কার জন্য বাসর সাজাচ্ছ্ .সখি
যে নদীর একূল-সেকূল ভাসিয়ে ময়ূরপঙ্খী নিয়ে আজ তোমার বাসরে একটি নক্ষত্রের আলো নিয়ে আসতে পারে নি সে কি আজ অনামিকার চূড়ায়... রাখবে তোমার প্রেমের বৈদুর্য্য মনি।
সখি কেবল তুমিই জানলে না আমরণ গৃহত্যাগী জোছনার দিকে চেয়ে থাকলেই আলো হওয়া যায় না .
তোমার এম এক মুহুর্ত আগেই আমি তোমারই মত অপেক্ষায় বাসর সাজাতম
নিজেকে সাজিয়ে রাখতাম বৈকুণ্ঠ আবীরে....
কাল তুমিও আমারই মত বিসর্জিত ফুল হয়ে গঙ্গা ছুঁয়ে যাবে ।
সখি যে আজ তোমার অনভ্যস্ত লাজুক মুখের দিকে তাকিয়ে.. অপার্থিব যাত্রায় যায় ....কাল সেই তোমাকে কাজলের দাগে লুকিয়ে রাখবে ,
পৃথিবীতে শ্রেয়সী স্পর্শ উপেক্ষা হয়েছে চিরকাল
তুমিও নও অন্যথা ।
তবে তার মুক্তি হবেই কোনো একদিন মানবী শ্রেষ্ঠার ত্রিশূলে ,,
ফিরে এসো অরণ্যানী. ফিরে এসো তোমার সিঁদুরের বন্ধনীতে.
পৃথিবী তোমায় খুঁজছে না মোটেই , যে সামনে সে অশনি সংকেত ,
স্বচ্ছ পদ্মাবতী দিঘির জলে স্নান করে বার বার পাপ ধুঁয়ে নেয় ভাবে সবার অলক্ষ্যে যা ঘটার ঘটছে ,
সখি পবিত্রের আহবান.. নয় মনে রেখো তুমিও
দাঁড়িয়ে আছো হত্যাকারী অসির নিচেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন