ব্যাক্তিগত ভেবে নিজের ঘরে রাখা অবলাটাকে রাস্তায় কিংবা বাজারে রোজ না হয় কাপড় টেনে
খুলে ফেলে অন্য দের সুড়সুড়ি দেওয়াই যেতে পারে ... তাতে কারো কিছু ছেঁড়া যায় বলে মনে হয় না ,
তবে পৃথিবীর সব নারী অবলা নয় । যাদের নরম আর অবলা ভেবে বাজারে কাপড় টেনে নামাচ্ছ
হে প্রেমিক পুরুষ... হতেই পারে তাদের অবলা নামের আড়াল দু একটা খরিস কিংবা গোখরোও মাথা
নিচু করে আছে ।
কাপড় খুলেছো এতে দোষ না ধরলেও, বাজারে নামাচ্ছ দেখে গোখরো যে তোমার গলার নলীতে বিষ
দাঁত বসাবে না তেমন অবলা ভাবা ভুল ।
হতেও পারে এমন অনেক লুকোনো গোখরো ওই সাজানো চতুর্ভুজে বিষ এর আগুন ছুঁড়ে দিতে পারে ।
হে প্রমিক পুরুষ তখন তোমার অহংকারী তৃতীয় পা যাকে অবলম্বন করে তুমি প্রায়শই চন্দনের জংগলে
হানা দাও ... সে পা সন্তানের দুধ ভাত আগলে রাখা নৌকাটাকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচাতে বৈঠা কিংবা আগুন নিবারক হতে পারবে কিনা পরখ করে রেখো ।
সব অবলা ভালবেসে মা সারদা হবে এমনটা ভাবলে আজও তোমার বয়স বায়ো কি তেয়ো ... অথচ পৌরুষ শিশ্নটি
বায়ো কি তেয়োতেই চন্দনের জংগলে সুড়ঙ্গ ঠিক খুঁজে নেয় ।
আসলে অবলা মানেই সস্তা ভাবো মাগি বাজিতে নেমে আসো ।
হে প্রমিক পুরুষ শরীরের বিশেষ অঙ্গ শুধু বড় করলেই কি পুরুষ ... ?
নাকি অবলা নিয়ে সভা সমিতিতে নিল পাঞ্জাবি গায়ে আকাশ আকাশ ভাব দেখিয়ে
হাততালি কুড়লেই পুরুষ হওয়া সহজ ?
নেমে এস হে ওই আসনটা থেকে নেমে মাটিতে পা রাখো ... মানুষ হয়ে ওঠো আগে
টার পর না হয় ... পু... রু...ষ হওয়া যাবে , ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন