ভীষণ বৃষ্টিদিন আজ সারাটা দিন ... ঝড়ে উড়ে যাচ্ছে কল্পতরু গাছটায় ঝুলিয়ে রাখা লাল সুতোয় বাঁধা ইটের টুকরো গুলো ।
তুমি কি জানলায় দাঁড়িয়ে এখন দেখতে পাও
ইচ্ছা গুলো ডাকাতিয়া বাতাস ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কিভাবে , তুমি তো জানো যে ঘন ঘন জ্বর আসে আমার ।
.. তবু গুটিয়ে রাখলে হাত তারপর রুগণ দিঘির পাড়ে বসে তুমি নতুন খেলায় মেতে উঠলে পুরোনো দান কে অর্ধেক রেখে ।
... জলপটি দেওয়া কাপড়টা আর একবার ভিজিয়ে কপালের ওপর রাখলে কি তোমার খুব কিছু দেরি হয়ে যেতো ?
স্মৃতির কাঠামোয় বিস্মৃতির প্রলেপ... অন্ধকার শব্দ-ছায়া সমস্ত ষড়যন্ত্রের ফাঁকে ফাঁকে।
আমায় পুড়িয়ে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছে কেউ।
অহংকারে লালন করছি অজানা বিদীর্ণ স্রোত ....এত গুলো বছর ...............
তুমি তাই দিন দিন সাহসী হয়ে উঠেছিলে ...আমার পিঠ জুড়ে এঁকে যাচ্ছিলে একটার পর একটা মিথ্যে আর প্রহসন ,
যেদিন যেদিন তোমার লুকোনো খঞ্জর পকেট থেকে আমার সামনে বেরিয়ে পড়তো ...
তুমি আমার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নর জাল বিছিয়ে মুক্তি পেতে চাইতে ।
আমায় রাক্ষসী , দানবী , পেত্নীর উপাখ্যান দিযে ,, ,
..... এবার আমাদের ঘর থেকে আমায় ধাক্কা দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিতে চাও ।
.....…....আমিই শেষমেশ তোমার দিকে বন্ধ দরজাটা ফিরিয়ে দিলাম।
খুব কাছেই গঙ্গা ...
যার ঘাটে বসে স্রোত উড়িয়ে মুড়ে দিলাম নীলগ্রহের অভিশপ্ত বিশ্বাস ।
তোমার শহরে গাছেদের গায়ে অভিকর্ষ লেগে থাক, থাক ছোটো ছোটো প্রতিশ্রুতি ,বৃষ্টি ও অধিবাস।
আমার মর্গে রাখা দেহটার থেকে ....সে এখন বেরিয়ে গেছে তোমার উদ্দেশ্যে ,,পারলে শহর থেকে ঠিকানা বদলে নিও ,
আমি আজও মাংসাশী ,
আমি আজও তীক্ষ্ণ ,
আমি সেদিনের থেকে একটুও বদলে ফেলিনি নিজেকে ,
আমি 'আমার ' শব্দ টা আমার কাছে রাখতে না পারলে নিমতলার আগুনে সৎকার সেরে নিই ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন