অক্ষরের বুনন নিজস্ব ব্যক্তিগত অসভ্য সভ্যতার শুরু থেকে,
আর সেখানে চরিত্র হল গিরগিটির রং ,
নিখুঁত ওস্তাদের মতোই বদলে যেতে দেখেছি এই তিন অক্ষরের শব্দটার ,
.... শব্দটা রাতারাতি
হাতবদল হয় খুব নিঃশব্দে ও সস্তায় ,,,
এতই সুক্ষ সে বদলে যাওয়া সেতু , হওয়াও বুঝতে পারে না ।
আসলে চরিত্র বোধহয় নেশার বিনিময়ে নিজেকে শান্ত রাখার নাম।
চরিত্রের গোপন স্বাক্ষর কাগুজে সংকল্পে কখনো বা হস্তান্তর .....যেনো পচে যাওয়া দেহের সুগন্ধি চাদরের আবরণ ।
তবু প্রতিটা মানুষ ধুলো পড়ে যাওয়া দামি জড়োয়া অতীত দেখে নিজেকে অসহায় ভাবে কখনো কখনো ,....।
অথচ নিয়তি চিরকাল হাতের রেখায় পূর্বনির্ধারিত সেটাও সেই মানুষ জানে।
যারা জলের মত কথা বলে তারা জল হয় না ...আসলে একটা ইমান লাগে বহতা স্রোতকে স্বচ্ছ রাখতে । .....
অতীত মনে রাখতে নেই ,অতীত ভাবতে নেই
অতীত নয়তো পাপের মতো নাগপাশে কিংবা চক্রব্যূহ বেঁচে থাকাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয় ।
এক ও ঐক্য ,ষড়যন্ত্র ও ষড়রিপু কখনই সহোদর শব্দ নয়।
মৃদু হাসির আড়ালে ভর্ৎসনা লুকোতে জানে এ শহরের শো কল চরিত্রগুলো ।
একদিন যে চরিত্রদের কখনো লোহার মনে হত, আজ
মরচেপড়া টিনের খোল ছাড়া কিছুই মনে হয় না এখন তাদের।
বাঁচার তাগিদে আধুনিক এর আড়ালে এ মানুষ নামক চরিত্রর হাত বদল হতে মুহূর্ত কিংবা কোনো বন্ধন লাগে না ........চরিত্রের বানানে একটা সহজাত লাম্পট্য লুকিয়ে থাকে ।
চরিত্রের বানানে একটা মীরজাফর মৃত্যুহীন চিরন্তন।
চরিত্র তুমি বিস্ময় চিরকাল।।
(#শুভক্ষণ কাব্যগ্রন্থ)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন