শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০১৭

ছইয়ের নিচে

আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা একরাশ
সবুজ পাতায় লেখা নানান কথার চিঠি
কেবল তোর  জন্যেই,,   'সুজন' ভালো রইলাম
নিজের মতো করে,,  সমস্ত রংতুলির টানে
এঁকে রাখলাম তোর  চোখ গড়িয়ে নামা
স্বপ্নদের,,  কথা দেওয়া হয় কেন জানা নেই
,, আজতক এবং আগামি শেষ ভোর অবধি
ইচ্ছাদের ফ্রেমবন্দি করার অংগিকারে আমার
সমস্ত বেঁচে থাকাকে লালিত করবো যাপনীয়
নিশ্বাসে নিশ্বাসে,,
যে আলো কখনো কখনো তোর বুক থেকে
অন্ধকার গড়িয়ে নেমে  যায় বার বার,
সে আলো থাক চোখের আলোয় মিশে,,
এক সমুদ্র আলোড়ন পেরিয়ে তোর ইচ্ছারা
পেয়ে যাক অমৃতের খোঁজ।
আমার বুকে সময়ের টিক টিক শব্দে
বয়ে যাওয়া ধুলিঝড় আছড়ে পড়ুক
কোন প্রাগৈতিহাসিক দেওয়ালের
গায়ে,  এঁকে যাক যে কথাগুলো এই বসন্তেও রয়েগেল বাকি।   ভালো থাকা এভাবেই কোন
উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠায় খেলে যাওয়া
হাসিতে বন্দিত রইবে চিরকাল।
কে বলতে পারে   'সুজন' তোর তীব্র জীবনী গন্ধ
আমার ক্যানভাসে আঁকা সব জলছবির বুকে
চেতনর আগুন হয়ে জ্বলবে না কোন এক
অসম্ভব চৈত্রবৈশাখি তপ্ত বেলায়,,
আঁচলের গিঁটে রাখা জীবনের চিরকুট চিরকালিন
কোন এক বাউলের এককতারার সুর ''তোমায় হৃদ মাঝারে রাখবো  ছেড়ে দেব না''
তাই মৃত্যুর ছবি কখন আঁকবো না কথা দিলাম,,
কথা দিলাম ভালো থাকা সব ভোরের সুর্য তোর ইচ্ছায় প্রথম আলো হয়ে ফুটবে। 
সুর্যর দিকে মাথা করে থাকা সবকটি গাছের পাতায় 'সুজন'তোর কথা লিখে রাখবো খোলাচিঠির বেশে।
কথা দেওয়া হয় কেন জানা নেই.... তবুও কথা দিলাম।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন