শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০১৭

দুরত্ত্বের স্রোত... ---------------------------------

---------------------------------

রক্তের অক্ষরে নিরন্তর  লেখা  ক্ষণিকের ইতিহাস,,  অসংখ্য
তারার চোখে ঈশ্বর যেন ফরমান  এঁকে চলেছেন।
দু ফোঁটা বৃষ্টি তোমার কবিতা গড়িয়ে দুরত্ত্বের দুক্ষ
স্রোত এনে দেয়,,
সাদা খই ছড়ানো রাস্তা চলে যাওয়া সময়ের
ফেলে আসা অসংখ্য দিনের মত চিহ্ন রেখে গেছে এলোমেলো বর্নরা,,
মাঝে মাঝে বর্নদের গোছানোর বাহানায়
কিছু স্পর্শ ছুঁয়ে দেখা,,,  খানিকটা সময়ের
লাটাই গুড়িয়ে আনার নামে সবুজ হয়ে ওঠা।
কখনো  নিজের সাথে নিজের গল্প বলা....
এক সুভা মিলাথা কাহি খো গ্যেয়া..।
অলিক ইচ্ছারা তোমায় ভর করে, তুমি আমায়
সম্পর্কের  সাঁকোতে অপেক্ষা করতে  বলে
চলে যাও ব্যেস্ত কোন মিছিলে।
আমার দ্বিধা রা হলুদ খামে রোদ্দুর রাখে
বুক পকেটে,,   তুমি ফিরে এসে উত্তাপ নিও
শীতঋতুতে।   রক্তের অক্ষরে  একটা
অভিধান সম্পুর্ন করে আমার পাশে ঈশ্বরও
প্রতিক্ষা করে জীবনের প্রান্থশালায়..
সায়েদ ফির লটকে আয়েগা খোয়া হুয়া সুভা....

.

বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭

সংগোপন সমর্পন

---------------------------------------------

ফিরে ফিরে আসি আগুনিত বার
নিজের ভিতর নিশ্বাসের খোঁজা এ কথার সাক্ষীর অপেক্ষা নেই।
কখনো ভেজা কোনো বৃষ্টি দিনে কবির কবিতায় এক আধফোঁটা
অভিমানী ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। এ যুগান্তরের ইতিহাস,,
মনের সাথে ফুরিয়ে যাওয়া সে যেন  খড় বাঁশের কাঠামো,
আর মনের ঘর বাঁধাই যে হল না, খালি জায়গায়
জমলো খানিক আঁধারিয়া একা,
সুখ ছিল সেই অনুভবে আর যা কিছু আকাশ পারে,
খানিক ছায়া অন্য শহরে আমার জন্যে ট্রাফিক স্যিগনালে,
জীবন কেবল অপেক্ষার নাম।

সকলে দাঁড়িয়ে খুঁজে চলেছি আশ্রয়,
স্বভাব আর অভাবে বেড়ে চলা প্রটোকলে
নাভিশ্বাস ওঠে সব শহরেই।
দূষনের মাঝে ঝোলানো বারান্দায় আজো
কিছু বাঁচার তৃষ্ণা নিয়মিত সাড়া দেয়।
,, সত্যি বেঁচে থাকাটা একটা তৃষ্ণা।
এ শহরে অনেক চোখের অন্ধকার কালিতে স্পর্শরা মৃত, হাজার অন্তর গহ্বরে আলোর বাস নিষিদ্ধ, 
তৃষ্ণায় বেঁচে থাকা একটা আকাশে একটা পাখি ।আর সেই আকাশে শুধুই নিরহংকারী ভালোবাসা   যার  রং নীল স্বপ্নের মতো।
ফুরিয়ে যাওয়া কবিতায় পুনঃশ্চ কিছু পড়ে থাকে  রোজকার সহবাস গেলে থাকা চাদরের
কোনায়।
বার বার ফিরে আসা কোন কবিতার ছত্রে
দুদিনের যাপনের মেঘে অভিমান খোঁজা ,সবটাই একটা প্রাপ্তি,,, নিশ্বাস জুড়ে
নিতান্ত কারণ গুলো সব স্মৃতিতে দ্রবীভূত ।
আঙ্গুল গলে দু এক ফোঁটা জীবনের তৎপর গুলো,   তৃষ্ণা  কখনো রাজবেশ ছেড়ে ভিখারির
মত কোন পথে আসতে সময়ের প্রতিক্ষালয়ে,,
ফুরোনোর আগে শেষ লেখাটা কোন নায়িকা সংবাদ হয়ে থাকবে প্রবাদ হয়ে

রবিবার, ২৫ জুন, ২০১৭

পরিচিত সংজ্ঞা

-----------------------------

অবাক সব সম্পর্ক ঠিক অবাক পৃথিবীর মতোই
প্রত্যাশার চাপে বিক্রি হয়ে যায় যত্ন করে বাঁচিয়ে রাখা  ইচ্ছারা,,
একই ঘরে বাস করে চারদেওয়াল ঘেরা ডালে ভাতে সাজানো
সম্পর্ক, আজ মানুষের অস্তিত্বের গায়ে নোনা লাগা সময়,
সেখানে হৃদয় আর হৃদয়বানের মিল কই ,
সেখানে বন্ধন’-এ জড়ানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছুটে চলে  মনের ধূঁ ধূঁ
প্রান্তরে,, সত্যি তখন কোনো এক কবির কলমের নিবে
ঈশ্বর নেমে আসে '‘ভালোলাগা’র রাজপথ থেকে  দুর্গন্ধময় রাস্তায়
সবশেষে ‘শুরু’টাই শেষ হয়,"

পরিচিতির সাথে  যাপনীয় সন্ধি  চিরকাল গোপনে থেকে যায়
অন্ধকার কোন সিন্ধুকে,,
‘সম্পর্ক’ নামক শব্দটা আজকাল সংজ্ঞাতে মানায়,
কারন 'সম্পর্ক' নামক শব্দটা নিজের অস্তিত্ব
এখনো সামাজিকতায় কোনো অসম্পৃক্ত দ্রবন।

শনিবার, ২৪ জুন, ২০১৭

অস্তমিত

----------------------------------

সত্যিমিথ্যে বুকের নিলে রাখলাম, আর রইলো  কিছু
ফিরে দেখা মেঘেদের আলাপ,,
এইতো চাওয়া বুনতে বুনতে ফুরোনো সময়ের
ছবিদের ফুটিয়ে তোলা,, তারা দের আলোয়
একটা স্টেশন আর ঝুলন্ত গল্পবলা ঘড়ির
বয়স বেড়ে যাওয়া,,  একটা দিন ফুরিয়ে যায়
দুরত্ত্ব কমে তোমার আমার,,  অভিসারের রাতকে
ঘন করে কোলবালিশে রাখি,,

ঈচ্ছারা বুঝি এমনি হয় রাতের চোখে যেন
স্পষ্ট যুক্তি, দিনের আলোয় হিসেবের খাতা
সমাজ কিংবা সামাজিকতা,, তবুও কানে বাজে
কোন শব্দ ঝংকার "রাতের সব তারারাই দিনের
আলোয় আছে লুকিয়ে" কেন এমনটা
এই প্রশ্নবাণে নিজের সাথে অসম্ভব ঝগড়া,
শত বসন্ত পারেনি সেই ঝগড়ায় বান্ধব রং ছড়াতে।
এভাবে রাতগুলো ওপাশ ফিরে ঘুমের বাহানায়
সকাল খোঁজে,,
ইচ্ছাদের যোগাযোগ এর অক্ষরসেতু খুলে পড়ে সময়ের
স্রোতে।  সম্পর্কগুলো যেন কোন নদীর বুকে
বিসর্জনের বাসি ফুল।।

শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০১৭

আসা যাওয়া

--------------------------------------------------

পান্না রঙের সমুদ্র আর ভাসমান কোন কলার
ভেলায় হারানো ছেলেবেলা, যেন দিপান্তরে
ফেলে রাখা কোন বন্দী,,
ভিড় কোন জলসাঘরে একটা অদৃশ্য ছায়াপথের
হাতছানি ভেসে ওঠে,,
অভিমানের ঘরে রোজ এক জোনাকি একমুঠো

আলো ফেলে যায় অজান্তে, জ্বরের ঘোরে কেবল
আবছা দৃষ্টির সাথে লুকোচুরি খেলে সেই আলো।

চূর্ণবিচূর্ণ স্বপ্নের চিহ্নগুলো কুড়োবার সময়
দেখি অজস্র পায়ে পায়ে হারিয়ে গেছে....তারা দিক্বিদিক।
মুঠোয় কেবল দু এক টুকরো ভাঙা কাঁচ, তাই হাতরেখা আঁকি জোর করে।
আকাশটা নিভে যাবার পর পাশের বাড়ির
সাঁঝবাতিতে দেখি আমার হাসনুহানা গাছটা
যেন ইচ্ছামৃত্যু লিখছে, ছুটে গিয়ে দেখি শুভেচ্ছার
মানিপ্ল্যান্ট গাছটার পাতায় অকাল অবগুণ্ঠন। আর
তারপরই একটা ব্যেথা এ শহরের কলিজা ফেটে
আমার শিড়দাঁড়ায় বাসা বেধে বসলো,,  জড়োকরা
স্যাঁতসেঁতে সময়কে টান টান করে দৌড়ানো শুরু
করলাম জীবনের তৎপর চিহ্নগুলো মানে খুঁজতে। পান্না রঙের সমুদ্রে কলার ভেলা ভাসছে এক দিপান্তরের খোঁজে।

একা

-------------------------------

গুঁড়ো গুঁড়ো যন্ত্রনা
ফুটছে রোজ যেমন উনোনের ওপর ভাতের হাঁড়ির ভাত,
ভিতর থেকে বাইরে ফুটন্ত যন্ত্রণা, কখনো
ভিতর বাইরে অযুত সংখ্যায় না বলা যাপনীয়
বিরক্তিকর বয়ে চলা সময়,,
মুখোশের মিছিলে ব্যের্থ এক মুখ, সাজানো আত্মিক
যন্ত্রনা।
পৃথিবীর ভেতোর আর এক পৃথিবী
.
সেই সীমাদেশ নোনা জলের বাস,
হাজারো শব্দের  শব ঝুলছে বেড়ে ওঠা গাছটার শাখা প্রশাখায়,,
  শব্দরা  ঠেসাঠেসি একি গাছে নিজেদের
শব গুলোকে ঝুলিয়ে চলেছে সময়ের দড়িতে,,
আর অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকে বিধাতার বেশে তুমি।
একদিন ঘুম ভেঙে  সকাল দেখি আমার জানলার অনেক
দূরে  কতটা হাঁটলে  আলোর ছোঁয়া যাবে?  কোথাই  বা আমি? প্রশ্ন বিধাতা কে।
ফ্রেমে আগলানো মুহূর্তদের  আকাশের নীল খামে জমা
আর জমা যে চোখে  মরণের সাধ নিরন্তর।
মৃতু তোমায় তাই তো এত ভালবাসি,,
.সময় যখন দেশ কাল পেরিয়ে  ছুটতে থাকে তখন ঘুম ঘোর   আমার ঘর জুড়ে,
ঘুমিয়ে পড়তে চায় সব তারার দেশের আলো আমার ঘরে,
খুব শান্ত নিশুতি গভীর তখন হঠাৎ চলতে থাকা দেশ কাল,
বিধাতা তুমি ভয় পাও এই নিস্তব্ধতায়
রাস্তা ফাঁকা তুমি একা আর তোমার সামনে সারি সারি ঝুলন্ত শবে ঠাসাঠাসি ভারাক্রান্ত গাছটা,
আর একটা প্রশস্ত একা রাস্তা।

শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০১৭

তোমায় বলছি মানুষ

আকাশের দিকে মাথা উচুঁ করে যে গাছটা
তোমার বাড়ির পাশে রোজ ডাকপিয়নের
মত বার্তা পাঠায়,, বলে  ভালো থেকো মানুষ...
দেখো  আমি ভালি আছি সব রোদ
ঝড় জল গায়ে জড়িয়ে,, মানুষ  তুমি রোজ
ফুরিয়ে চলেছো কালের পথে, বৃদ্ধ  থেকে
আরো বৃদ্ধত্ব তোমার গন্তব্য ফুরিয়ে যাওয়া।
আমি বার বার পাতা ঝরিয়েও সবুজ থেকে সবুজতর
হয়ে তোমার মৃত্যুর পাশে দাঁড়িয়ে আমি জীবনের কথা
বলে চলি ।
মানুষ তুমি পলাতক বীজের মত পাখা মেলে উড়তে
উড়তে আশ্রয় খোঁজ বাতাসের ভরে করে,,
আমার প্রতিটা পাতায় পাতায় নিযুত ছায়ার
বেঁচে থাকা।
মানুষ তুমি যাপনকে ব্লটিংপেপারের মত
একফোঁটা সুখে ধরে বড় করতে বড্ড ব্যেস্ত
আমি আকাশের বুকে জীবন রাখি থরে থরে।
মানুষ তোমার উপলব্ধি বলিরেখা পেরিয়ে
ক্রমশ মাটির দামে....  আমার উপলব্ধির মুল্য
আমারই মত সুর্যর দিকে মাথা করে আকাশছোঁয়া।
তোমার মৃত্যুর মিছিল চলে যায়  জীবনের ওপর দিয়ে
আমি তোমায় আগুন পেরিয়ে আকাশপথ দেখিয়ে দিই।
আকাশের দিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে গাছটা রোজ
ডাকপিয়ন  মত বার্তা পাঠায়,  মানুষ ভালো থেকো,
তোমার মৃত্যুর পাশে দাঁড়িয়ে   চিরদিন
আমি জীবনের কথা বলে যাব.... মানুষ  তুমি
ভালো  থেক,, মানুষ তুমি শেষতম দিনেও বেঁচে থেকো।।

ছইয়ের নিচে

আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা একরাশ
সবুজ পাতায় লেখা নানান কথার চিঠি
কেবল তোর  জন্যেই,,   'সুজন' ভালো রইলাম
নিজের মতো করে,,  সমস্ত রংতুলির টানে
এঁকে রাখলাম তোর  চোখ গড়িয়ে নামা
স্বপ্নদের,,  কথা দেওয়া হয় কেন জানা নেই
,, আজতক এবং আগামি শেষ ভোর অবধি
ইচ্ছাদের ফ্রেমবন্দি করার অংগিকারে আমার
সমস্ত বেঁচে থাকাকে লালিত করবো যাপনীয়
নিশ্বাসে নিশ্বাসে,,
যে আলো কখনো কখনো তোর বুক থেকে
অন্ধকার গড়িয়ে নেমে  যায় বার বার,
সে আলো থাক চোখের আলোয় মিশে,,
এক সমুদ্র আলোড়ন পেরিয়ে তোর ইচ্ছারা
পেয়ে যাক অমৃতের খোঁজ।
আমার বুকে সময়ের টিক টিক শব্দে
বয়ে যাওয়া ধুলিঝড় আছড়ে পড়ুক
কোন প্রাগৈতিহাসিক দেওয়ালের
গায়ে,  এঁকে যাক যে কথাগুলো এই বসন্তেও রয়েগেল বাকি।   ভালো থাকা এভাবেই কোন
উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠায় খেলে যাওয়া
হাসিতে বন্দিত রইবে চিরকাল।
কে বলতে পারে   'সুজন' তোর তীব্র জীবনী গন্ধ
আমার ক্যানভাসে আঁকা সব জলছবির বুকে
চেতনর আগুন হয়ে জ্বলবে না কোন এক
অসম্ভব চৈত্রবৈশাখি তপ্ত বেলায়,,
আঁচলের গিঁটে রাখা জীবনের চিরকুট চিরকালিন
কোন এক বাউলের এককতারার সুর ''তোমায় হৃদ মাঝারে রাখবো  ছেড়ে দেব না''
তাই মৃত্যুর ছবি কখন আঁকবো না কথা দিলাম,,
কথা দিলাম ভালো থাকা সব ভোরের সুর্য তোর ইচ্ছায় প্রথম আলো হয়ে ফুটবে। 
সুর্যর দিকে মাথা করে থাকা সবকটি গাছের পাতায় 'সুজন'তোর কথা লিখে রাখবো খোলাচিঠির বেশে।
কথা দেওয়া হয় কেন জানা নেই.... তবুও কথা দিলাম।




বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০১৭

কণা (৫)

...........................
..........
কণা  তোমাকে রেখে গেলাম এই
আকাশছইয়ের নিচে,  আজ রাত এর
পর সব অন্ধকার রাত তোমার একার,,
আমার  বাঁচোখের কোল ঘেঁষে রাতগুলো কেমন
ঘন হয়ে তোমাকে আঁকড়েছ..,  আজ প্রথম
তোমার নালিশ আমার শরীরে কালশিটেতে
ধরা পড়েছে,,  ভর সন্ধ্যেতে কথা দিলাম
এখুনি ফিরছি.... পারলাম না কনা,,   এই প্রথম
বার আমি অযুতবন্ধন ছিঁড়ে  কালের হাতে
ঘসটাতে ঘসটাতে তোমার জন্যে পথের ধারে রেখে
গেলাম আমার শেষতম কিছু অবশেষ।
তুমি জানতে না কনা আমার এই যাওয়া যে আর
ফেরা হবে না,  আমিও পারলাম কই সময়ের
সান্ত্রীর সাথে যুদ্ধজয়ি হতে,,
তোমার কাছে এলাম আমার চোখে তখন কৃষ্ণতুলসি
শরীরে রক্ত তখন গতিহীন কোনো স্থবিরতায় স্তব্ধ,,
তোমার চোখেরজল আমার চোখের বাইরে কোনো
এক ফেলে আসা ইতিহাসকে পুনরাবৃত্ত করে বয়ে
যাচ্ছে। 
কণা তোমাকে বলা হল না আজ রাত থেকে তোমার
বাকি সব রাত আরো ঘন হবে,  এর পর সব ঋতু তোমায়
তীক্ষ্ণ নখের
আঁচড়ে তোমাতে ক্ষতর পর ক্ষত
আঁকবে,
কণা ভালো থাকার চেস্টায় বেঁচো,,   এই
অসম্ভব হরিধ্বনি তোমার সব ইন্দ্রিয় থেকে
নোনা উষ্ণীয় বাষ্প আকাশ খুঁজে পাক,,
কণা  আমি ফিরলাম জন্মক্ষণ আগের ঠিকানায়,
আমার পাংক্তেয়  অপাংক্তেয় সব রেখে গেলাম
আমাদের স্মৃতির দেরাজে অতিতের শব্দ আগামির ইতিহাসে।