আমার চোখে লেগে থাকে উত্তর না মেলা দীর্ঘশ্বাসেরা
বেমানান স্বেচ্ছামৃত্যুর মত ক্রমশ একটা পূর্ণ ছবি হয়ে
যাপনের আসপাশের দেওয়ালে টাঙানো।
তুমি ছাড়া একথা কাউকে বলতে পারি না
তোমায় বোঝাতে উত্তরের বারান্দায়
শেষ রাতের তারাদের ঠিকানায় খবরাখবর রেখে যাই বরাবর ,
শব্দগুলো যখন তোমার খিড়কি পার করে বিছানার
পাশে খোলা হাওয়ায় ভাসে তুমি হিমেল হাওয়া ভেবে
প্রতিবার নিজেকে আলগোছে বিমুক্ত
করে দাও অলিখিত দায়ভারে, পাশ ফিরে ভোরের স্বপ্নে পা রাখ সযত্নে ।
এভাবে কতদিন তো আমার ক্ষতরা কোন
শুশ্রূষা ছাড়াই মাথা নিচু করে ফিরে এসেছে,
তুমিও বিস্ময় দৃষ্টি রাখনি ডাকবাক্সের দিকে,,
আমার মৃত্যুরা তাই এখন খন্ডিত অনেকগুলো
খন্ডে, অথচ তোমার কবিতায় আমি বরাবর মৃত্যুপ্রেমিকার ভুমিকা ছাড়া কিছুই নয়।
স্থিতিশীল ফসিলের বুকে হয়তো এভাবেই পৃথিবীর
সব ইচ্ছামৃত্যুরা বাস করে, আর কবিরা হেঁটে যায়
নতুন কোনো সৃষ্টির পথে।