এই যে সুবর্ণা তুমি সমুদ্রে ছুঁড়ে দিচ্ছ সমস্ত শিকড়
.............................. ঝিমধরা মনে
বন্দরশহরের কোলাহলে গেঁথে নিচ্ছ ।
তোমার নতুন প্রেমের এখন মহামারী তাই তুমি মাতালের মত পথ হারিয়ে ফেলছ ,
... ব্যালাডগুলোয় নতুন দেশ বুনবে বলে সময় গুঁজে রাখছো
বর্তুল বৈধব্য নিয়ে দেখছি আমাদের ঘরকন্নার সমাধির পাশে তোমার নতুন চশমাটা খুঁজে পাওয়া গেলো ...
বার বার জ্বলে ওঠে শব্দময় বীজগণিতী সান্ধ্যয় আলস্য ছুঁড়ে দিচ্ছ কেনো জানি না ,
আমায় এভাবে দাহঘরে প্রহরের নীচে রাখতে তোমার একবারও মন কাঁদলো না কেন সুবর্ণা !
তোমাদের শিকারের দাঁত নখ ও ধাতব শব্দের ছিদ্রহীন বাঁশের কেল্লায় আমাকে খুব সহজে বন্দী করলে,, আমি চিৎকার করলাম তোমার কাছে অথচ সুবর্ণা তুমি আমার চিৎকার ছাড়া সব কিছুকে স্পর্শ করে গেলে ।
কিন্তু কি জানো সুবর্ণা এমন অনেক কঠিন নীল রাতে আমি তোমার কেল্লায় গেছি... কতবার
ভাঙা নৌকায় আমরা নতুন পাটাতন জুড়েছি
এমন করে বিশ্বাস ঘাতক হব আমরা দুজন আগে জানতাম না তাই না ?
বাণিজ্যের লোভে... তুমি বদলে ফেললে নিজেকে ..
আমি জানতেও পারলাম না তুমি আমাকে না জানিয়ে তোমার সাধন সঙ্গীনি থেকে আমায় ছুঁড়ে ফেললে ।
এখন মৃত পাটাতনগুলি নিজেদের মুখোমুখি...
তুমি আর সহজ কথা সহজে বলতে পারো না ..,
তোমার জড়িয়ে থাকা ,তোমার মেখে নেওয়া প্রবাহগুলো কোথায় সরিয়ে নিল কোনো ফরমান ছাড়াই , আমি আজও আমলতাস গাছটার কাছে রোজ একবার করে এসে দাঁড়ায় , স্ট্রিমারের ভো
আর নিমতলা শ্মশান আমার মুখোমুখি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন