এই যে তোমার এত অহংকার আর সেই অহিংকারী ছোবল আমার মত নিঃসঙ্গ পাথরে দিনপ্রতিদিন আস্ফাল করে নিজের শান্তি পাও ,
আমার তাতে কিছু মাত্র কষ্ট নেই .....
তোমার এমন অহংকারী অবলীলাক্রম দেখতে দেখতে আমি আজ পৌঁছে গেছে একুশ শতকের কিছু বেশি পথ,
এই যে উত্তরের চিলেকোঠা থেকে তুমি প্রায়শই আমাকে তীব্র অহংকারে শূন্যে পাক খাইয়ে অনাথ পাতার মত উড়িয়ে দাও ....তারপর নিজের ক্ষমতার বাইরে এক উদাসীন ভাব প্রকাশ করো,
আমি ভাঙা পাঁচিলে আস্তিন বিছিয়ে তোমার সমস্ত
দাপট গুছিয়ে রাখি ।
তুমি চাবুকে চাবুকে যখন আমার শরীরে বাড়তি কিছু রেখা এঁকে দিয়ে ক্ষান্ত হও , আমি তোমার শিরদাঁড়ায় ঘুন পোকাদের স্পষ্ট দেখতে পাই,
তোমার ভেতর এক অসম্ভব কাঙাল কে আমি
ক্ষুধার্ত খরগোশের মত দৌঁড়াতে দেখি অস্থির হয়ে ।
আমার সহ্য দেখে তোমার ভেতর আগুন জ্বলে ওঠে দপ করে ,পুড়ে যায় যাবতীয় তোমার রাজবেশ ,, তোমার পোশাক হীন অসহায় দেহ পট
থেকে সময়ের গড়ল গড়িয়ে নামতে থাকে ।
আমি বদ রক্ত গড়িয়ে নাম ঠোঁটে একটা মৃদু অহংকার রাখি তখন .....জানি তুমি চাও আমি গুঁড়িয়ে যাই তোমার মত এ পৃথিবীর সমস্ত চাবুক চালকের কাছে ,
আমার শিরদাঁড়া হিং পুঁতে দিয়ে কালজাদু করে ফেলো চট জলদি ।
অথচ তুমি আমার ভেতরে প্রকান্ড তাল গাছের বিম গুলো কখনওই দেখতে পাওনি ,
মরে যাওয়া আর হেরে যাওয়ার তফাৎ আমার কাছে নেই ,
আমি স্থির স্থাণু তুমি আমাকে কাটতে পারো ,মারতে পারো, আগুনে জ্বালিয়ে দিতে পারো , আমার সারা দিনের আয়োজনের একটি মাত্র রুটিতে বিষ মিশিয়ে দিয়ে দেখো ...........
দেখতো জিততে পারো কিনা ?
দেখো শেষ মেশ একটা মর্মান্তিক হার আমায় উপহার দিতে পারো কিনা ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন