-------------------------------
গুঁড়ো গুঁড়ো যন্ত্রনা
ফুটছে রোজ যেমন উনোনের ওপর ভাতের হাঁড়ির ভাত,
ভিতর থেকে বাইরে ফুটন্ত যন্ত্রণা, কখনো
ভিতর বাইরে অযুত সংখ্যায় না বলা যাপনীয়
বিরক্তিকর বয়ে চলা সময়,,
মুখোশের মিছিলে ব্যের্থ এক মুখ, সাজানো আত্মিক
যন্ত্রনা।
পৃথিবীর ভেতোর আর এক পৃথিবী
.
সেই সীমাদেশ নোনা জলের বাস,
হাজারো শব্দের শব ঝুলছে বেড়ে ওঠা গাছটার শাখা প্রশাখায়,,
শব্দরা ঠেসাঠেসি একি গাছে নিজেদের
শব গুলোকে ঝুলিয়ে চলেছে সময়ের দড়িতে,,
আর অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকে বিধাতার বেশে তুমি।
একদিন ঘুম ভেঙে সকাল দেখি আমার জানলার অনেক
দূরে কতটা হাঁটলে আলোর ছোঁয়া যাবে? কোথাই বা আমি? প্রশ্ন বিধাতা কে।
ফ্রেমে আগলানো মুহূর্তদের আকাশের নীল খামে জমা
আর জমা যে চোখে মরণের সাধ নিরন্তর।
মৃতু তোমায় তাই তো এত ভালবাসি,,
.সময় যখন দেশ কাল পেরিয়ে ছুটতে থাকে তখন ঘুম ঘোর আমার ঘর জুড়ে,
ঘুমিয়ে পড়তে চায় সব তারার দেশের আলো আমার ঘরে,
খুব শান্ত নিশুতি গভীর তখন হঠাৎ চলতে থাকা দেশ কাল,
বিধাতা তুমি ভয় পাও এই নিস্তব্ধতায়
রাস্তা ফাঁকা তুমি একা আর তোমার সামনে সারি সারি ঝুলন্ত শবে ঠাসাঠাসি ভারাক্রান্ত গাছটা,
আর একটা প্রশস্ত একা রাস্তা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন