সোমবার, ৩০ মে, ২০২২

রঙ

 একটা গোটা জীবনের গায়ে অনেক দাগ লেগে থাকে, রং তুলি ছাড়াও দেওয়াল জুড়ে অজস্র রঙের সংলাপ সে জীবন জুড়ে ।
অথচ  সারাজীবন সে জীবন বয়ে বেড়ানো চরিত্র কখনোই রং কিংবা তুলি স্পর্শ করেই দেখেনি । 
আজীবনের বসনে গেলে থাকে অদ্ভুত নাম না জানা রঙের ছবিতে কখনো চেনা কখনো বা অচেনা সমীকরণ 

গন্ধের মতো এ রং ও নিজের গতি হওয়া মিলিয়ে দিতে পারে অসম্ভব নিরবিচ্ছিন্নতার নিয়মে ।
আমি এই ক্যানভাস কে হরেক রঙের ফুলের জমি বলতে শুনেছি , দেখেছি এ হরবোলা রং দাগ রেখে যায় মরনের পরেও।


সই(৬১)

নিখুঁত ওস্তাদের মত তুমি চরিত্র বদল করো চোখের পলকে পলকে ।
আমি গ্যালারিতে বসে অবাক দৃষ্টিতে বিস্ময়ের হাততালি দিই আজন্ম ।
তুমি যতটা ভালো অভিনয়ে ,
আমি ততটাই দক্ষ দর্শকের ভূমিকায়।
#সই

বুধবার, ২৫ মে, ২০২২

কারবা

আমার উত্তরের বারান্দায় ভালোবাসা মানে নতজানু একটা আকাশে মত হৃদয়,

অথচ  ভালোবাসা মানে তোমার শরীর জুড়ে  বাসী পচা গলা মাংসের ঘ্রাণ,

ভালোবাসা  যখন আমার সোনাঝুড়ির বসন্ত উৎসব,

 তখন তোমার গা ঘিনঘিনে সামাজিক কাব্যে স্যাঁতস্যাঁতে ন্যাকাপনা ।

আমার আকাশের ছিঁড়ে যাওয়া একফালি চাঁদে

আজন্মের ভালোবাসার খিদে ফুরোয় না বলেই আমি রোজ রোজ সতত প্রেমিকা হয়ে  এই জন্মটাকে  বাঁচি,,,

আমার না পাওয়াগুলো নির্বাসিত আমার মুঠো ভরা আলোর ভেতর ,

তাই ঘুমের ভেতর পাল তোলা নৌকায় স্বপ্ন পেরিয়ে আমার একনিষ্ট প্রেমিক ঈশ্বর আমারই দিকে দিকনির্দেশনা তারা খুঁজে রোজ রোজ মিলন সুখ অনুভব করার ।

ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে অমৃত উষ্ণতায় জীবন বড্ড ছোটো মানে হয় .... ভালোবাসা পুড়তে থাকা শব্দেরা চিরন্তন কোনো বন্দিশি স্বরলিপি হয়ে ওঠে আমার উত্তরের ছই এর নিচে ,,

আমার উত্তরের বারান্দায় ভালোবাসা মানে নতজানু একটা আকাশে মত হৃদয়,।



পরের জন্মে পুরুষ হবো

পরের জন্মে পুরুষ হবো সত্যিকারের পুরুষ হবো ,।
আকাশ রাখবো বুক মাঝারে ।
পরের জন্মে  পুরুষ হবো সত্যিকারের পুরুষ হবো,
গাছের মত আঁকড়ে রাখার মন রাখবো হৃদয়পুরে।
পরের জম্মে পুরুষ হবো সত্যিকারের পুরুষ হবো,
নিষ্ঠা একজন প্রেমিক থাকবে পুরুষটার আদ্যপ্রান্তএ।
পরের জন্মে তুমিই হবে হ্যাঁ হ্যাঁ তুমি....তুমিই হবে সেই পুরুষের একটা নারী ,
পরের জন্মে পুরুষ হবো তোমার আমি পুরুষ হবো ,
দেখবে তুমি যত্ন বলতে ঠিক কেমন নারীর জন্য রাখতে হয়।
পরের জন্মে প্রেমিক হবো ...হ্যাঁ তোমার  আমি প্রেমিক হবো , থাকবে চেয়ে অবাক হয়ে প্রেম আসলে ঠিক কেমন ।
জড়িয়ে রাখা দুঃখে সুখে , কান্না হাসি বুকের মাঝে রাখবো তোমায় যতন করে , 
মৃত্যু তক রোজ সকালে তুমি হবে আমার   শ্রেষ্ঠ আবিস্কার , 
ওই নয়নে কান্না এলে আসুক থাকবো আমি রাখবো আমি যত্ন করে মুক্ত সকল ।
ওঠা পড়া   ,দোষ গুন , আমার হবে সকল তুমি ।
সন্ধে বেলায় বাড়ি ফিরে বলবো সখী কোলে রাখো মাথা ,......তৃপ্ত তখন আমার সকল অবগাহন ....
তোমার বেণী খোলা চুলে যত্ন ঢেলে বলবো ...ভালোবাসি  খুব ভালোবাসি ,
এমন করেই বেলা শেষে একসাথে হাঁটতে হাঁটতে 
প্রহর এলে বলবো শুধু কথা দাও পরের জন্মেও তুমি হবে এই পুরুষের প্রথম এবং শেষ নারী ,
কথা দিলাম পরের জন্মেও এমন উদ্দাম প্রেমিক হবো শুধু তোমার ....দেখবে একজন কে ভালোবেসে একটা জীবন রূপকথার মত  নিশ্চিত সাজিয়ে নেওয়া যায় ।
শুধু যত্ন টুকু লাগে আর লাগে সততা নিষ্ঠা ।
পরের জন্মে পুরুষ হবো ,পরের জন্মে পুরুষ হবো ,পরের জন্মে সত্যিকারের প্রেমিক হবো ।


শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২

সুবর্ণা (১১৬)

হৃদয় কে বাজি রেখে নিঃশব্দে ছড়িয়ে দেওয়া শব্দ গুলো1 কুড়িয়ে নিতে নিতে অতিক্রম হলো অনেক চেনা অচেনা মরসুম ।
জাত চিনতে নিজেকেও বেজাত করার বাজি রেখেছি ,
সুবর্ণা এমন অনেক মৃত্যু হয়েছে অন্তর মহলে যা খালি চোখে কিংবা  আতস কাঁচ কোনটাতেই দৃশ্যত হয়না ।
তুমি বাঁচার কথা বলতে বলতে জড়িয়ে ধরে বিষ মাখাতে পারো ! 
আমি কেবল মৃত্যু ছোয়াতক  আমানি পান্তায় ভরসার খিদে কে সুস্বাদু তরকারী ভেবেই বিশ্বাস আগলেছি।
সুবর্ণা প্রচন্ড শীতে আমি শহরের বুকে একটা বিজ্ঞাপন দেখেছি ফি বছর ,"People are like heaters"
পাশাপাশি উপস্থিতি কিংবা পথ চলা পরস্পরকে প্রচন্ড শীতে উষ্ণতা দিতে পারে ।
আমি প্রতিবার এমন বিজ্ঞাপন দেখে ভেবেছি যে লোকটা এই বিজ্ঞাপনের মালিক  সে বুঝি  হাড়ে হিম শব্দের স্পর্ধা  চেনে
অথবা হিম শিতল কোনো  রাতে সে বুঝি বাড়ির পথ হারিয়ে ফেলেছিলো , 
অথচ এর কোনোটাই বিন্ধুমাত্র সত্যি নয়...
সুবর্ণা তুমিও কেবল একজন মিথ্যুকের ভুমিকায় দাড়িয়ে  এ উপন্যাসের  শেষ পাতায়। 

সুবর্ণা (এক মিথ্যে উপন্যাস) 

আর্টিকেল ফর আনন্দবাজার পত্রিকা পার্ট-৫


এই আর্টিকেলটা আসলে আমাদের মানসিক ভাবনার দরজায় টোকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ।
আমরা যারা সারাক্ষন আমাদের জীবনের শো-কল
না পাওয়া গুলো নিয়ে শোক মঞ্চস্থ করে আহ্লাদিত হয়ে নিজেদের মনে মনে বীর কিংবা বীরাঙ্গনা ভেবে অলীক সুখ পাই , সেই আমাদের উদ্দেশ্যে।

আমরা আসলে দেখতেই চাই না আমাদের কি কি আছে ,, কতটা আছে ,  আমরা সারাক্ষন আমাদের না থাকাগুলো নিয়ে কেঁদে বেড়াই ....অন্যের কাছে সহানুভূতি আদায় করার জন্যে ।
সব কিছু সুপারপারফেক্ট চাই নিজের জন্যে   অথচ আমরা নিজেরাই ইমপারফেক্ট, 
আসলে পৃথিবীতে কোনো কিছু পারফেক্ট হয় না ,আর তাই ইম-পারফেক্ট  সমস্ত কিছুকে ভালোবাসা দিয়ে কাছে টেনে নেওয়া শ্রেয় সারাক্ষণ জীবনের ইম-পারফেক্ট বিরুদ্ধে জেহাদ না জানিয়ে ।
একজন সুস্থ মানুষ রাতে ঘুমাতে গেলো ভালোভাবে , সকালে উঠে দেখলো তার কোমর , পা অচল কিংবা সে চোখ খুললেও পৃথিবীর আলো বা সকাল দেখতে পারলো না  কিংবা সে প্যারালাইসিস হয়ে গেছে....সেদিন সেই মানুষ টা যে কিনা জীবন কে ত্রুটিপূর্ণ দেখতো আর আসে পাশে সমস্ত সম্পর্কেজন্যে  তার নালিশ থাকতো দিনলিপি , .....হয়তো প্রথম বার বুঝবে আসলে না পাওয়া , না থাকা কিংবা ত্রুটি  এই শব্দগুলোর আসল  মর্মার্থ ।
জন্মাবধি কিংবা তারপরেও আমরা যাকিছু খুব সহজে পেয়ে থাকি সেসব কিছুর কদর আমরা তেমন করি কিনা জানি না,,  ,তবে যা নেই  বা কোনোদিন ছিলোই না তার জন্যে একটা অদ্ভুত মেকি হাহুতাশ এর আরম্বরে মানুষ হিসেবে অহংকারী হয়ে ওঠা আমাদের অভ্যেস ।

মানুষ থাকা আর না থাকা , পাওয়া আর না পাওয়ার মাঝে যখন যখন তুলনা করেছে ,সে তার বর্তমান মুহূর্তটাকে এড়িয়ে গেছে কিংবা বহতা সময়টাকে যা কিনা সত্যি মূল্যবান তার অপমান করে গেছে।
 অথচ যে মুহূর্ত আর সময়টুকু মানুষ নিঃশ্বাস নেয় সুস্থ ভাবে হেঁটে চলে বেড়ায় সে সময়  কিংবা মুহূর্ত গুলো যে আসলেই মানুষের বেঁচে থাকার ব্লেসিং সেটা বোঝে কজন ?
আমরা মানুষ যারা সাধারণ পাওয়া না পাওয়া একে অপরকে  বোঝা না বোঝা এসব নিয়ে নিজেদের কে কষ্ট দিতে থাকি আর ভাবি  এগুলোই আসলে জীবনের মূল আর একনিষ্ঠ সমস্যা যা আমাদের বেঁচে থাকাকে জর্জরিত করে দম বন্ধ করে দিচ্ছে ,, ,......আসলে ভালো করে দুদন্ড এই কথাগুলোর কাছে স্থির হয়ে দাঁড়ালে মানুষ। বুঝতে পারবে এগুলো আসলে তার মস্তিষ্ক প্রসবিত ভাবনা ....বাইরে দুনিয়ায় এগুলোর কোনো একজিস্টেন্স কোথাও নেই , আসলে দিনের শুরুতে চোখ খুলে নিজেকে সুস্থ সবল দেখতে পাওয়াটাই   একটা সম্পূর্ণ বেঁচে থাকার জন্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ আর যথেষ্ট ।

আমরা প্রতিটা মানুষ আমাদের বেঁচে থাকা আমাদের এই বেঁচে থাকা জুড়ে নূন্যতম পাওয়া গুলোকে একবারও কি ধন্যবাদ দিয়ে গ্রেটিটিউড করতে পারিনা , হয়তো পারি.. তবু কৃপণতা আমাদের মনুষ্য স্বভাবসিদ্ধ বলেই পাওয়া র থেকে না পাওয়াগুলো কিংবা আছে র থেকে নেই গুলো কে সমাদর করি বড্ড বেশিরকম।
কোথাও কি আমরা নিজেদেরকে  ডিসেবল দেখতে ভালোবাসি ! কেনো পারি না আমরা আমাদের নুন্যতম কিংবা বড় ডিসেবেলিটি গুলোকে  স্ট্রেন্থ করে সেগুলো কে  স্ট্রং এবিলিটি   করে নিতে ? কেনো অন্যের কাছে আমরা বেচারা শব্দটা নিজের জন্যে শুনতে ভালোবাসি? 
কবিগুরু  রবীন্দ্রনাথ বলেছেন .....
নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস ওপারে তে সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস , । তিনি উপলব্ধি করেছিলেন মানুষ মনন চিত্রের ভেতর এমন দোদুল্যমান ভাবনাই তাকে অযথা দুঃখ বিলাসী করে তোলে ।
মানুষ কখনো ভাবে না তার পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেটা যথেষ্ট না হলেও অচল পয়সা নয় ।

প্রাপ্তি আর প্রত্যাশার পার্থক্যর মাঝে বিরাট অলীক দুঃখ থাকে । তাই নিজের প্রত্যাশাটা  কম করলেই, আমাদের দুঃখও কমে যায় নিজেরা পূর্ণতা ভরে উঠি ।

শেখ সাদি (রহ)  বলেছেন  , একজনের জুতো ছিলো না আর সেটাই ছিলো তার জীবনের বড়সড় আক্ষেপ , একদিন দেখলো একজনের পা নেই সেদিন তার এই বড়সড় আক্ষেপ চিরকালের মত ঘুচে গেলো । তখন সে ইউনিভার্স এর কাছে ধন্যবাদ জানালো তার স্বাভাবিক  জুতো বিহীন পা দুটোর  জন্যেই ।

আসলে আমরা কোথাও কোথাও হয়তোবা সহানুভূতি প্রত্যাশী হয়ে পড়ি  নিজেদের ভেতরে গভীর ভাবে ভেবে দেখার কোনো পরিশ্রম না করেই।


একটা খুব সুন্দর কথা টমাস আলবার্ট এডিসন বলেছিলেন ......আমি  কখনোই বলবো না আমি হাজার বার হেরেছি ,বরং আমি এটা বলতে পছন্দ করবো যে আমি হেরে যাওয়ার হাজারটা কারণ বার করতে পেরেছি । 

তিনি না পাওয়াগুলো কে কি অদ্ভুত বাস্তব অথচ জীবন দর্শন এর সেতু সংযোগ করেছিলেন ।

 তাই এই আমরা যে মানুষগুলো আমাদের না পাওয়া গুলোকে ভাবে পাওয়াটুকুও হারিয়ে ফেলছি রোজ রোজ, তারা  একবার চোখ বন্ধ করে কিছু ক্ষণ ভেবে দেখা উচিৎ ....আসলেই সময়  বড্ড কম ,একটাই জীবন ...একটাই বেঁচে থাকা , আর এই  থাকাটুকুই আমাদের সর্বস্ব , so we should be thankful and gratitude our own existence.

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২

#বাস্তব

একজন মানুষের স্বভাব যদি তার অন্য সঙ্গীর কিংবা পরিচিতর সমালোচনা কোনো বিশেষ ব্যক্তির কাছে দিনের পর দিন করতে থাকে , তবে এটুকুও নিশ্চিত যে ঐ বিশেষ ব্যক্তিটির সমালোচনাও ওই মানুষটা যেকোনো অন্য কারো কাছে খুব সহজেই করবে ।
সে ঘর ও বাইরে আপন ও পর সকলকেই যে কোনো সস্তা দরে উলঙ্গ করবে এটা নিয়ে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না ।

#বাস্তব

সাপ-লুডো পর্ব




এখন এবং, সেই ফিরে আসা। বুকের মাঠ থেকে চালুনি করে দানা -বালি -দুঃখ বেছে ফেলি । অপরাহ্নের ছায়ায়,  ঘনিয়ে নিই। 
আপাত পৃথিবীর সবটাই, মৃতের চাহনি। গোপন ঝর্ণার জলের শব্দে আমাদের তৃষ্ণা মিটে যায়। জাফরিকাটা আলোর রম্বসে পা রেখে আমরা যাই গ্রহান্তরে। ফেরার আগে ছবিতে তুলে রাখি একা কলপাড়, শীতের ট্যাঞ্জারিনের ছোট্ট বীজ। 
দূরত্ব।  সে কতদূর। হাত বেগদা  মাপতে মাপতে তার আঙুল ডগায় পৌঁছে যাই যতবার, আমার মানচিত্র ভেঙে যায়। সমস্ত মহাদেশীয় রেখা তার পর্ণমোচনের সাথে রেণু হয়ে ওড়ে।
সেই রাক্ষসকে চেন? যার এক চোখে রাগ ও অন্য চোখে হতাশা। তারা একত্রে পৃথিবীর ধ্বংস আনতে পারে। ইশ্বর এই দুই চোখ পৃথিবীর দুই প্রান্তে , একটা পাহাড়ের গায়ে ও অন্যটা মরুভূমির ভিতর রেখে দিলেন। তারা কোনোদিন একসাথে হতে পারে না। 
আমাদের দূরত্বে এমন অজস্র উদাহরণে মিলে যায় পুঙ্খানুপুঙ্খ । অন্ধ রাক্ষস আর আমরা অন্ধকার কামড়ে বেঁচে থাকা আমাদের অভ্যেস

(মনি -দীপার উপন্যাসে সাপলুডো খেলা পর্ব )

সই(৬০)

কারো নিষ্ঠা ইমানের গায়ে কত সহজে নর্দমার নোংরা ছিটিয়ে কিছু চরিত্র সহজেই মহান হতে পারে ,  এ শহরটার সাথে না জুড়লে জানাই হতো না ।
#সই

সই(৫৮)

ভুল কাহিনীতে ঢুকে পড়েছি ভুল করে ,
তবে বারংবার ভুল করে ফেলা দলের মানুষ
নই ,
অনেক সময় কোনো কথা না বলেও  নিজের অন্তর মহল থেকে  কিছু সম্পর্ককে বাইরের দরজা
দেখিয়ে দেওয়া খুব জরুরী নয়তো সে সব সম্পর্ক মীরজাফর কিংবা বিভীষণ হবার সাহস অর্জন করে ।
#সই

বুধবার, ১৮ মে, ২০২২

বুমেরাং

কোথায় দাঁড় করিয়েছও হে নিজেকে ....সারা শহরে আশ্রয় খুঁজতে  খুঁজতে পথে নামিয়েছও যত্নের আশ্রয়টুকুও , 
বুকে পেরেক ফোটালে রক্ত ঝরে সবার আর যন্ত্রনায়ও স্বাভাবিক ...তবু অন্যের ছটফটানি দেখে ভাবতেই পারো তুমি এ শহরের সব চেয়ে দক্ষ তামাসবাজ । অথচ নিজের বুকেও  শক্তিসেল  গেঁথে দিচ্ছে সময়ের প্রহরী।
আসলে সময় সময়কি বাত হ্যায় ইয়ে .......
যখন কেউ আর হিসেব করে রাখে না নিজের গাল গল্পের কার্টুজী তখন সময় বাবাজী এক পায়ে পাহারা দেয় খেরোর খাতায় ।
বিশ্বাস খুঁজতে এসো না  হে  সেখানে যেখানে তুমি বিশ্বাসী হতে পারোনি ,
শতাব্দীর ল্যাংটামির আড়ালে নিজের লাম্পট্য লুকিয়ে কেউ বেঁচে থাকার নিঃশ্বাস খরিদ করতে পারেনি এ দুনিয়ায় , 
মানুষ মানুষের গুন বিচার করে নগ্ন করে নির্মল সম্পর্কের ....আসলে এভাবে মানুষ কুড়িয়ে নেয়
সহানুভূতি , আর এই কুড়িয়ে নেওয়ার অন্তরালে তার প্রতি নিষ্ঠাবান হৃদয় গুলোকে পাপী হয়ে উঠতে বাধ্য করে ,একইসাথে নিজের আসল পরিচয় দিয়ে দেয় নিজের অজান্তে ।
বড় অবাক লাগে ....আর একটা কথিত কথা বারংবার দরজায় টোকা মারে "যার জন্যে চুরি করি সেই বলে চোর" 
তবে জীবনের আরো একধাপ চেনা শোনা বেড়ে যায় , শালা প্রেম আর ভালোবাসার মত মিথ্যে আর ভ্রষ্টাচার শব্দ বাংলা অভিধানে আর নেই ।
কয়লার ময়লা যায়না ধুলে 
আর স্বভাব যায় না মলে.......।

soi(58)

When you destroy someone's life with a lie, take it as a loan because it will come back to you with interest,
Because the words can make you ,
Break you. They can heal your soul, they can damage you forever,
And last but not the list ...... Somebody,s absence make you a better person....And
It's always a blessing in disguise .
#soi

ওরা কারা

 রু‌খে দাঁড়ানো চিৎকার গুলো অসহায় হলেই
শব্দেরা কবিতার জন্ম দেয় ,
দৃঢ় প্রত্যয়ে আমি আগামীর মানচিত্রে বহুবার হেঁটে
এসেছি হাতের রেখা ধরে ,
পাথর ভাঙার মত হৃদয় ভাঙতে দেখেছি বহুবার ,
বাঁচার ফরিয়াদে পোশাক বদলাতে দেখেছি সাধু রুপি শয়তানকেও ।
একই মসনদে শুরু আর শেষের কবিতার সহবাসও এ দুনিয়ায় স্বাচ্ছন্দ্য ।
দেখেছি প্রতিটা স্বাধীনতা মানে একটা প্রচ্ছন্ন লোভকে উঁকি মারতে ।
দেখেছি বাঁচাতে চেয়ে বিষ কে অমৃত সম পান করতে ।
আজ আর কোনো দৃশ্য আমাকে তেমন করে অবাক করে না ....তা সে জন্ম হোক   , মৃত্যু হোক,
শুরু হোক , শেষ হোক , ছলনার রঙে মুখোশ হোক, আর প্রেমের নামে প্রহসন হোক ।
বড্ড দয়া হয় সময়ের ওপর মহাকালের নাচনে নাচতে থাকা ওদেরকে দেখে , ওরা নিজেরাই নাচছে , ওরা নিজেরাই গাইছে , আবার নিজেরাই হাততালি দিচ্ছে ।


চরিত্র

 অক্ষরের বুনন নিজস্ব ব্যক্তিগত অসভ্য সভ্যতার শুরু থেকে,
 আর সেখানে চরিত্র হল গিরগিটির রং ,
 নিখুঁত ওস্তাদের মতোই বদলে যেতে দেখেছি এই তিন অক্ষরের শব্দটার ,
.... শব্দটা রাতারাতি
হাতবদল হয় খুব  নিঃশব্দে ও সস্তায় ,,,
এতই সুক্ষ সে বদলে যাওয়া সেতু , হওয়াও বুঝতে পারে না ।

আসলে চরিত্র বোধহয় নেশার বিনিময়ে নিজেকে শান্ত রাখার নাম। 
চরিত্রের গোপন স্বাক্ষর কাগুজে সংকল্পে কখনো বা হস্তান্তর .....যেনো পচে যাওয়া দেহের সুগন্ধি চাদরের আবরণ ।

তবু  প্রতিটা মানুষ  ধুলো পড়ে যাওয়া দামি জড়োয়া অতীত দেখে  নিজেকে অসহায় ভাবে কখনো কখনো ,....।
অথচ নিয়তি চিরকাল হাতের রেখায় পূর্বনির্ধারিত সেটাও সেই মানুষ জানে।
যারা জলের মত কথা বলে তারা জল হয় না ...আসলে একটা ইমান লাগে বহতা স্রোতকে স্বচ্ছ রাখতে । .....
অতীত মনে রাখতে নেই ,অতীত ভাবতে নেই 
অতীত নয়তো পাপের মতো নাগপাশে কিংবা চক্রব্যূহ বেঁচে থাকাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয় ।

এক ও ঐক্য ,ষড়যন্ত্র ও ষড়রিপু  কখনই সহোদর শব্দ নয়।
মৃদু হাসির আড়ালে ভর্ৎসনা লুকোতে জানে এ শহরের শো কল চরিত্রগুলো ।
 একদিন যে  চরিত্রদের কখনো লোহার মনে হত, আজ
মরচেপড়া টিনের খোল ছাড়া কিছুই মনে হয় না এখন  তাদের।
বাঁচার তাগিদে আধুনিক এর আড়ালে এ মানুষ নামক চরিত্রর হাত বদল হতে মুহূর্ত কিংবা কোনো বন্ধন লাগে না ........চরিত্রের বানানে একটা সহজাত লাম্পট্য লুকিয়ে থাকে ।
চরিত্রের বানানে একটা মীরজাফর মৃত্যুহীন চিরন্তন।
চরিত্র তুমি বিস্ময় চিরকাল।।

(#শুভক্ষণ  কাব্যগ্রন্থ)





মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

তোমার নামের পরে

...তোমার নামের পরে
হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন...
তবু দৃঢ় আজ এ জানা, .....ভালোবাসা আসলে একটা শকুনির পাশাখেলার টোপ মাত্র ।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন....
তবু দৃঢ় এ জানা .....ভালোবাসা আসলে লোহার শেকল মাত্র।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন .......
তবু আজ এ জানা ভীষণ সত্যি ........
ভালোবাসা বাঁধতে চাইলে ...দাঁড়িপাল্লায়  মুক্তির আকাশ বড্ড  প্রিয় ।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন....
তবু দৃঢ় এ বিশ্বাস ......ভালোবাসা চিরকালীন বিশ্বাসঘাতক ।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন.....
তবু এ জানা আর প্রমাণিত ...... যাকে ভালোবাসা যায় তার থেকে দূরে থাকা শ্রেয় , যে ভালোবাসে তার কাছে নিজেকে রাখলে মূল্য পাওয়া যায়।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন ........
তবু নোনা বহতার ধ্বংসাবশেষ এর শমন ও নামেই
দাখিল হয় ।

তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন.....
তবু ভালোবাসা তোমাকেই চিরকালীন আসামির কাঠগড়ায়  দাঁড় করিয়ে আত্মশুদ্ধিতে পাপ ধুঁয়ে নেওয়া হবে ।

হয়তো তারও পরে ....তোমার নামের পরে হাসিটুকু থেকে যাবে অমলিন ।।

ভালোবাসা!  ভালোবাসা! ভালোবাসা! ভালোবাসা!

রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

টপ্পা

মনে রাখার তাগিদ থেকে মনকে রাখো দূরে
ভালোবাসার ভাবনা যে সব ভীষন ভবঘুরে,
দেওয়া নেওয়া আসল ব্যাপার  হয়না প্রিয়জন
তোমার সাথেও মিটবে দরদ বেলা ফুরোনোয় প্রয়োজন।
কিসের মাসি কিসের পিসি সবই বৃন্দাবন
ভাঙতে পারো মনের দেওয়াল মনের ইচ্ছামতন।
 আজ যে আছে কাল সে নেই গিলি গিলি ফক্কা 
জীবন বলে যা উড়ে যা বে ফিকির কর তোয়াক্কা,
শহর থেকে শহর জুড়ে "না-গর-সংকীর্তন"
শব্দ দিয়ে জব্দ করে প্রেমিক শেয়াল মন।

সময় চলে উল্টো  কাঁটায় জানে শুধু মহাকাল,
মানুষ ভাবে এইতো দারুন বিন্দাস আজ কাল ,,
ভাবের আমি ভাবের তুমি সব জানে প্রশান্ত...
সময়ের ঘড়া ভরলেই মঞ্চ আর হাততালি চিরকালীন ক্ষান্ত,,,
আয়রে শুখ আয়রে শারি ডালে বসি আড়া আড়ি
মিছি মিছি হাতড়ে বেড়াস বালির ঘরবাড়ী।
🤣🤣মন উচাটন লাটি টন টন 
শব্দ বিকিয়ে খুঁজে ফেরে ঝাউবন .....🤭
শব্দ রইলো শব্দে শব্দে ...  লাটিতে ধরলো ঘুন পোকা
অর্জিত পুঁজি আয়না হয়ে বলছে বোকা.......  আর কত হবি বোকা...।

দৃশ্য



একটাই দৃশ্য ছিলো ইচ্ছাপুরের হৃদয় বাড়ীর
চিলেকোঠায়, একটাই দেখা যত্ন করে গোপন করেছি ওই চিলেকোঠায় ....চিলেকোঠা কে প্রথম
আবিস্কার করেছিলো জানা নেই ...,,

জানা নেই ঘুরে ফিরে আসা গোপন সুখ দুঃখ কেনই বা ওই খুপরি তে রাখা থাকে চিরকাল,
                              
সময়ের আঁকি বাঁকি  ঘোরে কেউ যেনো বলে যায়
সুখ গুলো কোনো একদিন শোকের কারণ হবে বলেই চিলেকোঠায় রাখা ,আর দুঃখ গুলো চিরকাল নীলকণ্ঠ হতেই পছন্দ করে ,


 প্রত্যেকের বুকের ভেতর  মরুভূমি  আর রেইন ফরেস্ট এক বিঘে জমিতেই কেনা থাকে .....
তবু সকলের কাছে একটা নদীর উপন্যাস বড় প্রিয় হয়ে থাকে চিরকাল।

উপসংহার

খুব গহীন সুখ গুলো ....ছুঁয়ে যায় মুহূর্ত ,তবু
মুঠো শক্ত করলেই দৃশ্যের থেকে নাগালহীন 
হয়ে যাওয়া,
কালীপার্কের বাড়িটার বুকে প্রতিটা রাত রাতের চেয়েও গাঢ় ছিলো একদিন।

হাজারো ছবির জন্ম দিতে পারি বলেই , রং তুলি কাব্যময় ভঙ্গিতে আঁকড়ে থাকি আঙুলের আদরে , আসলে  বুঝি এই মূহুর্ত গুলো  চিরদিন থাকবে না,  আসলে কেউ চিরকালীন নয়  ,
আমার চেনা একটি পুরুষকেও আমি আশ্রয়ে গাছ হতে দেখিনি  জন্মাবধি,,
দেখিনি কোনো পুরুষ নামক সত্যিকারের পুরুষকে।
প্রতিটা স্বপ্ন নিজস্ব ছন্দে পোয়াতি হয়েছে প্রতিবার শৈশব থেকে এ পর্যন্ত, ,
দিন শেষে  আকন্ঠ বিষ দিয়ে প্রতিটা ক্যানভাসে একটা করে মৃত্যু এঁকেছে সময়ের ছলনা।

জীবন কখনো কেতাবি গল্প না হলেও ....আশ্চর্য রকম রোমহর্ষক বটে,
কখন যেনো অচেনা গন্ধ ম্যাজিকের মত আজীবনের পন ভেঙে ফেলে দিতে মুহূর্ত সময় নেয় না , 
কখন যেনো জোড়া শালিকের ঘর বে-মতলব হয়ে যায় পাখি দুটো কেউ জানতেই পারে না ,
**************************************

বুকের জমিতে শান্তি পুঁতে রেখেছিল যে ছেলেটা
.......আজ আজ তার চুয়াল্লিশ এর জমিতে  দিগন্ত ছুঁয়ে ফেলা শ্বেত পদ্মের বন,,,
চোখের   রেখেছিলো আপন জনের তীব্র অপেক্ষা.....আজ সে অপেক্ষায় নীল পদ্মের আসমানী মুক্তি ।
মুঠো খুলে দেওয়া সুখ আচানক স্বয়ং নির্ভর তার সুক্ষ গিটারের তার ।
নিঃশ্বাসে শুধুমাত্র নিজেকে জুড়ে অনন্ত প্রেমিক
কিংবা প্রেমিকা হয়ে ওঠা , 
 আর এভাবেই রং তুলির প্রসবিত ভোরে জন্ম নেয় অর্ধ নারীশ্বর,
 কলকাতা তোমার আধ বোজা চোখে  তখনো স্বপ্ন লেগে আছে আদূরে প্রেম সংলাপ....চৌখুপির পুরুষ তখনও গৃহপালিত ।
... আমার উপন্যাস তখন উপসংহারে দাঁড়িয়ে
পুরোনোর কাছে বলছে ......,আসি... হয়তো আর কখনো মুখোমুখি হবো না এই জন্মে।






শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২

হিং টিং ছট🤣🤣

 বলা বা না বলা কথা, তু‌মি কখন শুনতে পাবে না ,
হওয়া মহল বিছিয়ে শুধুমাত্র পুড়তে থাকা মাংস আর চামড়ার গন্ধ,
প্রোফাইল পিকচারে চোখ রেখে দেখো হয়তো সব প্রাক্তনেরা এখন অন্ধ হতে চেয়ে ভালো আছে
,
বুকের বাঁ পাশে কয়েক লিটার বদ রক্ত পাপ দাগ যেনো শহর জুড়ে ইতিহাস লেখার রসদ রাখছে।
হৃদিয়াকে ভর করে পাথর ভেবে তাস দিয়ে সাজানো  জাগলার , কবিতার গায়ে চ্যাট আর প্যাট এখন একাকার,
কার প্রেমে কে যে বুদ ....কে বা জানে এ পাখি কখন ফুরুত ফুঁ ...
বুক চিরে ল্যাংটামি .......গুণী সেজে ভণ্ডামি ।
কার দেহ শোধ করে আজও বুঝি কার ঋণ।
আলোতে চল থামিয়ে মিথ্যে ঘ্যানঘ্যানানী।


"শ্বেতপত্র"

 নতুন চেনাজানা  পাত্রগুলোয় এখন আলো বাজির  শব্দজব্দ.. 
 মুখোশের  মুখে ভয়  নরকের ফুল কুঁড়ি আর অযাত্রিক পাপস্পর্শ আসিডিক বৃষ্টির মত।
  ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে  বলিরেখাহীন অক্ষরগুলি শ্বেত বর্ন আর ..  অতলশূন্য দীর্ঘ উপবাসে কলমের বুকে শুয়ে আছে। 
গ্রহণ করে উপহাস এখন... আশ্চর্য এক মায়ার দীর্ঘসূত্রীতায় ভর করে । 
 মাংসাশী প্রাজ্ঞ পুরুষকে প্রেমিক ভেবে আমিও ভুল করেছি একবার ,
  সম্পর্কহীন তর্জনী ও মধ্যমা আশ্চর্য কায়দায় আমার বুকের মাটি ছুঁয়ে খোঁজে ভূর্জপত্র ....আর মন মুক্তি পেয়ে যায় নিমিষে..  ।।
এখন দৃশ্যের ভিতরে  শুধুমাত্র বরফঘর...
 মেধাবী নায়ক  সে...  আর আমি স্রেফ দর্শক।

যাওয়া-আসা দুই-ই থাকে বালি ঘড়ির ফলকে ।  স্বপদের সর্বাঙ্গে রণপা... ,
  কল ঘরের  শ্যাওলায় মিথ্যে লেগে থাকে আজন্ম।
 তুমি মুখ ফিরিয়ে নিজের ভাষায় দীক্ষা নাও আমি চিরকালীন বৈরাগ্য ভালোবাসলাম নতুন করে। প্রেম কি শুধু শরীর খোঁজে এক-অভ্যাসে?
 

দ্বিতীয় প্রবাহ শুরু হয়ে গেছে টুপটুপ... চাপা শ্বাসকষ্ট দীর্ঘ হতে হতে  কামুক ঘুনপোকা... নীল ওড়নায় পদ্যের ফাঁস... ঝাউবন... কাজুবাদামের গন্ধ... লাল কাঁকড়ার দেশ... খোলা ডিঙিনৌকোয় কবিতাযাপন... সূত্রের অমরতা...
#
 #
কলকাতা মানে একটা ম্যাজিক শহর
যেখানে যাদুকর প্রতিটা মানুষ
কলকাতা নাকি গল্পের শহরও বটে
_________পক্ষীজীবনের গল্প শোনাতে
গোল গোল পাথরে এ শহর লিখে দিতে পারেন
_ অজস্র সমান্তরাল  তাসের সংসার
খরগোশের গর্তে  উঁকি দিয়ে ওরা গর্বিত হয় রোজ দু ফোঁটা করে... 

 আমেজ হাতঘড়ির সাথে নির্জন ছোটোবড় পেরেক টুকরো গেঁথে দিয়েছিলাম,

________ এখন ফিশফিশে ছদ্মবেশী লুডোর বোর্ডে... সময় খেলছে খ্যাপাটে হয়ে,

ছোট্ট শহরটা দুলে ওঠে অনেক কাহিনীর সাক্ষী বুকে ধরে রাখতে,

বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

ভালোবাসা কারে কয়

শান্তির প্রতীকের মত চোখ জুড়ে ঘুম সবুজ আর আকাশে মাঝে আমাকে নিয়ে যায় ,
ক্লান্তি নেই , যেনো আর কোত্থাও যাবার কোনই তাড়াহুড়ো কিংবা প্রয়োজন নেই ,
থমকে যাওয়া রাতে বিছিয়ে থাকা চুম্বন যেনো কাব্য ময় করে তোলে এই স্পট লাইট ভালোবাসা পৃথিবীকে ।
দু দন্ড হাতে হাত রেখে কানের লতি ছুঁয়ে আমার রূপকথার বাতাস গোপন ভালোবাসায় ছুঁয়ে আসা যাওয়া করে ।
রেকবি চাঁদে আলসেমি আদর অপেক্ষায় কোনো ভোর কে তোয়াক্কা করে না ।
বোহেমিয়ান গল্পগুলো অল্প হলেও সত্যি  ,
আমাদের মত দুটি ভিনদেশী তারা ঈশানি কার্নিশে
মেঘের দের ডাক পিয়নের থেকে আলোর খবর রেখে যায় , 
তুমি চোখে চোখ রেখে বলো ...........
এমন আকাশে ঠিকানায় একটা ঘর হোক এটাই তো  আজীবনের ইচ্ছা করে বটের ঝুড়িতে বেঁধে ছিলাম ,
বাসন্তিকা বুকের মাথা রেখে আশ্রয় খুঁজে পায় কঠিন পৃথিবীর বুকে ।

বুধবার, ১১ মে, ২০২২

রূপান্তর

জন্মাবধি কান্নায় ডুবে থাকা বেঁচে থাকা গুলো হাসতে চেয়ে সাঁতরে যাচ্ছে আসমুদ্র ,
আমি শ্মশান পুড়ে যাওয়া কাঠের কাছে শীতল জীবনের কথোপকথন রাখতে দেখেছি বহুবার ,
*****************************************
বার -ফটটাই সো কেসে বেসামাল তাসের বহুতল
সাজানো মঞ্চে আসলে জীবন বন্দী কারাগার।
তুমি চশমায় আতস কাঁচ জুড়ে নিয়ন বাতির নীচে 
হারিয়ে যাওয়া নিঃশ্বাস খুঁজে যাচ্ছ ।
আমি শব্দভেদী সময়ে ভর করে তোমার মস্তানি গুছিয়ে রাখি আজও ,
****************************************
 অদৃশ্য ক্যামেরা  আকসন তারপর বসন্ত বিলাপের..বাঘবন্দী খেলা , 
হিসেবের চরাচরে তুমিই কেবল নেপোর দই মারছো,
******************************************
পরিজাতে আজও কোনো সঙ্গম ক্ষণে হয়তো 
মাটি কেঁপে ওঠে ,
আজ আর কবিতায় কোনো বন্দিশি ভালোবাসার রাগ মিশে স্টেশনের শেষ ফিরতি ট্রেনে সুখের আবেশে বাসন্তিকা হাসে না ,
তবু কি কিছু বদলায় , একদিন নির্ভরশীল মন 
সমস্ত কান্না বিক্রি করে সুনীলের  কয়েক বিঘে আকাশ  খরিদে নেয় ,
........আমি মৃত্যু দেখিনি কখনো দেখেছি স্রেফ সময়ের রূপান্তর।