুত ।
ক্ষমা কর রবি বাবু ... এ চিঠি অন্তত একবার তোমার উদ্দেশ্যে লেখা জরুরী ছিল ,অবশ্য
গত কাল কে যেন বলেছিল গরু বাছুর এক থাকলে জংগলে গিয়েই দুধ দেয় আর খায় ,
তাহলে আর কি তুমিও রবি বাবু তোমার তোমার পারিজাতের বিছানায় হেলান দিয়ে
আরাম করে খেলা দেখো ... খেলা হবে আরও খেলা ।
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
আদিখ্যেতা
কতটা পারো
লাইফ লাইন (২)
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১
ভালো লাগে না
গল্পগুলো সত্যি
গ্রহণ
সার্জিক্যাল ওয়ার্ড
শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
আশীর্বাদ
এইবার সমস্ত পাপ ধুয়ে ফেলতে চাই, নতুন কোনো স্নান সারা শুদ্ধ ভোরে দরজা খুলে দিতে চাই অন্ধ কুটুরির ।
বহুযুগ আমি নদীর ধারে জ্বলন্ত চিতার হয়ে জ্বলছি সে আলো কেবল অন্ধকারের স্মারক,
সে আলো শুধুই একটা কালো পূর্ণচ্ছেদ এর প্রতিশব্দের মত ।
এবার আমার মাথায় পরিয়ে দাও বৈদুর্য্যমনির মুকুট হে উত্তম পুরুষ ,
আমি সবুজ হয়ে উঠি , আমি শুদ্ধ হয়ে উঠি , আমি সুখের বর্ষা, উচ্ছল ঝর্ণা হয়ে উঠি ,
এবার সব পাপ ধুয়ে ফেলে আমি নতুন হয়ে উঠবো ।
এবার সমস্ত সমষ্টির অন্ধকারকে আলোর বুননে দেখে ফেলবো ,
এইবার সমস্ত পাপ ধুয়ে ফেলতে চাই, নতুন কোনো স্নান সারা শুদ্ধ ভোরে দরজা খুলে দিতে চাই অন্ধ কুটুরির ।
হে উত্তম পুরুষ তুমি মাথায় রাখা হাত ।
