হাঁটছে ...একলা নিজের বাগানে পুঁতে চলেছে সময়ের বীজ ,, অথচ সময় কখনও বলে দেয়নি
যে বীজ রাখলো মাটির দু হাত নীচে সে নিম ,কাঁটা গাছ , নাকি মিষ্টি কোনো ফলের ।
সমীকরণ এর শেষ সিঁড়িতে একদিন সেই গাছ মাথা উঁচু করে দাঁড়ালে মানুষগুলি ভুল ঠিক এর কাঠ গড়ায় দাঁড় করায় নিজেকে সময়ের হাত ধরে ....।
বদলে যায় না কিছু শুধু সময়ের বুকে আবারও কোনো নতুন বীজ পুঁতে ভুল বা ঠিক গুলো সাজিয়ে নিতে হয় ,,
অপেক্ষা করতে হয় ঋতুর ছায়ায় দাঁড়িয়ে ।
আমরা সবাই সময়ের দাসত্বে মাথা নিচু করে থাকতে ভালো বাসি ....তারপর একদিন ফেলে আসা সময়ের বুকে যে গাছটা আজ মহীরুহ তাকে কেটে ফেলে নিজেদের মত আকাশটাকে দেখতে চাই ,
বারংবার চেষ্টা করি উপড়ে ফেলা জমির বুকে যেন গোপন শেকড় না থাকে ।
বারংবার চেষ্টা করি শুধু অতিথি ভেবে ওই শেকড় থেকে বেরিয়ে আসা জন্ম গুলোকে এড়িয়ে যেতে।
আসলে মানুষ বুঝতে চায় না একবার জন্ম দিল ...
একটা দেহজ মৃত্যু ছাড়া সে জন্ম দাগ মুছে ফেলা যায় না ,............
মানুষ পৃথিবীর সমীকরণে একটা বাঘবন্দী খেলায়
নিজেকে সামিল করে আর সে খেলা চলতে থাকে
জীবনের উপান্ত আসা শেষ জলন্ত চিতা কাঠ চাপানোর আগে লেখা উপসংহারে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন